থাই গ্লাস-অ্যালুমিনিয়াম-বৃত্তান্ত

আগে মানুষের বাস ছিল মাটি; পাথরের ঘরে। এরপর বেড়েছে বাঁশ, কাঠ ও টিনের ঘরের। ক্রমান্বয়ে যুক্ত হয়েছে ইট, কংক্রিট ও স্টিল কাঠামোয়। তবে ঘর যে উপকরণেই নির্মিত হোক না কেন আলো-বাতাসের জন্য দরজা-জানালা তৈরিতে সবার পছন্দ কাঠ। তাই কাঠের ব্যবহারও চলে আসছে অনেক আগ থেকেই। কিন্তু আধুনিকতা ও সৌন্দর্যের নিরিখে বিশ^ব্যাপী ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে গ্লাস বা কাচ। বাসা-বাড়ি, অফিস বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সর্বত্রই ব্যবহৃত হচ্ছে নানা আঙ্গিকের গ্লাস। তবে এর মধ্যে থাই অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের সঙ্গে গ্লাস লাগানোর চল পেয়েছে দারুণ জনপ্রিয়তা। থাই গ্লাস একসময় ব্যাপকভাবে জানালায় ব্যবহৃত হলেও তা এখন ঘরের পার্টিশন দরজা থেকে দেয়ালেও ব্যবহৃত হচ্ছে। থাই অ্যালুমিনিয়াম মজবুত, দৃষ্টিনন্দন ও হালকা হওয়ায় শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বাড়ছে এর ব্যবহার। থাই অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেমে বাহারি রঙের ও ধরনের গ্লাস যুক্ত হয়ে আমাদের প্রচলিত ভাষায় তা পরিচিতি পেয়েছে থাইগ্লাস বলেই। উল্লেখ্য, থাই অ্যালুমিনিয়াম তৈরির মূল কাঁচামাল মূলত থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা।

প্রযুক্তির বদৌলতে দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদা ও রুচি। আধুনিক মানুষের বসবাসের জন্য বাসাবাড়ি ও অফিসের সৌন্দর্যে বিভিন্ন ধরনের গ্লাসের সংযোজন ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করেছে। এই গ্লাসের কাজের বড় একটা অংশজুড়ে রয়েছে থাই অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার। থাই গ্লাসের কাজে গ্লাস, অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম, লক, চাকা, রাবার, ডোর ক্লোজার ও ক্ষেত্রবিশেষে সিলিকন গাম আনুষঙ্গিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

থাই গ্লাসের বহুবিদ ব্যবহার

  • দেয়ালের পরিবর্তে থাই গ্লাস ব্যবহার হয় অহরহ
  • ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাজসজ্জায় থাই গ্লাস ব্যবহৃত হয়
  • কাজের সুবিধার্থে সহজে রুমের পার্টিশন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায়
  • ভবনের স্থায়ী কাঠামো ঠিক রেখে রুমের আকার ছোট বা বড় করা যায়
  • বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিংমলের সৌন্দর্যের বড় অংশ
  • সিঁড়িতেও আজকাল টেম্পারিং করে গ্লাসের ব্যবহার করা হয়।

গ্লাসের আতিপাতি

বসতবাড়ি, অফিস, শপিংমল কিংবা করপোরেট অফিসের দরজা-জানালা, রুম পার্টিশন এমনকি বাইরের পার্টিশন, যা কার্টেইন ওয়াল নামে পরিচিত এগুলোর কাজে গ্লাসের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। এসব কাজে দেশি ও বিদেশি দুই ধরনের গ্লাসই ব্যবহৃত হয়। যার সিংহ ভাগের জোগানদার দেশীয় প্রতিষ্ঠান নাসির গ্লাস ও পিএইচপি গ্লাস। এ ছাড়া জাপান, চীনসহ অন্য দেশ থেকেও গ্লাস আমদানি করা হয়।

ধরনভেদে গ্লাসের দরদাম উল্লেখ করা হলো। তবে দেশীয় কোম্পানি নাসির গ্লাস ও পিএইচপির দাম প্রায় কাছাকাছি। তাই এ দুই কোম্পানির গ্লাসের দরদাম-

ক্রমিক নম্বরপুরুত্ব (মিলি মিটার)ধরনদাম (প্রতি বর্গফুট)
৩ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস৪০-৪৫ টাকা
৪ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস৫০-৫৫ টাকা
৫ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস৬৫-৭০ টাকা
৬ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস৯০-৯৫ টাকা
৮ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস১২০-১২৫ টাকা
১০ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস১৪০-১৫০ টাকা
১৬ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস২১০-২২০ টাকা
২০ মি.মিক্লিয়ার গ্লাস২৫০-২৮০ টাকা

বর্তমানে কার্টেইন ওয়াল ও জানালায় মার্কারি গ্লাসের ব্যবহার বাড়ছে। মার্কারি গ্লাসের সুবিধা হলো ভবনের ভেতর দিক হতে বাইরে দেখা গেলেও বাইরে থেকে ভেতরের কিছুই দেখা যায় না। আমাদের দেশে বিভিন্ন রঙের মার্কারি গ্লাস পাওয়া যায়। যেমন- গ্রিন, ব্লু, নেভি ব্লু, ওয়াশ ব্লু ও গোল্ডেন। দেশের বাজারে পুরুত্বভেদে তিন রকম মার্কারি গ্লাস পাওয়া যায়। যেমন- ৫ মিলি, ৫.৫ মিলি, ৬ মিলি। তবে ৬ মিলি গ্লাসের ব্যবহারই বেশি।

নাসির গ্লাস ও চীন থেকে আমদানি করা মার্কারি গ্লাসের বাজারমূল্য-

ক্রমিকপুরুত্বধরনদাম (প্রতি বর্গফুট)
৬ মি.মিগ্রিন মার্কারি১০৪-১১০ টাকা
৬ মি.মিব্লু মার্কারি১০৪-১১০ টাকা
৬ মি.মিনেভি ব্লু মার্কারি১০৪-১১০ টাকা
৬ মি.মিওয়াশ ব্লু মার্কারি১১৫-১২০ টাকা
৬ মি.মিগোল্ডেন মার্কারি১৫০-১৭০ টাকা

বলে রাখা ভালো, ৩ মিলি থেকে ১০ মিলি পর্যন্ত পুরুত্বের গ্লাস মূলত অধিকাংশ দোকানেই মেলে। তবে ১৬ ও ২০ মিলি মিটারের গ্লাসের ব্যবহার কম হওয়ায় আগে থেকে অর্ডার করতে হয়। এই পুরুত্বের গ্লাস টেম্পার ছাড়া ব্যবহার করা যায় না। ১০ মিলি টেম্পারিং গ্লাস স্টান্ডার্ড দরজার সাইজ অনুযায়ী রেডিমেট পাওয়া যায়, যা সাধারণত ৭ হাজার থেকে ৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিকিকিনি হয়। তবে আনুষঙ্গিক মালামালসহ মিস্ত্রির ফিটিং চার্জসহ ১০ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা এই গ্লাসের জন্য ব্যয় হয়। সাজসজ্জার পাশাপাশি ২০ মিলির গ্লাস সিঁড়ি বানানোর কাজেও ব্যবহার হয়। তবে সে ক্ষেত্রে ২০ মিলি টেম্পার গ্লাস ডাবল পেস্টিং করে সিঁড়ির কাজে ব্যবহার করতে হয়। 

এ ছাড়া প্রচলিত কাজের ভাষায় কাটিং ওয়াল বা কার্টেইন ওয়াল বা ভবনের বাইরের দেয়াল যা গ্লাসের তৈরি তা বিভিন্ন কোম্পানি বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মালামালসহ প্রতি বর্গফুট ৪০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা নিয়ে কাজ করে থাকে। এখানে বলে রাখা ভালো, কার্টেইন ওয়ালে সাধারণত বিভিন্ন রঙের মার্কারি গ্লাস ব্যবহার করা হয়। মার্কারি গ্লাসের মধ্যে গোল্ডেন মার্কারি গ্লাস সবচেয়ে বেশি দামে বিকিকিনি হয়। বিলাসবহুল বাড়িতে বা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অফিস ডেকোরেশনের কাজে গ্লাসের কার্টেইন ওয়াল ব্যবহার করা হয়।

অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের বিষয়াদি

দেশি ও বিদেশি দুই ধরনের কোম্পানির থাই অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেম পাওয়া যায় বাজারে। বর্তমানে বাংলাদেশের দুটি কোম্পানি স্থানীয় বাজারের চাহিদার অনেকটাই জোগান দিচ্ছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম অন্যটি ঢাকা থাই লিমিটেড বা অ্যালকো থাই অ্যালুমিনিয়াম। অ্যালকো থাই অ্যালুমিনিয়াম কয়েকটি ব্র্যান্ডে তাদের পণ্য বাজারজাত করছে যেমন, অ্যালকো, অ্যালকো প্লাস, ম্যাক্স, ম্যাক্স প্রো। আর বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম বিটিএ ব্যান্ড নামে পণ্য বাজারজাত করছে। আর বিদেশি সর্বাধিক জনপ্রিয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে কাই, চুংহুয়া ও নিক্কি। বর্তমানে চুংহুয়া কেম্পানির থাই অ্যালুমিনিয়ামের দাম সবচেয়ে বেশি।

থাই অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের রঙের ভিন্নতায়

থাই গ্লাস ফিটিংয়ের জন্য গ্লাস ও ডেকোরেশনের সঙ্গে মিল রেখে বিভিন্ন রঙের থাই অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। যেমন: কফি কালার, কালো কালার ও অ্যাশ বা সিলভার কালার। এ ছাড়া পাওয়া যায় ক্লিয়ার পলিশ, পাউডার কোটেড, ম্যাট অনেক ধরনের রঙে।

মিস্ত্রি খরচসহ কমম্পিøট থাই অ্যালুমিনিয়াম গ্লাসের আনুমানিক দরদাম:

কাজের ধরনকাজের পরিমাণকাজের মূল্য
গ্লাস পার্টিশনপ্রতি বর্গফুট২০০-২৩০ টাকা
নেটসহ (জানালা)প্রতি বর্গফুট২৮০-৩০০ টাকা
এল টেক নেটসহ (জানালা)প্রতি বর্গফুট৩১০-৩২০ টাকা
কাই নেটসহ (জানালা)প্রতি বর্গফুট৩৩০-৩৫০ টাকা
চুংহুয়া নেটসহ (জানালা)প্রতি বর্গফুট৩৫০-৩৯০ টাকা

ওপরের আনুমানিক মূল্যতালিকা ক্লিয়ার গ্লাসের জন্য তবে পার্টিশন বা জানালায় মারকারি গ্লাস হলে উল্লেখিত টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ টাকা যোগ হবে এবং এই মূল্য ঢাকা সিটির জন্য প্রযোজ্য। এ ছাড়া ঘরে যেকোনো পুরোনো থাই জানালা, পার্র্টিশন, গ্লাস ডোর, সিলিং ইত্যাদি কাজ আলোচনার মাধ্যমে বাজারমূল্যে ঠিক করা হয়। কাজের মূল্য অবস্থানভেদে পরিবর্তন হতে পারে।

থাই গ্লাস ফিটিংয়ের আনুষঙ্গিক রাবার

থাই গ্লাসের কাজে আনুষঙ্গিক হিসেবে রাবার ব্যবহার করা হয়। থাই অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের মধ্যে গ্লাস সুন্দর ও মজবুতভাবে আটকে রাখতে রাবার ব্যবহার করা হয়। চায়না ও থাইল্যান্ড থেকেই বেশির ভাগ থাই গ্লাসের রাবার আমদানি করা হয়। বিভিন্ন ধরনের রাবার বাজারে পাওয়া যায়। রঙের দিক থেকে সাদা, কালো, নীল ও সবুজÑ এ চার রঙের রাবার বাজারে পাওয়া যায়। ১০০ ফুটের রোল সাধারণত ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হয়।

মজবুত ফিটিংয়ের জন্য সিলিকন গাম

আধুনিক অফিস মানেই গ্লাস পার্টিশন ও গ্লাস কার্টেইন ওয়ালের বহুল ব্যবহার। আর এই থাই গ্লাসের পার্টিশনের কাজে ও কার্টেন ওয়াল ফিটিংয়ের জন্য বিভিন্ন মানের ও রঙের সিলিকন গাম ব্যবহার করা হয়। সাধারণ পার্টিশনের কাজে যে সিলিকন গাম ব্যবহৃত হয়, তা ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা মূল্যে বাজারে পাওয়া যায়। কিন্তু কার্টেন ওয়াল ফিটিংয়ের জন্য বেশ ভালো মানের সিলিকন গাম ব্যবহার করতে হয়, যা বাইরের আবহাওয়ায় ও বেশ অনেক বছর টেকসই হয়। ব্র্যান্ড ও মানভেদে ২৮০ থেকে ৮০০ টাকায় এ সিলিকন গাম বাজারে পাওয়া যায়।

থাইয়ের কাজে লকের সংযোগ

থাইয়ের গ্লাসের দরজা বা জানালা আটকে রাখতে লক বা তালা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। চোর বা নিরাপত্তাহীনতা থেকে তালা ঘর বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখে। থাইয়ের জানালায় সাধারণত সিঙ্গেল লক লাগানো হয়, যা কেবল ভেতর দিক থেকে লাগানো থাকে। কিন্তু থাইয়ের স্লাইডিং দরজা ডাবল লক বা দুই দিক থেকে লক লাগানো থাকে। অধিকাংশ লক-ই চায়না, থাইল্যান্ড বা ভারত থেকে আমদানি করা। গুণগতমানভেদে যা ৭০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। আবার গ্লাসের টেম্পার ডোরের লকের দরদাম একটু বেশি। বিভিন্ন ধরনের লক রয়েছে টেম্পার ডোরের জন্য, যা ৮০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিকিকিনি হয়।

থাইয়ের কাজে চাকার ভূমিকা

থাইয়ের দরজা-জানালা জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে খুব অল্প জায়গায় তা স্লাইডিং করে ব্যবহার করা যায়। আর এই স্লাইডিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ চাকা। জানালা বা পার্টিশন এক দিক থেকে আরেক দিকে সরাতে হয় চাকার সাহায্যে। বাজারে রেগুলার, গেটন ও ডাবল- এ তিন ধরনের চাকা পাওয়া যায়।

রেগুলার লক

পাল্লার ওজনের হিসেবে মিস্ত্রিরা চাকা নির্বাচন করেন। স্বাভাবিক ওজনের পাল্লায় বা ছোট জানালার জন্য রেগুলার বা স্বাভাবিক চাকা ব্যবহৃত হয়। রেগুলার চাকা ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হয়।

গেটন লক

মাঝারি সাইজের পার্টিশন রুমের ভেতর গেটন চাকা ব্যবহৃত হয়। গেটন চাকা সাধারণ ৪৫-৬০ টাকায় বাজারে বিক্রি হয়।

ডাবল লক

ডাবল চাকার স্থায়িত্ব রেগুলার ও গেটনের চেয়ে অনেক বেশি হয়। স্থায়িত্ব বেশি হওয়ার কারণে এই চাকার দামও অনেক বেশি। ডাবল চাকার দাম ৮০-৯৫ টাকা। তবে বিদেশি কিছু চাকার ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হয়। ধরনভেদে চাকার দরদাম-

ক্রমিক নম্বর        চাকার নামদাম
রেগুলার লক৩০-৩৫ টাকা
গেটন লক৪৫-৬০ টাকা
ডাবল লক৮০-৯৫ টাকা

এ ছাড়া হ্যাংগিং ডোর বা ঝুলন্ত স্লাইডিং থাই পাল্লায় বেশ মজবুত চাকা ব্যবহার করতে হয়। গুণগতমান ও কোম্পানিভেদে যা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। বর্তমানে আমাদের দেশেই উন্নত মানের চাকা তৈরি হয়। এসবের মধ্যে বেঙ্গল কোম্পানির চাকা অন্যতম। গুণে ও মানে বিদেশি চাকার মতোই বেঙ্গলের চাকা।

যেথায় পাবেন

দেশের প্রায় সব শহরেই থাই গ্লাস ও এর আনুষঙ্গিক উপকরণ পাওয়া যায়। ঢাকায় গ্রিন রোড, মহাখালী, বনানী, খিলগাঁও, ফার্মগেট, হাতিরপুল, মিরপুর, উত্তরা, রামপুরাসহ প্রায় সর্বত্রই মিলবে থাই গ্লাসসামগ্রী।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ১১৫তম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৯।

মোহাম্মদ রবিউল্লাহ
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top