ওয়াইজ ঘাট-বৃত্তান্ত 

পুরান ঢাকার যে স্থানগুলো ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে, তার মধ্যে ওয়াইজ ঘাট অন্যতম। বর্তমান সদরঘাটের উত্তর-পশ্চিমে এর অবস্থান। কথিত আছে, ওই অঞ্চলের প্রভাবশালী বাসিন্দা তৎকালীন বৃহৎ নীল ব্যবসায়ী জে পি ওয়াইজের নামে ওই এলাকার নাম হয় ‘ওয়াইজ ঘাট’। বাংলাপিডিয়ায় উল্লেখ আছে, তৎকালীন ঢাকায় তিনজন ওয়াইজ সাহেবের নাম খুব শোনা যেত। তিনজনই প্রভাবশালী স্ব স্ব ক্ষেত্রে খ্যাত। এঁদের প্রথমজন নীলকর ওয়াইজ, দি¦তীয়জন ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপ্যাল টি ওয়াইজ ও অপরজন সিভিল সার্জন জেমস ওয়াইজ। বাংলাপিডিয়ায় তিনজন ওয়াইজ সাহেবকে আলাদা হিসেবে বলা হলেও আসলে তাঁরা তিনজনই ছিলেন একই পরিবারের সন্তান। তবে তাঁরা তিনজন নন বরং ছিলেন চারজনই।

ওয়াইজ পরিবারের আদি বাসস্থান স্কটল্যান্ডের ড্যান্ডিতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান থমাস ওয়াইজ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে জ্যামাইকার স্বাস্থ্যসেবী ছিলেন বলে পরিচয় পাওয়া যায়। সে সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল বেশ সম্পদশালী; ব্রিটিশ সা¤্রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। তবে এ কারণে বেশ হাঙ্গামাও লেগে থাকত। এ পরিস্থিতিতে সম্ভবত থমাস ওয়াইজের পিতা স্কটল্যান্ডের ড্যান্ডিতে স্থানান্তরিত হন। ওয়াইজ পরিবারের পরবর্তী বংশধরেরা তাই স্কটিশ হিসেবেই সমার্ধিক পরিচিত। সম্ভ্রান্ত বংশের কন্যা মেরি ওয়াইজের গর্ভে ১৯০০ শতকের শুরুর দিকে ড্যান্ডিতে থমাস ওয়াইজের প্রথম সন্তান উইলিয়াম ওয়াইজের জন্ম। শিক্ষাজীবন শেষে উইলিয়াম ওয়াইজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ওয়াইজ পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে ক্যাপ্টেন উইলিয়াম ওয়াইজ বাংলাদেশে পদার্পণ করেন। তবে তিনি দীর্ঘদিন এখানে থাকেননি। যত দূর জানা যায়, ব্রিটিশ অধীনে কলোনিয়াল আমেরিকায় তিনি স্থানান্তরিত হয়ে সেখানেই দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। ক্যাপ্টেন ওয়াইজ দেশে থাকা অবস্থায় তাঁর দ্বিতীয় ভাই জে পি ওয়াইজকে এনে একত্রে শুরু করেন নীল ব্যবসা। এই ব্যবসা করতে গিয়েই দেশীয় ব্যবসায়ী কিশেন কুমার বোসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মামলায়। ১৮৪৭ সালের নভেম্বরে ক্যাপ্টেন ওয়াইজ মারা যান। তাঁর অবর্তমানে জে পি ওয়াইজের সঙ্গে চলতে থাকে মামলা। 

ওয়াইজ পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান জে পি ওয়াইজের পুরো নাম জোসিয়া প্যাট্রিক ওয়াইজ। বড় ভাই ক্যাপ্টেন ওয়াইজের পথ ধরে ব্যবসার সন্ধানে বাংলাদেশে আগমন। ক্যাপ্টেনের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর নীল ব্যবসায় আসে ব্যাপক সমৃদ্ধি। ক্যাপ্টেন ওয়াইজ নিজের দেশে ফিরে গেলেও জে পি ওয়াইজ তত দিনে এখানে তাঁর অবস্থান পাকাপোক্ত করে ফেলেন। উইলিয়াম হান্টিংটনের ভাষ্যমতে, জে পি ওয়াইজ ছিলেন এ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ নীল ব্যবসায়ী। ব্যবসার সুবাদে স্থানীয় অনেক জমিদারের সঙ্গে ছিল তাঁর সখ্য। পাশাপাশি বিরোধও ছিল অনেকের সঙ্গে। তাঁর নীল ব্যবসা যত বিস্তৃত হয়, ওয়াইজ ঘাটও হয়ে ওঠে তত গুরুত্বপূর্ণ। 

ঢাকা জেলা গেজেট অনুসারে, জে পি ওয়াইজ গছা জমিদার ভাওয়াল রাজপুত্র কালী নারায়ণ রায় চৌধুরীর জমিদারির একটা অংশ কিনে ভাওয়ালের সহ-অংশীদার হয়েছিলেন। এভাবে নীলকর থেকে পরিণত হন জমিদারে। তবে অংশীদারদের মধ্যে খুব শিগগিরই ঝগড়া-বিবাদ ছড়িয়ে পড়ে হতে থাকে নিয়মিত দাঙ্গা-হাঙ্গামা। বেশ কয়েকটি হত্যাকান্ডের পর নীলকর ওয়াইজ বুঝতে পারেন যে এক জায়গায় দুই জমিদারের জায়গা নেই। শেষ পর্যন্ত জমিদারের অংশটি পুনরায় কালী নারায়ণকে ফেরত দিয়েছিলেন। আহসান মঞ্জিলের অনতিদূরে নিকোলাস পোগোসের মালিকানাধীন বিশাল বাগানবাড়িতে তাঁর ছিল বাসা-অফিস। ছিল নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী দলও। দীর্ঘদিন বসবাস করার কারণে পোগোস হাউসকে লোকজন একসময় ‘ওয়াইজ হাউস’ নামেই চিনতে শুরু করে। 

ওয়াইজ হাউস বরাবর বুড়িগঙ্গা নদীতে ওয়াইজ ঘাটের অবস্থান। শানবাঁধানো ঘাটে দিনরাত বড় বড় নৌকার আনাগোনা ছিল। ছিল মাঝি-মাল্লা, কুলি-মজুরদের হাকডাক। ইংরেজ সমর্থক সিভিল সোসাইটিতে জে পি ওয়াইজের ভূমিকা ছিল বেশ সক্রিয়। ১৮৫৬ সালে ‘ঢাকা নিউজ’ নামে একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। জে পি ওয়াইজ ছিলেন এর অন্যতম পরিচালক। এই পত্রিকাটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য ছিল দারুন সহায়ক। ১৮৫৭ সালে যখন সিপাহি বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে তখন সিপাহিদের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে পত্রিকাটি সবিশেষ ভূমিকা রাখে। এর আগে ১৮৪৬ সালে ঢাকা ব্যাংক প্রতিষ্ঠাকালীনও জে পি ওয়াইজ উদ্যোক্তা হিসেবে ভূমিকা রাখেন। ব্যবসায়িক জীবনে জে পি ওয়াইজ প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হন। জীবনের শেষ সময়ে নিজ দেশে পাড়ি জমান। স্কটল্যান্ডের ড্যান্ডিতে বিশাল বাগানবাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন। তাঁর মৃত্যুর পরে ভাতিজা ডেভিড থম্বস মালিক হয়ে এর রক্ষণাবেক্ষণ করেন। বর্তমানের ফেডিঞ্চ ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় এখানেই।  

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে সুপরিচিত টি এ ওয়াইজ ছিলেন থমাস ওয়াইজের ছোট সন্তান। তাঁর পুরো নাম থমাস আলেক্সজান্ডার ওয়াইজ। তিনিও ১৮০২ সালের ১৩ জুন ড্যান্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা করেছেন এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটিতে মেডিসিন বিষয়ে; ১৮২৪ সালে অর্জন করেন স্নাতক ডিগ্রি। ১৮২৭ সালে চিকিৎসক ও সার্জন হিসেবে ইন্ডিয়ান মেডিকেল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৮৩০-এর দশকে হুগলিতে সিভিল সার্জন, ১৮৪০-এর দশকে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন হুগলি মহসিন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। ১৮৫১ সালে ভারত থেকে অবসর নিয়ে ফিরে যান স্কটল্যান্ডে।

থমাস আলেক্সজান্ডার ওয়াইজ ছিলেন ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতি অনুরাগী। ভারতে থাকাকালীন ড. ওয়াইস সংস্কৃত শিখতেন এবং কয়েকটি সংস্কৃত পুঁথি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। জীবাণু ও রোগতত্ত¡ নিয়েও তাঁর রয়েছে প্রচুর গবেষণা। ১৮৪৫ সালে কমেন্টারি অন দ্য হিন্দু সিস্টেম অব মেডিসিন শিরোনামে স্থানীয় চিকিৎসাব্যবস্থা এবং রোগ-ব্যাধি সম্পর্কে একটি বিবরণমূলক বই লেখেন, যা এখনো রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তিনি ভারতে থাকাকালীন তিব্বতের অনেক ধর্মীয় স্মারক বস্তুর পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের অনেক নৃতাত্তি¡ক জিনিস সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর সংগৃহীত প্রাচীন মুদ্রা ও আলমিরা ১৮৮১ সালে ড্যান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থান পায়। ১৯৯৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ড্যান্ডি সিটি কাউন্সিলের কাছে এই স্মারক চিহ্নগুলো হস্তান্তর করা হয়। তাঁর ছিল কিছু মিসরীয় এবং চীনা স্মারক পণ্য। ১৮৮৯ সালে লন্ডনের আপার নরউডে মৃত্যুর আগে তিব্বতের মানচিত্রের সংগ্রহটি তিনি ব্রিটিশ জাদুঘরে (বর্তমানে ব্রিটিশ গ্রন্থাগারে) দান করেন। ১৮৮২ সালে ভারত থেকে নেওয়া দুটি স্মারক অস্ত্রও জমা দেন ব্রিটিশ মিউজিয়ামে। 

টি এ ওয়াইজ ১৮৫১ সালে দেশে ফিরে যান। তবে দেশে ফিরে গেলেও সাহিত্য ও গবেষণার কাজে ছিলেন সক্রিয়। ১৮৫৪ সালে তিনি রয়্যাল সোসাইটি অব এডিনবার্গের ফেলো নির্বাচিত হয়ে এডিনবার্গেই বসবাস শুরু করেন। ড্যান্ডির কাছে ইনচেরাতেও তাঁর সম্পত্তি ছিল, তবে পরে লন্ডনে চলে যান। ২৩ জুলাই ১৮৮৯-এ লন্ডনের নরউডে মারা যান। তাঁকে পশ্চিম নরউড কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। 

১৮৫১ সালে থমাস আলেক্সজান্ডার যখন চাকরি থেকে অবসর নিয়ে নিজ দেশে ফিরেন তখন তাঁর ছেলে জেমস ওয়াইজ চাকরি নিয়ে ভারতবর্ষে আসেন। জেমস ওয়াইজের পুরো নাম জেমস ফন্স নরটন ওয়াইজ। জন্ম ১৮৩৫ সালে। পিতা চাকরি সূত্রে ভারতবর্ষে অবস্থান করলে তিনি মায়ের কাছে থাকেন। কিন্তু চার বছর বয়সে মাতা এমিলি ইসাবেলা ডিজনি মারা গেলে একসময় পিতার কাছে আসেন। তবে পিতা দেশে ফিরে গেলেও তিনি থেকে যান। ১৮৬৮ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ঢাকার সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ পান। পুরান ঢাকার আর্মনিয়ান জমিদার নিকোলাস পোগোজের কাছ থেকে তিনি ভবন ক্রয় করে চাকরিকালীন এখানেই বসবাস শুরু করেন। ওয়াইজের এ ভবন থেকেই বুলবুল ললিতকলা একাডেমির যাত্রা শুরু। 

১৮৮৬ সালে মারা যান জেমস ওয়াইজ। জেমস ওয়াইজ পেশাজীবনে চিকিৎসক হলেও ঐতিহাসিক ঢাকা বিষয়ে লেখালেখির জন্য তিনি সুপরিচিত। তাঁর রচিত মূল্যবান  গ্রন্থের নাম নোটস অন রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্স বেঙ্গল। লন্ডনে অবসরজীবন যাপনকালে পান্ডুলিপি রচনা করে তিনি তা মুদ্রণ করেন। ১৮৮৩ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত এ বইতে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জাতি, বর্ণ ও পেশার বিবরণ দেওয়া আছে। বাংলার সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা ফুটে উঠেছে, যা বইটিকে ঐতিহাসিক গুরুত্ব দিয়েছে। ওয়াইজের রচনা সমসাময়িক তো বটেই, পরবর্তীকালেও অনেক নৃতাত্তি¡ক, সমাজবিজ্ঞানী বা ঐতিহাসিককে প্রভাবিত করেছে। ওয়াইজকে বাংলাদেশের নৃতত্ত¡ চর্চার পথিকৃৎ বলা যেতে পারে। ব্লাকম্যানের কন্ট্রিবিউশনস টু দ্য জিওগ্রাফি অ্যান্ড হিস্ট্রি অব বেঙ্গল-র জন্য তিনি বেশ কয়েকটি শিলালিপির ছাপ পাঠিয়েছিলেন। এ ছাড়া নোটস অন সোনারগাঁও এবং নোটস অন বারো ভূঁইয়াস নামে ডা. ওয়াইজের দুটি প্রবন্ধ জার্নাল অব দি এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল-এ ১৮৭৪ সালে ছাপা হয়। 

ওয়াইজ ঘাট আর ওয়াইজ হাউস উভয়েই বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। বাংলাদেশের পুরোনো স্থাপনা হিসেবে ওয়াইজ হাউস তালিকাভুক্ত। এটি ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের রীতি ও নকশার পাশাপাশি আমাদের অতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বিত পরিচয়ের সাক্ষ্য বহন করে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের তাগিদে ভবনটি পরিকল্পনা এবং শারীরিক আকারে পরিবর্তিত হওয়ার ফলস্বরূপ মূল ঘরটি বর্তমান কাঠামোতে উপলব্ধি করা কঠিন। ওয়াইজ হাউসের (তৎকালীন পোগোস হাউস) নির্মাতা নিকোলাস পোগোস হলেও এটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে নীলকর ওয়াইজ আর জেমস ওয়াইজের নাম। জেমস ওয়াইজ ভবনটি কিনে নিয়ে ‘ওয়াইজ হাউস’ নাম দেন। তবে জে পি ওয়াইজ তারও আগে এই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন; এখানেই ছিল তাঁর নীলকুঠি। আহসান মঞ্জিল যে সময়ে নির্মাণ সম্পন্ন হয় সে সময়েও ওয়াইজ হাউস ছিল নির্মাণাধীন। তৎকালীন বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) মহারাজা বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ নবাবকে একটি কাঠের কারুকাজসমৃদ্ধ সিঁড়ি উপহার দেন। তত দিনে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় নবাব এটা পাঠিয়ে দেন পোগোসকে। সিঁড়িটি এখনো রয়েছে ওয়াইজ হাউসে। পাকিস্তান আমলে ভবনটি বরাদ্দ দেওয়া হয় বুলবুল ললিতকলা একাডেমির নামে। আজ অবধি এটা তাদের সংস্কৃতিক বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। সময়ের আবর্তনে ওয়াইজ ঘাটের চেহারা অনেক পাল্টে গেছে, তবে স্মৃতি হয়ে আছে ওয়াইজ হাউস। সেই সঙ্গে ইতিহাস হয়ে আছে ওয়াই ঘাটের প্রভাবশালী ওয়াইজ পরিবার। 

লেখক পরিচিতি:

খালিদ মাহমুদ: স্থপতি, বুয়েটের এম.আর্ক-এ অধ্যয়নরত

সৈয়দ আবু সালেক: স্থপতি ও সহকারী অধ্যাপক, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।

ক্যাপশান:

স্যার হেনরি রবার্নের আঁকা ওয়াইজ পরিবারের পূর্বপুরুষ থমাস ওয়াইজের পোর্ট্রেট

টি এ ওয়াইজের সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধারকৃত প্রাচীন তিব্বতের নির্দেশমূলক মানচিত্র

লন্ডনের একটি স্টুডিওতে তোলা টি এ ওয়াইজের পোর্ট্রটে।প্রকাশকালঃ বন্ধন, ১২৩তম সংখ্যা, নভেম্বর ২০২০

স্থপতি খালিদ মাহমুদ
+ posts
স্থপতি সৈয়দ আবু সালেক

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top