জলবায়ুর পরিবর্তনের সংজ্ঞা বলার কিছু নেই। স্কুলের পাঠ্যবই থেকে বাস্তব জীবন পর্যন্ত আধুনিক যুগে জলবায়ুর পরিবর্তন সবার চোখেই দৃশ্যমান। এর প্রভাবে মানুষ ভুগছে, ভেঙ্গে পড়েছে ইকোসিস্টেম। বায়ুমন্ডলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেনের মতো ভয়ঙ্কর গ্যাস।
বায়ুমন্ডল দূষিত হওয়ায় পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে মুহূর্তে মুহূর্তে। মানুষের সৃষ্ট কল-কারখানা, যানবাহন ও জীবাশ্ম জ্বালানী পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত গ্রিনহাউজ গ্যাস জমা হচ্ছে। এই গ্রীনহাউজ গ্যাস সমূহ সূর্যের আলোকে আবদ্ধ করে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ায় (গ্রীনহাউজ প্রভাব)।
ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ছে মাত্রাতিরিক্ত হারে। অধিক উষ্ণতায় গলতে শুরু করেছে মেরু অঞ্চলের বরফ। বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা। গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশে গত ৪৪ বছরে গড় তাপমাত্রা প্রায় ০.৫ ডিগ্রি বেড়েছে।
বাংলাদেশ নিম্ন সমতলের দেশ। সে কারণে বিশ্বে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলো বাংলাদেশ। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সমুদ্রের উচ্চতা বাড়তে সময় লাগলেও প্রতি বছর বর্ষায় বন্যার ঝুঁকি লেগেই আছে।