• Home
  • একসেসরিজ
  • রান্নাঘরের নান্দনিক সৌন্দর্যে কিচেন সিঙ্ক
Image

রান্নাঘরের নান্দনিক সৌন্দর্যে কিচেন সিঙ্ক

ঘরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিসর রান্নাঘর। পরিবারের সদস্যদের জন্য মাছ, মাংস, সবজি কোটা, ধোয়া, রান্না করা তথা যাবতীয় খাবার প্রস্তুতের ক্ষেত্র রান্নাঘর। আবার খাবার শেষে অপরিষ্কার বাসনকোসন পরিষ্কার করা হয় এখানেই। আর তাই পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে রান্নাঘরের গুরুত্ব অনেক। আগে গৃহের কোণে পড়ে থাকা রান্নাঘর নিয়ে কারও মাথাব্যথা না থাকলেও বর্তমানে তা হয়ে উঠেছে অন্দর ইন্টেরিয়রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর রান্নাঘরের সৌন্দর্যে প্রয়োজনীয় এক অনুষঙ্গ বাহারি ডিজাইনের নান্দনিক কিচেন সিঙ্ক।

উপকরণভেদে সিঙ্কের রকমফের

নানা উপকরণে তৈরি সিঙ্ক পাওয়া যায় বাজারে। এসব সিঙ্কের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-

  • স্টেইনলেস স্টিল সিঙ্ক
  • সিরামিকস/পোরসেলিন সিঙ্ক
  • গ্লাস সিঙ্ক
  • অ্যাক্রিলিক সিঙ্ক
  • কাস্ট আয়রন সিঙ্ক
  • কপার সিঙ্ক
  • কম্পোসিট কোয়ার্টাজ সিঙ্ক
  • গ্রানাইট কম্পোসিট সিঙ্ক।

স্টেইনলেস স্টিল সিঙ্ক

সিঙ্কের জগতে স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি সিঙ্ক বহুল ব্যবহৃত ও সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই সিঙ্ক স্টেইনলেস স্টিলে তৈরি বলে মরিচা ও রাস্ট প্রতিরোধী। ফলে জীবাণু সংক্রমণ হয় অনেক কম, যা হাইজেনিকও বটে। উন্নতমানের সিঙ্কে স্ক্যাচ রেসিস্টেন্স কোটিং থাকায় সহজে কোনো দাগ বা আঁচড় পড়ে না। দীর্ঘদিন ঝকঝমে ভাব বজায় থাকে। শক্তপোক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সহজেই তা স্থাপন ও অপসারণযোগ্য। তা ছাড়া এই সিঙ্কের রক্ষণাবেক্ষণও সহজ।

তবে স্টেইনলেস স্টিলের সিঙ্কের এতসব গুণাগুণ পেতে ভালো মানের উজ্জ্বল রঙের স্টিল ও এর পুরুত্ব দেখে কিনতে হবে। এই সিঙ্কও হয় বিভিন্ন গ্রেডের। মূলত এটা নির্ধারিত হয় ক্রোমিয়াম টু নিকেল অনুপাত বিবেচনায়। এই অনুপাত ১৮ : ৮ অর্থাৎ ১৮ শতাংশ ক্রোমিয়াম এবং ৮ শতাংশ নিকেল বিদ্যমান। অনুপাত যত বাড়বে তত উন্নতমানের স্টেইনলেস স্টিল গ্রেড মিলবে। নিম্নমানের সিঙ্ক চুম্বকের সাহায্যে চেনা যায়। ভালো মানের সিঙ্কে চুম্বক আকর্ষণ করে গায়ে লেগে থাকবে, যা নিম্নমানে থাকবে না। সাধারণত ০.৪-১ মি.মি পুরুত্বের সিঙ্ক বাজারে পাওয়া যায়।

সিরামিকস/পোরসেলিন সিঙ্ক

স্টেইনলেস স্টিলের পর সিরামিকস সিঙ্ক এখন বেশ জনপ্রিয়। সিরামিকস আভিজাত্যের প্রতীক, যা রান্নাঘরে যোগ করে বাড়তি সৌন্দর্য। স্টেইনলেস স্টিলের মতোই এই সিঙ্ক দীর্ঘস্থায়ী ও সহজে পরিষ্কার করা যায়। মূল বেসিন ও সিঙ্ক সিরামিকসে তৈরি হলেও কিছু সিঙ্ক তৈরিতে পোরসেলিনও ব্যবহার করা হয়। 

গ্লাস সিঙ্ক

সিঙ্কে কাচ সংযোজন আধুনিকতম ধারণা। রুচিশীল ও সৌন্দর্যপ্রিয়রা রান্নাঘরের অভিজাত্য ও ব্যতিক্রমী রূপ দিতে বেছে নিচ্ছেন গ্লাস কিচেন সিঙ্ক। আদতে এই সিঙ্কের ওপরের কাউন্টার স্বচ্ছ বা অস্বচ্ছ কাচ লাগানো থাকলেও বেসিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় স্টিল। ৮ মি.মি. টেম্পার্ড গ্লাসে নির্মিত বলে এটি বেশ নিরাপদ। তা ছাড়া স্ক্রাচ ও রাস্টপ্রুফ হওয়ায় খাবার তৈরির জন্য এই সিঙ্ক আদর্শ। আক্ষেপের বিষয় এই সিঙ্ক এখনো বাজারে তেমন প্রচলিত নয়। তবে এ কথা হলফ করে বলা যায়, বিশ্বব্যাপী যে হারে এ সিঙ্কের জনপ্রিয়তা বাড়ছে, তাতে এর ব্যাপক প্রচলন সময়ের ব্যাপার মাত্র।  

অ্যাক্রিলিক সিঙ্ক

এই সিঙ্ক রেইনফোর্সড ফাইবার গ্লাসের সঙ্গে রেসিন মিশিয়ে তৈরি করা হয়। পলিকার্বোনেট প্লাস্টিক দিয়েও তৈরি হয় অ্যাক্রিলিক। প্লাস্টিকের মতো হওয়ায় অন্যান্য সিঙ্কের চেয়ে এই সিঙ্ক হয় অত্যন্ত হালকা। ফলে তা সহজেই স্থাপন ও অপসারণযোগ্য। এই সিঙ্কের দাম তুলনামূলক কম হলেও ডিজাইনে রয়েছে বৈচিত্র্যতা। যদিও সিঙ্কে স্ক্রাচ পড়ে তবে তা কিছু পরিষ্কারকের সাহায্যে সহজেই ওঠানো যায়।

কাস্ট আয়রন সিঙ্ক

কাস্ট আয়রন সিঙ্ক একধরনের বিশেষ লোহায় তৈরি। এই লোহায় একধরনের এনামেল কোটিং দেওয়া থাকে। ফলে এতে মরিচা পড়ে না। তবে এই অন্যান্য সিঙ্কের তুলনায় বেশ ভারী এবং সুদীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। তা ছাড়া এটি ব্যয়বহুলও বটে।

কপার সিঙ্ক

সিঙ্কের মধ্যে অনেকটাই ব্যতিক্রমী কপার সিঙ্ক। তবে এই সিঙ্ক বাজারে তেমন প্রচলিত নয়। কারণ, এই সিঙ্ক সম্পূর্ণ হাতে তৈরি। তামা-কাসাশিল্পীরা নিপুণভাবে তৈরি করেন এ সিঙ্ক। হরেক ডিজাইন ও আকর্ষণীয় রঙের এই সিঙ্ক রান্নাঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ। তা ছাড়া এই সিঙ্কে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু ধরে না বললেই চলে।

কম্পোজিট কোয়ার্টাজ সিঙ্ক

কম্পোজিট কোয়ার্টাজ একধরনের কৃত্রিম শিলা, যা প্রাকৃতিক কোয়ার্টাজ ক্রিস্টাল এবং রেসিন মিশ্রণে তৈরি একধরনের ফিনিশড প্রোডাক্ট। এই সিঙ্ক স্ক্যাচ ও তাপরোধী। এ ছাড়া এ সিঙ্কের স্থায়িত্ব বেশি।

গ্রানাইট কম্পোজিট সিঙ্ক

এই সিঙ্কে প্রাকৃতিক গ্রানাইট ব্যবহার করা হয়। চোখ ধাঁধানো এ সিঙ্কগুলো প্রকাশ করে অভিজাত্য। সাধারণত সিঙ্ক কাউন্টারে ব্যবহৃত হয় মূল্যবান এ পাথর। গ্রানাইট কম্পোজিট দীর্ঘস্থায়ী হলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

সিঙ্কের বৈচিত্র্যময় ডিজাইন

  • আন্ডারমাউন্ট সিঙ্ক
  • অ্যাপ্রন-ফ্রন্ট সিঙ্ক
  • ইন্টিগ্রেটেড সিঙ্ক
  • ড্রপ-ইন সিঙ্ক।

সহায়ক অনুষঙ্গ

  • ওয়েস্ট ডিসপোজাল কিট
  • পাইপ
  • পপ আপ
  • ওভার সিঙ্ক ট্রে।

সিঙ্কের ধরন ও সাইজ

রান্নাঘরের পরিসর ও ব্যবহারকারীর চাহিদার ওপর নির্ভর করে বাজারে প্রচলিত রয়েছে নানা ধরন ও আকারের সিঙ্ক। এসব সিঙ্কের মধ্যে সিঙ্গেল বেসিন, ডাবল বেসিন ও ট্রিপল বেসিন উল্লেখযোগ্য। কিছু সিঙ্কের সঙ্গে কেবিনেট এবং ওপরে শেলফও যুক্ত থাকে। বাজারে প্রচলিত সিঙ্কের দৈর্ঘ্য-

ধরন        আকার(ইঞ্চি)
সাধারণ সিঙ্ক২০-৩০
সিঙ্গেল বেসিন সিঙ্ক২০-৩৩
ডাবল বেসিন সিঙ্ক৩৬-৪৮ বেশি
ট্রিপল বেসিন সিঙ্ক৪০-৬০ বেশি

সিঙ্গেল বেসিন সিঙ্ক

ছোট পরিসরের রান্নাঘরের জন্য সিঙ্গেল বেসিন সিঙ্কই আদর্শ। সাধারণত এই সিঙ্কের আকার হয় ২০-৩৩ ইঞ্চি এবং আয়তন গড়ে ২০” x ১৬” , ২০” x ১৭, ২৪” x ১৮”, ৩০” x ১৮” ।

ডাবল বেসিন সিঙ্ক

রান্নাঘর বড় হলে ডাবল বেসিন সিঙ্কই ভালো। এর সুবিধা হলো দুটি সিঙ্ক থাকায় একটিতে নোংরা বাসন মাজা এবং আরেকটিতে তা ধুয়ে পানি ঝরাতে রেখে দেওয়া যায়। এ ছাড়া খাবার বা শাকসবজি ধোয়ার কাজেও এটা ব্যবহার করা যায়। এতে খাবার থাকে জীবাণুমুক্ত। সাধারণত এই সিঙ্কের আকার হয় ৩৬-৪৮ ইঞ্চি এবং আয়তন গড়ে ৩৬” x ১৮”, ৩৭” x ১৮”, ৪০” x ২০”, ৪১” x ২০” ।

ট্রিপল বেসিন সিঙ্ক

সাধারণত এ ধরনের সিঙ্ক রেস্টুরেন্ট ও বড় পরিবারের রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয়। তবে এর প্রচলন খুব কম। এই সিঙ্কে দুটি বড় বেসিন এবং একটি ছোট বেসিন থাকে। ডাবল সিঙ্কের মতো এই বেসিনেও একটিতে নোংরা বাসন মাজা, অন্যটিতে শাকসবজি ধোয়া এবং ছোট টিতে স্পঞ্জ, লিকুইড রাখা ও হাত ধোয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।

বাজারে প্রচলিত সিঙ্কের আকার

২০” x ১৬”, ২০” x ১৭”, ২৪” x ১৮”, ৩০” x ১৮” x , ৩২” x ১৮”, ৩৬” x ১৮”, ৩৭” x ১৮”, ৪০” x ২০”, ৪১” x ২০”, ৪৫” x ২০” ।

সিঙ্ক বেসিনের আয়তন

আয়তনছোট বেসিন (মিমি)বড় বেসিন (মিমি)
প্রস্থ১৫০-১৯০৩০০-৩৮০
উচ্চতা২৫০-৩৫০৩৮০-৪৫০
গভীরতা১২-১৬০১৭০-২৩০

সিঙ্ক কেনা ও সংযোজনের আগে

এমন সিঙ্ক কেনা উচিত, যা শুধু রান্নাঘরের সঙ্গেই নয়, মানাবে পুরো অন্দরের ইন্টেরিয়রের সঙ্গেই। তা ছাড়া বছরের পর বছর যেহেতু ব্যবহার করতে হবে সে জন্য শুধু ডিজাইনই নয়, বরং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে গুণগতমানের বিষয়টিকেও প্রাধান্য দিতে হবে। সিঙ্ক কেনার আগে যা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি-

  • সিঙ্কের পুরুত্ব, নির্মাণ উপকরণ, ফোসিট ও সহায়ক অনুষঙ্গ-এসব কিছু যাচাই করে নিতে হবে।
  • নিম্নমানের ক্রোমের পরত দেওয়া সিঙ্ক ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এই সিঙ্ক থেকে ধাতব পদার্থ খাবারের পাত্রে ছড়িয়ে গিয়ে শাকসবজি ও খাবারে মিশে যেতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। আমেরিকান আয়রন অ্যাপ স্টিল ইনস্টিটিউট স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ সিঙ্ক বানানোর ক্ষেত্রে ধাতব পদার্থ মিশ্রণের অনুপাত নির্ধারণ করেছে। এআইএসআই ৩০৪ গ্রেডের ধাতব পদার্থ মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে। ১৮ শতাংশ ক্রম এবং ৮ শতাংশ নিকেলের মিশ্রণেই আদর্শ সিঙ্ক প্রস্তুত করা হয়। সুতরাং এই নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গটি ভালোভাবে যাচাই করে কেনাই অধিক যুক্তিযুক্ত।
  • পানি চলাচলে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিঙ্ক ও ড্রেন জীবাণুর অভয়ারণ্য হয়ে উঠতে পারে। তাই একটু বেশি দাম দিয়ে হলেও ভালো মানের কিচেন সিঙ্ক কেনা উত্তম।
  • কিচেন সিঙ্ক স্থাপনের সময় এর স্ল্য্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ দক্ষ প্রকৌশলী ও মিস্ত্রিকে দিয়ে লাগানো উচিত।
  • সিঙ্ক কাউন্টার টপে মার্বেল পাথরের বদলে টাইলস ব্যবহার করলে খরচ অনেকটাই কমবে। তবে টাইলস গাঢ় রঙের হলে ভালো হয়, তাতে রান্নাঘরের কালি, দাগ সহজে বোঝা যায় না।

বাজারে প্রচলিত ব্র্যান্ড

বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিঙ্কের মধ্যে মারকুইস, আরএফএল, গাজী, কেএমপি হর্স, ডলফিন, মদিনা, কেএম, জেএসডব্লিউ (ইতালি), সুইট হোম (স্পেন) রয়েছে ক্রেতা চাহিদার শীর্ষে। এ ছাড়া চায়না থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন ধরনের সিঙ্ক বাজারে পাওয়া যায়।

দরদাম

সিঙ্কের দাম নির্ভর করে এর মান, নির্মাণ উপকরণ, আকার ও ধরনের ওপর। ছোট আকারের ও এক বেসিন যুক্ত সিঙ্ক পাওয়া যাবে ৯৫০ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। ডাবল বেসিন ও মাঝারি আকারের সিঙ্ক পাওয়া যাবে ১ হাজার ৭০০ থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

যেখানে পাবেন

স্যানিটারি সামগ্রীর বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ অনুষঙ্গটি। ঢাকার হাতিরপুল, বাংলামোটর, স্টেডিয়াম মার্কেট, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজিপাড়া, গুলশানসহ দেশের বিভিন্ন স্যানিটারি ও বাথরুম ফিটিংস সামগ্রীর দোকানে পাবেন আপনার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সিঙ্ক।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৯৯তম সংখ্যা, জুলাই ২০১৮।

Related Posts

বাড়ির নিরাপত্তায় সিকিউরিটি ডোর

ধরন পাল্টে গেলেও বাড়িতে চুরির ঘটনা কিন্তু থেমে নেই। পরিবার নিয়ে কোথাও বেড়াতে গেলে খালি বাড়ি নিয়ে যেন…

অন্দরের আভিজাত্যে ঝাড়বাতি

যে ঘরে নিত্য বসবাস, সে ঘরটি একটু আকর্ষণীয় না হলে কি চলে? নিজের জন্যই হোক বা অতিথিদের কাছে…

এসির হাওয়ায় শীতল ঘর

প্রচন্ড গরমে শীতল পরশ পেতে চান, তাহলে ঘরে এসি লাগান! বৈষ্ণিক তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে তাতে এসি ছাড়া টেকাই…

গরমের আরামে সিলিং ফ্যান

অসহ্য গরম! তীব্র রোদের তেজ! ঘর থেকে বাইরে বের হলেই তপ্ত রোদে যেন পুড়ে যায় শরীর। দরদর করে…

01~1
previous arrow
next arrow

CSRM

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

Belgium
Buet
কী কী থাকছে আকাশছোঁয়া শান্তা পিনাকলে
সমুদ্রবাণিজ্যের বর্জ্য থেকে অনন্যা এক স্থাপত্য
Home of Haor
Weather
Youth Park
Tower
শহর,সেতু আর সুরের টেনেসির আর্টস সেন্টার