ফুল ফ্রি স্পেস

‘আবাসনের অন্দরসজ্জা বাড়ির সদস্যরা করলেই বেশি গ্রহণযোগ্য হয়’ এমনটাই মনে করেন সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রভাষক স্থপতি লতিফা সুলতানা। লতিফা সুলতানার বাড়িতে প্রবেশ করলে প্রথমেই মনে হয় সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে এই বাড়ির মানুষগুলোর ভালোবাসা আর আন্তরিকতা। তিনি শুধুই একজন স্থপতি নন, একজন শৈল্পিক মনের মানুষ, সেটা তাঁর অন্দরসজ্জাই বলে দেয়। আসবাব থেকে শুরু করে ফার্নিচার অ্যারেজমেন্টÑসবকিছুতেই ধরা পড়ে শিল্পী সত্তা, তাঁর ইউনিকনেস আর ক্রিয়েটিভিটি।

কাঠের বড় দরজা পেরিয়ে অন্দরে ঢুকলেই উষ্ণ অনুভূতির ভালো লাগায় মন ভরে যায়। পাওয়া যায় ভালোবাসা আর আন্তরিকতার ছোঁয়া। চোখ বাঁধানো সামগ্রী নয়, স্থপতির বাড়ির বৈশিষ্ট্য এর সিম্পলিসিটিতে। অন্দরের আয়তন খুব বেশি নয়। সাকল্যে ১ হাজার ৫০০ স্কয়ার ফিটের কাছাকাছি। তবুও মনে হয় অন্দরের পরিসর বেশ বড়; অনেকটা জায়গাজুড়ে। ফ্ল্যাটের মূল কনসেপ্ট হলো যথেষ্ট পরিমাণ ভেনটিলেশন আর পর্যাপ্ত পরিমাণ ডে-লাইটের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এককথায় ফুল ফ্রি স্পেস। আসবাব থেকে শুরু করে আপহোলেস্ট্রি, ঘরের রং, ফার্নিচার অ্যারেঞ্জমেন্টÑসবকিছুতেই নজর কাড়ে মডার্ন আর সিম্পল টাচ। লতিফা সুলতানা জানান, ‘যেহেতু এখন জায়গা কম তাই মানুষের বসবাসের জন্য অ্যাপার্টমেন্টের আয়তনও কমে আসছে। তাই তাঁর প্রধান চেষ্টা ছিল এই ছোট স্কয়ার ফিটের অ্যাপার্টমেন্টকে ব্যবহারের পক্ষে সর্বোচ্চ উপযোগী, উপভোগ্য ও আরামদায়ক করে তোলা। খোলা জায়গা রাখার উদ্দেশ্যে কম আসবাব রাখা, যা ফ্ল্যাটটিতে বহু উদ্দেশ্যপূর্ণ আসবাব ডিজাইনে দৃশ্যমান করে।’ এই বাড়ির বেশির ভাগ জিনিসই স্থপতির পারিবারিক সূত্রে পাওয়া। কখনো তা পেয়েছেন শ্বশুর-শাশুড়ির কাছ থেকে আবার কখনো মা-বাবা অথবা দাদুর কাছ থেকে। অন্দরসাজে যতই বদল আনা হোক না কেন এই সব প্রিয় জিনিস কখনোই বাতিলের চিন্তা মনে আসেনি। আগের কিছু পুরোনো আসবাব সামগ্রী থাকায় নতুন আসবাবের সঙ্গে সেগুলোকে সমন্বিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।

ফ্ল্যাটে ঢুকলেই আপনাকে সাদর অভ্যর্থনা জানাতে রয়েছে সিম্পল অথচ এলিগেন্ট বসার ঘর। বসার ঘরের ডমিনেটিং রং হিসেবে বাছা হয়েছে সাদাকে। দেয়ালের রং থেকে শুরু করে কুশন কভার কিংবা পর্দা অথবা উড কালার সব জায়গাতেই রয়েছে সাদার ছোঁয়া। যার ফলে পরিসরটি আরও বড় লাগে। এই ক্ল্যাসিক ডেকরে সামান্য উষ্ণতা আনার জন্য কুশন কভার এবং পর্দায় রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। সাদা, বাদামি, সোনালি তো চিরকালের পপুলার কম্বিনেশন। বসার ঘর ও খাবার ঘরকে আলাদা করার জন্য সুদক্ষভাবে ব্যবহার করা হয়েছে ফলস পার্টিশন। শুভ্র ও সিল্ক রঙের সঙ্গে কমলার কম্বিনেশন লতিফা সুলতানার শিল্পী মনের পরিচায়ক।

গ্রীষ্মপ্রধান এ দেশ তাই অন্দর মহলের প্রধান নকশায় খোলা লিভিং রুম, ডাইনিং এরিয়া, ফ্যামিলি লিভিং ও রান্নাঘর রাখা হয়েছে একটি বড় জায়গার অনুভূতি দিতে। জায়গাটিকে দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত অংশ ও সর্বজনীন অংশ। এই দুটি অংশের মধ্যে আংশিক বিভাজন রয়েছে। লিভিংরুম, ডাইনিং এরিয়া ও রান্নাঘর অ্যাপার্টমেন্টের মাঝখানে রাখায় এটি এর আসল মাপের চেয়ে বড় ও প্রশস্ত দেখায়। স্কয়ার ফিট ছোট হওয়ায় ফ্ল্যাটের ভেতরে আলাদা ফয়ার এরিয়া নেই। গেস্ট, বেড ও লিভিংরুমের ভেতর রয়েছে একটি সংযোগ। দরজা অথবা বিভাজন দূর করতে এখানে রয়েছে স্লাইডিং দরজা। যেটা কাঠের, বাকি ঘরের কাঠের দেয়ালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর ফলে দরজাটা দৃশ্যমান নয়, যাতে নেই বিভাজনের কোনো মাধ্যম।

বসার ঘরেরই একদিকে রয়েছে ডাইনিং স্পেস, যা ছিমছাম অথচ ফ্যাংশনাল। পেইন্টিং কালেকশন স্থপতির পছন্দের তালিকায় তাই একটি বড় পেইন্টিং পরোক্ষ আলোকসজ্জার মাধ্যমে দৃশ্যমান করা। পাঁচজন মানুষের আসনগ্রহণের মতো তৈরি করা হয়েছে কাস্টমাইজ সোফা ও সেন্টার টেবিল। সেন্টার টেবিলটি নিঃসন্দেহে অ্যাডের কোয়েন্ট বাড়ির আসবাবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা স্মৃতি, যা আঁকড়ে মানুষ চলতে ভালোবাসে। সেন্টার টেবিলের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে তেমনই কিছু ফেলে আসা পুরোনো স্মৃতি।

যেহেতু বাড়িটি খুব বড় পরিসরের স্পেশাল নয়, তাই কিছু পরিকল্পনার মাধ্যমে ডাইনিং এরিয়াকে কাজে লাগানো হয়েছে। লিভিংরুম এবং ডাইনিংরুমের মাঝখানের ফলস পার্টিশন এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ঘরে একটা খোলামেলা ভাব থাকে। পার্টিশনে কিছু স্টোরেজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে জালি কার্টিংয়ের ফলস সিলিং করা হয়েছে। সাদার সঙ্গে কমলা রঙের মিশ্রণে আরও বেশি নান্দনিক হয়ে উঠেছে জায়গাটি। এর সঙ্গে সঠিক আলোর ব্যবস্থা যদি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। ডাইনিংরুমের ডিনার ওয়াগন তৈরি করা হয়েছে অনেকটা কভার সাইডবোর্ডের মতো। বাড়িতে হঠাৎ করে অতিথিরা এলে বুফে টেবিল হিসেবেও কাজে লাগবে, সেই চিন্তাধারা থেকেই তৈরি করা হয়েছে এই কাস্টমাইজ কেবিনেট। ফ্লোর স্পেস যাতে নষ্ট না হয় সে জন্য তৈরি করা হয়েছে দেয়ালজোড়া ডিনার ওয়াগন। জায়গার স্বল্পতার জন্য ওভেন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বিল্টইন কেবিনেটে। সঙ্গে কাস্টমাইজ ছোট্ট ডাইনিং টেবিল, যেটা শুধু প্রয়োজনের সময়ই ব্যবহার করা হয়। ডাইনিং এরিয়ারে ছোট্ট বেসিন কর্নার এবং দেয়ালে তাকের সংযোজনÑসব মিলিয়ে চমৎকার আয়োজন।

স্থপতি মনে করেন বাড়িতে কাটানো সময়টুকু একান্তই নিজের এবং সেই সময়টা বাড়ির মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই ভালো। বাড়ির ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনই ধারণাই তাঁর। বাড়ির অন্দর সাজ পরিকল্পনার দায়িত্ব অন্য কারও ওপরে ছেড়ে দিতে একেবারেই নারাজ তিনি। যাঁরা বাড়িতে থাকবেন, তাঁদেরই বাড়ির অন্দরসাজের প্ল্যান করা উচিত। কেননা তাঁদের ভালো লাগা না-লাগাগুলো বাইরের লোকের পক্ষে কখনোই বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে তো আর সব সম্ভব নয়, তাই সে ক্ষেত্রে নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে একজন দক্ষ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের পরামর্শ নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। অন্দরসাজের পরিভাষায় এমন ম্যাজিকের নাম ওপেন প্ল্যান ফর্মুলা। ইলিউশন অব স্পেস তৈরির এই বিশেষ পদ্ধতি শুধু একজন স্থপতি কিংবা দক্ষ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের পক্ষেই সম্ভব।

ক্লান্তি কাটাতে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য শোবার ঘর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ঝকঝকে নতুন দিনের শুরুর প্রস্তুতিও এই ঘর থেকেই। বিশেষ যত্নে ও নিজস্ব প্রয়োজনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে শোবার ঘর। মাস্টার বেডরুমের মাপ ১৪’ x ১২’, যা বেশ ছোট। তাই অনুরক্ত বারান্দা না দিয়ে, ঘরের ভেতরই বারান্দাকে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছে। যেহেতু সুউচ্চ ভবন, তাই সেখানে বসে বাইরের লেকভিউ দেখতে পারা সত্যিই খুব আনন্দের ও আরামদায়ক। চাইলে জায়গাটিকে নামাজ পড়ার জন্য, ব্যায়াম করার জন্য অথবা বিকেলের চা খাওয়ার আনন্দ নিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

মাস্টার বেডের বাথরুমের আয়তনও খুব ছোট। তাই এখানে সুইং দরজা ব্যবহার না করে কাঠের স্লাইডিং দরজা ব্যবহার করা হয়েছে, যা ঘরের বাকি সুসজ্জিত কাঠের দেয়ালের সঙ্গে দারুণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেয়ালেরই একটি অংশ মনে হয় মাস্টার বেডরুমের ভেতর একটি বিম পড়ায় সেটিকে লুকানোর জন্য ফলস সিলিং ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে একটি ছোট বই রাখার তাক ডিজাইন করা। মাস্টার বেডরুমটি যেহেতু ছোট, তাই কেবিনেটে স্লাইডিং দরজা দেওয়া। রুমকে বড় দেখানোর জন্য কেবিনেটের রং সাদা করা হয়েছে, যা দেয়ালের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তাই পুরো কেবিনেটটিকে দেয়ালেরই একটি অংশ বলে মনে হয়। জায়গাস্বল্পতার জন্য প্রতিটি কেবিনেট আলাদা আলাদা জিনিসের জন্য ডিজাইন করা। যেমন: কাপড়, ওষুধ, দরকারি কাগজপত্র ইত্যাদি। ড্রেসিং ইউনিটে হিডেন স্টোরেজের ব্যবস্থা রয়েছে। সামনের পাল্লায় আয়না ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে রুমটিকে বড় দেখায়।

বাচ্চাদের ঘরের কালার থিম লাল, যেহেতু লাল উত্তেজনার প্রতীক তাই খুব সুনিপুণভাবে সাদার সঙ্গে লালের ব্যবহার ঘরকে করে তুলেছে আরও বেশি আকর্ষণীয়। বাচ্চারা উজ্জ্বল রং পছন্দ করে, এতে তারা সব সময় থাকে প্রাণবন্ত। ঘরের কলাম ও বিম থাকায় দেয়ালটিকে ডিজাইন করা হয়েছে সচেতনভাবে। দেয়ালজুড়ে আঁকা হয়েছে লাল রঙের ট্রি পেইন্টিং। একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে ব্যবহার করা হয়েছে লাল ফ্রেমের আয়না। বিমটিকে ঢেকে দিতে তৈরি করা হয়েছে কেবিনেট। খেলনা, গল্পের বই ইত্যাদি সাজিয়ে রাখতে কলামসংলগ্ন খালি জায়গাটিকে ব্যবহার করা হয়েছে। পুরোনো স্মৃতিকে আঁকড়ে থাকতে কে না ভালোবাসে, তাই স্থপতি বলেন যে নিজের শৈশবে ফিরে যাওয়ার অনুভূতি নিতে বাচ্চাদের রুমে ব্যবহার করেছেন তার ছোটবেলার বেডকে। সঙ্গে ছোট সাইড টেবিল ও একটি শেলফ ঘরটিকে দিয়েছে ভিন্ন লুক। ঘরের অপর একটি দেয়ালে ওয়াল কেবিনেট রয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও স্টোরেজ ব্যবস্থার জন্য। পড়ার টেবিলটিও বানানো হয়েছে ভিন্ন ধাঁচে। সঙ্গে দেয়ালজুড়ে বই রাখার জন্য রয়েছে কেবিনেটের ব্যবস্থা।

বেড লিনেন স্টোরিংই হোক অথবা ড্রেসিং ইউনিট বেশ ভালো অপশন তাই না? তবে স্টোরিং মানে কি শুধুই বেডরুম, কিচেন অথবা লিভিংরুমেই সীমাবদ্ধ? একেবারেই না, বাথরুমেও প্রয়োজন সঠিক স্টোরিং। এই বাড়ির বাথরুমগুলো কিন্তু খুব বেশি বড় নয়। কিন্তু এর মধ্যেই করা হয়েছে বক্স স্টোরেজ, ওয়াশ বেসিন কাউন্টারের নিচের দিকটা কভার করে দেওয়া হয়েছে পাল্লা দিয়ে। নিঃসন্দেহে বাথরুমে স্টোরিংয়ের থেকে এমন আইডিয়া বেশ কার্যকর। বেসিনের আয়নার সঙ্গেও তৈরি করা হয়েছে কাস্টমাইজ কেবিনেট। মাস্টার বেডরুমের সাদা ও অ্যাশ রঙের কম্বিনেশন যেন আভিজাত্যেরই ছোঁয়া।

বাচ্চাদের ঘরের লাল-সাদা রঙের মিশ্রণকে মাথায় রেখেই বাথরুমের টাইলস নির্বাচন করা হয়েছে। ঘরের দেয়ালের ফ্লাওয়ার পেইনটিংকে মাথায় রেখে বাথরুমে কিছু কিছু অংশে ফ্লাওয়ার মোটিফের টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে। যেহেতু লতিফা সুলতানা পেশায় একজন স্থপতি, তাই সব ডিজাইন আগে থেকে থিমভিত্তিক চিন্তাভাবনা করে করা। একজন দক্ষ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারই পারেন, শুধু আপনার পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে থিমভিত্তিক অন্দরসাজকে ফুটিয়ে তুলতে।

মনে রাখবেন ছিমছাম আয়োজনই একটি রুচিশীল অন্দরসাজের প্রতিচ্ছবি। ফ্রি-ফ্লোয়িং/ফ্লোরিং স্পেস, এককথায় ফিনিং অব এক্সপ্যানশন। আপনার ভাবনা কোথাও এতটুকুও হোঁচট খাবে না, দেয়ালের ঘেরাটেপে আপনার মন হাঁপিয়ে উঠবে না। ছোট্ট আয়তনে ও খোলা আকাশের বিস্তৃতি অনুভব করবেন এই হলো ওপেন প্ল্যানের বিশ্বস্ত আশ্বাস। এই ফর্মুলার বৈশিষ্ট্য হলো দেয়ালের মিনিমাম ব্যবহার।

মনে রাখুন

  • অকারণে স্টোরিং নিয়ে আর চিন্তা না করে নিজের প্রয়োজন আর পছন্দমতো বানিয়ে নিন কাস্টমাইজড স্টোরিং ইউনিট।
  • ঘরকে বড় দেখাতে কম আসবাব রাখুন এবং যথেষ্ট পরিমাণ ডে-লাইটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।
  • শুধু স্টোরেজ স্পেস প্ল্যান করলেই চলবে না, সেটাও হতে হবে ফ্যাংশনাল এবং আপনার বাড়ির অন্দরসাজের সঙ্গে মানানসই।
  • ঘরের বিভিন্ন জিনিস রাখার জন্য জায়গাও তো চাই। সে ক্ষেত্রে এই বাড়িটির মতো আপনার লিভিং রুমেও বানিয়ে নিতে পারেন একটি কেবিনেট। একটা অংশে পুরো কভারও যাতে আপনি রাখতে পারেন বেশ কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস আর কাচের পাল্লা দেওয়া অংশে রাখতে পারেন ঘর সাজানোর অন্যান্য সামগ্রী এবং শোপিস।
  • এখন যেহেতু ফ্ল্যাট টিভির যুগ তাই দেয়ালে টিভি রাখার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করে নিন কাস্টমাইজ টিভি ইউনিট। যেখানে টিভির রিমোর্ট, সিডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী স্টোরেজ করতে পারবেন অনায়াসেই।
  • আপনার ফ্ল্যাট যদি ছোট হয় তবে গাঢ় রং একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না তা নয়। সাদা রঙের সঙ্গে আপনার পছন্দের রঙের সংমিশ্রণ ঘটাতে পারেন বিশেষ কিছু জায়গায় এবং আসবাবে।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৮৬তম সংখ্যা, জুন ২০১৭।

ফারজানা গাজী
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top