Image

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন যুদ্ধ, যোদ্ধা এবং আমাদের স্বাধীনতা

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। অকপটে সত্য প্রকাশের এক অকুতোভয় নির্ভীক যোদ্ধা! স্বাধীনতার জন্য অস্ত্রহাতে করেছেন যুদ্ধ; স্বাধীনতার পর দেশের প্রবহমান অন্যায়ের বিরুদ্ধেও সদা সোচ্চার ছিলেন। দেশকে যেমন ভালোবাসতেন, তেমনি ভালোবাসতেন মানুষকেও। বাংলাদেশের স্থপতিদের পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটকে (বাস্থই) দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি এবং বর্তমান অবস্থানে নিয়ে আসার কার্যক্রমে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। 

মোবাশ্বের হোসেনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। মা রওশন আরা, বাবা মোহাম্মদ আলী। তাঁর তিন ভাই বাবুল, কামাল ও পিয়াল। খুব ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়ে নানার স্নেহে বেড়ে ওঠেন। নানাবাড়িতে থেকে বগুড়া জিলা স্কুলে তাঁর পড়াশোনা। পরে ঢাকা কলেজ, তারপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য বিভাগে ভর্তি। পরে জীবন ও জীবিকার যুদ্ধ, তাঁর মায়ের প্রবাসজীবন, মেজ ও ছোট ভাই মায়ের সঙ্গে প্রবাসী হলেও বড় ভাই বাবুল অর্থাৎ মোবাশ্বের হোসেন দেশে থেকে যান।  

ছাত্র অবস্থাতেই ভালোবেসে বিয়ে করেন। এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জনক হন। একাত্তরে শিশুপুত্র ও স্ত্রীকে রেখেই বঙ্গবন্ধুর আহŸানে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে যান। ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল চৌধুরী মায়ার সহযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর, ঢাকায় অবস্থিত আমেরিকান কালচারাল সেন্টারে গেরিলা হামলার মূল ব্যক্তি তিনি। বিবরণে গেরিলা বাবুল নামেই ঘটনার লিপিবদ্ধ হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের দলিলে। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে কিছুদিন সরকারি চাকরি করেন। কর্মক্ষেত্রে মতের অমিল হওয়ায় সরকারি চাকরি ছেড়ে দেন। বন্ধুদের নিয়ে পরবর্তী সময়ে উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান ‘এসো কনসাল্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন।  

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ১৯৮৩ সালে। তখন সদ্য শিক্ষাজীবন শেষ করে বের হয়েছি। উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান ‘প্রস্থাপনাতে’ স্থপতি মেসবাহ ভাই আর স্থপতি মিজান ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করি। সময় পেলেই বাস্থই-এর জন্য কামলা খাটি। এমনি করে কোনো কাজে একদিন কয়েকজন সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসটি দেখে তখন আমার কাছে বিস্ময়! অফিসজুড়ে বাজছে রবীন্দ্রসংগীত। স্থপতিরা ফ্যাকাল্টি পরিবেশের মতো একটি পরিবেশে কাজ করছেন। অফিস যে এমন হতে পারে, ভাবতেই অবাক লাগছিল। ওই দিন প্রথম পরিচয় এবং তিনি আমার মনে একজন অনন্য হয়েই রয়ে গেলেন। 

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের বাস্থই-এর সঙ্গে প্রথম সম্পৃক্ততা ১৯৯৭ সালে। স্থপতি সামসুল ওয়ারেস বাস্থই সভাপতি, স্থপতি রাজিউল আহসান খোকন নির্বাহী পরিষদের সদস্য। আমিও ওই নির্বাহী পরিষদে একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছিলাম। এক অনাকাক্স্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনায় খোকন ভাইয়ের মৃত্যুতে নির্বাহী পরিষদে মোবাশ্বের ভাইকে কো-অপ্ট করা হয়। তবে তার আগে তিনি বাস্থই-এর হয়ে স্বাধীনতা প্রকল্পের ডিজাইন স্বত্বে¡র এক অংশীদারত্বের জটিলতা নিরসনে সহায়তা করছিলেন। পরবর্তীকালে নির্বাহী পরিষদে তিনি সহসভাপতি এবং যোগ্যতাবলেই পরবর্তী সময়ে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে তিনি বাস্থই-এর জন্য অপরিহার্য অভিভাবক হয়ে ওঠেন; সভাপতি নির্বাচিত হন পরপর পাঁচবার। দেশের ক্ষেত্রে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাস্থই-এর ক্রমশ উত্তরণের অন্যতম কান্ডারি হন তিনি।  

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন একজন অসম্ভব ভালো সংগঠক। অন্যকে ভালো কাজে উদ্দীপ্ত করার একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। স্থাপত্য, খেলাধুলা, মুক্তিযুদ্ধ বা জনকল্যাণ সব ক্ষেত্রে তিনি সাংগঠনিক নেতৃত্বে সফল। ঢাকায় ২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত আর্কএশিয়া সম্মেলন এবং ২০১২ সালে সিএএ সম্মেলনে তাঁর নেতৃত্ব এবং সফলতাই অনন্য এক উদাহরণ। পরবর্তী সময়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা রেখেছিলেন। একজন বাংলাদেশি স্থপতি হিসেবে ২০০৯ সালে আর্কিটেক্টস রিজিওনাল কাউন্সিল অব এশিয়া, আর্কএশিয়া-র চেয়ারম্যান, পরবর্তী সময়ে ২০১২ সালে কমনওয়েলথ অ্যাসোসিয়েশন অব আর্কিটেক্টস (সিএএ)-এর প্রেসিডেন্ট পদে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে এখনো স্মৃতিতে অ¤øান রেখেছেন।

কাজ করতে করতে তাঁর সঙ্গে বাড়ে হৃদ্যতা। একসময়ে তাঁর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। সরকারি স্থপতি হিসেবে কোনো প্রতিবাদে আমি কখনো একটু দ্বিধান্বিত হলে, তিনি তা বুঝে নিজের ওপরে পুরোটা নিয়ে নিতেন। আমাকে খুব স্নেহ করতেন, শাসন করতেন এবং কাজ করার জন্য প্রশ্রয় দিতেন। সব সময় তিনি বলতেন, ভালো কোনো কাজে সহায়তার অভাব হয় না, অভাব ইচ্ছে কিংবা কাজটি শুরু করা। আমার ক্ষুদ্র এক জীবনে তাঁর থেকে অনেক কিছু পেয়েছি। ভবিষ্যতেও হয়তোবা অন্য কারও কাছ থেকে কিছু পেলেও পেতে পারি। তবে একজন মোবাশ্বের হোসেনের মতো অন্য একজনকে আর পাব কি না জানি না। পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ আসেন, যাঁরা দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে নিজ কষ্টার্জিত অর্থ, জীবন এবং জীবনের সময় অকাতরে বিলিয়ে দিতে পারেন, মোবাশ্বের হোসেন তেমনই একজন। 

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্পের ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন থেকে ভবনের নির্মাণ তদারকি- সব ক্ষেত্রে তাঁর সম্পৃক্ততা ও উপস্থিতি ছিল অপরিহার্য। নির্মাণ তহবিল সংগ্রহের লটারি আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রথম পুরস্কার হিসেবে তাঁর আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘নীড় লিমিটেড’ থেকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট উপহার দিয়ে বলেছিলেন, দেশের স্বাধীনতার ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্যও একটি অ্যাপার্টমেন্ট উপহার দিয়েছিলেন। দেশের বহু খেলোয়াড় তাঁদের জীবনের বৈরী সময়কালে নীরবে সহযোগিতা পেয়েছেন স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের কাছ থেকে।  

দেশের নবীন শিক্ষার্থীদের বলতেন এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা, তাঁদের জন্য ছিলেন নিবেদিত এক প্রাণ। তাই তো স্থাপত্যের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বহুবার দেশের বাইরে সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের উত্তরণের জন্য এবং সেখানে সব সময় একজন পিতার ভূমিকায় তাঁর দায়িত্ব পালন ছিল সবার জন্য আস্থার প্রতীক। একবার ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আর্কএশিয়া সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে বাস উল্টে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষার্থী মারাত্মক আহত হন। সে পরিস্থিতিতে তাঁর ভূমিকা ছিল একজন যোদ্ধা পিতার। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস-এর তৎকালীন সভাপতি তাঁর বন্ধু স্থপতি বলবীর ভার্মাকে তিনি বলেছিলেন, ‘বলবীর, দিল্লির সেরা সার্জনদের সঙ্গে কথা বলো, তাঁদের দায়িত্বে অপারেশন করার ব্যবস্থা করো, খরচ আমি দেব।’ কতটা প্রত্যয়ী কণ্ঠস্বর। বন্ধু বলবীর তা-ই করেছিলেন, মাল্টিপল ফ্র্যাকচার ছিল ছেলেটির এবং সাত থেকে আট ঘণ্টার অপারেশন ছিল। ছেলেটি এখন একজন স্থপতি ও পুরোপুরি সুস্থ একজন। আরেকবার চীনে আয়োজিত সম্মেলনে বাংলাদেশি স্টুডেন্টসদের জন্য নির্ধারিত ডর্মে চায়নিজ ধারা অনুযায়ী, ডর্মের গণটয়লেটে কোনো দরজা ছিল না, ওদের অসুবিধার কথা জেনে স্টুডেন্টদের তিনি হোটেলে নিয়ে এসেছিলেন তাঁর ব্যবস্থাপনায়, একজন প্রিয় পিতার ভূমিকায় তখন তাঁকে অনুভব করেছি।   

অকপটে সত্যি কথা বলতে পারতেন, ন্যায়ের পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, দেশের যেকোনো অস্থির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। অবৈধ বিজেএমইএ ভবন অপসারণ, তেঁতুলতলার মাঠ ফেরত পাওয়া কিংবা তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তাঁর সোচ্চার উপস্থিতি এভাবেই দেখেছি আমরা। বাস্থই-কে প্রতিনিধিত্ব করতে জার্মানি গিয়েছিলেন এবং সেখানে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন তিনি। দেশে ফিরে বাসায় বলেছিলেন, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে যে নতুন জীবন, এটা তাঁর বাড়তি জীবন। তাই এ জীবন তাঁর মতো করেই দেশের জন্য উৎসর্গ করতে চান। তখন বুঝিনি কিন্তু পরে বুঝেছি, যখন জেনেছি তাঁর দেহ তিনি মানবকল্যাণের জন্য দান করেছেন।    

একাত্তরে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু কোনো সনদ নেননি। বলতেন, ‘দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, সনদ নিয়ে কী করবেন।’ মৃত্যুর পরে তাঁর মরদেহকে বিশেষ বিবেচনায় রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানানো হলো। কৃতজ্ঞতা তাঁদের প্রতি, যাঁদের উদ্যোগ ও সহযোগিতা নিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অভিবাদন জানানোর এ আয়োজন সম্ভব হয়েছিল। তাই তো এমন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার মৃত্যুতে কথা বলতে গিয়ে পুত্রের প্রত্যয়ী উচ্চারণ শুনি আমরা, ‘একটি স্বাধীন দেশে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন, মৃত্যুর সনদই শ্রেষ্ঠ সনদ, অন্য কোনো সনদের প্রয়োজন কী?’ 

সময় বয়সকে ক্রমে বাড়ায়, শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রে। সর্বশেষ নির্বাহী পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থতা এসে তাঁর শরীরে বাসা বাঁধছিল, মানসিকভাবেও স্বস্তিতে ছিলেন না তিনি। সে কারণে তিনি হয়তো ভুল বুঝেছেন অনেককে, অনেকেও তাঁকে ভুল বুঝে ভিন্নভাবে দেখেছেন। সুহৃদ ও প্রিয় স্থপতিদের সঙ্গে তৈরি এ দূরত্ব তিনি শেষ বয়সে মানতে পারেননি এবং এই ঘটনাগুলো আমার মতে, তাঁর পরিণত পথের যাত্রা অতি ত্বরান্বিত করেছে। 

শেষ অসুস্থতায় সময়ে গত বছরের নভেম্বর থেকে প্রায় দুই মাস ধরে শ্যামলীতে স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওখানেই শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন ২ জানুয়ারি ২০২৩ সালে। মরদেহটি তাঁর ইচ্ছেমতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসর্গ করা হলো। প্রতিনিয়ত যে নবীন প্রজন্মকে, শিক্ষার্থীদের তিনি বলতেন, এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা, সেই নবীন প্রজন্মের এসব মুক্তিযোদ্ধার জন্য একজন একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা নিজেকে এভাবে উৎসর্গ করলেন। দেশের জন্য, দেশের কল্যাণের জন্য ভালো লাগা ও ভালোবাসার অনন্য এক উপহার। 

আমাদের অস্তিত্বে, পথপ্রদর্শনে, বিবেক জাগ্রতকরণে ও সম্মুখের পথে বাস্থই এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ভাবনায় আপনি আমাদের অভিভাবক হয়েই থাকবেন। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, আমাদের প্রিয় একজন মোবাশ্বের ভাই, আমি ও আমরা আপনার কাছে এক জীবনের ঋণে আমৃত্যু ঋণী থেকে গেলাম।

  • স্থপতি কাজী গোলাম নাসির

লেখক : প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট প্রাক্তন প্রধান স্থপতি, স্থাপত্য অধিদপ্তর।

প্রকাশকাল: বন্ধন ১৫০ তম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারি ২০২৩

Related Posts

আলভার আলটো একজন শিল্পী-একজন স্থপতি

হুগো আলভার হেনরিক আলটো (৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৮-১১ মে, ১৯৭৬), একজন ফিনিশীয় স্থপতি ও নকশাবিদ। স্থাপত্যকলায় ড্রয়িং বা স্কেচের…

স্থপতি চার্লস মার্ক কোরিয়া উপমহাদেশের স্থাপত্যকলার অগ্রদূত

স্থপতি চার্লস মার্ক কোরিয়া ভারতের তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমসাময়িক স্থাপত্য ইতিহাসের প্রবাদপুরুষ। স্বাধীনতা-উত্তরকালে তিনি ভারতের অন্যতম প্রতিভাবান স্থপতি…

স্থপতি জঁ রিনডি ফরাসি স্থাপত্যের অমর কবি

জঁ রিনডির জন্ম ফ্রান্সের আইভরি স্যুর সিন শহরে, ১৯২৫ সালের ৮ জুন। ফ্রান্সে, বিশেষত প্যারিসের নিকটবর্তী আইভরি স্যুর…

অর্কেস্ট্রার বিমূর্ত যাত্রী ওয়াল্ট ডিজনি কনসার্ট হল

আমেরিকার পুরোনো স্টেট ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস শহরটি ছবির মতো সাজানো। এর মধ্যভাগে ডাউনটাউনের পরিচিতি এক অর্থে ঐতিহ্য আর…

01~1
previous arrow
next arrow

CSRM

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

কী কী থাকছে আকাশছোঁয়া শান্তা পিনাকলে
সমুদ্রবাণিজ্যের বর্জ্য থেকে অনন্যা এক স্থাপত্য
Home of Haor
Weather
Youth Park
Tower
শহর,সেতু আর সুরের টেনেসির আর্টস সেন্টার
Al Hamra
Teroshri Mosq