আগামীর আকাশস্পর্শী যত স্থাপনা

আধুনিক এই বিশ্বে আকাশচুম্বী ভবনের ছড়াছড়ি। একটি ভবন যেন আরেকটিকে ছাড়িয়ে আকাশ ছুঁতে চায়। সুউচ্চ ভবন নির্মাণ যেন এখন দেশে দেশে স্থপতি-প্রকৌশলীদের নেশায় পরিণত হয়েছে। আকাশছোঁয়া ভবনের গর্বিত অধিকারী হতে প্রতিযোগিতার দৌড়ও কিন্তু কম নয়। জেনে নেওয়া যাক, বিশে^র সবচেয়ে উঁচু নির্মাণাধীন আকাশচুম্বী ভবন-বৃত্তান্তÍ।

জেদ্দা টাওয়ার (৩,২৮১ ফুট), সৌদি আরব

কিছু কিছু ব্যাপার সত্যিই কল্পনাকেও হার মানায়। সেই অতি কল্পনাকে হার মানাতে ২০২১ সাল নাগাদ শেষ হতে যাচ্ছে ৩ হাজার ২৮১ ফুট উচ্চতার জেদ্দা টাওয়ার। প্রখ্যাত সৌদি বিলিয়নিয়ার প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালাল যখন এর নির্মাণের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তখন অনেকটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়, আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বুর্জ আল খলিফার ২ হাজার ৭১৭ ফুট উচ্চতা এখন হুমকির মুখে!

মজার হলেও ব্যাপারটি সত্য, এ স্কাইক্র্যাপারের স্থপতি তিনিই, যিনি বুর্জ আল খলিফার স্থপতি ছিলেন; স্থপতি আদ্রিয়ান স্মিথ। বোধ হয় মিস্টার স্মিথ বুর্জ আল খলিফাকে নতুনরূপে, নব উচ্চতায় সৌন্দর্যপিয়াসু মানুষের মধ্যে তুলে ধরতেই নির্মাণ করছেন জেদ্দা টাওয়ার। জেদ্দা টাওয়ারের ট্রায়াঙ্গুলার শেপ শার্ড অব স্টিল ও গ্লাস দিয়ে ঢাকা; তালগাছকে ডেকে আনা হচ্ছে এটির ফ্রন্ডসকে সম্প্রসারিত করতে। এটি নতুন শহরতলির শৌখিন আসবাব, যেটি পুরোনো রেকর্ডসমূহকে ভেঙে চুরমার করতে চায়! ১৫৭তম তলায় অফার করা হয়েছে একটি পার্চের সাইটসিয়ার্স (যেখানে ১টি হেলিপ্যাডও থাকবে)। এটাতে উপস্থাপন করা হবে একদম নতুর ঘরানার অসাধারণ একটি এলিভেটর। গতিময় ডাবল-ডেকার কেবিন নতুন কার্বন ফাইবার কর্ডের মাধ্যমে মেঝেটা দ্রুততার সঙ্গে পরিষ্কার করে নেবে। চমৎকৃত হওয়ার মতো ব্যাপার হলো, যদিও ভবনটি অনেক বিরাট আকৃতি ও উচ্চতা নিয়ে গড়ে উঠবে কিন্তু বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের মত, পারিপার্শ্বিক ভূতত্ত্ব এ ধরনের কাঠামোকে জোরালো সমর্থন করে না। 

মারদেকা পিএনবি-১১৮ (২,১১৩ ফুট), কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া

ডেভেলপারদের ধারণা, এ স্বচ্ছ-স্ফটিক টাওয়ারকে বলা হচ্ছে ক্যাসার প্যাট্রোনাস টাওয়ারের অনুঘটক। মূলত, ক্যাসার প্যাট্রোনাস টাওয়ার এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু টুইন টাওয়ার হিসেবে পরিচিত। টাওয়ারটির সরকারি নাম মারদেকা পিএনবি-১১৮। মারদেক মানে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবস। এটি নির্মিত হচ্ছে সাবেক মারদেকা পার্কের জায়গায়। পিএনবি হচ্ছে, পারমডালান ন্যাশনাল বারহাদের সংক্ষিপ্তসার, যা মালয়েশিয়ার বৃহত্তম তহবিল ব্যবস্থাপনা সংস্থা, যারা টাওয়ারের মালিক। এটি কুয়ালালামপুরে জালান হ্যাং জিবাত, মারদেকা স্টেডিয়ামের কাছাকাছি অবস্থিত নির্মিতব্য একটি সাইট। মারদেকা স্টেডিয়ামটি কুয়ালালামপুরের ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক, যেখানে মালয় ফেডারেশনের স্বাধীনতা ঘোষিত হয় এবং কুয়ালালামপুরের স্বাধীনতা উদ্্যাপন ও খেলাধুলা ইভেন্টের প্রধান ভেন্যু ছিল, স্টেডিয়ামটি দুটি কনসার্টসহ বেশ কয়েকটি প্রধান কনসার্টের হোস্ট। অক্টোবর ১৯৯৬ সালে মাইকেল জ্যাকসনের ওয়ার্ল্ড ট্যুরের দুটি কনসার্ট দেখার জন্য ১ লাখ ১০ হাজার দর্শনার্থীকে আকৃষ্ট করেছিল ভেন্যুটি।

মারদেকা পিএনবি নির্মিত হলে অন্য দুটি ল্যান্ডমার্কের পাশাপাশি কেএল টাওয়ার আর পেট্রোনাস টাওয়ার একই লাইনের পাশে দাঁড়াবে, কেএল টাওয়ারটি দাঁড়াবে ঠিক মাঝের বিন্দুর পাশে। মারদেকা পিএনবি ১১৮ টাওয়ারে প্রবেশ করার সর্বোত্তম উপায় মেট্রো। এর উচ্চতা ৬৪৪ মিটার (২ হাজার ১১৩ ফুট), টাওয়ারটির ছাদ ৫০০ মিটারেরও বেশি হবে। কারণ, এটি সর্বোচ্চ দখলকৃত তল ৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। টাওয়ারে থাকবে ১১৮টি ফ্লোর।

২০১৯ সালের মে মাসে, পরিকল্পিতভাবে মারদেকা পিএনবি-১১৮-এর উচ্চতা ৬৬৬ মিটার (২ হাজার ১৮৫ ফুট) বাড়ানো হয়েছিল। টাওয়ারটিতে রয়েছে দীর্ঘতর স্পিনার, যার ছাদের উচ্চতা একই। ২০২১ সালের মধ্যে যদি টাওয়ারটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়, তবে এটি বিখ্যাত পেট্রোনাস টাওয়ারস ও এক্সচেঞ্জ-১০৬ (একটি ৪২২ মিটার বিল্ডিং, যা ২০১৮ সালে নির্মিত হয়) এর উচ্চতাকে অতিক্রম করবে, যা হবে মালয়েশিয়ায় লম্বা ভবন ও বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ভবন। ভবনটির মালিকানায় রযেছে পারমোডালান ন্যাশনাল ভড (পিএনবি) গ্রুপ।

উহান গ্রিন সেন্টার (২,০৮৭ ফুট), চীন

উহান গ্রিন সেন্টার হতে যাচ্ছে চীনের সবচেয়ে উচ্চতাসম্পন্ন টাওয়ার। তবে এতেও রয়েছে কিছু ‘কিন্তু’! আগস্ট ২০১৭ সাল পর্যন্ত এটিতে ৯৭টি ফ্লোর তৈরি করা হয়েছিল। এরপরই চীনের আকাশসীমার বিধিমালা অনুসারে এটি পুনরায় রিডিজাইন করা হয় যেন এর উচ্চতা সমুদ্রতল থেকে ৫০০ মিটারের বেশি না হয়। একই কারণে অন্য আরেকটি চীনা ভবন, পিং আন ফিন্যান্স সেন্টারের উচ্চতাও কমিয়ে আনা হয়েছিল। স্থপতি আদ্রিয়ান স্মিথ ও গর্ডন গিল এ টাওয়ারের নকশা করেন। 

২০১১ সালের জুনে, থর্টন টমসেটি ইঞ্জিনিয়ার্সের সঙ্গে একত্রে স্থপতি আদ্রিয়ান স্মিথ ও গর্ডন গিল, সাংহাই নগর সরকারের মালিকানাধীন রিয়েল এস্টেট ও গ্রিনল্যান্ড গ্রুপের জন্য একটি এনার্জি-এফিসিয়েন্ট টাওয়ার তৈরির জন্য ‘ডিজাইন কম্পিটিশন’ জিতেন। ভবনের মূল নকশাটি ছিল ২ হাজার ৮৭ ফুটের (৬৩৬ মিটার), যা সাংহাই টাওয়ারের ১৪ ফুট এবং টোকিও স্কাইট্রিকে ৭ ফুট অতিক্রম করত এবং পরিণত হতো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মনুষ্যনির্মিত কাঠামোতে। প্রথম ২০১০ সালে এটির প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং এটি নির্মাণের কাজটি শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে। উহান গ্রিনল্যান্ড সেন্টার যখন ৯৬৯তম তলায় পৌঁছেছিল, তখন আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে পরবর্তীকালে একটি (৪৭৬ মিটার) ১ হাজার ৫৬২ ফুট ভবনের পুনরায় নকশা তৈরি করা হয়। ২ হাজার ৮৭ ফুট লম্বা যা উচ্চতায় আকাশচুম্বী। যদি এটির কাজ শেষ হয় তবে উহান গ্রিনল্যান্ড সেন্টার নতুন নকশাটি বিশ্বের ১৫তম সুউচ্চ ভবনের খেতাব অর্জন করবে।

গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল টাওয়ার-১ (১,৮৬৪ ফুট), চীন

চীনের শেনিয়াং, লিওনিংয়ের একটি অসম্পূর্ণ আকাশচুম্বী ভবন এটি। ৫৬৮ মিটার (১ হাজার ৮৬৪ ফুট) উচ্চতায় ভবনটির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালে এটি শেষ হবে বলে আশা ছিল। তবে, জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত নির্মাণ কাজটি বন্ধ থাকায় কাজটি স্থবির হয়ে পড়ে।

এই টাওয়ারটির স্বত্বাধিকারী বাওনেগ গ্রুপ। স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান এটকিন্স। স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার আরবিএস, শেনজেন জেনারেল ইনস্টিটিউট এবং প্রধান ঠিকাদার চীন কনস্ট্র্রাকশন থার্ড, ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো কর্প।

গ্র্যান্ড রামা ৯ টাওয়ার (২,০১৮ ফুট), ব্যাংকক, থাইল্যান্ড

গ্র্যান্ড রামা ৯ টাওয়ার (আগে রমা আইএক্স সুপার টাওয়ার হিসেবে পরিচিত) থাইল্যান্ডের ব্যাংককের প্রস্তাবিত আকাশচুম্বী ভবন এটি। ৬১৫ মিটার (২ হাজার ১৮ ফুট) উচ্চতায় নির্মাণ পরিকল্পনা রয়েছে এর। সমাপ্ত হলে এটি হবে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু ভবন। আর এ রেকর্ড গড়ায় এটি পেছনে ফেলবে থাইল্যান্ডের ম্যাগনোলিয়াস ওয়াটারফ্রন্ট রেসিডেন্সকে যেটির উচ্চতা ৩১৬ মিটার (১ হাজার ৩৭ ফুট)।

বিখ্যাত একজন থাই রাজার নামানুসারে, ভবিষ্যতের ল্যান্ডমার্ক, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উচ্চতম ভবন হবে। ভবনটিতে একটি ছয়তারকা হোটেল অন্তর্ভুক্ত হবে এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে এটি হাইলাইট হয়ে উঠবে যেটির মাস্টার প্ল্যানে রয়েছে ‘স্কিডমোর, ওয়িন্স এবং মেরিলের’ মতো প্রতিষ্ঠান। এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে ২০১৯ সালে এবং নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে ২০২২ সাল নাগাদ।

তিয়ানজিন সিটিএফ ফিনান্স সেন্টার (১,৭৩৯ ফুট), চীন

তিয়ানজিন সিটিএফ ফিন্যান্স সেন্টার চীনের তিয়ানজিনের সুপারটল স্কাইক্র্যাপার। উচ্চতা ৫৩০ মিটার (১ হাজার ৭৩৯ ফুট)। ২০১৩ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে শেষ হয় ২০১৯ সালে। টাওয়ারটি গোল্ডেন ফিন্যান্স ১১৭-এর পরে তিয়ানজিনের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভবন। বিশ্বের অষ্টমতম উচ্চতম ভবন এবং ১০০টিরও কম ফ্লোরসহ দীর্ঘতম বিল্ডিং। এটি তিয়ানজিন অর্থনৈতিক-প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত।

এই স্থাপনাটির স্বত্বাধিকারী তিয়ানজিন নিউ ওয়ার্ল্ড হুয়ান বো হাই রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট কো. লি.। স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ও কাঠামো প্রকৌশল স্কিডমোর, ওয়িন্স অ্যান্ড মেরিল। প্রধান ঠিকাদার চায়না কনস্ট্রাকশন ৮ম ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন। লিড (LEED) গোল্ড স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে পরিচয় সাপেক্ষে স্কিডমোর, ওয়িন্স অ্যান্ড মেরিল এ টাওয়ারটি ডিজাইন করেছে। এই টাওয়ারটিতে একটি স্ফটিকযুক্ত সম্মুখের অংশ রয়েছে, যা বিল্ডিংয়ের ফ্রেমের বক্ররেখাকে প্রশমিত করে। এর সূক্ষ্ম বাঁক আর খিলানগুলো ছড়ানো। কারণ কৌশলগতভাবে স্থাপন করা ভেন্টগুলোর পাশাপাশি, আকৃতিটি Vortex Shedding কমায়, যা টাওয়ারকে প্রবল বায়ুশক্তি থেকে রক্ষা করে।

স্কাইফেম সেন্টার ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার (১,৭৩২ ফুট), ন্যানিং, চীন

স্কাইফেম সেন্টার ল্যান্ডমার্ক টাওয়ারটি চীনের ন্যানিংয়ে অবস্থিত নির্মাণাধীন আকাশচুম্বী ভবন। ভবনটি তিয়ানু টাওয়ার নামেও পরিচিত। এটি ১০৮ তলায় ৫২৮ মিটার অবধি উঠবে। ২০২১ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত।

এভারগ্রানডে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল টি-১ টাওয়ার (১,৬৯৯ ফুট), চীন

এভারগ্রানডে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল টি-১ টাওয়ার (এভারগ্রানডে আইএফসি মেইন টাওয়ার হিসেবেও পরিচিত) চীনের হেফেইতে নির্মিত একটি আকাশচুম্বী ভবন। এটির নির্মাণকার্য শেষ হয়ে গেলে আনহুই প্রদেশের দীর্ঘতম এবং বিশ্বের বৃহত্তম ভবনগুলোর একটি হবে এটি। ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং নির্মাণ শেষের সম্ভাব্য সময়সীমা ২০২১। এর উচ্চতা ৫১৮ মিটার (১ হাজার ৬৯৯ ফুট)। স্থাপনাটির মূল ডিজাইনার স্থপতি  অ্যাটকিনস। থরন্টন টোম্যাসেটি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কাজ করছে। এই অনন্য টাওয়ারটি ডিজাইনে ফুটে উঠেছে বাঁশের আদল। সাতটি উল্লম্ব বিভাগকে সেট করা হয়েছে ‘কোর-আউটরিগার সিস্টেম’ ব্যবহার করার জন্য।

সেন্ট্রাল পার্ক টাওয়ার (১,৫৫০ ফুট), নিউইয়র্ক

সেন্ট্রাল পার্ক টাওয়ার নিউইয়র্ক সিটির মিডটাউন ম্যানহাটনের ৫৭তম সড়কে নির্মিতব্য সুপারটল আকাশচুম্বী একটি ভবন। নর্ডস্ট্রম টাওয়ার নামেও যার পরিচিতি। এক্সটেল ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি ও সাংহাই মিউনিসিপাল ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে ভবনটি। স্থাপনাটির উচ্চতা ১ হাজার ৫৫০ ফুট (৪৭২ মি.)। নির্মাণ শুরু ২০১৪ এবং শেষের সম্ভাব্য সময়সীমা ২০২০ সাল। স্বত্বাধিকারী স্থপতি আদ্রিয়ান স্মিথ ও গর্ডন গিল আর্কিটেকচার ফার্ম। কাঠামো প্রকৌশলে ডব্লিউএসপি গ্রুপ। এটিকে বিশ্বের সম্ভাব্য ১৫তম সুউচ্চ ভবন হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ১১৭তম সংখ্যা, জানুয়ারি ২০২০।

জাবের রহমান
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top