Image

ভবন সাজুক শীতবৃক্ষে

দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। শরৎ নিয়েছে বিদায়; হেমন্ত যেতেও বেশি বাকি নেই। দিন কয়েকের মধ্যেই শুরু হবে শীতের বারতা। শীত এলেই প্রাণোচ্ছল প্রকৃতি হারায় সবুজ-সতেজতা। প্রকৃতি বিশেষ করে গাছপালায় শীতের শুষ্কতা একটু বেশি ভর করলেও ঠিক এ ঋতুতেই আবার অসংখ্য গাছপালা, লতা-গুল্ম, সবজি ভরে ওঠে ফুল ও ফলে। প্রকৃতির এই হিমশীতলতা যাতে আপনার মনে পেয়ে না বসে, সে জন্য আপনার ভবন ও অন্দরসাজে আনুন নির্মল প্রকৃতির ছোঁয়া। সাজিয়ে তুলুন আপনার গৃহকোণ, বারান্দা, সিঁড়ি ও ছাদ বর্ণিল সব শীতকালীন ফুল-ফলের গাছে। শীতের রুক্ষতা ছাপিয়ে আপনার নিবাস হয়ে উঠুক নৈসর্গিক।

শীতের ফুলগাছ

গন্ধরাজ, রজনীগন্ধা, সূর্যমুখী, জিনিয়া, পিটুনিয়া, সিলোসিয়া বা মোরগঝুঁটি, দোপাটি, ক্যালিয়েন্ড্রা বা মণিকুন্তলা, ব্রানফেলসিয়া বা বিচিত্রা, গাঁদা, গোলাপ, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, পিটুনিয়া, ভারবেনা, ক্যামেলিয়া, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, কারনেশন, স্যালভিয়া, জারবেরা, এজালিয়া দোলনচাঁপা, ইউফোরবিয়া প্রভৃতি। 

শীতের ফলগাছ

আঙুর, বেদানা, ডালিম, সফেদা, কমলা, কামরাঙ্গা, পেঁপে, বাতাবিলেবু, আতা, কলা প্রভৃতি।

শীতের সবজি

কলা, ডাঁটা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মরিচ, শসা, লাউ, কুমড়া, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, শিম, ক্যাপসিকাম, লেটুসপাতা, ব্রোকলি, পুদিনাপাতা, ধনেপাতা প্রভৃতি।

ভেষজগাছ

পুদিনা, তুলসী, অশ্বগন্ধা, কালমেঘ, তেলাকুচা বাসক, ঘৃতকুমারী, সেজ, ক্যামোমিল, ফিভারফিউ ও নিম।

বাহারি এসব শীতের সবজি, ফুল ও ফলের গাছ গ্রামে বসতবাড়ির আঙিনা, সড়কের দুই পাশ বা কৃষিক্ষেতে জন্মালেও ক্রমেই তা জায়গা করে নিচ্ছে শহরের বাসাবাড়িতে। নগর সভ্যতায় কংক্রিটের বহুতল ভবন কেড়ে নিতে চাওয়া বাড়ির অঙিনায় ফুলের বাগান, মাটির উঠোন, চালের ওপর লাউ-কুমড়ার লতা, ফুলের ঘ্রাণ, সবুজ ঘাসের পথ একটু সচেষ্ট হলেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব। বাড়ির বারান্দায় মালতিলতা, দোপাটি, হাসনাহেনা। গ্রিলের ফাঁকে লাউয়ের মাচা, ঘিকাঞ্চন মরিচ, মানিপ্লান্টসহ নানা ফুলগাছ লাগানো যেতে পারে। ভবনের ছাদ, বারান্দা, সিঁড়ি, ব্যালকনি, বারান্দা, কার্নিশ, খোলা জায়গায় গড়ে তোলা সম্ভব এক চিলতে সবুজ বাগান। এসব গাছপালা শুধু ঘরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং নগরকে সবুজ রাখতে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আমাদের দেশের প্রচলিত জাতের ফুল, শাকসবজির সবটাই সহজে উৎপাদন করা সম্ভব। আর শীতে তো কথাই নেই। কারণ, শীতের গাছ একটু নরম প্রকৃতির হয়। অন্য ঋতুতে সহজে পচে যাওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু শীতে গাছের আগা ডগা বা গাছ পচনের ভয় একেবারেই নেই বললেই চলে। এমন সুযোগ নিয়ে বাহারি ফুল আর সবজির সমাহার শুরু হয় শীতে।

ছাদবাগান

ছাদবাগান যেমন ছাদের সৌন্দর্য বাড়ায়, তার সঙ্গে জায়গাটুকু ব্যবহার করে পরিবারের ফুল, শাকসবজি ও ফলের চাহিদা যথাযথভাবে মেটায়। শুধু কি তাই? পরিকল্পিতভাবে ছাদে বাগান করে বাড়তি আয়ও করা যায়। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বিকল্প আয়ের উৎস হতে পারে ছাদবাগান, যা পরিবারকে করে সচ্ছল। সর্বোপরি ছাদের বাগানে পরিবারের অবসরপ্রাপ্ত আগ্রহী লোকগুলো দারুণভাবে সময় কাটিয়ে করতে পারেন সময়ের সদ্ব্যবহার। বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বাড়ির ছাদে বাগান করা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অধিকাংশ বাড়ির ছাদের দিকে তাকালেই বিভিন্ন ধরনের বাগান দেখা যায়। অবশ্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরের ছাদে যেসব বাগান দেখা যায়, তার অধিকাংশই অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে বাড়ির ছাদে যেকোনো গাছ, এমনকি শাকসবজিও ফলানো সম্ভব।

ছাদে শীত উপযোগী গাছ

সূর্যমুখী, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, কসমস, গোলাপ, গাঁদা, জিনিয়া, পিটুনিয়া, সিলোসিয়া বা মোরগঝুঁটি, দোপাটি, ক্যালিয়েন্ড্রা বা মণিকুন্তলা, ব্রানফেলসিয়া বা বিচিত্রা, গাঁদা, গোলাপ, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, পিটুনিয়া, ভারবেনা, ক্যামেলিয়া, আঙুর, বেদানা, ডালিম ইত্যাদি। এ ছাড়া নানা ধরনের মৌসুমি সবজি যেমন কলা, ডাঁটা, লাউ, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মরিচ, শসা, লাউ, কুমড়া, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, শিম, ক্যাপসিকাম, লেটুসপাতা, ব্রোকলি পুদিনাপাতা, কচু, ধনেপাতা ইত্যাদি অনায়াসে উৎপাদন করা যায়।

ছাদে শীতের গাছের চাষের পদ্ধতি

ছাদে বাগান করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন গাছটি বড় আকারের না হয়। অর্থাৎ ছোট আকারের গাছ লাগাতে হবে এবং ছোট আকারের গাছে যেন বেশি ফল ধরে সে জন্য হাইব্রিড জাতের ফলদ গাছ লাগানো যেতে পারে। বাগানের গাছগুলো যেহেতু সাধারণ মাটির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকে, তাই নিয়মিত পানি সেচ না দিলে গাছগুলো যেকোনো সময় মারা যেতে পারে। সাধারণত দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে গাছ ভালো জন্মে। ছাদে বাগান করতে হলে এ ধরনের মাটি ব্যবহার করলে ভালো হয়। এ ছাড়া বর্তমানে হাইড্রোপনিকস পদ্ধতিতে মাটি ছাড়াও বাগান করা সম্ভব। তবে সাধারণত ছাদে বাগান করতে কাঠ বা লোহার ফ্রেমে এঁটে বেড তৈরি করে অথবা টব, ড্রাম, পট, কনটেইনার পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়।

টব পদ্ধতি

ছাদবাগানের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ পদ্ধতিই হলো টব পদ্ধতি। গাছের ধরন অনুযায়ী টব বাছাই করা যায়। দরকারমতো সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো যায়। টবে সার-মাটি দেওয়াও খুব সহজ। আজকাল অনেকেই পোড়ামাটি এবং প্লাস্টিকের টব ব্যবহার করেন। আবার টবের গায়ে রং দিয়ে সৌন্দর্য বাড়ানো যায়। টবে গাছ লাগানোর সময় মনে রাখতে হবে যেন ওই গাছ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টবের অল্প মাটিতে ওই গাছের খাদ্যপুষ্টি থাকে।

হাফ ড্রাম

বড় আকারের ড্রামের মাঝামাঝি কেটে দুই টুকরো করে বড় দুটি টব তৈরি করা যায়। বড় জাতের এবং ফলের গাছের জন্য হাফ ড্রাম ভালো। এগুলো সরাসরি ছাদের ওপর না বসিয়ে কয়েক টুকরো ইটের ওপর বসানো দরকার। অনেকে মনে করেন, ছাদের ওপর হাফ ড্রাম রাখলে ছাদের ক্ষতি হয়। এ ধারণা ঠিক নয়।

টব গাছের লক্ষণীয় বিষয়

ফুল কিংবা ফলগাছ যা-ই হোক না কেন, টব ব্যবহার করার সময় লক্ষ রাখতে হবে, গাছের আকার কত বড় হবে। সেই মতো টবের আকার নির্ধারণ করা দরকার। পানি গড়িয়ে যাওয়ার জন্য টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে। ছিদ্রের ওপর নারকেলের ছোবড়া বা ইটের টুকরো দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। টবে ব্যবহারের আগে টবে ব্যবহার করা ছোবড়া বা ইটের টুকরো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। গরম পানিতে ধুয়ে নিতে পারলে ভালো। যে গাছের চারা লাগানো হবে তা সাধারণ পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এর ফলে রোগের সংক্রমণ অনেক কমে যায়। চারা কেনার সময় অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের চারা সংগ্রহ করা দরকার। গাছ বড় হলে প্রয়োজনে বড় টবে সাবধানে চারা স্থানান্তর করে নেওয়া যায়। তবে টব ভেঙে চারাগাছ বের করা যাবে না। মনে রাখতে হবে, চারাগাছটি যেন কোনোভাবেই আঘাত না পায়।

টবের সার-মাটি

টবের গাছের খাদ্যপুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য মাটিতে দরকারি সার মেশাতে হবে। মাটি, গোবর সার, কম্পোস্ট, পচা পাতা, পরিমাণমতো রাসায়নিক সার মেশাতে হবে। শুকনো দূর্বাঘাস টবের মাটির মাঝামাঝি দিয়ে তার ওপরে মাটি দিয়ে চারাগাছ লাগানো ভালো। তিন ভাগ মাটি, দুই ভাগ গোবর সার আর এক ভাগ পাতা পচা সার দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে টব পূর্ণ করে গাছ লাগাতে হবে।

চৌবাচ্চা পদ্ধতি

ছাদে এক থেকে দেড় ফুট উঁচু এবং তিন থেকে চারটি পিলারের ওপর পানির ট্যাঙ্ক বা চৌবাচ্চা আকারের রিং স্লাব বসিয়ে ইটের টুকরো এবং সিমেন্টের ঢালাই দিয়ে স্থায়ী চৌবাচ্চা তৈরি করা যায়। এই ধরনের চৌবাচ্চায় মাছ এবং জলজ উদ্ভিদ চাষ করে ছাদের পরিবেশ সুন্দর রাখা যায় সহজেই।

স্থায়ী বেড পদ্ধতি

ছাদের কোনো অংশে স্থায়ী বাগান করতে চাইলে সুবিধামতো আকারের স্থায়ী বেড তৈরি করা যায়। তবে চার ফুট দৈর্ঘ্য, চার ফুট প্রস্থ এবং দুই ফুট উচ্চতার বেড তৈরি করা ভালো। এ ধরনের বেড তৈরি করতে নিচে পুরু পলিথিন দিয়ে ঢালাই করলে ছাদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

শীতে গাছের পরিচর্যায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা

বাড়িতে শুধু গাছ রাখলেই হবে না, তার সঠিক যত্ন ও সাজিয়ে রাখার কৌশলগুলোও রপ্ত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে-

  • ঘরের ভেতর বা বারান্দায় এমন জায়গায় ইনডোর প্লান্ট রাখতে হবে, যেন খুব বেশি কড়া আলো না পড়ে আবার খুব অন্ধকারেও না থাকে। সে ক্ষেত্রে বারান্দায় ও জানালার কাছে রাখাই শ্রেয়।
  • সপ্তাহে অন্তত এক দিন সব গাছ রোদে দিন। দুপুরের কড়া রোদে গাছ রাখবেন না। সকালের হালকা রোদে গাছ কিছুক্ষণ বাইরে রাখার চেষ্টা করুন।
  • গাছে ঘন ঘন পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে গাছ পচে যেতে পারে এবং গাছ দুর্বল হয়ে পড়বে।
  • ইনডোর প্লান্ট বেশি বড় হবে না। এতে ঘর অন্ধকার লাগবে। তাই গাছের বাড়তি ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে।
  • চারা রোপণের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত কাঠি দিয়ে চারা সোজা করে বেঁধে দিতে হবে।
  • চারার গোড়ায় জন্মানো অবাঞ্ছিত আগাছা বাড়ন্ত চারার খাবারে ভাগ বসায়, তাই নিয়মিত আগাছা দমন জরুরি।
  • শীতকালে, মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে শুকনো লতাপাতা, খড়, কচুরিপানা দিয়ে চারার গোড়ায় মালচিং করতে হবে।
  • চারা সোজা রাখা ও নির্দিষ্ট কাঠামো ঠিক রাখতে অবাঞ্ছিত ডালপালা কেটে ফেলতে হবে।
  • বৃষ্টি না হলে রোপণের পর ঝরণা দিয়ে পানি সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • রোগবালাই পোকামাকড় দমনের জন্য নিকটস্থ কৃষি বিভাগ, হর্টিকালচার সেন্টার বা বন বিভাগের পরামর্শমত ব্যবস্থা নিতে হবে।

টব, সার ও চারার খোঁজে

ঢাকায় আগারগাঁওয়ে রোকেয়া সরণিতে ২০-২৫টি নার্সারি গড়ে উঠেছে, যেগুলোতে এখনই শীতের মৌসুমি ফুলের পর্যাপ্ত চারা পাওয়া যাচ্ছে। ইনকা গাঁদার জন্য দেখতে পারেন আরণ্যক, খামারবাড়ী, আদর্শবন, তানজিলা, মাগুরা, গার্ডেনিয়া নার্সারি। সাদা গাঁদা ও ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার পাবেন কৃষিবিদ উপকরণ নার্সারিতে, চন্দ্রমল্লিকা ও স্নোবল পাবেন গ্রিন ওয়ার্ল্ড নার্সারিতে, গাজানিয়া ও স্যালভিয়া পাবেন ঢাকা কলেজের পাশের নার্সারিগুলো, ডালিয়ার মতো শীতে সব পছন্দের গাছের সমাহার মিলবে রাজধানীর দোয়েল চত্বরে। ঢাকার বাইরে সব জেলা ও উপজেলা শহরে সরকারি-বেসরকারি নার্সারি, এনজিও নার্সারি, ব্যক্তিগত নার্সারি, বৃক্ষমেলা, বিএডিসি হর্টিকালচার সেন্টার, কৃষি সম্প্রসারণ হর্টিকালচার সেন্টারে ভালো চারা পাওয়া যায়। তবে হাটবাজার থেকে ফলের চারা না কেনাই ভালো। কারণ, এগুলোর জাত চেনা যায় না এবং কলম না বীজের চারা তাও জানা যায় না। সব সময় কলমের চারা কেনা উচিত। কারণ, ফল দ্রুত দেয় এবং ফলন বেশি হয়।

দরদাম

শীতের প্রায় সব ফুলের প্রতিটি চারার দামই পলিব্যাগে ৬-২০ টাকার মধ্যে, তবে গাজানিয়া ও পিটুনিয়ার দাম ৩০ টাকা। টবে ইনকা গাঁদার ফুলসহ গাছ পাবেন ৪০-৮০ টাকার মধ্যে। প্যাকেটের কম্পোস্ট বা জৈব সার প্রতি কেজি ৪০ টাকা। মাটির টব ২০-১০০ টাকা, সিমেন্টের টব ৬০-৩০০ টাকা, প্লাস্টিকের পুনরায় ব্যবহারযোগ্য টব ৮ ইঞ্চি ৮০ টাকা, ১২ ইঞ্চি ১৭০ টাকা। এ ছাড়া ফার্মগেটের কাছে খামারবাড়ীর পাশে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট চত্বরে ভোসড নার্সারিতেও শীতের ফুলের চারা ও সার পাবেন। সাভার ও ঢাকার বাইরের নার্সারিগুলোতে চারার দাম কিছুটা কম।

মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে নগরায়ণ। কমে আসছে জমি। গাছ লাগানোর জায়গা হচ্ছে সংকীর্ণ। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, শুধু চট্টগ্রাম এবং খুলনা বিভাগ ছাড়া অন্য বিভাগের মানুষ পরিবেশগত মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই শহরে বাড়ি করার ক্ষেত্রে নান্দনিক বিষয়ের পাশাপাশি সুস্থতার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। আর তাই বর্ষার পাশাপাশি সারা বছর এমনকি শীতেও ভবনকে ঘিরে গাছ লাগিয়ে ভবনের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা উচিত।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৮০তম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৬।

Related Posts

ঢাকায় মিয়াওয়াকি বন: একটি পরীক্ষামূলক রূপান্তর

ঢাকার বায়ু, পানি ও মাটির দূষণ হ্রাস করে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে নগর বনায়ন কার্যক্রম শুরু…

কংক্রিটের মাঝে সবুজ প্রাণ ছাদ-বাগান

মানুষের মনস্তত্ত্বের অনেকটাই জুড়ে আছে সবুজ প্রকৃতি আর বাগান। জীবনমান উন্নয়ন আর সময়ের প্রয়োজনে গ্রামীণ জীবনের পাশাপাশি পত্তন…

ByByMahfuz May 14, 2025

সবুজবান্ধব অবকাঠামো ডিজাইনের মাধ্যমে সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব

ডুবন্ত সূর্যের রক্তিম আভায় পশ্চিম আকাশ যখন আচ্ছন্ন, তখন বালিয়াড়ির ঝাঁকেদের ঘরে ফেরার পালা। বিকেলের শেষ রোদটুকু গায়ে…

ByByMahfuz May 8, 2025

বাংলাদেশ গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল গঠনের প্রয়োজনীয়তা

জলবায়ু পরিবর্তন এ সময়ের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। এই পরিবর্তনকে সঠিকভাবে এবং সুবিবেচ্যভাবে কাজে লাগাতে না পারলে…

ByByMahfuz Apr 22, 2025

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

01~1
previous arrow
next arrow

Bandhan Cover

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

রাস্তা থেকে রেস্তোরাঁ: কাপ-পিরিচে মন হাল্কা করার স্থাপত্যের গল্প
নাভিদ বারাতির ‘হিডেন সিটি’ 
বিশ্বকাপ ২০২৬: স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা ও বৈশ্বিক মেগা-ইভেন্টের নতুন মানচিত্র
মে মাসের সেরা পাঁচটি আবাসিক স্থাপত্য
প্রেইরির নীরবতায় অবতরণ করা এক ভবিষ্যত স্থাপত্য
নিখিল: নৃত্যের ছন্দে গড়া স্মৃতির অনুরণন
Carthage
Dhanmondi Mogal Eidgah
Kaba Ghor