দ্য পাম আইল্যান্ড
দুবাইয়ের দ্বীপ নগরী কিভাবে হলো?

সমুদ্রের সঙ্গে মানুষের সখ্য আদিম ও অকৃত্রিম। সাগরদ্বীপের সৌন্দর্য চিরকালই হাতছানি দেয়। নীল জলরাশির সান্নিধ্য মুহূর্তেই মনকে আনন্দে উদ্বেলিত করে। তাই তো যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ ছুটছে নির্জন কোনো দ্বীপে, সৈকতের বালুকাবেলায়। এমন যদি হয় আপনার স্বপ্নের দ্বীপে রয়েছে বিচসংলগ্ন আপনার একান্তই নিজস্ব একটি ঘর। আর সেখানে বিশ্বখ্যাত তারকারাই আপনার প্রতিবেশী, যাঁদের এত দিন দেখেছেন রুপালি পর্দায়; তাহলে কেমন হয়? নিশ্চয় মনে খটকা লাগছে! ব্যাপারটা খুলেই বলি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের সমুদ্র উপকূলে গড়ে তোলা হয়েছে পামগাছ আকৃতির বিশাল এক দ্বীপনগর, দ্য পাম আইল্যান্ড। যেখানে থাকার পাশাপাশি রয়েছে বিনোদনের নানা আয়োজন, যা ইতিমধ্যেই স্বঘোষিত অষ্টমাশ্চর্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

বিলাসী জাতি হিসেবে দুবাইবাসীর বেশ কদর। সবকিছুতে সেরাটাই চাই তাদের। পর্যটনশিল্পের বিকাশে দেশটির সরকার নিয়েছে নানামুখী পদক্ষেপ। তবে দেশটিতে একটি দ্বীপনগর তৈরি করার ধারণাটির প্রবক্তা শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাক্তম। যেই ভাবা সেই কাজ। ২০০১ সালেই শুরু হয় বিশাল এ দ্বীপের নির্মাণযজ্ঞ। পৃথিবীর কয়েকটি দেশে কৃত্রিম দ্বীপ থাকলেও সবাইকে ছাড়িয়ে এটি সর্ববৃহৎ কৃত্রিম দ্বীপ হিসেবে আতœপ্রকাশ করে, যা কি না মহাকাশ থেকেও দেখা যায়। এত বড় একটি প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘আল নাখিল প্রপার্টিজ’। শুরুতে একটি দ্বীপ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে এর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩-এ। দুবাই সরকারের প্রত্যাশানুযায়ী দ্বীপগুলোকে হুবহু পামগাছের মতো করেই তৈরি করা হয়। অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো বেশ কিছু ডাল ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং মাথায় বসানো হয় মুকুটের মতো ক্রিসেন্ট। এমনভাবে দ্বীপগুলো তৈরি দেখে মনে হয় একেকটি দৈত্যাকৃতির পামগাছকে জোর করে পানিতে গোসলে নামানো হয়েছে। এই দ্বীপগুলো নির্মাণের ফলে দুবাই শহরের সঙ্গে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার বিচ এলাকা যুক্ত হয়েছে। পুরো দ্বীপে রয়েছে অবসর কাটানোর নানা অনুষঙ্গ। দ্বীপনগরকে সাজানো হয়েছে বিনোদনের বর্ণিল আয়োজনে। ফলে নির্মিত স্থাপনা বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি হয়ে যায় দ্বীপের অধিকাংশ বাড়ি।

বিশালাকৃতির ফান

বিশ্বের খ্যাতনামা খেলোয়াড়, অভিনেতাসহ বিখ্যাত তারকারা ইতিমধ্যেই বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন এই দ্বীপে। এঁদের মধ্যে ফুটবলার ডেভিড বেকহাম, মাইকেল ওয়েন, অভিনেতা শাহরুখ খান, ব্র্যাড পিট, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দম্পতি প্রথম দিককার ক্রেতা। অবশ্য এটা গুজব বলেও অনেকের দাবি। কেউ কেউ মনে করেন, আকর্ষণ বাড়াতেই কর্র্তৃপক্ষ সেলিব্রেটিদের কিছু অ্যাপার্টমেন্ট উপহার দিয়েছেন। দ্বীপজুড়ে রয়েছে চোখ ধাঁধানো নানা উপকরণ ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা। সাংগ্রিলা, র‌্যাডিসন, হিলটনসহ বিশ্বের নামীদামি ৬০টি লাক্সারিয়াস হোটেল, চার হাজার বাড়ি, এক হাজার ওয়াটার হোম ও পাঁচ হাজার সমুদ্রবেষ্টিত অ্যাপার্টমেন্ট স্থান পেয়েছে এখানে। এ ছাড়া রয়েছে আধুনিক রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, স্টেডিয়াম, সিনেমা হল, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র প্রভৃতি। তবে নাখিল কোম্পানি তাদের ব্র্যান্ডিংকে আকৃষ্ট করতে তুলে ধরছে-

  • ঘরে বসেই উপভোগ করুন চোখ ধাঁধানো নীল সমুদ্র
  • বিশ্বখ্যাত স্থপতিদের দিয়ে ডিজাইন করা অ্যাপার্টমেন্ট
  • বসবাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ২৪ ঘণ্টা নৌ-পেট্রল
  • বিখ্যাত ইন্টেরিয়র ডিজাইনার কর্র্তৃক ইন্টেরিয়র ডিজাইন
  • পছন্দের রং, সিরামিক, টাইলস অথবা কাঠের ফ্লোর বেছে নেওয়ার সুযোগ
  • ইনস্যুলেটেড ডাবল গ্লাস জানালা ইত্যাদি।

দ্বীপের ফর্মুলা ও নির্মাণ

কীভাবে সম্ভব এই নির্মাণযজ্ঞ? পার্সিয়ান সাগরের ঝড়, ঢেউয়ের উচ্চতা, প্রলয়ংকরী বাতাস এ সবকিছুর হাত থেকে দ্বীপের ধ্বংস রোধ করা যাবে তো? সমস্যাগুলোকে অনেক গোলকধাঁধায় ফেলে দেয় নাখিল কর্তৃপক্ষকে। সাধারণত পানির গভীরতা কম থাকলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সমুদ্র ভরাটের প্রয়োজন হয় না। পানি সরিয়ে চারপাশে বাঁধ দিয়ে পাথর আর বালু ঢেলে দিলেই হয়ে যায় দ্বীপ। তবে এসব দ্বীপকে ত্রুটিমুক্ত করতে আমন্ত্রণ জানানো হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের। সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পরিমাপ করে ঘোষণা দেন পার্সিয়ান বা আরব সাগরই এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণে উপযুক্ত স্থান। কারণ, এর গভীরতা ৩০ থেকে ১৬০ মিটারের মধ্যে। এভাবে বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে শুরু হয়ে যায় নির্মাণকাজ। বিশ্ববিখ্যাত ড্রেজিং প্রযুক্তিসম্পন্ন সমুদ্র ঠিকাদার ও ভূমি উদ্ধারকারী  প্রতিষ্ঠান বেলজিয়াম কোম্পানি জেন দ্য নাল ও ডাচ কোম্পানি ভ্যান অর্ডকে ভাড়া করা হয় নির্মাণ সহযোগী হিসেবে। সেখানে জড়ো করা হয় ইয়া বড় বড় সব যন্ত্রপাতি, সমুদ্রের তলা থেকে বালু তোলার জন্য ব্যবহার করা হয় বড় বড় জাহাজ ও মোটা মোটা নল। প্রথমেই নকশা অনুযায়ী বাঁধ দিয়ে সমুদ্রের পানি সরানো হয়। তৈরি করা হয় সিবেড। সেখানে ঢেলে দেওয়া হয় কোটি কোটি টন পাথর আর বালু। বেশ কয়েকটি বিশাল জাহাজ ও ভাসমান ক্রেনের সাহায্যেই ফেলা হয় বালু। দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিতে প্রতিটি লেয়ারেই বালু ও পাথরের সংমিশ্রণ ঘটানো হয়। প্রতিটি দ্বীপ নির্মাণে প্রায় ১২ মিলিয়ন পাউন্ড পাথর ও ৫৩ মিলিয়ন পাউন্ড বালু লেগেছে। এর পাতার শেইপ করতে ডিজাইনার ও ঠিকাদাররা ডিফরেন্টিয়াল গেøাবাল পজিশনিং সিস্টেমের (উএচঝ) মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। তবে মজার ব্যাপার হলো এর আকৃতি সঠিক রাখার জন্য বাতাসে রংধনু সৃৃষ্টি করা হয়। অনেকটা ¯েপ্রর মতো করে। দ্বীপটি ভরাট হতেই শুরু হলো বাড়িঘর আর ফাইভস্টার হোটেল নির্মাণের কাজ।

সমুদ্রসংলগ্ন প্রতিটি বাড়ি

তবে বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এসব দ্বীপ কালক্রমে সমুদ্র-গহŸরে তলিয়ে যাবে। পরিবেশবাদীরাও অভিযোগ তুলেছেন এই দ্বীপ নির্মাণের ফলে এখানকার মৎস্য সম্পদ, সামুদ্রিক প্রবাল, পাথর, জীববৈচিত্র্যসহ সামগ্রিক প্রতিবেশ হুমকির সম্মুখীন, এমনকি এখানকার প্রাকৃিতক সৌন্দর্য নষ্ট করা হয়েছে। তবে নাখিল কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা ডুববে না। কারণ, বৈষ্ণিক উষ্ণতার ফলে যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাবে সে বিষয়টিকেও তাঁরা বিবেচনায় এনেছে। প্রচণ্ড সমুদ্রঝড় ও খারাপ আবহাওয়া থেকে দ্বীপটিকে রক্ষা করতে সমুদ্র থেকে ১৩ ফুট থেকে ৩৪ ফুট উচ্চতায় এটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এটা নিজেই স্থাপত্যের মাস্টার পিস। এখানে জমি কেনাও লাভজনক বিনিয়োগ।

তিনটি আলাদা আলাদা দ্বীপ নিয়েই এই পাম আইল্যান্ড। এগুলো হচ্ছে- 

  • পাম জুমেরা
  • পাম জেবেল আলী
  • পাম দেইরা

পাম জুমেরা

প্রথম দ্বীপ হিসেবে ২০০১ সালের আগস্টে শুরু হয়ে ২০০৬ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। তিনটি দ্বীপের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ছোট। এর রয়েছে ১৭টি ফার্ন বা পাতা ও ১.৫ কিলোমিটার লম্বা কাণ্ড। দ্বীপটিকে ঘিরে ১১ কিলোমিটার লম্বা ও ২০০ মিটার প্রস্থ ক্রস সেকশন বাঁধ দেওয়া হয়েছে। অর্ধ চন্দ্রাকার বাঁধ ও টানেল করে সমুদ্র সৃষ্টি করতে প্রায় ৩,২৫৭,২১২,৯৭০.৩৮৯ কিউবিক ফুট সামুদ্রিক বালু ফেলা হয়েছে। পাঁচ কিলোমিটার বাই পাঁচ কিলোমিটার দ্বীপটিতে প্রায় চার হাজার অ্যাপার্টমেন্ট ও এক হাজার ৪০০ ভিলা নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ৫০০ একেবারে সমুদ্রসংলগ্ন অ্যাপার্টমেন্ট। এখানে রয়েছে ২৫টি আন্তর্জাতিক মানের হোটেল। অ্যাপার্টমেন্টগুলোর নামকরণ করা হয়েছে আরবীয় ঢংয়ের- আল সারুদ, আল তামর, আল শাহ্লা, আবু খাইবাল, জাস্ হামাদ প্রভৃতি। এখানে এ, বি, সি, ই, ডি, ই, এফ ইত্যাদি টাইপ বাড়ি ও পেন্ট হাউস রয়েছে। তবে এই দ্বীপের আকর্ষণীয় ভিলাসমূহ ক্যানাল কোভ, গার্ডেন হোমস ও সিগনেচার এই তিন ধরনের ভিলা রয়েছে এখানে। অ্যাপার্টমেন্টগুলো নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ, এগুলো কিছুটা গা ঘেঁষাঘেঁসি করে তৈরি। তবে কর্তৃপক্ষের ধারণা, মনোরঞ্জনের নানা আয়োজনে ঠাঁসা এ দ্বীপে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করছে।

চলছে দ্বীপ তৈরির কাজ

পাম জেবেল আলী

এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০২ সালের অক্টোবরে। এটি পাম জুমেরা থেকে ৫০ শতাংশ বড় এবং আকারের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম। এরও রয়েছে ১৭টি ফার্ন। এতে রয়েছে ১৫ কিলোমিটার লম্বা বাঁধ ও ২০০ মিটার প্রশস্ত ক্রস সেকশন। দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪.২৫ মিটার উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে। নাখিল প্রপার্টিজ এই দ্বীপের প্রায় তিন লাখ মিটার এলাকার ভবন ডিজাইনের জন্য বেশ কিছু খ্যাতিমান স্থপতিকে আমন্ত্রণ জানায়। সেরা ডিজাইনের খেতাব অর্জন করে রয়াল হাসকোনিং। এখানে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ওয়াটার থিম পার্ক, ছয়টি পোতাশ্রয়, একটি সি ভিলেজসহ আধুনিক নানা স্থাপনা। কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে এখানকার স্থাপনার দাম প্রায় ৪০ শতাংশ কমে আসে। এমনকি ২০০৮ সালে ব্যাপক অর্থনৈতিক ধ্বংসের কারণে কাজ স্থগিত করে দেয় এর কর্তৃপক্ষ। তবে ধীরে ধীরে এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সক্ষম হয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০১২ সালে এর চারটি থিম পার্ক উন্মুক্ত করা হয়। পার্কগুলোকে একত্রে ‘ওয়ার্ল্ড অব ডিসকভারি’ নামকরণ করা হয়। এগুলোতে রয়েছে সি ওয়ার্ল্ড, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বাগান, খাড়ি ইত্যাদি।

দ্বীপের নয়রাভিরাম স্থাপনা

পাম দেইরা

তিনটি পাম দ্বীপের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। নির্মাণকাজ শুরু ২০০৪ সালের অক্টোবরে। তবে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ কবে নাগাদ শেষ হবে তার কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়নি এর কতর্ৃৃপক্ষ। এর পুরো কাজ শেষ হবে আনুমানিক ২০১৫ সালের মধ্যে। এটির নির্মাণ শেষ হতে পাম জেবেল আলীর তুলনায় প্রায় আট গুণ ও পাম জুমেরা থেকে পাঁচ গুণ বেশি সময় লাগবে বলে নির্মাতাদের ধারণা। এটি পুরোপুরি নির্মিত হলে প্রায় এক মিলিয়ন মানুষের আবাস নিশ্চিত হবে। প্রথম মডেলে একে ৪১টি ফার্ন, দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৪ কিলোমিটার (৮.৭ মাইল), প্রস্থে ৮.৫ কিলোমিটার (৫.৩ মাইল) এবং আয়তন ৮০ বর্গ কিলোমিটার ধরা হয়েছে। কিন্তু পার্সিয়ান সাগরের গভীরতাজনিত পরিবর্তনের কারণে ২০০৭ সালে কমিয়ে ১২.৫ কিলোমিটার লম্বা ও ৭.৫ কিমি প্রশস্ত করা হয় এবং ১৮টি ফার্ন এ রূপ দেওয়া হয়। বৃহত্তম এই দ্বীপটির অর্ধচন্দ্রাকৃতি বাঁধের দৈর্ঘ্য ২১ কিলোমিটার। এটিই পৃথিবীর দীর্ঘতম সামুদ্রিক বাঁধ। এখানে রয়েছে আট হাজার দ্বিতল বাড়ি, যা তিনটি শেপে নির্মিত। ২০০৮ সাল পর্যন্ত এর প্রায় ৮০ শতাংশ কাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে সেগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন। এই দ্বীপটি পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেলে সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় দ্বীপের রূপ লাভ করবে এটি, এমনটিই কর্র্তৃপক্ষের আশা। 

দ্বীপে বিলাশবহুল বাড়ি

মারুফ আহমেদ

প্রকাশকাল: বন্ধন ৩৫ তম সংখ্যা, মার্চ ২০১৩

+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top