দ্য শার্দ যুক্তরাজ্য তথা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে সবচে উচু স্থাপনা। এই স্থাপনাটি এতটাই আকাশছোঁয়া, যেখান থেকে অনায়াসেই উপভোগ করা যায় লন্ডনের আকাশের রঙ-বেরঙের মেঘের আনাগোনা। দ্য শার্দ হলো লন্ডন ব্রিজ টাওয়ারের পূর্বরূপ। পিরামিড গ্লাসে মোড়ানো এই দালান তৈরির প্রাথমিক কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে। ভবনটির নকশা করেন বিখ্যাত স্থপতি রেনজো পিয়ানো। লন্ডনের প্রপার্টি ডেভলপার ফার্ম ‘সেলার’ যাদের অভিপ্রায় ছিল সাউথওয়ার্ক টাওয়ার ভেঙ্গে নতুন এক স্থাপনা নির্মাণের যা এখন ‘দ্য শার্দ’ নামে পরিচিত। রেনজো পিয়ানোর স্থপতি হিসেবে খ্যাতি ছিল ফ্রান্সের প্যারিসের বিখ্যাত পমপিডো সেন্টারের নকশা করায়; যার প্রত্যক্ষ তত্ত¦াবধানেই নির্মিত হয়েছে নতুন এ স্থাপনা।
দ্য শার্দ টার্মটা ব্যবহৃত হয় তখনই যখন মনে হয় গ্লাস থেকে ঠিকরে বেরুনো আলোর ছটাকে মাটির মেঝেতে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে। স্থপতি রেনজো পিয়ানো এমন এক নকশা দাঁড় করিয়েছেন যা লন্ডনের স্কাইলাইনের বিপরীতে খুব বেশি আলোচিত ভূমিকায় নেই। এতে যুক্ত করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট ‘গ্লেইজ’ সমৃদ্ধ স্পেশালাইজড জানালা যাতে আলো বিভিন্ন উপায়ে প্রতিফলিত হয়। গ্লেইজ ভিন্নধর্মী তীব্রতাযুক্ত আলো প্রতিফলনে সক্ষম, যার কারণে বিভিন্ন দিনে বা ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে দ্য শার্দ সাজে বৈচিত্র্যময় সব সাজে। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার সন্ত্রাসী হামলায় বিধ্বস্ত হবার পরই ‘দ্য শার্দ’ এর পুনঃস্থাপন কাজ শেষ হয়। দ্য শার্দ ছিল ৯/১১ এর পর নির্মিত প্রথম স্থাপনা যেটির নতুন স্ট্রাকচারাল স্ট্যান্ডার্ড এর ব্যাপারে ছিল US National Institute of Standards and Technology এর সুপারিশ।
যত কথা দ্য শার্দকে নিয়ে
দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকায় ২০০৯ সালের আগে দ্য শার্দ এর নির্মাণকাজ শুরুই করা যায়নি। ঢাউস আকৃতির একটি ক্রেন খুঁজে এনে শুরু হয় এর নির্মাণকাজ। প্রাথমিক নির্মাণকাজের সীমাবদ্ধতায় প্রতিদিন ১০ ফুট উচ্চতায় বাড়ছিল নির্মীয়মান এই কাঁচের স্থাপনাটি! স্থাপনাটি সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানোর আগেই তৈরি হয় গ্লাস প্যানেল। ২০১২ সালে সর্বোচ্চ উচ্চতা ১০০০ ফুটের কাছাকাছি পৌঁছায় ‘দ্য শার্দ’। মূলত স্থাপনাটির কনক্রিট দেয়াল ছিল সর্পিল গ্লাসে পরিবেষ্টিত।
‘দ্য শার্দ’ এর জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল সেলার প্রোপার্টি গ্রুপ এর রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার আরভিন সেলারকে। ২০০০ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেলার জার্মানির বার্লিন-এ লাঞ্চ মিটিং-এ স্থপতি রেনজো পিয়ানোর সাথে বসে। মিটিংয়ে বসার উদ্দেশ্য ছিল একটাই, দ্য শার্দ সম্পর্কিত যাবতীয় ধারনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। মজার ব্যাপার হলো, প্রাথমিক আলোচনায় পিয়ানো ছিলেন লন্ডনের মতো শহরে এমন বিশালাকারের স্থাপনা নির্মাণের বিপক্ষে। তিনি প্রাথমিকভাবে যে ডিজাইন করেছিলেন তার ঘোর বিরোধী ছিল লন্ডনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ যা তাকে নতুনভাবে পুনঃনকশা করার ব্যাপারে তৎপর করে তোলে! সেই পুনঃনকশাই হলো আজকের বিখ্যাত ‘দ্য শার্দ’ এর সত্যিকার বা আসল নকশা।
দ্য শার্দ হলো ‘মাল্টিপল-ইউজ স্ট্রাকচার’। এর ২-২৮ তলা জুড়ে রয়েছে অফিস স্পেস। ৩১, ৩২ ও ৩৩ তলা রেস্টুরেন্টের দখলে। রয়েছে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শানগ্রি লা হোটেল’ যেটি ৩৪ থেকে ৫২ তলা পর্যন্ত বিস্তৃত। আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে ৫৩ থেকে ৬৫ তলা এর মধ্যে। ৬৮ থেকে ৭২ তলা এর মধ্যে রয়েছে ‘অবজারভেটরি’। একটি ‘স্পায়ার’ ৭২তম তলা থেকে দৌঁড়-পথে অবলীলায় উঠে গেছে রুপটপে।
শার্দ টাওয়ার থেকে সবচেয়ে কাছেই রয়েছে লন্ডন পাতাল স্টেশন লন্ডন ব্রিজ, বোরো, মনুমেন্ট, টাওয়ার হিল, ব্যাংক ও সাউথওয়ার্ক। প্রতিমার রূপকাকৃতির এই টাওয়ার লন্ডনের স্কাইলাইনে এনেছে অনন্য মাত্রা। ইতিমধ্যে এটি লন্ডনের আন্তর্জাতিক সিম্বল তথা প্রতীক হয়ে দাড়িয়েছে। এটিকে বলা হয় মিশ্র ব্যবহৃত ভার্টিক্যাল সিটি যেখানকার ২৫ তম ফ্লোরে রয়েছে ৫৫ হাজারেরও বেশি স্কয়ার মিটারের অফিস স্পেস; ৩টি ফ্লোর-এ রেস্টুরেন্ট; ১৩ ফ্লোর-এ আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট এবং ১টি ট্রিপল ভিউয়িং গ্যালারি সাথে ৭২ তম ফ্লোরে খোলা অবকাশযাপন-কেন্দ্র! যা স্টিল ফ্রেইমড এর চূড়ায় সুশোভিত। আলো ঠিকরে বেরুনো গ্লাস দ্বারা সজ্জিত যার নকশা আকাশের রঙের সাথে মিলেমিশে একাকার। এর অবস্থান লন্ডন ব্রিজ স্টেশনের কিছুটা সামনে যা কীনা লন্ডনের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা! দ্য শার্দকে বলা হয় লন্ডনের সাউথ ব্যাংকের পুনর্জন্মের চাবিকাঠি।
স্থপতির বর্ণনামতে, দ্য শার্দ হলো প্ল্যানিং পর্যায়ের শার্দ অব গ্লাসের উন্নত সংস্করণ। এটির নকশা করা হয়েছে মূলত অনিয়মিত প্রাকৃতিক অবস্থা বিবেচনায়। ‘টেপারড ফরম’ধর্মী স্থাপনাটি যোগান দিয়েছে দক্ষ ও পরিমিতব্যয়ী ফ্লোর ডিজাইন যার সাথে রয়েছে সন্তোষজনক আকৃতির ফ্লোর প্লেট যা বহুমুখী উন্নয়নে সহায়ক। অফিসের নিচের তলা ব্যবহৃত হয় খোলা স্পেস হিসেবে, যেখানে উচু তলার স্যুটগুলো ব্যবহৃত হয়েছে হোটেল ও অ্যাপার্টমেন্ট হিসেবে। আর রয়েছে ছোট আকৃতির ফ্লোর প্লেট। স্পায়ারে রূপান্তর, স্টিল বিম আর স্তম্ভের পরিপূর্ণতায় তৈরি হয়েছে নান্দনিক খোলামেলা ‘ভিউ’ যা পরিপূর্ণ মনোরঞ্জন করে দর্শনাথীদের।

স্থাপনাটির খুব স্বল্প সময়ে ইউরোপের সেরা স্থাপনায় রূপান্তর দেখে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ও কন্ট্রাক্টরদের চক্ষু চড়কগাছ হবার যোগাড়। তাই তারা নতুনভাবে চিন্তা-ভাবনা শুরু করে দিয়েছে কীভাবে আরও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নতমানের আরও গতিময় কিছু এখানে উপস্থাপন করা যায়। টেপারিং ফরম অর্জিত হয় ৩টি স্ট্রাকচারাল অংশে। বেসমেন্ট লেভেল ৩ থেকে ৭২ তলা ১টি রিইনফোর্সড কনক্রিট কোর। প্রথম ৪০টি তলা হলো কম্পোজিট স্টিল ফ্রেম যেখানে পোস্ট-টেনশান কনক্রিট ফ্রেম লেভেল পর্যন্ত বিস্তৃত যার সাথে ট্র্যাডিশনাল রিইনফোর্সড কনক্রিট ফ্রেম বিস্তৃত ৭২ লেভেল পর্যন্ত। স্পায়ার থেকে ৮৭ লেভেল পর্যন্ত পুরোটা লৌহ-নির্মিত। কনক্রিট ও স্টিল এর মিশ্রণ সযত্নে বাড়িয়েছে স্ট্রাকচারের কার্যকারিতা। পোস্ট-টেনশান অপেক্ষাকৃত ছোট স্প্যান এর জন্য উপযুক্ত যা দালানকে উপরে তোলা এবং প্রতিটি তলায় ৫৫০ মিলিমিটার জমা রাখে। কনক্রিট দেয় স্ট্রাকচারাল ড্যাম্পিং যার ফলে সংরক্ষিত হয় টাকা ও ওজন। দ্য শার্দ দক্ষিণ লন্ডনের জনজীবনে এনেছে পুনর্জীবন আর দিয়েছে প্রবল গতিময়তা। ৪৮টি কার পার্কিং স্পেস সংযুক্তির ফলে টেকসই ভ্রমণ উন্নয়নকে তুলে ধরেছে, লাগোয়া লন্ডন ব্রিজ স্টেশনকে করেছে সৌন্দর্যমন্ডিত; পুনসংস্কারের মাধ্যমে যেখানে প্রতিদিন ৫২ মিলিয়ন যাত্রীর আনাগোণা দৃষ্টি কাড়ে সকলের!
দ্য শার্দ- পশ্চিম ইউরোপ বিস্ময়
লন্ডনের নতুন আকর্ষণ, স্থপতি রেনজো পিয়ানোর ২৪৪ মিটার হাই ভিউয়িং প্ল্যাটফর্ম, পশ্চিম ইউরোপের সর্বোচ্চ উচ্চতাসম্পন্ন স্থাপনা শার্দ ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। লন্ডনের শার্দের সামান্য কিছু অংশ উন্মুক্ত হয় ১লা ফেব্রুয়ারি, ’১৩। ফাইভ স্টার হোটেল ও ৩টি রেস্টুরেন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০১৩ সালের শেষের দিকে এবং সমস্ত অফিস স্পেস ও ১০টি অ্যাপার্টমেন্ট পূর্ণ হতে লাগে আরও বেশ কিছুটা সময়। সেই ১লা ফেব্রুয়ারির দিকেই ৬৯তম তলা ও ৭২তম তলা ‘ভিউয়িং গ্যালারি’র উপভোগের জন্য খুলে দেয়া হয়; কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে গুণতে হবে পাক্কা ২৪.৯৫ পাউন্ড বা ২৮৭০ টাকা (শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে তা ১৮.৯৫ পাউন্ড বা ২১৮০ টাকা) যা দিয়ে আপনি অনায়াসেই অসাধারন অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন; যেখানে চমক হয়ে রয়েছে নতুন ভিজিটর আ্যট্রাকশন প্লেস, ‘দ্য ভিউ ফ্রম দ্য শার্দ’।
জানা-অজানায় দ্য শার্দ
৩০৯.৬ মিটার (১০১৬ ফুট) উচ্চতার বিশালাকায় ‘দ্য শার্দ’ ভবনটি ইউরোপের বিস্ময়ই বটে! অবাক করা যা রয়েছে স্থাপনাটিতে-
- এতে রয়েছে ১১,০০০ গ্লাস প্যানেল, ৪৪টি লিফট ও সমসংখ্যক পাবলিক গ্যালারি!
- শার্দ প্রজেক্টে প্রায় ৬১৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে যেখানে ১,৪০০ কর্মী যুক্ত ছিল এর সফল বাস্তবায়নে!
- এতে প্রয়োজন পড়েছে ২ মিলিয়ন ‘কিউবিক ফিট অব কনক্রিট’।
- ২০১৩ সালের ১৯ জুন ভবনটি তার সর্বোচ্চ উচ্চতা ৩০৯.৬ মিটার অর্জন করে।
- এটির অফিস এরিয়া ৫৬,০০০ স্কয়ার মিটার (৬,০২,৭৭৯ স্কয়ার ফুট) যা ৮টি ফুটবল মাঠের সমান!
- শার্দ তার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট হোটেল এবং ৬ লাখ স্কয়ার ফুট অফিস এরিয়া নিয়ে স্কাইক্রাপার ডিজাইনে পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়
- এটিতে রয়েছে ৪৪টি লিফট যার সাথে সংযুক্ত আছে ডাবল-ডেকার লিফট।
- রয়েছে ৩০৬টি সুদৃশ্য ফ্লাইট অব স্টেয়ার।
- এটির সর্বমোট ফ্লোর স্পেস ১১ হেক্টর (২৭ একর)।
- এটির ৯৫% কন্সট্রাকশন ম্যাটারিয়ালসই পুনর্ব্যবহৃত।
- ২০% স্টিলওয়ার্ক এসেছে ‘রিসাইকলড সোর্স’ থেকে।
- দ্য শার্দ এর নকশাতে অনিয়মিতভাবে প্রভাব রয়েছে প্রকৃতির সহাবস্থানের।
- এখানে রয়েছে ৭২টি বাসযোগ্য তলা।
- ১৫টি লেভেল তৈরি করে ‘স্পায়ার’, ৬টি সম্ভাব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় আর ৯টি ব্যবহৃত হয় উপাদান প্রকাশে।
- শার্দের গ্রাউন্ড ফ্লোর সুশোভিত উদ্ভিদারাজির আসনবিন্যাসে। যা একটি চমৎকার ‘পাবলিক প্লেস’ হিসেবে বিবেচ্য।
- ২য় তলাকে ৪৬০ স্কয়ার মিটার রিটেইল ইউনিটসহ স্পেস রিটেইল স্পেস করা হয়েছে যা লন্ডন ব্রিজ স্টেশনের সাথে সংযুক্ত।
- ৪র্থ থেকে ২৮তম তলা এর ৫৫,০০০ স্কয়ার মিটার বরাদ্দ অফিস ও উইন্টার গার্ডেনে।

- ৩১ থেকে ৩৩ তলার ২,৭০০ স্কয়ার মিটার জায়গা হলো আন্তর্জাতিক রেস্তোরাঁ যা তিনগুণ উচ্চতার অ্যাট্রিয়াম দ্বারা সুশোভিত।
- ৩৪ থেকে ৫২তম তলার ১৮,০০০ স্কয়ার মিটার ব্যবহৃত হয় শ্যানরি লা হোটেল এবং স্পা এর কেন্দ্র যাতে রয়েছে ২০০টি বিলাসবহুল কক্ষ।
- ৫৩ থেকে ৬৫তম তলা পর্যন্ত রয়েছে ১০টি আকর্ষণীয় বাসভবন যা ৫,৮০০ স্কয়ার মিটার জায়গা জুড়ে এবং যাতে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউতে লন্ডন দেখা যায়।
- ৬৮ থেকে ৭২তম তলাতে রয়েছে পাবলিক অবজারভেশন গ্যালারি। শার্দ থেকে ১,৪০০ স্কয়ার মিটার ভিউ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সালে খোলা হয়।
- দ্য শার্দ এর লিফটের গতিময়তা বিস্ময়-জাগানিয়াই যেন যার গড় গতি হলো প্রতি সেকেন্ডে ৬ মিটার করে।
- ক্স এটি হলো পৃথিবীর ৫৯তম সর্বোচ্চ দালান।
- দালানটির মূল ভিউয়িং এরিয়া হলো ৬৮, ৬৯ ও ৭২ তলা। ৬৮ তলাটি চমৎকার ক্লাউড-স্কেপ এর আখড়া হিসেবে চিহ্নিত করা যায় যাতে নির্বিঘ্নে দেখতে পাবেন লন্ডনের আকাশের রঙ-বেরঙের মেঘের অবাক আনা-গোণা। ৬৯ তলায় ব্যবস্থা করা হয়েছে হাই-টেক ডিজিটাল টেলিস্কোপের। এটিতে আপনি লন্ডন শহরকে জুম করে দেখতে পাবেন, যখনই ইচ্ছে হয় রাতের-দিনের যে কোনো সময়ের লন্ডন শহর দেখতে পাবেন চমৎকার সব টেক-এ ভরপুর এ টেলিস্কোপে। ৭২ তলাকে বলা যায় প্রায় খোলা প্রান্তর যেখান থেকে নির্বিঘ্নে উপভোগ করা যায় পুরো লন্ডন শহরের মাদকময় সৌন্দর্যকে! ৭২ তলাকে (লেভেল) বলা যায় শার্দের সর্বোচ্চ ভিউ যার উচ্চতা ২৪৪ মিটার বা ৮০০ ফুট!
প্রকাশকাল: বন্ধন, ৯৪তম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারি ২০১৮।




















