নির্মাণ কাজে প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হচ্ছে ইট। এ বহুল ব্যবহৃত ইট সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে। ইটের প্রকারভেদ নির্ভর করে ইট নির্মাণে ব্যবহৃত মাটির প্রকৃতি, ছাঁচের ধরণ এবং ইট পোড়ানোর পরিমাণের উপর। ইটের প্রকারভেদগুলো হলো-
সাধারণ ইট
সিরামিক ইট
বিশেষ কাজে ব্যবহারযোগ্য ইট
আমরা সচরাচর যে ধরনের ইট দেখি তা হলো সাধারণ ইট। সাধারণ ইট আবার কয়েক রকম হতে পারে-
প্রথম শ্রেণীর ইট
পিকেড ইট
দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট
তৃতীয় শ্রেণীর ইট
Picked Bricks : Picked ইটগুলো প্রথম শ্রেণীর ইটের চেয়ে শক্ত হয়। আকৃতি সুষম হয় না এবং এ ধরনের ইট খোয়া বানানোর জন্য উত্তম।
প্রথম শ্রেণীর ইট : BD5 208 অনুযায়ী প্রথম শ্রেণী ইটের কিছু গুণাবলী রয়েছে, নিচে বৈশিষ্ট্যগুলো উলেখ করা হলো-
ইটের রঙ, আকার, আকৃতি একরূপ হতে পারে। ইটের ধারগুলো এবং কোণাগুলো ধারালো হতে হবে।
ইটে কোনোরূপ ফাঁটল বা চিড় থাকবে না এবং ইট সুষমভাবে পুড়তে হবে।
ছোট হাতুড়ি বা অপর ইট দিয়ে ইটকে আঘাত করলে সৃষ্ট যান্ত্রিক শব্দ উৎপন্ন হবে।
প্রথম শ্রেণীর ইটকে পানিতে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে পানি শোষণের পরিমাণ হবে ইটের শুষ্ক ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ।
প্রথম শ্রেণীর ইটকে অপর ইট দিয়ে আঘাত করলে তা ভাঙবে না। মাঠে পরীক্ষার জন্য একটি সহজ পদ্ধতি হল মাটি থেকে ৩-৪ ফুট উচ্চতা হতে দুটি প্রথম শ্রেণীর ইটকে “T” আকারে ছেড়ে দেয়া হলে ইট ভাঙবে না।
ইটের একক ভর (Unit weight) হবে ১১০০ কেজি প্রতি ঘনমিটার।
ইটের আদর্শ আকার হলো ২৪০ মি.মি. x ১১৫ মি.মি. x ৭০ মি.মি.।
ইটের আকারে সামান্য তারতম্য গ্রহণযোগ্য যথা-
ক) দৈর্ঘ্যে ৬ মি.মি. এর অধিক নয়
খ) প্রস্থে ৫ মি.মি. এর অধিক নয়
গ) উচ্চতায় ১.৫ মি.মি. এর অধিক নয়
৯) ইটের soluble salt এর পরিমাণ ২.৫ শতাংশ এর অধিক হবে না।
১০) ইট অধিক বা অল্প পোড়া হবে না।
১১) ইট হবে non-inflammable এবং incombustible.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট
দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট অধিক পোড়া অথবা সঠিক পোড়া হয়।
এ ধরনের ইটের বর্ণ প্রথম শ্রেণীর মতো হয় তবে আকার কিছুটা অসম হয়।
এ ইটের পৃষ্ঠে সামান্য ফাঁটল বা চিড় থাকে।
পানি শোষণ ক্ষমতা ওজনের ২০ শতাংশ এর অধিক হয়।
তৃতীয় শ্রেণীর ইট
তৃতীয় শ্রেণীর ইট সঠিক মাত্রায় পোড়া হয় না।
এ শ্রেণীর ইটের আকৃতি সঠিক নয়।
এ ধরনের ইটে সামান্য efflorescence দেখা যায়।
ইটের পানি শোষণ ক্ষমতা অধিক।
ইটের উপাদানসমূহ : ইট মূলত কাদামাটি ও বালির সঠিক সংমিশ্রণে উৎপন্ন হয়।
ওঝ ২১১৭-১৯৬ ও অনুসারে ইটের উপাদানের অনুপাত হবে নিম্নরূপ-
এঁটেল মাটি ২০-৩০ শতাংশ
পলি ২৫-৩৫ শতাংশ
বালি ২৫-৪০ শতাংশ
এছাড়াও ইটে সামান্য পরিমাণে চুনাপাথর (lime) ছাই অথবা অর্গানিক পদার্থ মিশ্রিত করা হয় এর ফলস্বরূপ ইট দ্রুত পোড়ে। তবে চুনাপাথরের পরিমাণ ৫ শতাংশ-এর অধিক ব্যবহার করা হয় না। ইটে ব্যবহৃত Iron oxide ইটকে লাল বর্ণ দেয় অপরদিকে Magnesia ব্যবহারের কারণে সামান্য হলুদ আভা পাওয়া যায়। স্বল্প পরিমাণে মিশ্রিত alkali ইটের মাটিকে নমনীয় করে তথা এর Plasticity বাড়িয়ে দেয়।
ইটের ক্ষমতা
ইটের crushing strength কিছুটা অনিয়মিত সাধারণ ৩০ কেজি প্রতি বর্গ সে.মি. থেকে ১৫০ কেজি প্রতি বর্গ সেমি হতে পারে। তবে অধিক শক্তি সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ইটের crushing strength ৪৫০ কেজি প্রতি বর্গ সেমি থেকে ৫০০ কেজি প্রতি সেমি হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের ইটের crushing (compressive) strength নিচে দেয়া হলো-
সাধারণ বিল্ডিং ইট : ৩০-৪০ কেজিপ্রতি বর্গ সে.মি.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট : ৮০ কেজিপ্রতি বর্গ সে.মি.
প্রথম শ্রেণীর ইট : ১১৫ কেজিপ্রতি বর্গ সে.ম.
মৃদু পোড়া ইট : ১৫-২৫ কেজি প্রতি বর্গ সেমিপানিতে ভেজানোর পর ইটের crushing strength শতকরা ২৫ শতাংশ লোপ পায়।
– প্রকাশকাল: বন্ধন ২৫ তম সংখ্যা, মে ২০১২
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz