Dust

স্থাপনা নির্মাণ ও পরিবেশ সুরক্ষার সমীকরণ

আপনি কি জানেন কেন নির্মাণ শিল্প বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের জন্য দায়ী? শহরের বায়ুর মান নষ্ট হওয়ায় যানবাহন এবং কারখানাগুলো দায়ী হলেও নির্মাণ প্রকল্পগুলোও কম দায়ী নয়।

নির্মাণকাজের সময় নির্গত ধূলিকণা, ডিজেলের ধোঁয়া (NOx), সূক্ষ্ম কণা (PM2.5 এবং PM10) এবং অদৃশ্য আরও অনেক উপজাত আমাদের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।

নির্মাণ শিল্প পরিবেশের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে, যার জন্য দায়ী ২৩% বায়ু দূষণ, ৪০% পানীয় জল দূষণ এবং ৫০% ল্যান্ডফিল বর্জ্য। এর প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাসস্থান ধ্বংস, বাস্তুতন্ত্রের ব্যাঘাত, বায়ু ও শব্দ দূষণ, জল দূষণ এবং বর্জ্য উৎপাদন।

এই প্রভাবগুলো প্রশমিত করতে টেকসই নির্মাণ পদ্ধতির আর কোন বিকল্প নেই। পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিক ও বাঁশের মতো পরিবেশ-বান্ধব নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, ভূমিক্ষয় ও পলি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে বর্জ্য হ্রাস করা এবং আইজিবিসি (IGBC) ও লিড (LEED)-এর মতো গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন অর্জন করতে হবে।

Construction Wastage
নির্মাণ বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। ছবি: sydneycityrubbish.com.au

এই পদ্ধতিগুলো কার্বন নিঃসরণ কমায়, পরিচালন ব্যয় হ্রাস করে এবং অভ্যন্তরীণ বায়ুর মান উন্নত করে। টেকসই নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে এই শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে পারে। একইসাথে  ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরিতেও সহায়ক হবে।

বায়ু দূষণ এবং ধূলিকণা নির্গমন

নির্মাণ প্রকল্পগুলো পরিবেশগত বায়ুর মান নষ্ট হওয়ার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। বাংলাদেশের পরিবেশে  প্রায় ৩৯% কার্বন নি:সরণের জন্য নির্মাণ শিল্পই দায়ী। এর প্রধান কারণ হলো উপকরণ উৎপাদন (যেমন সিমেন্ট এবং ইস্পাত), যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং পরিবহন।

কার্বন নি:সরণের কথা বাদ দিলেও নির্মাণ শিল্পের প্রধান ক্ষতিকর উপাদান হলো ধূলিকণা নির্গমন। নির্মাণকাজ সিমেন্ট, বালি, কংক্রিট এবং পাথরের মতো উপকরণ থেকে বিপুল পরিমাণে পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM10 এবং PM2.5) তৈরি হয়।

এই সূক্ষ্ম ধূলিকণাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে এবং বহু দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে, যার ফলে ব্যাপকভাবে বায়ু দূষণ দেখা দেয়। হুমকিতে পড়ে জনস্বাস্থ্য

অতিরিক্ত ধুলিকণা কেবল স্থানীয় বায়ুর গুণমানই নষ্ট করে না বরং চারপাশের বাস্তুতন্ত্রকেও ব্যাহত করে। এই সূক্ষ্ম কণাগুলো উদ্ভিদের উপর জমা হয়ে সালোকসংশ্লেষণকে ব্যাহত করতে পারে। বৃষ্টির পানির প্রবাহের মাধ্যমে জলাশয়কে দূষিত করতে পারে এবং মাটির  গুণাগুণও নষ্ট হতে পারে নির্মাণ প্রকল্প থেকে বয়ে আসা ধুলিকণা।

Bricks Transporting
ছবি: ekushey-tv.com

ক্রমবর্ধমান নগরায়নের সাথে সাথে, নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট বায়ু দূষণ এবং ধূলিকণা নির্গমন বন্ধে অবশ্যই স্মার্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এখনই। রিয়েল-টাইম ধূলিকণা পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে প্রশমিত করা যেতে পারে এ সমস্যা।

শহুরে নির্মাণকাজের সাথে আরও একটি সমস্যা অবিরাম লেগেই থাকে। তা হলো শব্দ দূষণ। জ্যাকহ্যামার থেকে শুরু করে কংক্রিট মিক্সার পর্যন্ত, নির্মাণ প্রকল্পে ব্যবহৃত প্রায় প্রতিটি যন্ত্রপাতি উচ্চ-ডেসিবেলের শব্দ তৈরি করে। এর ফলে শিশু, বৃদ্ধ থেকে শরু করে সব বয়সী মানুষ নানা জটিলতায় ভুগছেন।  

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়, দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণকাজের শব্দ এবং যানবাহনের মতো অন্যান্য আনুষঙ্গিক শব্দ আমাদের মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলছে দিনের পর দিন। কেবল মানুষের ক্ষেত্রেই নয়, শব্দ-সংবেদনশীল পাখি, প্রাণী এবং পোকামাকড়ও ক্রমাগত শব্দের সংস্পর্শে আসার কারণে তাদের বাসা বাঁধার জায়গা হারাতে হচ্ছে।  

উচ্চ মাত্রার শব্দের ঘন ঘন সংস্পর্শে আসা উচ্চ রক্তচাপ এবং শ্রবণশক্তি হ্রাসের মতো দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ।

মাটি দূষণ এবং বাসস্থান ধ্বংস

নির্মাণকাজ শুধু বায়ু আর শব্দ দূষণই করে না ধ্বংস করে ফেলছে মাটিকেও। খনন ও নির্মাণস্থলের কাজ প্রায়ই জ্বালানি তেল, রাসায়নিক বর্জ্য, রঙ, কংক্রিট ও তেলের মতো নির্মাণ বর্জ্য দ্বারা মাটিকে দূষিত করে। এতে নষ্ট হচ্ছে মাটির গুণাগুণ। মাটি হারাচ্ছে গাঠনিক বৈচিত্রতা।

বন জঙ্গল উজার করে যে হারে বাড়তে বসতি এতে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে বন্যপ্রাণীরা। আবাস হরাচ্ছে পাখিরা। বদ পড়ছে না পরিযায়ী পাখিও। ভারসাম্য হারিয়ে দিন দিন ফসল উপৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। ক্ষয়প্রাপ্ত মাটি বৃষ্টি, ঢলে বয়ে আসা পলি এবং বিষাক্ত রাসায়নিক নদী ও খাল বিলকে দূষিত করছে প্রতি বছর।

বর্জ্য উৎপাদন এবং ল্যান্ডফিল উপচে পড়া

একটি নির্মাণ প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ নির্মাণবর্জ্য উৎপাদন হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ভবন নির্মাণ ও ভাঙার কাজ থেকে ৫৬৯ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। এর বেশিরভাগই সারা দেশের ল্যান্ডফিলে জমা করা হয়। ইনসিনারেটরেও (দহন চুল্লি) কোন কোন বর্জ্য ব্যবহার করা হয়।

ফলে চুল্লি চলার সময় বায়ুমণ্ডলে ধোঁয়া এবং দূষণকারী পদার্থ নির্গত হয়। এই উভয় ধরনের বর্জ্য নিষ্কাশন পদ্ধতিই পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিল্প বর্জ্যের অন্যতম প্রধান উৎসই হলো নির্মাণ বর্জ্য। মোট শিল্পবর্জ্যের ৯০% আসে পুরনো স্থাপনা ভাঙার প্রকল্পগুলো থেকে।

যন্ত্রপাতি থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন

নির্মাণ যন্ত্রপাতি নির্মাণস্থলে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমনের একটি প্রধান উৎস। ডিজেল চালিত যন্ত্র যেমন এক্সকাভেটর, ক্রেন, লোডার এবং জেনারেটর বায়ুমণ্ডলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOₓ) এবং পার্টিকুলেট ম্যাটার নির্গত করে।

Bricks Machine
ইট ভাঙ্গার যন্ত্র থেকেও উড়ছে ধুলো বালি, শব্দ দূষণতো রয়েছেই। ছবি: amarsangbad.com

বেশিরভাগ সরঞ্জাম কার্বন নি:সরণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে চলে। সেকারণেই এসব নির্মাণযন্ত্র নির্মাণ খাতকে বায়ু দূষণের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প উৎসে পরিণত করে। এই নির্গমনগুলো কেবল জলবায়ু পরিবর্তনেই দায়ী নয় বরং শহরের বায়ুর গুণগত মানও খারাপ করছে।

পরিষ্কার জ্বালানি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং উন্নত রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করলে নির্মাণ প্রকল্পের কার্বন নির্গমন অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

নির্মাণ একটি দ্রুত বর্ধনশীল বৈশ্বিক শিল্প। এখন থেকে ২০৬০ সালের মধ্যে, বিশ্বে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন বর্গফুট নতুন নির্মাণকাজ হবে। এই বর্ধনশীলতা পৃথিবীতে প্রতি সপ্তাহে একটি করে প্যারিস শহর যুক্ত করার সমতুল্য।

নির্মাণ দূষণের সাথে সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি

নির্মাণ প্রকল্পগুলো বায়ু দূষণের প্রধান উৎস। বিশেষ করে সূক্ষ্ম কণা পদার্থ (PM2.5 এবং PM10) এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO₂) বাতসকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই দূষকগুলো প্রধানত ডিজেল-চালিত যন্ত্রপাতি, যা সম্মিলিতভাবে নন-রোড মোবাইল মেশিনারি (NRMM) নামে পরিচিত, এবং সেইসাথে ভাঙা, খনন ও মালামাল ওঠানো-নামানোর সময় সৃষ্ট ধূলিকণা থেকে নির্গত হয়।

নির্মাণ প্রকল্পের যে বিষয়টি সহজেই আলোচনায় আসে না, তা হলো নির্মাণস্থল ছেড়ে যাওয়া যানবাহনের গায়ে লেগে থাকা ধূলিকণা। এগুলো প্রকল্পস্থল থেকে যানবাহনের মাধ্যমে বয়ে গিয়ে জনপদে ছড়ায়। এর ফলে মানুষের শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস এবং ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়ছে।

Air Pollution
দীর্ঘমেয়াদী বায়ু দূষণে বিকল হচ্ছে মানুষের ফুসফুস। ছবি: বিবিসি

দীর্ঘমেয়াদী PM-এর সংস্পর্শে ফুসফুসের ক্যান্সার বাড়ছে। কমছে সুস্থ মানুষেরও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বর্তমানে ডিজেলের কণা পদার্থকে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হিসেবে চিহ্নিত করছে।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই নির্মাণ দূষণ কেবল নিয়ম মেনে চলার বিষয় নয়, এটি একটি জনস্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ। নির্মাণস্থলের আশেপাশে রিয়েল-টাইম বায়ুর গুণমান পর্যবেক্ষণ ঝুঁকি কমাতে এবং শ্রমিক ও নিকটবর্তী সম্প্রদায়কে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

নির্মাণ শিল্পে বায়ু দূষণ রোধে করণীয়

নির্মাণ শিল্পে বায়ু দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য। কারণ নির্মাণকাজের ধুলাবালি ও ধোঁয়া শহরের বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। খুব শিগগির পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়তেই থাকবে। জেনে নেয়া যাক কিভাবে এ দূষণ প্রতিরোধ করা যায়।

নির্মাণাধীন এলাকা এবং মালামাল বহনের রাস্তায় দিনে কয়েকবার পানি ছিটিয়ে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। বালু, সিমেন্ট, ইট বা মাটির স্তূপ ত্রিপল বা শেড দিয়ে ঢেকে রাখলে সহজেই বালু ছড়াবে না।

ইট, বালু বা মাটি পরিবহনের সময় ট্রাক বা যানবাহনে অবশ্যই ত্রিপল ব্যবহার করতে হবে যাতে রাস্তায় ধুলা না পড়ে। নির্মাণাধীন সাইটের চারপাশে উঁচু বেষ্টনী বা ‘স্ক্রিন’ ব্যবহার করতে হবে, যাতে ধুলাবালি বাইরে না ছড়িয়ে পড়ে।

ঐতিহ্যবাহী ইটভাটার পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ইট ব্যবহার করতে হবে। পুরনো ও বেশি ধোঁয়া নির্গতকারী করে এমন যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। নিয়মিত মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণ করলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।  

নির্মাণ সাইটে কোনো ধরণের বর্জ্য (প্লাস্টিক, কাঠ, আবর্জনা) পোড়ানো যাবে না, কারণ এটি বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করে। কংক্রিট কাটা বা ড্রিলিং করার সময় ধূলিকণা শোষক যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে।

নির্মাণ সামগ্রীগুলো (যেমন: বালি, সিমেন্ট) বদ্ধ স্থানে বা শেডের নিচে রাখতে হবে। অতিরিক্ত বাতাস থাকলে বা শুষ্ক মৌসুমে বড় ধরনের মাটি কাটার কাজ এড়িয়ে চলতে হবে। নির্মাণ সাইটের আশেপাশে গাছ লাগিয়ে, পর্দা ঝুলিয়ে কিংবা চট দিয়ে বেষ্টনী নির্মাণ করলে প্রজেক্টের ধুলাবালি বাইরে যাবে না।

বাংলাদেশ নির্মল বায়ু আইন, ২০১৯ অনুযায়ী নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শ্রমিকদের মাস্ক এবং প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা পরিবেশেই বেঁচে থাকি। পরিবেশ আমাদের বেঁচে থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সরবরাহ করে। যদি পরিবেশ না বাঁচে তবে মানুষের বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। এখনই সময় ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নির্মাণ প্রকল্পের কারণে বিপর্যয়ে পড়া পরিবেশকে বাঁচাতে কাজ করতে হবে একসাথে। সবাইকেই হতে হবে সচেতন।

Related Posts

স্মার্ট বিল্ডিং নয় মাটির দেয়ালে হোক আরামদায়ক আবাসন

সময়ের ব্যবধানে ভবনের দেয়ালগুলো আধুনিক হয়ে উঠছে। কাদামাটি আর চুনসুরকির প্রলেপ নয় প্রযু্ক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হয়ে উঠেছে আমাদের…

গোয়ার ঘরবাড়ি ও বালকাঁওয়ের ঐতিহ্য স্থাপত্য এবং জীবনের গল্প

ভারতের ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর একটি হলো গোয়া। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক ভিড় করে ভারতের ক্ষুদ্রতম…

হাতিরঝিল: জলাশয় সঙ্কট ও সম্ভাবনা

মোহাম্মদ রবিউল্লাহ বিকেলের শেষ আলো যখন ঢাকার আকাশে ধীরে ধীরে নরম হয়ে আসে, তখন শহরের কোলাহলের মাঝখানে এক…

অসমাপ্ত মহাকাব্য: এন্টনি গাউডি’র সাগ্রাদা ফামিলিয়া আজ কোথায়?

স্পেনের বার্সেলোনার আকাশরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা সাগ্রাদা ফামিলিয়া ছুড়ে দেয় এক অদ্ভুত প্রশ্ন, ‘একটি স্থাপত্য নির্মাণের কাজ সত্যিই কি…