ডোর লকের আদ্যোপান্ত

ভবনের নিরাপত্তায় সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপকরণ তালা। পশুপাখির উৎপাত ঠেকাতে প্রাচীনকালে দড়ি বা লতাগুল্মের সাহায্যে গিঁট দিয়ে তালার কাজ সারা হলেও এখন তা কল্পনাও করা যায় না। চুরি ও অনাহূতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভবনের দরজা ও প্রধান ফটকে লাগাতে হচ্ছে অধিক শক্তিশালী ও প্রযুক্তিমানের তালা বা লকার। পাসওয়ার্ড বা কোডসংবলিত তালাও যুক্ত হয়েছে আরও বেশি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে।

তালার ইতিবৃত্ত

খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুরু হয় তালা তৈরি। গ্রিক ও রোমানরা এসব তালার নকশা ও প্রযুক্তির প্রবর্তন করে। গ্রিকে তালা সাধারণত অনিরাপদ হিসেবে দেখা হতো। তবে তারা এর মাধ্যমে রোমান উদ্ভাবকদের উৎসাহ জুগিয়েছিল। যার ফলে তারা দ্রুতই গ্রিক ও মিশরীয়দের চেয়েও উন্নত মানের তালা তৈরি করতে সক্ষম হয়। তারা প্রাথমিক উপকরণ হিসেবে ধাতব ব্যবহার করে এ তালার প্রবর্তন করে। লোহা দিয়ে শক্তিশালী তালা তৈরি করতে সক্ষম হয় রোমানরা। ওসব তালা কেবল বলপূর্বক হামলার বিরুদ্ধে অত্যন্ত শক্তিশালী নিরাপদই ছিল না। এই প্রথমবারের মতো চাবি এত ছোট করে তৈরি করা হয়, যা পকেটে করে বহন করা যায় বা রিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা যায়। ওই সময় রক্ষণাবেক্ষণব্যবস্থারও বিকাশ ঘটে। এটা নিশ্চিত করে যে সঠিক আকৃতির চাবিই কেবল তালার ভেতরে থাকা সমআকৃতির পিনগুলো সরাতে পারবে এবং চাবি ঘুরিয়ে তালার খিল খুলতে পারবে।

রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর প্রথম শতাব্দীতে তালা উদ্ভাবনের ক্ষেত্র একেবারেই স্থবির হয়ে পড়েছিল। অন্ধকারাচ্ছন্ন ইউরোপ ও মধ্যযুগের তালা মিস্ত্রিদের কাছে নতুন সুরক্ষা কৌশল তৈরির প্রযুক্তি ছিল না অথবা ছিল না এর জন্য অর্থায়ন। তবে তারা সে সময়টা নতুন কৌশলে তালাচয়নকারীদের গুলিয়ে বা মিশিয়ে ফেলার চেষ্টায় ব্যবহার করে। তারা একটি সাধারণ তালার একাধিক চাবি তৈরি করে। ক্রমবর্ধমান হারে চাবির নকশা জটিল করে তোলে। বিশদ অলংকার দিয়ে তারা চাবির ছিদ্রগুলো অস্পষ্ট করে। ভেতরে নকল প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় নকল ছিদ্র। এ ছাড়া আরও অনেক নকল কিছু করা হয়।

সবশেষে ১৮ শতকে তালা তৈরির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে আসে। এ সময় উন্নত প্রযুক্তির ফলে  প্রকৌশলীরা ছোট ও বলিষ্ঠ প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এরপর একের পর এক তালার উদ্ভাবন ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় রবার্ট ব্যারোনিন ১৭৭৮ সালে দ্বিক্রিয়াবিশিষ্ট তালা আবিষ্কার করেন, ১৭৮৪ সালে জোসেফ ব্রামাহ ‘ব্রামাহ তালা’, ১৮১৮ সালে জেমস চাব উচ্চমাত্রার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাসম্পন্ন আবিষ্কারক তালা, ১৮৪৮ সালে সিনিয়র লিনাস ইয়েল প্রথম পিন গেলাস তালা, ১৮৫৭ ও ১৮৭৩ সালে জেমস সার্জেন্ট প্রথম সমন্বয়ক তালা ও প্রথমবারের মতো তালা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এ ছাড়া ১৯১৬ সালে স্যামুয়েল সিগ্যাল সিঁধকাঠি প্রতিরোমূলক তালা ও ১৯২৪ সালে হ্যারি সোরেফ প্যাডলক বা কুলুপ তালা আবিষ্কার করেন।

প্রাচীন মিশরে ছয় হাজার বছরেরও আগে থেকে যান্ত্রিক তালার ইতিহাস শুরু হয়। সে সময় তালা মিস্ত্রিরা সহজ সরলভাবে একধরনের তালা তৈরি করতে সক্ষম হন। তবে কার্যকর পিনসংবলিত তালা বা পিন টাম্বলার লক তৈরি করা হয় সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে। বিভিন্ন আকৃতি-দৈর্ঘ্যরে পিন দিয়ে এ তালা তৈরি করা হতো। নির্দিষ্ট পিন বা কিলক ছাড়া ওই তালা খোলা যেত না। কাঠের সোজা লম্বাকার টুকরো দরজার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতো এবং একটি আনুভূমিক খিল ওই কাঠের টুকরোর ভেতর দিয়ে ঢোকানো হতো। দরজা খোলার জন্য এই খিলটি ব্যবহার করা হতো, যা থাকত পিনে পরিপূর্ণ।

বিশেষত ভারী কাঠ দিয়ে ওসব তালার বড় বড় চাবি তৈরি করা হতো, যা দেখতে অনেকটা আধুনিককালের টুথব্রাশের মতো। এতে অনেক কিলক থাকে। তালার ছিদ্র ও ভেতরে থাকা পিনের সমান করে চাবি তৈরি করা হতো। ওসব চাবি তালার উš§ুক্ত ছিদ্রে ঢুকিয়ে ঘোরানো হতো। এই নির্দিষ্ট মাপের চাবি সংশ্লিষ্ট তালার ভেতরের পিনগুলো সরিয়ে দিলে নিরাপত্তা খিল খুলে যেত।

বর্তমানে বাসাবাড়ি ও অফিসের নিরাপত্তায় দরজায় তালা ব্যবহার করা হয়। তালা ছাড়া নিরাপত্তা অনিশ্চিত। বাসার বা অফিসের নিরাপত্তায় অনেক ধরনের তালা ব্যবহৃত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দরজায় নিরাপত্তা জন্য ব্যবহৃত হয় ডোর লক, হ্যান্ডেল লক, সিকিউরিটি লক, সিস লক, পেইড লক, এক্সট্রা সিকিউরিটি লক ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশে সাধারণত ডোর লক, হ্যান্ডেল লক ও সিকিউরিটি লক এই তিন ধরনের তালাই বেশি ব্যবহৃত হয়।  

ডোর লক

ডোর লক সাধারণত মেইন গেট বা প্রধান ফটকে বেশি ব্যবহৃত হয়। নানা নকশা ও মানের ডোর লক রয়েছে। বিভিন্ন প্রকারের ডোর লকের বিবরণ, সুবিধা ও দামÑ   

অগাস্ট স্মার্ট ডোর লক

এই লকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রবেশ সেট করে দিতে পারবেন। ফলে আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ বাইরে বা ভেতরে ঢুকতে পারবে না। তবে এই সুবিধার জন্য দামটাও বিবেচনার বিষয়। দাম পড়বে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

গজি স্মার্ট ডোর লক

এই লকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মধ্যে ফেস ডিটেকটিভ ক্যামেরা থাকে। প্রতিবার রুমে প্রবেশের আগে এই লক তার মালিকের স্মার্ট ফোনে আগত ব্যক্তির ছবি পাঠিয়ে একটি অনুমতি চাইবে। অনুমতি দিলে আগত ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করতে পারবে। দাম ২৩ হাজার টাকার মতো।

কয়িকসেট কবাড় স্মার্ট ডোর লক

এটার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বকবুং সিস্টেম। ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি কাজ করে। তবে এতে দুই ধরনের চাবি ব্যবহার করা যায়। ট্র্যাডিশনাল চাবিও আছে। বিদ্যুৎ না থাকলেও এটি কাজ করে। দাম ২৩ হাজার টাকা।

স্যামসাং স্মার্ট ডোর লক

ওপরের লকগুলোর মতো বাহারি কিছু নেই এই লকে। তবে এটি স্মার্ট ডোর লকের সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় অগ্নি সংকেতের কাজ করে। এই লকের দাম প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

স্কুলেজ লিংক ওয়্যারলেস কিপ্যাড অ্যাড অন ডেডবল্ট স্মার্ট ডোর লক

এই লকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ব্যবহারকারীকে ১৯টি এক্সেস কোড দেবে, যা পরিবারের সবার জন্য ব্যবহার করা হয়। দাম ১৬ হাজার টাকার মতো।

লকিট্রন স্মার্ট ডোর লক

এটার প্রধান বৈশিষ্ট্য, এটা GPS সিস্টেম সাপোর্ট করে। এটি আপানার ফোন থেকে একটা SMS পাঠানোর মাধ্যমে খুলে যাবে। অথবা একটা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেও এটি খোলা যাবে। দাম ১৩ হাজার টাকা।

ইয়েল টাচ স্ক্রিন স্মার্ট ডোর লক

এই লকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে জি-ওয়েভ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে এটিকে স্মার্ট ফোন, ট্যাবলেট এমনকি ডেস্কটপেও ব্যবহার করা যাবে। এটি লাইফটাইম গ্যারান্টি দেওয়া আছে। দাম প্রায় ১৭ হাজার।

এভিজ এল-১০০ ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মার্ট ডোর লক

এই ডোর লকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি আঙুল বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করা আছে। আঙুলের ছাপ ও স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে খোলা যায়।

হ্যান্ডেল লক

বাংলাদেশের অধিকাংশ বাসা ও অফিসে হ্যান্ডেল লক ব্যবহৃত হয়। ডোর লকের মধ্যে আবার অনেক ধরনের, সুবিধার ও দামের হ্যান্ডেল লক রয়েছে। হ্যান্ডেল লক-বৃত্তান্তÑ

টি হ্যান্ডেল লক

দস্তার খাদ দিয়ে তৈরি টি হ্যান্ডেল লক। টি হ্যান্ডেল হুড়কার সঙ্গে ব্যবহার করা যায়। এটি দরজায় ঘড়ির কাঁটার বা পাল্টা ঘড়ির কাঁটার মতো আবর্তিত হয়। এই লক মাপসই মতো লাগানো দরজায় লাগানো যায়। এ লক সিলিন্ডার ও জিবি মডেলের হয়। টি হ্যান্ডেল লক গেমিং মেশিনের সহায়তায় দরজায় লাগানো হয়।

টি হ্যান্ডেল ক্যাম লক

নিম্ন কার্বন ইস্পাতের উপাদানে তৈরি লকটি। এই টি হ্যান্ডেল ক্যাম লক দরজার সম্মুখ ও পেছনের একত্রকরণের জন্য ব্যবহার করা যায়। এটি দরজার প্যানেলের উচ্চতায়ও লাগানো যায়।

টি হ্যান্ডেল

এই লকও দস্তার খাদের প্রধান উপাদান দিয়ে তৈরি। এটিও ঘড়ির কাঁটার বা পাল্টা ঘড়ির কাঁটার মতো আবর্তিত হয়। টি হ্যান্ডেল ইনস্টলেশনের পরে দরজা পৃষ্ঠ তুলনায় মাত্র ৪ সেমি বেশি প্রয়োজন। দেশি ও বিদেশি উভয় হ্যান্ডেল লক ভালো বিক্রি হয়। বাজারে বিভিন্ন মডেলের হ্যান্ডেল লক রয়েছে।

ফ্ল্যাট বা বাড়িতে প্রবেশের প্রধান মাধ্যম দরজা। মজবুত, টেকসই, গুণগতমানের হ্যান্ডেল লক ডোর, ভিউয়ার, ফ্ল্যাট নম্বর প্লেট ইত্যাদি লাগানো হয়। ফ্ল্যাটের রুমের দরজাসমূহে আকর্ষণীয় ডিজাইনের লক লাগানো হয়। সব দরজায় মজবুত, টেকসই, গুণগত উৎকৃষ্টমানের রাউন্ড লক, কবজা, সিটকিনি, হ্যান্ডেল, ম্যাগনেট, স্ক্রু ইত্যাদি উপকরণ ব্যবহার করা হয়।

সিকিউরিটি লক

বর্তমানে বাংলাদেশের বিলাসবহুল ও অত্যাধুনিক বাসাবাড়ি ও অফিসে সিকিউরিটি লক ব্যবহৃত হচ্ছে। চুরি বা ডাকাতি হওয়ার আশঙ্কা আছে এমন বাড়ি ও অফিসের দরজায় লাগানো হয়। নানা নকশা, মানের, সুবিধার ও দামের সিকিউরিটি লক রয়েছে। বিভিন্ন প্রকারের সিকিউরিটি লকের বর্ণনা ও সুবিধাÑ

সিকিউরিটি অ্যালার্ম লক

অসৎ উদ্দেশ্যে লকের গায়ে সামান্য আঘাত প্রদানমাত্রই উচ্চ শব্দে অ্যালার্ম (১১০ ডেসিবল) বেজে উঠবে। এই লক ফলস অ্যালার্ম প্রটেক্টেড, আর তাই যে কেউ ধরামাত্রই বেজে উঠবে। তবে আঘাত প্রদান ব্যতীত আপনাকে বিভ্রান্ত করে তুলবে না। এই লক বাসাবাড়ির নিরাপত্তায় বিশেষভাবে উপযোগী। এ ছাড়া মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়। সিকিউরিটি অ্যালার্ম লক সম্পূর্ণ স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি, তাই যথেষ্ট মজবুত। দুভাবেই ব্যবহারযোগ্য, আর তাই ব্যবহার করা যাবে অ্যালার্মবিহীন সাধারণ তালা হিসেবেও। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, তাই চলে বহুদিন। ব্যাটারি সহজলভ্য হওয়ায় খুব সহজেই প্রতিস্থাপনযোগ্য।

হ্যাভি ডিউটি সিকিউরিটি

হাই কোয়ালিটি ম্যাটেরিয়ালে তৈরি এই লকে সাইরেন অ্যালার্ম থাকে বলে একে সাইরেন অ্যালার্ম লকও বলা হয়। বাড়ি, অফিসের নিরাপত্তা ছাড়াও মোটরবাইকের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই লক ব্যবহৃত হয়। এই লকে কোনো আঘাত অথবা খোলার চেষ্টা করা হলে অ্যালার্ম দিয়ে সতর্ক করে দেবে। লং ব্যাটারি লাইফ হওয়ায় অনেকভাবে এটি ব্যবহৃত হয়।

সিকিউরিটি ক্যাম লক

আঙুলের মাধ্যমে এই লক ব্যবহার করা হয়। নানা ধরনের সিকিউরিটি ক্যাম লক রয়েছে বাজারে। এই লকের হাতল সাধারণত দস্তা দিয়ে তৈরি করা হয়। নানা ধরনের সিকিউরিটি ক্যাম লক বাজারে পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে হাই সিকিউরিটি লক, হাই সিকিউরিটি ক্যাম লক, টিউবলার ক্যাম লক, টিউবলার কি, সিলিন্ডার ক্যাম লক, ক্যাম কি লক, বিস্কুট গেলাস লক, সুপিরিয়ার বিস্কুট লক, অ্যাবলো ক্যাম লক, অ্যাবলো লক, ডিম্পল কি লক, মেডিকো ক্যাম লক।

ডোর লকের দরদাম

বাংলাদেশে ডোর লক, হ্যান্ডেল লক, সিকিউরিটি লক যথাক্রমে সাধারণত ২৫০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, ১ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ও ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। বাংলাদেশে সাধারণত ৯৮ শতাংশ দরজায় চীনের লক বা তালা ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া তাইওয়ান, জার্মান, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তালাও ডোপ্লেক্স বাড়ি, ডেভেলপার হাউজ, অফিস ও সাধারণ বাড়িতে ব্যবহৃত হয়। ডোর লকের রং সাধারণত সিলভার, গোল্ডেন, এসি কালার, এবি কালারসহ বিভিন্ন রঙের দরজার তালা রয়েছে। দরজার লকে সাধারণত ছয়টি চাবি থাকে। তবে নিজের ইচ্ছেমতো এর বেশিও চাবি বানানো যায়।

প্রাপ্তিস্থান

ডোর লক সাধারণত পাওয়া যায় হার্ডওয়্যারের দোকানে। রাজধানীর বনানী, হাতিরপুল, গ্রিন রোড, ফার্মগেট, নবাবপুর, ইমামগঞ্জ, গুলশান, উত্তরা, কারওয়ান বাজার, মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে এসব তালা পাওয়া যায়। তবে উচ্চ প্রযুক্তির তালা বাজার ছাড়াও কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে। সম্প্রতি অনলাইনেও কিছু প্রতিষ্ঠান এ ধরনের পণ্য বিক্রি দিচ্ছে। সেখানেও অর্ডার দিলে সহজেই মিলবে পণ্যটি।

গ্যারান্টি

দাম ও ব্র্যান্ডের ওপরেই দরজার তালার গ্যারান্টি নির্ভর করে। কোনোটি ১ বছর আবার কোনোটি ২০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। এ ছাড়া দরজার তালা ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এটির সুরক্ষা।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৭৮তম সংখ্যা, অক্টোবর ২০১৬।

মোহাম্মদ রবিউল্লাহ
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top