নিরাপদ নির্মাণের যত মিথ

বাংলাদেশসহ সম্ভবত সারা বিশ্বেই অলিখিত প্রবাদ রয়েছে, আর তা হচ্ছে কোনো ভালো কাজে কিংবা বড় কিছু পেতে কাউকে না কাউকে বড় ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। বৈশি^ক যত নির্মাণকাজ, তার প্রতিটিতেই রয়েছে অজস্র মানুষের আত্মত্যাগ। নির্মাণকাজ চলাকালীন বা এর পরে হয় নির্মাণশ্রমিক নাহয় পথচারী নতুবা প্রতিবেশী কিংবা নির্মাণসংশ্লিষ্ট কেউ মারা যাননি বা গুরুতর জখম হননি এ রকম ঘটনা খুঁজে পাওয়া মুশকিল। যদিও নির্মাণ সাইটে সাইনবোর্ডে বড় বড় অক্ষরে  ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ বা ইংরেজিতে ‘সেফটি ফার্স্ট’ কথাটি লেখা থাকে। এরপরও অনেক ক্ষেত্রেই নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না যথাযথ নিরাপত্তা। কোনো না কোনোভাবে দুর্ঘটনা ঘটছেই, যাতে অনেক ক্ষেত্রে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে। একসময় মানুষের বিশ্বাস ছিল কোনো ব্রিজ বা সেতু নির্মাণের আগে নির্মাণ স্থানে কোনো প্রাণ বিসর্জন না দিলে সেখানে মৃত্যু অনিবার্য। এসব মৃত্যু কি আসলেই দৈব ঘটে নাকি অসাবধানতাবশত ঘটা দুর্ঘটনা মাত্র? একসময় এ ধরনের দুর্ঘটনা দৈব বিশ্বাসের মধ্যে সীমিত থাকলেও এখন তা কেউ আর মানতে রাজি নন। এখন এটা সর্বজন স্বীকৃত যে সাবধানতা অবলম্বন করলেই এ ধরনের দুর্ঘটনা সহজেই এড়ানো সম্ভব।

দেশের অর্থনীতি যেমন সামনে এগোচ্ছে তেমনি চাহিদা বাড়ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের। আগের অবকাঠামো আর চাহিদা এখনকার প্রয়োজনকে পূরণ করতে না পারায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ভবন, রাস্তা, সেতু, কলকারখানা। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের (আমেরিকা) ‘ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস’-এর এক পরিসংখ্যান বলছে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ২০২৬ সালের মধ্যে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৪০০ নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হবে অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে। অর্থাৎ ১০ বছরে কাজের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে শতকরা ১১ ভাগ। আর এই একই অনুপাতে বাড়ছে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। এই সংখ্যা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের; সারা বিশ্বের অঙ্কটা আরও বড়। এখানে বলে রাখা ভালো, কর্মক্ষেত্রে শুধু দুর্ঘটনা ঘটে তা কিন্তু নয়, এখানে কাজ করতে গিয়ে অনেক শ্রমিক অতিরিক্ত ভারবহন বা দীর্ঘ সময় একইভাবে কাজ করায় পড়েন মারাত্নক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। ফলে শারীরিকভাবে আহত হওয়া এসব নির্মাণশ্রমিকেরা জীবনের অনেকটা সময় কাটায় প্রায় পঙ্গু ও কর্মহীন অবস্থায়।

যদিও নির্মাণশিল্পে প্রতিনিয়তই উদ্ভাবিত হচ্ছে নতুন নতুন কৌশল ও প্রযুক্তির, তারপরও এ রকম পরিস্থিতিকে মোকবিলা করা সম্ভব হচ্ছে না। কেননা এ ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় আমাদের কিছু গতানুগতিক ও সনাতন চিন্তাভাবনা ও ভ্রান্ত ধারণা। যেমন, শুরুতেই যে ভুল ধারণাটি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় তা হচ্ছে ‘শিল্প হিসেবে নির্মাণটা এখনো যথেষ্ট উন্নত নয়।’

এখন সময়টা এমন যখন তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের নিজ হাতে কাজ করাকে ভোলাতে বসেছে। রান্নাঘর, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ জীবনের সর্বত্রই রয়েছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। সেখানে নির্মাণশিল্পের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান এখনো যথেষ্ট উন্নত নয়, এই ভাবনাটাই ঠিক নয়। তাহলে কেন এ রকম ভাবছি? ভাবছি এ কারণে যে যখন সবখানেই প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে, তখন দেখি নির্মাণশ্রমিকেরা ইটের স্তূপ মাথায় নিয়ে ৩০-৪০ ফুট বা আরও বেশি ওপরে সিঁড়ি বেয়ে উঠছে। এখনো দেখা যায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে শ্রমিকেরা ঝুলে ঝুলে কাজ করছে কোনো ধরনের নিরাপত্তার সুব্যবস্থা ছাড়াই। যখন শ্রমিকেরা বিপজ্জনকভাবে কাঠ বা রড দড়ি দিয়ে বেঁধে কয়েক তলা ওপরে টেনে তোলেন, তখন প্রতিষ্ঠিত হয় ভুল ধারণাটাই। অথচ বর্তমানে প্রযুক্তি যে অবস্থানে আছে, তাতে এ ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার কোনো প্রয়োজনই নেই।

কোনো প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পেছনে মূল লক্ষ্য থাকে উৎপাদন বৃদ্ধি আর তার মানোন্নয়ন। আরও সহজ করে বললে কম শ্রমে বেশি কাজ। এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্ব পায় শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি। কারণ, যন্ত্র ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে মেশিনও চলবে না আর হবে না উৎপাদনও। বর্তমানে নির্মাণশিল্পে নতুন নতুন যন্ত্রের আবিষ্কারের কথা ভাবলে দেখা যায় এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে রোবটিকস। একটা সময় পর্যন্ত ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল, মেকানিক্যাল বা অটোমোবাইল ছিল দারুণ এগিয়ে। এখন যে এসব যন্ত্র অকেজো হয়েছে তা কিন্তু নয়। বরং এসবের সঙ্গে রোবটিকস অর্থাৎ কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ যুক্ত হয়ে হচ্ছে আরও আধুনিক ও উন্নত। এখন থ্রি-ডি প্রিন্টার ব্যবহারে সহজেই জটিল ডিজাইনের স্থাপনা তৈরি করা সম্ভব। ইট গাঁথতে এখন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। একই ভাবে দেয়ালের প্লাস্টার বা রং করার জন্য ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেয়ালের গায়ে ঝুলে থাকারও প্রয়োজন নেই। রাস্তার ইট বিছানোর জন্য দীর্ঘ সময় উবু হয়ে পা আর মেরুদণ্ডের স্থায়ী ক্ষতি করারও প্রয়োজন পড়ছে না। এক্সকেভেটর, ড্রিল, ক্রেন, লিফট তো আমরা অনেক আগ থেকেই ব্যবহার করছি। এখন প্রয়োজন শুধু নতুন যন্ত্রগুলোকে ঠিকমতো কাজে লাগানো। কিন্তু তারপরও কিছু ঝুঁকি থেকে যায়। এসব মেশিন বা যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার সময়ও একজন নির্মান শ্রমিক মেরুদণ্ডে, স্পাইনাল কর্ডে বা হাতে আঘাত পেতে পারে। তাই তৈরি হয়েছে রোবটিক হাত। যেখানে ওয়েল্ডিং, ড্রিল মেশিন চালানো বা এ ধরনের কিছু কাজ করতে হয়, যা দীর্ঘ সময় করতে গেলে বারবার শরীরের নির্দিষ্ট একটা অঙ্গে চাপ পড়ে, যার ফলে একসময় অঙ্গটি অকেজো হয়ে যায়। এই রকম কাজের ক্ষেত্রে নব উদ্ভাবিত রোবোটিক এই হাত রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

এখন থেকে হয়তো যানবাহনও রোবট নিয়ন্ত্রিত হবে। বিশেষ করে যেসব জায়গায় মানুষের পক্ষে গাড়ি নিয়ে যাওয়া মানে জীবনবাজি রাখা, এ রকম পরিস্থিতিতে রোবট নিয়ন্ত্রিত গাড়ি হতে পারে উপযুক্ত সমাধান। এ ছাড়া ড্রোনের ব্যবহার তো এখন অহরহই হচ্ছে। আর মাথার হেলমেটটি কিন্তু এখন আর শুধু মাথায় চাপে না। এই হেলমেট এখন অনেক বুদ্ধিমান। কোনো শ্রমিক উঁচুতে কাজ করার সময় সেখান থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছে কি না তা আগাম বলে দিতে সক্ষম। আপনার অবস্থান, পরিস্থিতি নিয়মিত নিয়ন্ত্রণকক্ষে জানাতেও সক্ষম অটোমেটেড এই হেলমেট। কাজেই নির্মাণশিল্প এখন যথেষ্ট উন্নত নয়, এটা বলার আর কোনো অবকাশ নেই বললেই চলে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাওয়া প্রচলিত ধারণাটি হচ্ছে এ শিল্পের ‘নিয়মকানুন পরিবর্তনযোগ্য নয়’। হ্যাঁ এটা ঠিক যে কোনো একটা নিয়ম বা আইন যে কেউ যেকোনো সময় পরিবর্তন করবে, এটা কিন্তু হওয়া উচিত নয়। তবে একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে আর তা হচ্ছে, আমরা যতই সাবধানতা অবলম্বন করি আর উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করি না কেন, নির্মাণকাজে সব সময়ই একটা ঝুঁকি থাকেই। এ কারণেই নির্মাণশিল্পকে সব দেশের সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা সবচেয়ে ‘ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প’ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে নীতিনির্ধারকেরা কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধানের জন্য একটা আইন বা নীতিমালা তৈরি করে রেখেছে এবং প্রতিটি নির্মাণ সাইটে তা অনুসরণ করা অবশ্যই পালনীয়। নির্মাণ সাইটে কী করা যাবে, কী করা যাবে না, কী কী মেনে চলা বাধ্যতামূলক, কী কী কাজ অবশ্যই বর্জনীয় এ রকম অনেক নির্দেশনামূলক কথাবার্তা এই নীতিমালায় উল্লেখ আছে। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য এসব নির্দেশনা মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রত্যেককেই নির্মাণ সাইটের মারাত্মক চারটি বিষয় (fatal four) সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। নির্মাণ সাইটের সিরিয়াস এই চারটি বিষয় হচ্ছে, ১. ওপর থেকে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পড়ে যাওয়া (ফাটলও হতে পারে), ২. কোনো কিছুতে আঘাত পাওয়া, ৩. তড়িতাহত/বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এবং ৪. কোথাও বা কোনো কিছুর মধ্যে আটকে পড়া।

যদিও প্রতিটা নির্মাণ সাইটেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তাই নীতিনির্ধারকেরা সবচেয়ে বেশি ঘটা বিষয়গুলোই নির্দেশনায় লিপিবদ্ধ করেছেন। এরপরও বাকি থেকে যায় অনেক কিছু। কারণ, আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রতিটি সাইটেরই কিছু ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিভিন্ন কারণে দুটি সাইট কখনই এক রকম নয়। তাই শুধু তাদের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে সাবধানতা অবলম্বন করলে দুর্ঘটনার সুযোগ থেকে যায়। এ জন্য নির্মাণকাজ শুরু করার আগে নির্দেশিত সাবধানতা তো অবলম্বন করতেই হবে, একই সঙ্গে সাইটের অবস্থান, কাজের ধরন, পরিবেশ পরিস্থিতি ইত্যাদি সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীকে মনে রাখতে হবে যে বিষয়টি শুধু সরকারি নির্দেশনা মান্য করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই নির্দেশনার বাইরেও যদি কোনো বিপদ বা ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে, তাহলে নিয়োগকর্তা নিজ দায়িত্বে সংশোধন করবে। তবেই নিশ্চিত করা সম্ভব একটি নিরাপদ কর্মক্ষেত্র।

যে ভুল ধারণাটা বিপদ ডেকে আনে সেটি হচ্ছে, আমরা ধরেই নিই নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার বা নিয়োগকর্তার দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’-এর মতে, কোনো একটি নির্দিষ্ট বিভাগকে নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়ে অন্য সবার নিশ্চিন্ত থাকা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বিভাগের ওপর নিরাপত্তার দায়িত্ব দিলে যোগাযোগ বা সমন্বয়হীনতার কারণে পুরো নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। বড় সাইটগুলোতে কখনো কখনো সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নির্দিষ্ট একটি বিভাগ থাকে এবং অন্য বিভাগগুলো নির্ভর করে তাদেরই ওপর। কিন্তু একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী অবশ্যই তার নিরাপত্তার বিষয়টি নিজের দায়িত্বে রাখবে। প্রকৃতপক্ষে এটাই হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের দেশে প্রায়ই একটা বিষয় লক্ষণীয় যে বিশেষ করে শ্রমিকেরা তাঁদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে অত্যন্ত উদাসীন। নিরাপত্তার জন্য যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা পালন করতে তাঁদের বাধ্য না করা পর্যন্ত স্বেচ্ছায় পালনে রাজি হন না। সাইটে কর্মরত প্রত্যেক ব্যক্তির দায়িত্ব এটা যে তাঁদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করা। এটা ম্যানেজার বা সুপারভাইজারের একমাত্র দায়িত্ব নয় যে কোন শ্রমিক হেলমেট ছাড়া কাজ করছেন, কে সেফটি বেল্ট ছাড়াই ঝুলে ঝুলে কাজ করছেন তার দেখভাল করা। বরং এটা শ্রমিকেরও দায়িত্ব যে কর্মক্ষেত্রে তাঁর নিরাপত্তা পূর্ণ নিশ্চিত হচ্ছে কি না! এ জন্য প্রয়োজনে সে ম্যানেজার বা কর্তৃপক্ষকে চাপ দেওয়ার অথবা কর্মক্ষেত্র ত্যাগ করার অধিকার রাখে।

নির্মাণশিল্প যদিও প্রথম শ্রেণির ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প, তারপরও বলা যায় এটা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সহায়ক। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির যে উন্নয়ন হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা উন্নয়নের বিষয়টিও। নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তিরা যদি তাঁদের নিজেদের ব্যাপারে একটু সচেতন হন, সাইটের নিয়মকানুন মেনে চলেন ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করেন তাহলে ভবিষ্যৎ নির্মাণের কাজে তাঁরা থাকবেন নিরাপদ ও সুরক্ষিত। তাঁদের শ্রম বা আত্মত্যাগ সেভাবে কেউ মনে রাখে না, তবে এ কাজে এসে এখন আর তাঁদের হয়তো বা নিজেকে হারাতে হবে না।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৯৫তম সংখ্যা, মার্চ ২০১৮।

আবু সুফিয়ান
+ posts
Scroll to Top