পুরোনো বাড়ি নতুন সাজে সাজাতে কে না চায়! সবাই চায় নিজের থাকার জায়গাটুকু হোক ছিমছাম ও সাজানো-গোছানো। এর জন্য চাই গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে চিন্তা-ভাবনার ডানা মেলে নতুনত্ব আনা। এতেই আপনার ঘরটি হয়ে উঠতে পারে আরেকটু আধুনিক ও ব্যতিক্রমী। আপনিও পেতে পারেন স্বাচ্ছন্দ্যের ছোঁয়া। আধুনিক সাজসজ্জার উপকরণ বদলে দিতে পারে সনাতন ঘরের আদল।
পুরোনো বাড়ির নতুন সাজ সম্পর্কে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার এ আর তুহিন আল হাসান জানান, বেমানান আকৃতির আসবাব দেয়াল ও ঘরের ছিমছাম ভাবকে নষ্ট করে দিতে পারে। আসবাব কেনার সময় জ্যামিতিক আকৃতির আসবাব কেনার কথা মাথায় রাখা ভালো। আর যে আসবাবগুলো ফেলতে পারবেন না, সেগুলোকে আবার নতুন রঙে রাঙিয়ে বার্নিশের মাধ্যমে নানামুখী শেড ব্যবহার করে পুরোনো আসবাবেই আনা সম্ভব নতুনত্ব ও ভিন্নতা। তবে ব্যাপারটি সব ক্ষেত্রে কিন্তু প্রযোজ্য নয়। আপনার ঘরের আকৃতি আর দেয়ালের রঙের ওপর ভিত্তি করে এমন একটি আসবাব বা গৃহসজ্জার উপকরণ নান্দনিকভাবে মানিয়ে যেতে পারে, যা আপাতদৃষ্টে হয়তো মানানসই নয়।

পুরোনো ঘরের সাজসজ্জা এক ধাক্কায় বদলে না ফেলে একটু একটু করে ধীরে ধীরে বদলান। চিন্তাভাবনায় সময় নিন। একটি-দুটি করে আসবাব বদলান কিংবা সংযোজন অথবা বিয়োজন করুন। এতে করে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সময় পাবেন। ঘরজুড়ে স্নিগ্ধতার ছোঁয়া ছড়িয়ে দিতে দেয়ালে ঝুলিয়ে দিতে পারেন মানানসই কিছু পেইন্টিং বা ওয়ালম্যাট পেইন্টিং। পেইন্টিং যে বিখ্যাত কোনো চিত্রশিল্পীর হতে হবে এমন কোনো কথা নেই, বাজারে স্বল্পমূল্যে পাওয়া বিশাল আকৃতির পোস্টারও আপনার ঘরের শোভা বাড়িয়ে দিতে পারে বহুগুণ। বাথরুম কিংবা কিচেনের সাজসজ্জায় মনোযোগী হতে পারেন ফিটিংসে। পুরোনো মেঝে কিংবা দেয়ালের পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে নতুন মডেলের ফিটিংস নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়, যা নতুন রূপ দেবে পুরোনো বাথরুম ও কিচেনকে। কিচেনে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা থাকলে দেয়ালজুড়ে ক্যাবিনেট তৈরি করতে পারেন। এতে সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনি সব সময় কাজে লাগে না এমন আসবাব চোখের আড়ালে রাখার জায়গাও পাবেন। যাকে বলে টু-ইন-ওয়ান পদ্ধতি। আর র্যাক কিংবা তাক লাগানোর জন্য দেয়াল তো রয়েছেই। আধুনিক স্টাইল পছন্দ করে র্যাক সেট কিনুন। সনাতন ধারণার লম্বালম্বি আর আড়াআড়ি ক্রস র্যাক না লাগানোই ভালো। কিচেন যদি লম্বাকৃতির হয় সে ক্ষেত্রে সাধারণ তাক কিংবা র্যাক ভালোভাবে মানিয়ে যাবে। বাথরুমে আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে ব্যবহার করতে পারেন স্টেইনলেস স্টিলের ফিটিংস। এগুলোর দাম এখন হাতের নাগালে। আধুনিক ডিজাইনের পাশাপাশি চমৎকার এই ফিটিংসগুলো আপনাকে দেবে ঝকঝকে, চকচকে অনুভূতি।
ধাতব আসবাবের ব্যবহার
প্রথাগত কাঠ, বাঁশ কিংবা বেতের পাশাপাশি ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ধাতুর সমন্বয়ে নির্মিত আসবাব। আধুনিক যুগে নিকেল, তামা কিংবা পিতল এমনকি স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি বিভিন্ন আসবাব কিংবা তৈজসপত্র এখন আপনার নিকটস্থ দোকানেই পাওয়া যায়। এসব তৈজসপত্র এগিয়ে আছে শুধু দীর্ঘস্থায়িত্বের দিক থেকেই নয়, সৌন্দর্য আর আধুনিকতায়ও। এর সংযুক্তিতে বাড়তি পাওয়া হিসেবে আপনার বাড়িতে কিংবা বিশেষ কোনো ঘরে ফুটে উঠবে ঐতিহাসিক এক আবহ। আবার পুরো ঘরের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন ঘরের বিশেষ কোনো একটি জায়গার প্রতি। এখানে বিশেষ কোনো শোকেস বা র্যাক বসিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারেন তামা, কাসা কিংবা পিতলের শোপিস। ঘর দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে ঘরের কোনায় রাখতে পারেন অলংকৃত বড় বড় মটকা বা হাঁড়ি।

আলোকময় চারপাশ
ঘরজুড়ে মায়াবী আলো-ছায়ার খেলা। চোখ বন্ধ করে একবার ভাবুন তো! অদ্ভুত এই সৌন্দর্য জায়গা করে নিতে পারে আপনার পুরোনো বাড়ির ঘরগুলোতে। কিন্তু রাতের বেলায়? তখন তো আর সূর্যের আলো নেই। সেটা নিয়ে টেনশন না করে বরং চলে যান কাছাকাছি ডেকোরেশন শপে। দেখে-শুনে বেছে নিন অতিকায় কোনো লাইট শেড আর ছোট ছোট ঝাড়বাতি, যেটা আপনার পছন্দ। আপনার ঘরের বাকি সাজসজ্জা, আসবাবের অবস্থান আর পুরো ঘরের আকৃতি বুঝে বেছে নিন পছন্দমতো আলোকসজ্জার উপকরণ। ঘরের সৌন্দর্য তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে বাড়বে মানসিক প্রশান্তি। স্নিগ্ধ আলোয় বদলে যাবে আপনার পুরোনো ঘরের সনাতন অবয়ব।
শামস আহমেদ
shamsahmed13@gmail.com
প্রকাশকাল: বন্ধন ৪৯ তম সংখ্যা, মে ২০১৪
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz