কমিউনিটি হাউজিং মডেল

কমিউনিটি হাউজিং প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

কমিউনিটি হাউজিং এমন এক ধরনের পরিকল্পিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ আবাসনব্যবস্থা, যা সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সকল কমিউনিটিকে এক জায়গায় নিয়ে আসে। চাকরি, ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাজার, নিরাপত্তা ইত্যাদি সব সুবিধাই অত্র কমিউনিটিসংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠে। যেখানে থাকে নাগরিক সব সুবিধা। তবে তা বড় শহরটির ওপর মূলত নির্ভর না করে। বিশ্বের অনেক দেশেই এ রকম হাউজিংয়ের উদাহরণ মিলবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনামসহ অনেক উন্নত দেশে গড়ে উঠেছে এমন আবাসনব্যবস্থা। 

কমিউনিটি হাউজিং আসলে পাবলিক হাউজিং। কমিউনিটি হাউজিংয়ে মূলত সব ধরনের আয়ের মানুষের আবাসনসুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সবার বাড়ি করার সামর্থ্য নেই। কিন্তু কমিউনিটি হাউজিংয়ে নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সবার আবাসনসুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকার নিজস্ব উদ্যোগে আবাসন তৈরি করে সহজ কিস্তিতে শ্রেণীভেদে বণ্টন করতে পারে। কিংবা সহজ শর্তে লোন, জমি কিংবা নির্মাণসামগ্রী বিতরণ করে কমিউনিটি হাউজিংয়ের আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলতে নাগরিকদের সহায়তা করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের উচিত নিম্নবিত্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া। কেননা আবাসনের সুযোগ থেকে তারাই সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত। আর তাই তাদের আবাসনের ব্যাপারে নিতে হবে বিশেষ ব্যবস্থা। আমাদের এখানে সরকারি উদ্যোগে কমিউনিটি হাউজিংয়ের বড় উদাহরণ সরকারি কর্মচারীদের জন্য করা আবাসনের ব্যবস্থা তথা তৈরি করা সরকারি কোয়ার্টার।

কমিউনিটি হাউজিং নির্মাণ ও সফলতা আনয়নে কতিপয় পদক্ষেপ

উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা চালুকরণ

গড়ে ওঠা আবাসনস্থল থেকে নগরের যেকোনো স্থান কম খরচে সহজেই কমিউনিটির বাসিন্দারা তাদের গন্তব্যে যেতে পারে। এর মধ্যে পায়ে চলা পথ, ছোট যানবাহন এমনকি মহাসড়কও রয়েছে। 

কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার প্রভৃতির দূরত্ব হবে কম 

একটি উন্নত নাগরিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে দ্রুত গমন এবং সংক্ষিপ্ত দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ নাগরিকদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট ইউনিট পরপর যাবতীয় ব্যবস্থা থাকতে হবে। 

কমিউনিটি হাউজিং মডেল

কমিউনিটি অনুযায়ী কর্ম নিশ্চিতকরণ

সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে এবং সুন্দর জীবনব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে প্রথমেই প্রয়োজন একটি চাকরি বা ব্যবসার সুযোগ। এই ব্যবস্থা যদি যথাযথভাবে করা না হয় তাহলে নিরাপদ ও স্থায়ী কমিউনিটি গড়ে উঠবে না।

সামর্থ্য ও সাধ্যের মধ্যে আবাসন নিশ্চিতকরণ

যখন কোনো কমিউনিটিভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হবে, তখন সেই এলাকা বা যাদের জন্য আবাসন নির্মাণ করা হবে তাদের ক্রয় সামর্থ্যকে বিবেচনায় রাখতে হবে।

প্রকৃতি ও জলাশয়ের সান্নিধ্য

প্রকৃতির সান্নিধ্য নিশ্চিত করতে হবে বাসিন্দারের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের স্বার্থে। দূষণমুক্ত পরিবেশে  প্রকৃতি ও জলাশয়ের ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 নান্দনিক অবকাঠামো

দেখতে মনোরম অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্ব দিতে হবে। এবং তা যেন পরিবেশবান্ধব হয়, সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

রাজধানীর একটি সরকারি কলোনী

কমিউনিটি হাউজিংয়ের রকমফের

কমিউনিটি হাউজিংয়ের বিশেষ কোনো ধরন নেই, তবে প্রভেদটা শুধু দৃষ্টিভঙ্গির। যেমন মালয়েশিয়া সরকার নিম্নবিত্তের জন্য ফ্ল্যাটের বাইরের সবকিছু রেডি করে দিল ভেতরের দরজা-জানালা তারা তাদের সুবিধামতো করে নিল। তবে ঘরের ভেতরে সজ্জাটা যা-ই হোক না কেন, বাইরে ডিজাইনটা কিন্তু সবারই একই রকম রাখতে হয়। এখানে ভিন্নতা আনা যাবে না। তবেই না বোঝা যাবে হাউজিংটা একই কমিউনিটির। এ ব্যবস্থায় নিম্নবিত্তরা তখনি একটা বাড়ির মালিক হচ্ছে। আর উচ্চবিত্তরা তো তাদের সামর্থ্য অনুসারে রেডিফ্ল্যাট কিনতেই পারছে। দেশভেদে কমিউনিটি হাউজিংয়ের ধরনটা কম-বেশি এ রকমই। 

কমিউনিটি হাউজিং দেশে দেশে

সব বিত্তের মানুষ একই পরিবেশে সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একসঙ্গে থাকবে। এটাই কমিউনিটি হাউজিংয়ের মূলমন্ত্র। এতে কমিউনিটিতে থাকে সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতা। থাকে না কোনো শ্রেণীব্যবধান। আর এ রকম কমিউনিটি হাউজিংয়ের সবচেয়ে ভালো উদাহরন সিঙ্গাপুর। এ ছাড়া কমিউনিটি হাউজিং গড়ে উঠেছে ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ভারতে। সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের শতকরা ৮০ ভাগের আবাসনের ব্যবস্থা করে সরকার। ওই দেশের সরকার নিজেই জমি অধিগ্রহণ করে ফ্ল্যাট তৈরি করে নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে। ওদের জমি কম বিধায় ওরা অধিকসংখ্যক বহুতল ভবন নির্মাণ করে। আয়, পারিবারিক কাঠামো, সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় সরকার ফ্ল্যাট বণ্টন করে। সবার আগে প্রাধান্য পায় নিম্নবিত্তরা। এখানে আবাসনব্যবস্থা গড়ার পূর্বশর্ত হলো সকল প্রকার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। যেমন- খেলার মাঠ ও পার্ক, চিত্তবিনোদনের সুযোগ, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের সুযোগ ও খোলামেলা পরিবেশ। 

সম্প্রতি ভারতের ব্যাঙ্গালোরের ইন্দোরে একই জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছে প্রায় ৬০ হাজার লোকের কমিউনিটি হাউজিংকেন্দ্রিক আবাসনব্যবস্থা যেখানে অতি দরিদ্র থেকে ধনী সবারই একই জায়গায় থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ধরনের শ্রেণীবৈষম্যহীন আবাসন প্রকল্পের ডিজাইন করেছেন ভারতের প্রখ্যাত স্থপতি দোশী।

কমিউনিটি হাউজিং, সিঙ্গাপুর

কমিউনিটি হাউজিং বাংলাদেশে

এ দেশে কমিউনিটি হাউজিংয়ের উদ্যোগ সরকার নিয়েছিল স্বাধীনতা উত্তরকালে। সময়টা ১৯৭৫ সাল। প্রকল্প ক্ষেত্র মিরপুর, টঙ্গী ও ডেমরা। ওই সময় ঢাকা শহরের সব বস্তি ভেঙে ওখানে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয় সরকার। বস্তিবাসীদের ওখানে থাকার জায়গা থাকলেও ছিল না কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ। ফলে উদ্যোগটা সফলতার মুখ দেখেনি। এরপরের উদ্যোগটা নেওয়া হয় শিল্পএলাকা টঙ্গীর এরশাদনগরে। শিল্প এলাকায় আবাসনের সুযোগ পাওয়া লোকদের কাজের সুযোগ ছিল না বললেই চলে। কারণ, তারা শিল্প-কলকারখানায় কাজ করার মতো দক্ষ ছিল না। ফলে তাদের কাজ করতে রাজধানী ঢাকায় আসতে হতো। আর কাজ করত দিনমজুর বা রিকশাচালকের। কর্ম সুযোগ না থাকায় এ ধরনের আবাসন প্রকল্প সফলতার মুখ দেখেনি। কমিউনিটি হাউজিং কিংবা এ রকম আবাসন প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করা হয়নি। বরং কাজ করানো হয়েছে ঠিকাদারদের দিয়ে। এ কারণে থাকার জায়গাটার প্রতি বস্তিবাসীদের মমত্ববোধ কিংবা একাতœবোধ গড়ে ওঠেনি। আর তাই ওরা পরগাছার মতো ওখানে বাস করেছে। যদি তাদেরই প্রকল্প নির্মাণে কাজে লাগানো হতো, তবে এ সংকট তৈরি হতো না। তদুপরি, পায়নি বাড়ি কিংবা জায়গাটার মালিকানাও। তারা আশায় আশায় থেকেছে একসময় মালিকানা পাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের আশাভঙ্গ ঘটেছে। এভাবেই গড়ে ওঠা ঘরে ফেরা বা গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মতো এ ধরনের কমিউনিটি হাউজিং প্রকল্পের অপমৃত্যু ঘটেছে। 

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে কোর হাউজিংয়ের চর্চা ছিল। এতে নিম্নবিত্ত বাসিন্দাদের একটি টয়লেট, একটি রান্নাঘর তৈরি করে দেওয়া হতো। নিম্নবিত্তরা আসলে এমন পরিবেশে থাকতে চায়, যেখানে ভালো যোগাযোগের পাশাপাশি রয়েছে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা। তাদের আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ চলে যায় আবাসনে আর বাকিটা যাতায়াতে। আর যেটুকু থাকে তা দিয়ে চলা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে ঢাকা শহরের ঘনবসতি সমস্যা সমাধানে কমিউনিটি হাউজিংয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে নিঃসন্দেহে। শুরুতে সরকারের পলিসি ছিল ফ্ল্যাট তৈরি করে বিক্রি করা; এতে বিনিয়োগ বেশি লাগত আর লাগত জমিও। এর সুবিধাভোগী ছিল শুধু বিত্তবানেরা। আর লগ্নিকৃত টাকাটা ফেরত আনতে সামর্থ্যবানদের কাছেই তৈরি করা ফ্ল্যাট বিক্রি করত সরকার। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নিম্নবিত্ত ছিন্নমূল মানুষেরা। 

কমিউনিটি হাউজিংয়ের মডেল

আর তাই নিম্নবিত্তরা তাদের ন্যূনতম আবাসন প্রয়োজন মেটাতে বেছে নিয়েছে সরকারি পতিত জমি, নিচু জমি যেখানে জলাবদ্ধতা হবে না এমন জায়গা। আবার এসব জায়গা থেকে উচ্ছেদ করলে কাটাতে হচ্ছে মানবেতর ভাসমান জীবন। নিম্ন আয়ের মানুষদের আবাসনসমস্যা সমধানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের ইতিপূর্বে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি সফল হয়নি। ঢাকার বেশির ভাগ নিম্নআয়ের মানুষ ঢাকা শহরের বিভিন্ন সীমানা প্রান্তে থাকে। কারণ, শহরের মধ্যকার বাসাভাড়া অনেক বেশি হয়। তবে বাসাভাড়া বাঁচাতে তাদের পড়তে হয় যাতায়াত ভোগান্তিতে। কারণ, প্রতিদিনই চাকরির তাগিদে তাদের নগরের কেন্দ্রে (মতিঝিল, কাওরানবাজার, গুলশান ইত্যাদি) আসতে হয়। রাস্তায় যানজট এবং সঠিক গণপরিবহনব্যবস্থা এবং সেগুলোর অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে তাদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। বিষয়টিকে নগর পরিকল্পনায় দেখিয়েছেন নগরবিদ পজোয়ানা ব্যারোস। তিনি তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, শহরের প্রান্তে যখন কমমূল্যের জমিতে বসবাসকারী নিম্ন আয়ের মানুষের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়, তখন ধীরে ধীরে জায়গাগুলোর মূল্য বাড়তে থাকে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষেরা সেখানে আর থাকতে পারে না। ওই জায়গাগুলো তখন শহরের ভেতরে উচ্চ আয়ের যেসব ব্যক্তিরা আগে থেকে থাকত, তারা এসে দখল নেয় এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পরে আবাসনব্যবস্থাটা অনেকটাই তাদের দখল আসে এবং অযাচিতভাবে শহরটি বাড়তে থাকে। বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনার দাবিদার। খোদ ঢাকা শহরেই এর প্রমাণ মিলবে। মিরপুর ১৪ নম্বরে ভাষানটেক প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছিল মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের কথা চিন্তা করে। কিন্তু যে মূল্যে ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ছিল, তা ফ্ল্যাট নির্মাণের পর বরাদ্দের সময় অনেক বেড়ে যায়। এমনকি বরাদ্দের পরও বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ বাবদ ফ্ল্যাটমালিকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়। ফলে ফলাফল যা হওয়ার হলোও তাই। অনেক পরিবার তাদের ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়। মোটামুটি ধনী শ্রেণীর লোকেরা এই ফ্ল্যাটগুলো নানাভাবে কিনে নেয়। তা ছাড়া যেসব সুযোগ-সুবিধা তাদের দেওয়ার কথা ছিল, শেষ পর্যন্ত তা দেওয়াও হয়নি। ফলে কমিউনিটি হাউজিংয়ের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়নি।

কমিউনিটি হাউজিং, ফিলিপাইন

শেষের আগে

হাউজিং আমরা কেন করি? শুধুই কি আবাসনের জন্য। না, পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে সব ধরনের নাগরিকসুবিধা। যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের দেশে কমিউনিটি হাউজিংয়ের প্রয়োজন অনেক। স্বল্প আয়ের মানুষের সামর্থ্য কম বিধায় তাদের আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকেই এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। সরকারের উচিত তাদের অধিগ্রহণকৃত জমিতে নিম্নবিত্তদের আবাসনের ব্যবস্থা করা। আর সামর্থ্যবানেরা তাদের আয় দিয়েই নিজস্ব আবাসনব্যবস্থা করে নিতে পারে। যার উদাহরণ অভিজাত এলাকা বারিধারা, ধানমন্ডি, বনানী, গুলশানে গড়ে ওঠা সামর্থ্যবানদের কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি। কমিউনিটি হাউজিং গড়ে তোলার ব্যাপারে দেশের শিল্পপতিদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা তাদের শিল্প-কারখানায় কর্মরত কর্মীদের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসনের ব্যবস্থা করে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।  পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব আবাসনব্যবস্থা সুনাগরিক গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

আগারগাঁও স্টাফ কোয়ার্টার

সহযোগিতায় : অধ্যাপক ড. রুখসানা হাফিয

নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বুয়েট

প্রকাশকাল: বন্ধন ৩৭ তম সংখ্যা, মে ২০১৩

Related Posts

হাইওয়ের বুকে খাড়া শহর: নগরের নতুন ভাষা

হাইওয়ে একদিকে যেমন চলাচলের জন্য অপরিহার্য, অন্যদিকে এটি শহরের ভেতরের জীবনকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এমনই এক দ্বন্দ্বের মধ্যে…

ByByshuprova Apr 20, 2026

বন্যা প্রতিরোধী বাঁশের বাড়ি নির্মাণের এখনই সময়

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। সাগর উপকূলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ বাংলাদেশ। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যা বাংলাদেশের জন্য খুবই…

পাহাড়ের ঢালে খোদাই করা ‘নট আ হোটেল সেতোউচি’

এর নকশাটি ছিল সরাসরি জাপানি লোকজ স্থাপত্য থেকে অনুপ্রাণিত। যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সংবেদনশীলতার মাধ্যমে এর যুক্তিকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে।…

নদীর মাঝে ফুটে ওঠা কংক্রিটের টিউলিপ পার্ক

প্রায় আড়াই একর জায়গাজুড়ে রয়েছে ঘোরানো হাঁটার পথ, সাজানো বাগান, আর ৭০০ আসনের একটি এম্ফিথিয়েটার। ২৬০ মিলিয়ন ডলারের…

01~1
previous arrow
next arrow

CSRM

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

কী কী থাকছে আকাশছোঁয়া শান্তা পিনাকলে
সমুদ্রবাণিজ্যের বর্জ্য থেকে অনন্যা এক স্থাপত্য
Home of Haor
Weather
Youth Park
Tower
শহর,সেতু আর সুরের টেনেসির আর্টস সেন্টার
Al Hamra
Teroshri Mosq