দেশের ঐতিহাসিক সেতু-কাব্য (শেষ পর্ব)

মীরকাদিমের পুল, নগর কসবা, ইদ্রাকপুর দুর্গসংলগ্ন

কালের আবর্তে টিকে থাকা বহু কালের সাক্ষী মোগল আমলের আরেক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ‘মীরকাদিম সেতু’। নির্মাণকাল ১৬৫৮ থেকে ১৬৬০ সালের মধ্যে। এটির নির্মাতা মীরজুমলা। স্থানীয় লোকজন এই সেতুকে পুলঘাটা সেতু নামেই জানে। এই সেতু নিয়ে কিছু জনশ্রুতিও প্রচলিত রয়েছে। যেমন, স্থানীয় লোকজন বিশ্বাস করেন বিখ্যাত এই সেতুটি জিন-পরীদের হাতে তৈরি। ধর্মভীরু ও কুসংস্কারে আচ্ছন্ন অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই সেতু কোনো মানুষের পক্ষে নির্মাণ করা সম্ভব না। কোনো এক বৈশাখী পূর্ণিমার রাতে অদৃশ্য সত্তা এই সেতু তৈরি করে।

মীরকাদিম সেতুর ইতিহাস

মোগল আমলে এই বাংলায় মোগলদের হাত ধরে অনেক সেতু স্থাপনা গড়ে ওঠে। সুলতানি আমলে এই বাংলায় সেতু স্থাপনা গড়ে ওঠার কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তেমনি এক উল্লেখযোগ্য নজির মীরকাদিম সেতু। মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ইদ্রাকপুর কেল্লা থেকে দোহারে অবস্থিত মুসা খানের কেল্লা পর্যন্ত যোগাযোগব্যবস্থা সুদৃঢ় করার জন্য সুবেদার মীরজুমলা দুইটা সেতু নির্মাণ করেন। তার মধ্যে একটি মীরকাদিম সেতু, অপরটি তালতলা সেতু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংরেজদের বোমার আঘাতে এই তালতলা সেতুটি উড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন তা একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, যা কিছু অবশিষ্ট গল্প পাওয়া যায় পুরোনো নথি, বই ও ইতিহাসে। আবার লোকজনের মুখে মুখে। তবে মীরকাদিম সেতু আছে এখনো অক্ষত।

মীরকাদিম সেতুর গাঠনিক বৈশিষ্ট্য

মীরকাদিমের সেতু দেখতে অবিকল সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত পানাম সেতুর মতো। তবে পানাম সেতুর চেয়ে ঢালসহ এই সেতু দৈর্ঘ্যে অনেকটা বড়। সেতুর দৈর্ঘ্য ঢালসহ ১৭২ ফুট, প্রস্থ ১৬ ফুট ৬ ইঞ্চি। পানির উপরিভাগ থেকে এই সেতুর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। ইট দিয়ে নির্মিত এই সেতুর সম্পূর্ণটাই আস্তরণ করা। এই সেতুতে কষ্টিপাথরের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুরুত্ব ১ ফুট ৪ ইঞ্চি। ত্রি-খিলানযুক্ত এই সেতুর কেন্দ্রীয় খিলানটি অপেক্ষাকৃত অনেক বড়। এই খিলানের ভেতর দিয়ে এখনো জলযান চলাচল করে। বর্ষাকালে সেতুর নিচে পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে। খরার মৌসুমে আবার সেতুর নিচের ভাগ শুষ্ক হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে যায়।

হাতিরপুল সেতু, ব্রাক্ষণবাড়িয়া

হাতিরপুল সেতুর অপর নাম ‘বাড়িউড়া সেতু’। স্থানীয় লোকজন এই সেতুকে সরাইল সেতু নামেও ডাকে, যার অপর নাম ‘হাতিরপুল সেতু’। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থিত সরাইল উপজেলার বারিউড়া বাজারে এই সেতুটি অবস্থিত।

হাতিরপুল সেতুর ইতিহাস

সরাইল গ্রামের দেওয়ান পরিবারের দ্বিতীয় দেওয়ান মজলিশ শাহবাজ। তিনি নিজের নামে শাহবাজপুর গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই গ্রামে অনেক উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজ করেন। দেওয়ান শাহবাজ এই গ্রামে একটি কাছারি স্থাপন করেন। তিনি শাহবাজপুর থেকে অপর গ্রাম কুট্টাপাড়া পর্যন্ত একটি সেতু নির্মাণ করেন। স্থানীয়ভাবে এই সেতু জাঙ্গাল নামেও পরিচিত। পরবর্তী সময়ে ১৬৫০ সালে দেওয়ান মজলিশ শাহবাজের পৌত্র ও দেওয়ান নূর মোহাম্মদের পুত্র সরাইলের চতুর্থ দেওয়ান নাসির মাহমুদ হরষপুরে প্রাসাদ, হাম্মামখানা, দুর্গ নির্মাণ করেন আর যাতায়াতের সুবিধার জন্য সড়কটি শাহবাজপুর থেকে হরষপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করেন। এ সময়ই হাতিরপুলটি নির্মিত হয়। হাতিরপুলের নিচ দিয়ে নৌকা চলাচল করে। পড়ন্ত বিকেলে এলাকার সৌন্দর্যপিপাসু লোকজন আর পার্শ্ববর্তী এলাকার উৎসাহী দর্শকেরাও বিকেলের খানিকটা সময় এখানে কাটিয়ে যান।

হাতিরপুল সেতুর নামকরণ

দেওয়ানদের অনেক হাতি ছিল। হাতির পিঠে চড়ে দেওয়ানরা যাতায়াতে এই সেতু ব্যবহার করতেন। সেতুর গোড়ায় গেলে হাতিরা ঝিমিয়ে পড়ত। অর্ধবক্রাকার সেতু পাড়ি দেওয়ার আগে সেতুর গোড়ায় হাতি বসে বিশ্রাম নিত। 

হাতিকে কেন্দ্র করে এই সেতু বা পুলের ইতিহাস, তাই এই সেতুর নাম হাতিরপুল সেতু।

হাতিরপুল সেতুর স্থাপত্যশৈলী

হাতিরপুল সেতুটি ইট দিয়ে নির্মিত। এতে কালো ব্যাসাল্ট পাথরের কোনো অস্তিত্ব নেই। সেতুটি এমনভাবে ভেঙেছে যে এর মূল প্রস্থ বা দৈর্ঘ্য জানা অসম্ভব। একটি মাত্র খিলান রয়েছে এই সেতুর। খিলানটির বাইরের অংশে একটি মাত্র প্যানেল সমৃদ্ধ। যেহেতু হাতিরপুল সেতুটি মোগল আমলের স্থাপনা, সেহেতু এই সেতুতে নান্দনিক সব অলংকরণশৈলীর উপস্থিতি ছিল। কালের আবর্তে ক্ষয়প্রাপ্ত এই সেতুর নান্দনিকতা আজ অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। বর্তমানে হাতিরপুল সেতুটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধিভুক্ত। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সেতুটি সংস্কার করে সংরক্ষণ করছে। যদিও সেতুটির অতীত ঐতিহ্য ও জৌলুশ আর নেই।

প্রাচীন সেতু স্থাপনাসমূহের বাস্তব পর্যবেক্ষণসহ কিছু প্রত্যাশা

মোগল আমল ও তৎপরবর্তী সময়ে বহু দৃষ্টিনন্দন সেতু এই বাংলায় গড়ে উঠেছে। প্রাচীন নথি, বইপত্র ও ম্যাপ ঘাঁটাঘাঁটি করলে এসব সেতু স্থাপনার অনেক রকম তথ্য মেলে। এসব নথি, বইপত্র, ম্যাপ হলো অকাট্য দলিল, যাতে করে প্রাচীন এই স্থাপনার তথ্য মজুত রয়েছে। কোনো কোনো সেতু স্থাপনার বাস্তব পর্যবেক্ষণ করা গেছে, সেতুর সুনির্দিষ্ট পরিচয় পাওয়া গেছে বলে। আবার অনেক সেতুর সুনির্দিষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে সেতুর হদিসও মেলেনি। এ ক্ষেত্রে উল্টো ঘটনাও ঘটেছে। দেখা যায় যে সেতু আছে। সবাই চেনে, জানে অথচ তার কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই কোনো দলিলে। সে ক্ষেত্রে অনেকটা চোখের আড়ালেই পড়ে থেকে টিকে আছে এই স্থাপনা কিংবা ধ্বংস হয়েও যাচ্ছে। সার্বিক বিষয় মাথায় রেখে যে অবস্থাগুলো চোখের সামনে দাঁড়িয়েছে তার মধ্যেÑ

প্রত্নস্থাপত্য সংরক্ষণে নেই কোনো মূল্যবোধ

প্রতিটা সেতু স্থাপনা একেকটি প্রত্নসম্পদ। সেতু স্থাপনাসমূহ তালিকাভুক্ত হোক বা না হোক, বাস্তবে এগুলোর অবস্থা করুণ ও বেহাল। এগুলোর প্রতি মানুষের দায় কম। মানুষ এখনো এসব সেতু ব্যবহার করে। আদলের সঙ্গে ব্যবহার করার চেয়ে এগুলোর প্রতি মানুষের অনাচারের মাত্রাটাই বেশি। খড় শুকানো, গোবরের গৈটা শুকানো, ভেজা জাল শুকানো, কাপড় শুকানো ইত্যাদি রকমের কাজই হয়ে থাকে এসব সেতুর ওপর। কোথাও কোথাও এসব সেতুর পুরোটাই পশুচারণ ভূমি কিংবা ময়লার ভাগাড়। দুরন্ত, লাফাঙ্গা ছেলেপুলেদের সেতুর ওপর থেকে ক্রমান্বয়ে লাফ দিয়ে সাঁতার কাটা যেমন রেলিংগুলোর বিনষ্টের কারণ, তেমনি সেতুর ক্ষতি সাধন করেছে। সেতুর যেসব স্থানে ফাটল ধরেছে, সেসব স্থানে প্রয়োজনীয় মেরামতের অভাবে জন্মেছে সবুজ ঘাস, মস, ক্যাপসুল ও শৈবালের। সেতুর দেয়ালে কালি দিয়ে লেখাটা কি অনাচারের মধ্যে পড়ে না? প্রাচীন এই সেতুর পরিপূর্ণ স্থাপত্যশৈলী প্রকট অভাব ধারণ করে আছে। পরিপূর্ণ উপাদান নিয়ে টিকে আছে এমন স্থাপনা বিরল। মানুষ নিজে মূল্যবোধ দিতে পারছে না এই প্রত্ন স্থাপনাসমূহের। এসব সেতু স্থাপনা যতটা না প্রকৃতিগতভাবে নষ্ট হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি নষ্ট হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট কারণে। 

স্থাপত্যশৈলীর মৃত্যু

একেকটা সেতু ছিল একেকটা আর্ট বা শিল্প। প্রতিটা সেতু স্থাপত্যগত দিক দিয়েছিল পরিপূর্ণ। মানুষের নিত্যদিনের ব্যবহার, যান চলাচল, আবহাওয়া ও জলবায়ুগত কারণ, সর্বোপরি মানুষের অবহেলা প্রতিটা সেতু স্থাপনার স্থাপত্যশৈলীতে বিচ্যুতি ঘটিয়েছে। বেশির ভাগ সেতু স্থাপনা ভঙ্গুর ও জবুথবু অবস্থায় পড়ে আছে। সর্বাধিক নাজেহাল অবস্থায় পতিত হওয়া সেতুগুলো একেবারেই টিকে নেই। যেমন, খাজা আম্বর সেতু, টঙ্গি সেতু, তাঁতিবাজার সেতু ইত্যাদি। এসব সেতু স্থাপনার কোনো কোনোটির হয়তো স্প্যান ভেঙে গিয়েছিল, কোনো কোনোটির একটিমাত্র খিলান বিশেষ অবশিষ্ট ছিল। আবার কালক্রমে ক্ষয় হতে হতে ধ্বংসের দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে পাগলা সেতু। মানুষ কোনো কোনো সেতুর মূল্যবোধ বুঝতে না পেরে নতুন সেতু করার নিমিত্তে পুরোনো সেতু ভেঙেছে। তার উদাহরণ ত্রিবেণী পুল, কেল্লার পুল ইত্যাদি। চাপাতলীর ইটের পুলেও এমন কিছু হওয়ার আশঙ্কা আসন্ন বলে মনে হচ্ছে। কে ফিরে তাকাবে এগুলোর দিকে সময় নিয়ে?

অরক্ষিত মোগল আমলের সেতু স্থাপনা ও অলংকরণশৈলী

বেশির ভাগ সেতুই মোগল আমলে তৈরি। যেমন, পুলঘাটা সেতু, পানাম সেতু, পাগলা সেতু, চাপাতলীর ইটের পুল ইত্যাদি। মোগল আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যে এই সময়ের স্থাপনাসমূহে অনেক বেশি অলংকরণের মাত্রা দেখা যায়। প্রাচীন এই সেতু স্থাপনায় অলংকরণের অভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে। মোগল আমলের সেতু বাস্তবে মোগল দুর্গ, কেল্লা বা মসজিদের মতো অনেক বেশি অলংকৃত হওয়ার কথা। বরং, তা না হয়ে সামান্য কিছু প্যানেল ও মারলনের উপস্থিতি দেখা যায়। কালক্রমে বহুবার সংস্কার হয়েছে এসব সেতু স্থাপনা আর সেই সংস্কারের ফলেই বিলুপ্ত হয়েছে মোগল অলংকরণশৈলী ও নান্দনিকতা।

প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষণের অভাব

প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন, ভূমিকম্পেও ক্ষতি হয়েছে অনেক পুরোনো সেতুর। সেতু স্থাপনা স্থাপত্যশৈলীর দিক দিয়ে পরিপূর্ণ বটে কিন্তু ভাঙাচোরা কোনো অংশ বাদ দিয়ে যে টিকে আছে, তার নমুনা নেই। চাপাতলীর ইটের পুল এই সেতুর তো সম্পূর্ণ রেলিং, টরেন্ট ভেঙে পড়েছে। ভাঙা অংশ সংশ্লিষ্ট খালের পানিতে এখনো পড়ে আছে। আবার, পানাম সেতুতে কোনো কোনো অংশে ফাটলের মাত্রা বেশি। পিঠাওয়ালীর পুল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে শেষ দিনের অপেক্ষায়। অনেক সেতুর হদিস মেলে না। আর্কিওলজিক্যাল কনজারভেশন, প্রিজারভেশন ও প্রয়োজনীয় রেস্টোরেশনের অভাবে এই স্থাপনাসমূহ আজ এতটা বিপন্ন। কোথাও কোথাও রেনোভেশন হয়েছে বটে কিন্তু আদি অলংকরণের চিহ্নমাত্র নেই। তাহলে এই রেনোভেশনের অর্থ কী? যতটুকু ভেঙে পড়ে যায়, অতটুকু ভাঙা অংশ যত্ন করে রেখে দেওয়াটাই কি সার্থকতা? নাকি, ওই স্থানটির মেরামত করে পুনর্নির্মাণ জরুরি?

প্রয়োজনীয় ও সুনির্দিষ্ট ডকুমেন্টেশনের অভাব

প্রতিটা ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার ডকুমেন্টেশন জরুরি। দু-একটা সেতু ছাড়া বাকিগুলো কেউই তেমন চেনে না, জানে না। এর পেছনের কারণ কী? সুর্নিদিষ্ট তথ্য, উপাত্ত, নির্দেশনাবলির অভাব। এখনো নিজেদের দেশের এই সম্পদের প্রতি আমাদের কোনো দায় নেই। তা ছাড়া লোকজনের ঐতিহ্যপ্রীতিও কম। এখনো এমন সব ঐতিহাসিক স্থাপনা আছে, যেগুলোর সুনির্দিষ্ট ডকুমেন্টেশন নেই। ডকুমেন্টেশন নেই বলে এখনো বিখ্যাত সব পেইন্টিং বা ছবি দেখে এগুলো চিহ্নিত করা হয়, উপলব্ধি করা যায়।

শেষের আগে

প্রাচীন এই সেতু স্থাপনার সবচেয়ে করুণ অবস্থা স্বচক্ষে দেখে অনেকেই আফসোস করেন। কেউ কেউ একজন আরেকজনকে উদ্দেশ্য করে একে অন্যের টনক নড়ানোর চেষ্টা করেন। লেখালেখিও হয় পত্রপত্রিকায়। রিসার্চও বের হয়। রিসার্চের মাধ্যমে দেশি ও আন্তর্জাতিক মাধ্যমে একটা সাড়া ফেলা যায়। স্থাপনাগুলোর প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করা যায়। গণমাধ্যমগুলোর মাধ্যমে হয়তো প্রশাসনে টনক নড়ে। কিন্তু, সত্যিকার অর্থে এই স্থাপনাগুলো নিয়ে কি কোনো কাজ হচ্ছে? কে জানে এমন সব স্থাপনা শেষ পর্যন্ত আদৌ টিকে থাকবে কি না? নাকি কালের অতলে হারিয়ে যাবে?

কৃতজ্ঞতা

প্রতিটা সেতু সার্ভে ও ডকুমেন্টেশনে সহায়তাকারী আফনান প্রান্ত, শিক্ষার্থী, স্থাপত্য বিভাগ, সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

বাড়িউড়া সেতুর ছবি, ইবরাহীম, অ্যাডমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ১১৬তম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৯।

স্থপতি মৃধা রাতুল
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top