ভবনের নান্দনিকতায় প্রি-কাস্ট প্রযুক্তি

প্রি-কাস্ট কংক্রিট সেকশন প্ল্যান্ট

বর্তমান নির্মাণশিল্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ স্বল্প সময়ে দ্রুত কাজ সম্পাদন। আজকাল বিশ্বের বড় বড় স্থাপনা যেভাবে দ্রুততার সঙ্গে মেঘ ফুঁড়ে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। এ সবই সম্ভব হচ্ছে প্রি-কাস্ট কংক্রিট প্রযুক্তি ব্যবহারের কল্যাণে। প্রি-কাস্ট কংক্রিট প্রযুক্তি ইউরোপসহ মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকায় অত্যধিক হারে ব্যবহৃত হয়। চীন ও ভারতেও এর বহুল ব্যবহার প্রচলিত। এটি সাইট কনস্ট্রাকশনকে বেগবান করে সাইটের বহুল জনবল কমিয়ে অবসান ঘটায় নানা ধরনের জটিলতার। নিয়ন্ত্রিত যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রি-কাস্ট কংক্রিট তৈরি করা হয়, তাতে শক্তিমত্তা, গুণগতমান নিয়ন্ত্রণসহ আরও বিবিধ সুবিধা পাওয়া যায়।

প্রি-কাস্ট কংক্রিট 

দুটি প্রক্রিয়ায় কংক্রিট তৈরি করা হয়। প্রথমটি হলো কাস্ট-ইন-সিটু (Cast-in-situ) বা কনস্ট্রাকশন সাইটে ম্যাটেরিয়াল মিশ্রিত করে ঢালাই করে তৈরি হয় কংক্রিট। আমাদের দেশে সচরাচর পদ্ধতিটি দেখা যায়। অপরটি হলো প্রি-কাস্ট (Pre-cast) কংক্রিট। যার দ্বারা নির্মাণাধীন স্থাপনার বিভিন্ন অংশ যেমন- বিম, কলাম প্রভৃতি নির্মাণ সাইট থেকে দূরে সুবিধাজনক স্থানে মোল্ড বা ছাঁচে কংক্রিটের মিশ্রণ ফেলে তৈরি করা হয়। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে এর কিউরিং করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে কনস্ট্রাকশন সাইটে পরিবহন করে সঠিক স্থানে স্থাপন ও সংযোগ করা হয়। এ প্রক্রিয়াই প্রি-কাস্ট কংক্রিট প্রযুক্তি।

প্রি-কাস্ট কংক্রিট সাইড ওয়াল

নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের (যা কি না প্রি-কাস্ট প্ল্যান্ট নামে পরিচিত) মাধ্যমে তৈরি কংক্রিটে যথাযথ কিউরিং সম্ভব, যা প্রশিক্ষিত কর্মীরা সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। এ ছাড়া এতে যে ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়, তা  হলো-

  • সাইট কাস্টিং বা কাস্ট-ইন-সিটু কংক্রিটের তুলনায় প্রি-কাস্ট কংক্রিটে কারিগরি দক্ষতা ও ম্যাটেরিয়ালের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা সম্ভব।
  • প্রি-কাস্টে ব্যবহৃত ফ্রেমওয়ার্ক বা ছাঁচটি ব্যবহারের অযোগ্য হওয়ার আগে তা অনেকবার ব্যবহার করা যায়।
  • প্রি-কাস্ট সেকশনের ঢালাই হয় মাটির লেভেলে। ফলে পুরো প্রজেক্টের সেফটি বা সুরক্ষা নিশ্চিতভাবে বেড়ে যায়।
  • জয়েন্ট টু জয়েন্ট পদ্ধতিতে প্রি-কাস্ট প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত স্থাপনা বিচ্ছিন্নের মাধ্যমে অন্য স্থানে পরিবহন করে পুনরায় খাপমতো জোড়া লাগানো সম্ভব। এভাবে আমেরিকার এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে অহরহ বাড়িঘর পুনঃস্থাপন প্রক্রিয়া চলছে।
  • এ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট দ্বারা লম্বা ক্লিয়ার স্প্যান গঠন সম্ভব। সম্ভব বিল্ডিং সেকশনগুলোও পুনরায় ব্যবহার করা। প্রয়োজনে এ সেকশনগুলো বিচ্ছিন্ন করে একই মাপের ও ভারবাহন ক্ষমতার অন্যান্য বিল্ডিংয়ে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
  • প্রি-স্ট্রেস মেমবারগুলো ওয়ার্কিং লোডের নিচে ব্র্যাক ফ্রি হয়। ফলে এ ধরনের কংক্রিটের স্টিলে মরিচা পড়ে কম। ব্র্যাক ফ্রি হওয়ায় তা দেখতেও হয় সুন্দর। ব্র্যাক প্রতিরোধে রক্ষণাবেক্ষণের খরচও তুলনামূলকভাবে কম।
  • এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কনস্ট্রাকশন সাইটে নির্মাণ উপকরণের স্থানসংকুলান বা স্টেরিং করা সম্ভব হয় না। প্রি-কাস্ট প্ল্যান্টে সাধারণত ম্যাটেরিয়াল ও উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে, যা নির্মাণ সাইটের ওপর চাপ কমায়।

দীর্ঘস্থায়িত্ব

প্রি-কাস্ট কংক্রিট চরমভাবাপন্ন জলবায়ুতে ক্ষয়ে যায়। রাসায়নিক আক্রমণ, আগুন ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ থেকেও এটি সাধারণ কংক্রিটের চেয়ে অধিক সুরক্ষিত। একটি প্রি-কাস্ট প্ল্যান্টে কংক্রিটের স্থায়িত্ব, শক্তিমত্তা, বাহ্যিক রূপসহ সব ভেরিয়েবলের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। সম্ভব ম্যাটেরিয়াল, পানি ও সিমেন্টের আনুপাতিক এডমিক্সচারের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ। এয়ার এনট্রেইনমেন্ট ও দক্ষ কিউরিংয়ের মাধ্যমে কার্যকর, দীর্ঘস্থায়ী ও অধিক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কংক্রিট উৎপাদন সম্ভব, যা সব ধরনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনারের চাহিদা পূরণ করে।

বিল্ডিং নি‍র্মাণে হলো-কোর সেকশন

সময়স্বল্পতা

প্রি-কাস্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা স্বল্প সময়ে নির্মাণকাজ সম্পাদন। প্রি-কাস্ট কংক্রিট সেকশনের উৎপাদন সাইট প্রিপারেশন সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে। ফলে সব ধরনের চাহিদা কনস্ট্রাকশন সাইটে পৌঁছানো ও স্থাপন করা সহজেই সম্ভব হয়। বৃষ্টি-বাদল, ঝড়-ঝাঞ্ঝা প্রি-কাস্ট ইউনিট উৎপাদনে বাধার সৃষ্টি করতে পারে না। কেননা, অভ্যন্তরস্থ পরিবেশেই এটা তৈরি হয়। ফলে নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পাদন করে সম্ভব হয় অর্থনৈতিক সাশ্রয় আনা।

চিত্তাকর্ষক ও সৃজনশীল

উৎপাদন-প্রক্রিয়ার অভূতপূর্ব উন্নয়নের ফলে এখন প্রি-কাস্ট সেকশন নির্মাতারা নানামাত্রিক ডিজাইনের সেকশন উৎপাদন করছে। বিভিন্ন প্রকার উদ্ভাবনী ফ্রেমওয়ার্ক সিস্টেম বিল্ডিংয়ের লোড বেয়ারিং মেমবারগুলোকে নানা উদ্ভাবনী আকার-আকৃতির রূপ দিচ্ছে, প্রি-কাস্ট ছাড়া যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। নানা প্রকারের কালারিং এজে আকার, আকৃতি ও গঠনবিন্যাসের নানা অংশে অভূতপূর্ব ইফেক্ট আনা সম্ভব।

পরিবেশবান্ধব

প্রি-কাস্ট কংক্রিট পরিবেশবান্ধবও বটে। ছাঁচ ও কংক্রিট সেকশন সবই পুনর্ব্যবহারযোগ্য। এটি কনস্ট্রাকশন সাইটের শব্দদূষণ, ধুলাবালির বিস্তার প্রভৃতি রোধ করে। কোনো প্রকার ভাইব্রেশন, করাতের কাটাছেঁড়া, রড কাটা প্রভৃতি শব্দদূষণকারী কর্মতৎপরতা না থাকায় নির্মাণসাইট বহুলাংশে শব্দদূষণমুক্ত। হলো-সোর সেকশন উৎপাদনের মাধ্যমে স্বল্প ম্যাটেরিয়ালে প্রয়োজনীয় শক্তিমত্তা ও ফ্লোর স্পেস পাওয়া যায়, যা ম্যাটেরিয়ালের ওপর চাপ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।

বিল্ডিং তৈরির প্রতিটি উপাদান; যেমন- ফাউন্ডেশন পাইল, বিম, কলাম হলো-কোর স্ল্যাব, লিনটেন, ওয়াল প্যানেল, ছাদের খণ্ডাংশ প্রভৃতি প্রি-কাস্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন সম্ভব। তবে প্রতিটি উপাদান যেন ডিজাইনকৃত টেনসাইল ও কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ বিল্ডিংয়ের ডিজাইন লাইফ বহন করে, নিশ্চিত করে তার স্থায়িত্ব। রাস্তাঘাট, এয়ারপোর্ট ও রেলপথের পরিবহনব্যবস্থায়ও রয়েছে প্রি-কাস্ট প্রযুক্তির ছোঁয়া। বক্স কালভার্ট, তিন-পার্শ্ববিশিষ্ট কালভার্ট, রেলক্রসিং, রেললাইনের টাই, সাইটওয়াল, ব্যারিয়ার, টানেল সিগমেন্ট, কংক্রিট ব্যারিয়ার, সেন্ট্রাল রিজার্ভেশন দ্রুততার সঙ্গে মানসম্মতভাবে উৎপাদন করা সম্ভব এ প্রযুক্তির প্রয়োগে। এগুলোর সাহায্যে অত্যন্ত দ্রুত সময়ে ওভারপাস, সারফেসপাস, পথচারীদের সাবওয়ে তৈরি করা সম্ভব, নইলে যা একই সঙ্গে শহরের ট্রাফিক-ব্যবস্থাকে অল্প সময়ের জন্য হলেও বাধাগ্রস্ত করে। স্প্যাড্রেল সিঙ্গেল ও ডাবল টি বিম, আই বিম গার্ডার এবং ব্রিজ ও ফ্লাইওভারের খণ্ডাংশগুলোকে উৎপাদনের মাধ্যমে প্রকল্পের মেয়াদকাল অবিশ্বাস্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

হলো-কোর কম্পোনেন্ট

প্রি-কাস্ট কংক্রিটের নতুন উদ্ভাবন হলো ‘হলো-কোর’ কম্পোনেন্ট। এই ডিজাইন প্রয়োগে ন্যূনতম কংক্রিট ব্যবহারের মাধ্যমে বিল্ডিং কম্পোনেন্ট তৈরি করা যায়। নামের সঙ্গে সংগতি রেখেই এই সেকশনগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে ফাঁক থাকে। হলো-কোর হলো প্রি-কাস্ট প্রি-স্ট্রেসড প্রযুক্তিরই পরিবর্ধিত রূপ, যা প্রি-স্ট্রেসের মূলমন্ত্রে ব্যবহৃত। প্রি-স্ট্রেস একইভাবে দুই-তিন ইঞ্চি থেকে  তিন-চার ইঞ্চি মোটা টিউব ছাঁচের মাঝখান দিয়ে প্রবেশ করানো হয় এবং কংক্রিট কিউরিংয়ের পর তা খুলে ফেলা হয়। এভাবে হলো-কোর ছাঁচের মাধ্যমে প্রি-স্ট্রেসের সমপর্যায়ের শক্তিমত্তা ও স্ট্রাকচারাল ইন্টিগ্রিটিসম্পন্ন কংক্রিট সেকশন উৎপাদন সম্ভব। প্রথাগত প্রি-স্ট্রেস সেকশনের তুলনায় এই কংক্রিট ওজনে অনেক হালকা। এভাবে হলো-কোর প্রি-কাস্ট প্রযুক্তির সেরা পণ্য হয়ে উঠেছে। এসব ছাড়াও আরও যা উৎপাদন সম্ভব তার মধ্যে রয়েছে ভূমিধস প্রতিরোধক বিভিন্ন প্রকারের অর্থ রিটেইনিং সিস্টেম বা রিটেইনিং ওয়াল। এগুলো হলো কমার্শিয়াল রিটেইনিং ওয়াল, রেসিডেনশিয়াল রিটেইনিং ওয়াল, মেকানিক্যাল স্ট্যাবিলাইড আর্থ প্যানেল বা প্যানেল, মভ্যুলার ব্লক সিস্টেম, সেগমেন্ট রিটেইনিং ওয়াল প্রভৃতি। স্যানিটারি ও স্টমওয়াটার ম্যানেজমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় কমম্পোনেন্ট; যেমন- ডিটেনশন ভল্ট, ক্যাচ বেসিন ম্যানহোল, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় এয়ারেশন সিস্টেম ডিস্ট্রিবিউশন বক্স, ডোজিং ট্যাংক, ড্রাই ওয়েল, গ্রিজ ইন্টারসেপ্টর, লিচিং পিট স্যান্ড-অয়েল বা অয়েল-ওয়াটার ইন্টারসেপ্টর, সেপটিক ট্যাংক, ওয়েট ওয়াল, ফায়ার সিসটান ইত্যাদি এ প্রক্রিয়ায় উৎপাদন সম্ভব।

প্ল্যান্টের উৎপাদন প্রক্রিয়া

প্রি-কাস্ট কংক্রিট স্টিল প্যালেটের ওপর তৈরি করা হয়। উৎপাদন প্রক্রিয়াটি একটি চাক্রিক প্রক্রিয়া যেখানে কংক্রিটের সেকশনগুলো প্রতিটি আলাদাভাবে প্রস্তুত করা হয়। 

একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ডিজাইন (CAD) সিস্টেমের মাধ্যমে ওয়াল ও স্ল্যাবগুলো ডিজাইন করা হয়। এই ডেটাগুলো হোস্ট কম্পিউটারে পড়ে মেশিন ডেটায় রূপান্তর হয়। হোস্ট কম্পিউটার পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াটিকে নিয়ন্ত্রণ করে। একটি রোবট নকশা কাটা স্টিলের পাতগুলোকে শক্তিশালী চুম্বকের সাহায্যে জোড়া লাগিয়ে ফরম বা ছাঁচ প্রস্তুত করে। এ কাজে প্রয়োজনীয় ডেটা হোস্ট কম্পিউটার সরবরাহ করে। রি-ইনফোর্সমেন্ট ম্যানুয়াল অথবা রোবটের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়। এরপর অটোমেটিক কংক্রিট শ্রেডারের মাধ্যমে কংক্রিট ঢালা হয়। এভাবেই অটোমেটিক শ্রেডারই কংক্রিটকে সঠিক স্থানে ও পরিমাণে প্রদান করে বলেই প্রি-কাস্ট কংক্রিট গুণগত মানের দিক থেকে এত উন্নত। কংক্রিট শ্রেডার প্রয়োজনীয় ডেটা হোস্ট কম্পিউটার থেকে গ্রহণ করে। 

প্রি-কাস্ট প্ল্যান্টে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ

এরপর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সঠিকভাবে কিউরিং করা হয়, যা সর্বক্ষণ কর্মীর তত্ত্বাবধানে থাকে। কিউরিং ও পর্যাপ্ত হার্ডেনিং বা শক্তি সংগ্রহের পর ফ্রেমওয়ার্ক বা ছাঁচ খুলে ফেলা হয় এবং নির্মাণস্থলে পরিবহন করা হয়।

প্রি-কাস্ট প্ল্যান্টের উৎপন্ন সেকশনগুলোর গুণগতমান নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। আমেরিকার প্রদেশগুলোতে প্রি-কাস্ট প্ল্যান্টগুলোকে আর্কিটেকচ প্রি-কাস্ট অ্যাসোসিয়েশন (APA), ন্যাশনাল প্রি-কাস্ট কংক্রিট (NCC) অথবা প্রি-কাস্ট প্রিস্ট্রেসড কংক্রিট ইনস্টিটিউট (PCI)-এর সার্টিফাইড হতে হয়। একই সঙ্গে ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশন (DOT) থেকেও বিধি মোতাবেক ছাড় ও পরিপত্র দেওয়া হয়।

এ. কে. এম. জাহিদুর রহমান

প্রডাক্ট সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার, আকিজ সিমেন্ট কোং লি.

প্রকাশকাল: বন্ধন ৪৫ তম সংখ্যা, জানুয়ারি ২০১৪

Related Posts

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে আবহাওয়া ও পরিবেশ নানাভাবে ছাপ রাখে। পরিবেশ পরিস্থির সঙ্গে তাল মিলিয়েই প্রতিনিয়ত চলতে হয় আমাদের।…

বিস্ময়কর যন্ত্র ক্রেন

আধুনিক সভ্যতার অগ্রগতির পেছনে যেমন রয়েছে মানুষের দূরদর্শিতা, তেমনি রয়েছে বিস্ময়কর নানা যন্ত্রের ব্যবহার। স্থাপনা নির্মাণে ভারী ভারী…

সড়ক নির্মাণ এবং মান নিয়ন্ত্রণ (দশম পর্ব)

সড়ক নির্মাণকাজে সার্বিক মান নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন প্রকার সড়ক নির্মাণ কল্পে সড়কসমূহের প্রকারভেদ, প্রয়োজনীয় মালামাল, যন্ত্রপাতি এবং কাজের পদ্ধতিসংক্রান্ত…

ফ্লাইং উইন্ডমিল

শক্তির নবতর সম্ভাবনা মহাবিশ্ব অসীম এক শক্তির আধার, এটা অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আমাদের গ্রহে শক্তির…

01~1
previous arrow
next arrow

CSRM

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

কী কী থাকছে আকাশছোঁয়া শান্তা পিনাকলে
সমুদ্রবাণিজ্যের বর্জ্য থেকে অনন্যা এক স্থাপত্য
Home of Haor
Weather
Youth Park
Tower
শহর,সেতু আর সুরের টেনেসির আর্টস সেন্টার
Al Hamra
Teroshri Mosq