মরুভূমি মানেই ধু-ধু বালু, অসহ্য উষ্ণতা, রুক্ষ পরিবেশ ও প্রকৃতি। গাছ নেই, ছায়া নেই, নেই পাখি; আছে কেবল পাথুরে ভূমিবিন্যাস আর থেকে থেকে ধূসর সবুজের কটা ঝোপ। তবে এই মরুভূমিই কখনো কখনো রহস্যময় মায়াজাল তৈরি করে, হাতছানি দিয়ে পথিককে টেনে নিয়ে যায় অ্যাডভেঞ্চারের নেশায়। নীরস প্রকৃতিকে সাজিয়ে মরূদ্যান বানানোর স্বপ্ন অ্যাডভেঞ্চার ছাড়া আর কিছু নয়। কফম্যান ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী এডগার জে. কফম্যান হয়তো তেমনই এক খেয়ালের বশে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন ভার্জিনিয়ার মরুলোকে একটি স্বপ্নের মরূদ্যান গড়বেন। স্ত্রী লিলিয়ান কফম্যানও ছিলেন সমান উৎসাহী। যেই ভাবা সেই কাজ। ‘ডেজার্ট হাউস’ নামে সত্যি সত্যিই তিনি তাঁর নিবাস গড়তে শুরু করলেন।
বৈশি^ক স্থাপত্য নিয়ে যাঁদের অল্প-বিস্তর জানাশোনা আছে, তাঁরা কমবেশি কফম্যানকে চেনেন। সেই চেনার গল্পটা একটু ভিন্ন রকম। আমেরিকার পশ্চিম পেনসিলভানিয়ার বিয়ার রান উপত্যকায় কফম্যানের একটি পৈতৃক সম্পত্তি ছিল, যার মধ্য দিয়ে একটি ছোট, অল্পস্রোতা পানির ঝিরি আপন মনে বয়ে যায়। গরমের সময়ে ঝিরির পাদদেশে বিরাজ করে মোহনীয় পরিবেশ। ১৯৩৫ সালের দিকে কফম্যান সেখানে একটি গ্রীষ্মকালীন অবকাশ বাড়ি গড়েন। ফলিংওয়াটার নামের এই বাড়ির ডিজাইন করেছিলেন আমেরিকার প্রখ্যাত স্থপতি ফ্যাঙ্ক লয়েড রাইট। সে এক অদ্ভুত ডিজাইন। স্রোতঃস্বিনী ঝরনাকে তার মতো চলতে দিয়ে ওপরে চুপচাপ বসে থাকল বাড়িটি। ঝরনা আর বাড়ির অনবদ্য বন্ধুত্ব জৈব স্থাপত্যের সমাদৃত উদাহরণ হয়ে তোলে তুমুল আলোড়ন। বিশ^ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে ফলিংওয়াটারের নাম। ফলিংওয়াটারের পাশাপাশি বিখ্যাত হয়ে যান বাড়ি মালিক স্বয়ং কফম্যানও।
ফলিংওয়াটার স্থাপত্য অনুরাগীদের মধ্যে আলোড়ন তৈরি করলেও কফম্যানের কেন যেন মন ভরছিল না। পাহাড়ি ঝরনার সান্নিধ্য, কুল কুল স্রোতের সুর, পাখির কলতান, শরতের লাল ফুলের পাপড়িতে ঢেকে থাকা বিশাল ঝুলবারান্দাÑ রোমাঞ্চকর সবকিছু উপভোগ করলেও কিসের যেন অভাব বোধ হচ্ছিল। আসলে লিলিয়ান কফম্যানের ইচ্ছা ছিল একটি ঝকঝকে, চকচকে, আধুনিক নির্মাণশৈলীর রাজকীয় ধাঁচের ভবন তৈরির। ফলিংওয়াটারের মেটে রঙের ভবন, পুরোনো ধাঁচের দরজা-জানালা, সাদাসিধে বারান্দা, অমসৃণ মেঝে, পাথুরে দেয়াল স্থাপত্যের বিচারে অনন্যতা তৈরি করলেও কফম্যানদের মনের চাহিদা পূরণ করতে পারেনি। বাড়ি তৈরির ১০ বছর যেতে না-যেতেই তাই তাঁদের আকর্ষণ কমে যেতে থাকে।
ক্যালিফোর্নিয়ার পামস্প্রিং নামক মরুভূমিতে কফম্যানের মাঝারি আকারের একখণ্ড জমি কেনা ছিল। কফম্যানের ভাবনা তখন সেটাকে ঘিরে। মরুভূমির উষ্ণ প্রকৃতি শীতের সময়ে আরামদায়ক হয়ে ওঠে। সুতরাং মরুনিবাসের চিন্তা আরও সক্রিয় হয়ে উঠল। এবার আর রাইটের কাছে গেলেন না বরং তাঁরই এক সময়কার সহকর্মী স্থপতি রিচার্ড নেওত্রাকে আহ্বান করলেন। রিচার্ড নেওত্রা রাইটের মতো অতটা বিখ্যাত না হলেও একেবারে অপরিচিত নন। ১৯২৯ সালে করা তাঁর লভেলা হাউস তত দিনে স্থাপত্যসমাজে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করে দিয়েছে। ১৯৩৫ সালে তৈরি হওয়া স্ট্রিনবার্গ রেসিডেন্সও নামকরা আরেকটি স্থাপত্যকর্ম। যদিও এটি ১৯৭২ সালে ভেঙে ফেলা হয়। তবে নেওত্রার অন্যতম কাজ হিসেবে এখনো এটি অধ্যয়নের বিষয়বস্তু।
কফম্যানের ডেজার্ট হাউস তৈরির দায়িত্ব পেয়ে স্থপতি নেওত্রা তাঁর আরেকটি যুগান্তকারী স্থাপত্যের জন্য মনে-প্রাণে প্রস্তুত হয়ে গেলেন। মরু আবহাওয়া, ভূ-বৈচিত্র্য নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করলেন। আরামদায়ক পরিসরের পূর্বশর্তগুলো নিয়ে মেলাতে লাগলেন। পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণ দুটি মৌলিক অক্ষকে অনুসরণ করে ভবনের বাহ্যিক কাঠামো ভাবতে লাগলেন। পূর্ব-পশ্চিম লম্বাটে অংশ বাড়ির মূল পরিসর এবং উত্তর-দক্ষিণ অক্ষে সহায়ক পরিসরের অবস্থান ঠিক করলেন।
পূর্ব-পশ্চিম অক্ষ বরাবর লম্বাটে মূল কাঠামো থেকে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর বাড়তি অংশ বের হয়ে আসার কারণে পাখির চোখে দেখলে বাড়ির বাহ্যিক কাঠামোকে কিছুটা যোগ চিহ্নের মতোই মনে হবে। যোগ চিহ্নের কেন্দ্রে অর্থাৎ বাড়ির একদম মধ্যখানে খাবারঘর ও বৈঠকখানার সংযুক্ত অবস্থান। বাড়ির কাঠামোকে এভাবেও ব্যাখ্যা করা যায় যেন কেন্দ্র থেকে চারটি বাহু চারদিকে বেরিয়ে এসেছে। প্রতিটি বর্ধিত অংশের শেষে সুচিন্তিত কক্ষবিন্যাস এবং চলাচল পথের অবস্থান ভবনসংলগ্ন বহিঃপরিসরকে চিহ্নিত করতে ভূমিকা রেখেছে।
দক্ষিণ বাহু হচ্ছে বাড়ির সম্মুখভাগের বহিঃপরিসর, যেখানে গাড়ি পার্কিং এবং দুটো লম্বা, ছাদঢাকা হাঁটাপথ। একটি বৃহদাকার পাথুরে দেয়াল একে ভবন থেকে আলাদা করে প্রধান প্রবেশপথের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। পূর্বের বাহু উত্তরমুখী অভ্যন্তরীণ গ্যালারি হয়ে পারিবারিক বৈঠকখানার সঙ্গে সংযুক্ত। প্রধান পারিবারিক স্যুটের অবস্থানও এখানে। এখান থেকে বাইরে বেরিয়ে কয়েক ধাপ নিচে নামলেই কৃত্রিম পানির আধার, চারপাশে হাঁটা কিংবা বসার সুব্যবস্থা। প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে কেউ নেমে পড়তে পারে স্বচ্ছ পানির আধারে। প্রধান প্রবেশপথ থেকে বৈঠকখানার পাশ দিয়ে হেঁটেও চলে আসা যায়। বৈঠকখানার স্বচ্ছ কাচের দেয়াল বাইরের এবং ভেতরের পরিসরকে একাকার করে দিয়েছে। একটি মুক্ত সিঁড়ি উঠে গেছে ছাদের দিকে, যেখানে চিলেকোঠার অবস্থান। ছাদঢাকা সেতু হয়ে পশ্চিমে এগিয়ে রান্নাঘর, পরিচারিকাদের পরিসর। উত্তর বাহুতে অতিথিশালার অবস্থান। খাবার ঘর থেকে একটি করিডর হয়ে উন্মুক্ত বহির্বারান্দা পাড়ি দিয়ে দুটো অতিথিকক্ষের দিকে চলে গেছে।
স্থপতি রিচার্ড নেওত্রার গৃহস্থালি স্থাপত্যকাজের মধ্যে ডেজার্ট হাউসই সর্বশেষ। খুব বেশি বড় না হলেও স্থাপত্য বিবেচনায় এটি খুবই উল্লেখযোগ্য ও বিখ্যাত। নেওত্রা ১৯৪৬ সালে এটির ডিজাইন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে স্থাপত্যের আন্তর্জাতিক ধারার একটি মাত্র উদাহরণ, যা এখনো ব্যক্তিমালিকানায় আছে। জুলিয়াস স্যুলমানের ১৯৪৭ সালের ফটোগ্রাফির সুবাদে এ মরুনিবাসটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। পাঁচটি কক্ষ এবং পাঁচটি বাথরুমসংবলিত অবকাশ বাড়ির ডিজাইনে মরু এলাকার রুক্ষ ভূ-বৈচিত্র্যের সঙ্গে একটি বাসযোগ্য পরিসরের সংযোগ স্থাপনকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং একই সঙ্গে বৈরী পরিবেশে নিরাপদ আবাসের ধারণা বাস্তবায়ন করা হয়। বড় আকারের স্থানান্তরযোগ্য কাচের দেয়াল সাধারণ পরিসর এবং শয়নকক্ষকে ছাদঢাকা সম্মুখ বারান্দায় উন্মুুক্ত করেছে। প্রধান প্রধান বহিঃপরিসরকে স্থানান্তরযোগ্য উল্লম্ব পর্দা দিয়ে ঘিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত তাপ বা ধুলোঝড় থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব হয়েছে।
ডেজার্ট হাউসের স্থাপত্য একটি বিশেষ ধরনের নান্দনিক ও ভারকাঠামো-ব্যবস্থা অনুসরণ করেছে। ‘একটি আনুভূমিক তল আরেকটি আনুভূমিক তলকে আশ্রয় করে স্বচ্ছ দেয়ালের ওপরে অনেকটা ভেসে আছে’-ইতিহাসবিদ ম্যাকাও এভাবেই সারমর্ম করেছিলেন কফম্যান হাউসকে বোঝাতে গিয়ে। অন্য সব বস্তুর গুরুত্ব কমিয়ে দিয়ে কয়েকটি পাথুরে দেয়ালই মুখ্য হয়ে উঠেছে। বাড়ির আসল অবস্থান হয়েছে ওজনহীন ভাসমান পরিসরের মতো। বহির্মুখী দেয়ালগুলোতে প্রচুর স্বচ্ছ কাচের ব্যবহার করা হয়েছে, চলাচলের পথের ওপরে ছাদ ঝুলন্ত রাখা হয়েছে। ফলে আনুভূমিক তলরেখাগুলো অনেক বেশি দৃশ্যমান। চিলেকোঠা বাদ দিলে উচ্চতা একতলা, তবে ছাদের উচ্চতায় কমবেশি করা হয়েছে পরিসরের ভিন্নতা আনতে।
রিচার্ড নেওত্রা স্থপতি ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইটের অধস্তন সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কিছুদিন। ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে স্থাপত্যে স্নাতক শেষ করেই তিনি যোগ দেন রাইটের প্রতিষ্ঠানে। রাইটের আনুভূমিক বিস্তার ধারণাকে তিনিও বেশ ভালোই আত্মস্থ করেন। তবে পার্থক্য হচ্ছে তিনি তাঁর ডিজাইন-ভাবনায় আধুনিক প্রকাশকে গুরুত্ব দেন। একটা প্রকল্পের আকৃতি যত ছোট বা বড় হোক না কেন, তিনি প্রকল্পের স্বত্বাধিকারীর মতামত ও চাওয়াকে গুরুত্ব দিতেন। তাঁর পরিকল্পনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল মুক্ত ধরনের এবং সহজে পরিবর্তনযোগ্য বিন্যাস। কফম্যান ডেজার্ট হাউস তাঁর ধারণ করা স্থাপত্য চরিত্রকে বাহ্যিক অবয়ব দিয়েছে।
১৯৫৫ সালে কফম্যানের মৃত্যুর পরে বাড়িটি কয়েক বছর অব্যবহৃত পড়ে থাকে। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার মালিকানাও বদল হয় এবং সেই সঙ্গে কিছু পরিবর্ধন ও পরিমার্জন হয়। বিভিন্ন পরিবর্ধনকাজের সময়ে বারান্দাকে ঘিরে দেওয়া হয়, শয়নকক্ষের দেয়ালে লতাপাতার নকশা করা দেয়ালপেপার লাগানো হয় এবং একটি যোগাযোগ কক্ষ সংযোজন করতে গিয়ে একটি দেয়াল তুলে দেওয়া হয়। শীতাতপনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বসাতে গিয়ে ছাদরেখায়ও কিছু পরিবর্তন আসে। ১৯৯২ সালে বেন্ট হ্যারিস এবং বেথ এডওয়ার্ড হ্যারিস দম্পতির নজরে আসে বাড়িটি। বেথ এডওয়ার্ড হ্যারিস ছিলেন একজন স্থাপত্য ইতিহাসবিদ। এই শৌখিন দম্পতি বাড়িটিকে এর আসল অবস্থানে নিয়ে আসার ঘোষণা দেন। নেওত্রা ১৯৭০ সালে মারা যান। নেওত্রার মৃত্যুর পরে আসল নকশা পাওয়া যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় হ্যারিস লস অ্যাঞ্জেলসের স্থপতি লিও মার্মল এবং রন রেজিনারকে নিয়ে আসেন। বাড়ির মূল নকশার সন্ধানে হ্যারিস কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওত্রার সংগ্রহশালায় ব্যাপক অনুসন্ধান করেন। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওত্রা সংগ্রহশালায় মূল নকশাসহ কিছু অতিরিক্ত দলিল পাওয়া যায় এবং জুলিয়াস স্যুলমানের বেশ কিছু অপ্রকাশিত স্থিরচিত্রের সহায়তায় অন্দরভাগ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়।
এ ছাড়া যেসব জায়গায় মার্বেল নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল, সেগুলো পরিবর্তন করা হয়। এ জন্য অনেক খুঁজে পুরোনো মার্বেলের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন মার্বেল সংগ্রহ করা হয়। এরপরে খোলা বারান্দার লম্বা বন্ধ অংশটিকে পুনরায় উন্মুক্ত করে দিতে সক্ষম হন। মরুময়তা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য নেওত্রার যে দূরবর্তী পরিকল্পনা ছিল তা বাস্তবায়নের সুবিধার্থে হ্যারিস আরও কয়েকটি প্লট যুক্ত করেন। ৩২০০ বর্গফিটের বাড়িসহ পুরো এলাকার আয়তন তখন হয়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ।
ভবনের সামনে একটি কৃত্রিম জলাধার স্থাপন করা হয়, যা ভবনের জন্য প্রতিফলন গ্যালারি হিসেবে কাজ করে। কফম্যানের সম্পত্তি হিসেবে পরে যুক্ত হওয়া এক প্লটে টেনিস কোর্টও রাখেন। হ্যারিস দম্পতির বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পরে ২০০৮ সালের মে মাসে এটি ১৫ মিলিয়ন ডলারে নিলামে বিক্রি হয়। তবে দরদাতা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে বিক্রি স্থগিত থাকে। অক্টোবরে এসে ১২ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। মার্মল রেজিনার অ্যাসোসিয়েটসের পুনঃস্থাপনকাজ বেশ আলোড়ন তৈরি করে। বর্তমানে অনেক সমালোচকই ফলিংওয়াটার, রবি হাউস, গ্রপিয়ার হাউস এবং গ্যাম্বেল হাউসের মতো অভিজাত স্থাপত্যকর্মের সঙ্গে কফম্যান ডেজার্ট হাউসকেও একই কাতারে বসান। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস একটি জরিপের ওপর ভিত্তি করে লস অ্যাঞ্জেলসের সর্বকালের সেরা ১০টি বাড়ির তালিকা তৈরি করে। ডেজার্ট হাউস পাম স্প্রিংয়ে হলেও এই তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে এর অবস্থান।
প্রকাশকাল: বন্ধন, ১৫৫তম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৯।