ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ

মানুষের মনের সাথে প্রকৃতির রয়েছে নিবিড় বন্ধন। সবুজ গাছপালা, ফুলের বাগান, আলো, বাতাস, পানি ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদানকে সাথে নিয়েই মানুষ সবসময় একটি সুন্দর আবাসন গড়ে তুলতে চেয়েছে। অতীতে মানুষ বনে-জঙ্গলে, গুহা বা বৃক্ষে বাস করত। কিন্তু সভ্যতার বিকাশ এবং নগরায়নের সাথে সাথে মানুষ হয়ে পড়েছে শহরমুখী। ক্রমেই গ্রাম ছেড়ে মানুষ জীবিকার সন্ধানে পাড়ি জমিয়েছে নগরে। সে কারণেই প্রকৃতির সাথে মানুষের ক্রমশই একটা দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। তারপরও সৌন্দর্য প্রিয় মানুষেরা ছুটে গিয়েছে প্রকৃতির কাছে আপন নিবাস রচনা করতে। কখনো সে ঘর বেধেছে পাহাড়ে, কখনো জঙ্গলে আবার কখনো বা সমুদ্র তীরে। আর এসবই করেছে প্রকৃতিকে একান্ত কাছে পেতে। নগরীতে দিনে দিনে গড়ে ওঠছে বহুতল ভবন, কলকারখানা, অফিস-আদালত, রাস্তা-ঘাট ইত্যাদি। আর এ কারণেই যেখানে এক টুকরো জমি পাওয়া দায় সেখানে ছোট্ট একটি বাগান, নদী বা লেক না হোক একটা সুইমিং পুল, কিছুটা সবুজ ঘাসের লন, সব  ব্যাপারগুলো অনেকটা অলীক কল্পনা বৈকি! তবে এসব কিছুরই সমাধান দিয়েছে দেশে দেশে স্থাপত্য বিষয় নিয়ে পড়াশুনা এবং কাজ করা স্থপতিগণ। বাংলাদেশের স্থপতিগণও বেশ সুনামের সাথে দেশে নির্মিতব্য ভবনগুলোকে একটা নান্দনিক রূপ দিতে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধসহ দেশের সব দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাসমূহ গড়ে ওঠেছে এসব খ্যাতনামা স্থপতিদের হাত ধরেই। শুধু তাই নয়, সারাদেশে কারুকার্যখচিত দৃষ্টিনন্দন সব অট্টালিকা বা স্থাপত্যের নির্মাণশৈলী, আকাশ ছুঁই ছুঁই করা বিশাল বিশাল সব ভবন, শিশুপার্ক, সুপার মার্কেট, লেকসহ নানা ধরনের বিনোদন স্পট, এসব কিছুর নির্মাণে রয়েছে স্থপতিদের অপরিসীম অবদান। আর বাংলাদেশের এসব স্থপতিদের জন্য গড়ে ওঠা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের একমাত্র প্রতিষ্ঠানটি ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ (আইএবি)। 

পরিচিতি

ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ (আইএবি) দেশের প্রফেশনাল স্থপতিদের একমাত্র সংগঠন, যেখান থেকে তারা তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। আইএবি মূলত স্থপতিদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপারে কাজ করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানটির দরুণ দেশের স্থপতিগণ তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে তাদের কৃতকর্ম ছড়িয়ে পড়ছে জগৎময়। ফলে আইএবির সুনাম শুধু দেশের গন্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের নামকরা সব সংগঠনের সাথেও কাজ করে চলেছে। এছাড়াও আইএবি স্থাপত্যবিষয়ক বেশকিছু আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্য হিসেবেও নিয়োজিত আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে UIA (Union International Des Architects), CAA (Commonwealth Association of Architects), ARC Asia (Architects Regional Council of Asia), SAARCH (South Asia Association for Regional Cooperation of Architects), RIBA (Royal Institute of British Architects). পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরিবেশ এবং স্থাপত্য বিষয় নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনার, মতবিনিময় সভা, অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ইত্যাদি নানাবিধ কর্মকান্ডে আইএবি অংশ নিয়ে থাকে। 

ইতিকথা

১৯৭২ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ বাংলাদেশ (আইএবি) প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে বিনির্মাণ, স্থপতিদের স্বার্থরক্ষা এবং ভবিষ্যতে গড়ে ওঠা ভবনগুলোকে শৈল্পিক রূপদানের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, এদেশের স্থপতিদের কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি, পেশাগত উন্নয়ন এবং একটি সমৃদ্ধ ও সুপরিকল্পিত দেশ গড়ে তোলায় ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। সদ্য স্বাধীন একটি দেশে এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে অনেক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। স্থপতিদেরকে দিক-নির্দেশনা দেয়া, অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান করা, সরকারের সাথে বিভিন্ন আলোচনা করা, একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে সামনে এগিয়ে চলা ছিল প্রতিষ্ঠানটির জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। আর সে চ্যালেঞ্জ বেশ ভালভাবেই মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে আইএবি ।

১৯৭২ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ বাংলাদেশ (আইএবি) প্রতিষ্ঠা করা হয়। ছবি: আইএবি

আইএবির সাংগঠনিক কাঠামো

আইএবির সাংগঠনিক কাঠামো একটি এক্সিকিউটিভ কমিটির (ইসি) মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বর্তমানে এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। এছাড়াও স্থপতি কাজী গোলাম নাসির সহ-সভাপতি এবং স্থপতি জালাল আহমেদ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লিখিত পদের পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থপতিসহ বর্তমানে আইএবির সদস্য সংখ্যা প্রায় ২০০০। এখানে সাধারণত ৪ ধরনের সদস্য পদ রয়েছে । এগুলো হলো-

১. সম্মানিত সদস্য

২. সদস্য 

৩. ক্যান্ডিডেট সদস্য 

৪. শিক্ষানবিশ সদস্য 

প্রতিষ্ঠানটিতে শুধুমাত্র আইএবি কর্তৃক নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থীরা এখানকার সদস্য হতে পারে। অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে – বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, আহসানউল্লাহ্ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়। তবে যদি অন্যকোনো  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করতে পারে তবে তারাও এখানে সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে মৌখিক এবং লিখিত পরীক্ষাই উত্তীর্ণ হতে হবে। এখানে সদস্যদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। আট বছরের নিচে একভাগ এবং আট বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্নরা অন্যভাগে। এখানে অভিজ্ঞ সদস্যরা সব ধরনের প্রজেক্টে অংশ নিতে পারেন। প্রতি দুই বছর পর পর ভোটের মাধ্যমে এখানে নির্বাচিত কমিটি গঠিত হয়, যারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদেরই কেবল ভোটাধিকার ক্ষমতা রয়েছে। আইএবির সদস্যদের পেশাগত সেবাদানের কিছু নিয়মাবলী (Code of ethics and professional conduct) রয়েছে যেগুলো প্রত্যেককে মেনে চলতে হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইএবির স্থপতিগণ সুনামের সাথে কর্মরত আছেন।

কার্যক্রম

ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ এ সংগঠনটির গড়ে ওঠার মূলেই রয়েছে নগরে গড়েওঠা ভবনগুলোর নির্মাণ শৈলীতে নান্দনিক রূপদান, পরিবেশ বিপর্যয় রোধ এবং স্থায়ী ও প্রযুক্তি নির্ভর ভবন নির্মাণ করা। সে লক্ষকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঢাকা শহরে গড়ে উঠছে শত শত স্থাপনা। ফলে দিন দিন শহরে সবুজের পরিমাণ কমছে। ভবনগুলোতে কিভাবে সবুজ গাছপালা সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয় নিয়েও অইএবি কাজ করে যাচ্ছে। ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর দিন দিন নেমেই চলেছে। ফলে শহরে নিরাপদ খাবার পানির অভাব দেখা দিচ্ছে। তাই আইএবি চেষ্টা করছে কিভাবে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে তা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এবং অতিরিক্ত পানিকে কি উপায়ে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো যায়। শহরে রয়েছে গায়ে গায়ে লাগানো বিল্ডিং। এগুলোতে ভূমিকম্প প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই বললেই চলে। কোনো কারণে যদি একটা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে পাশাপাশি অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর তাই প্রতিটি ভবন নির্মাণের আগে যেন একটা নির্ধারিত অংশ খালি রেখে ভবন নির্মিত হয় তার বিধিমালা নিশ্চিতকরণে সরকারকে সুপারিশ এবং তা আইনে পরিণত করেছে আইএবি। কোন ভবন নির্মাণকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন প্ল্যান পাস করাতে হলে আইএবি এর যেকোনো সদস্যের কাছ থেকে অনুমতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে ।

বিল্ডিং নিয়ে যে বিধিমালা হয়েছে তার অন্যতম দাবিদার আইএবি। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকাতে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে FAR (Floor Area Ratio) নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। অর্থাৎ এখন বড় জমিতে ৫০ শতাংশ জায়গা উন্মুক্ত রেখে বাড়ি করতে হবে। এটাকে তুলে ধরতে এবং একটি বিধিমালা আরোপের ক্ষেত্রে আইএবির এটি একটি অন্যতম সাফল্য। এর ফলে এখন ঢাকাতে ভবন নির্মাণ করতে হলে FAR এর নিয়ম মেনেই করতে হবে। 

আইএবি প্রতি ছয় মাস পর পর নিউজ লেটার প্রকাশ করে থাকে। এ নিউজ লেটারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কর্মকান্ড তুলে ধরা, এর অগ্রগতি, অর্জন, নীতিমালা ইত্যাদি বিষয়গুলোকে প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মেট্রোরেল প্রকল্পের দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং তা না মানার প্রতিবাদস্বরূপ মানববন্ধন, র‌্যালি, অনশনসহ নানা কর্মকান্ডে অংশ নেয়।

লেকচার সিরিজ

ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে স্থাপত্যের বিভিন্ন কৌশল, কারিগরি দিক, প্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি নানা বিষয়ে সদস্যদের জ্ঞান দানের জন্য লেকচার সিরিজের আয়োজন করে থাকে। এ সেমিনারে দেশ ও বিদেশের খ্যাতনামা স্থপতিগণ তাদের মূল্যবান বক্তৃতা পেশ করে থাকেন। এটাকে স্থাপত্যবিষয়ক প্রশিক্ষণের অংশও বলা যায়। যদিও এটি আয়োজিত হয় এর সাধারণ সদস্যদের জন্য তবে নামমাত্র একটা ফি প্রদান করেই আন্তর্জাতিকমানের এসব সেমিনারে যে কেউ অংশ নিতে পারবে।

স্থাপত্যবিষয়ক প্রতিযোগিতা এবং স্বীকৃতি

আইএবির সদস্যদের কাজের মূল্যায়নের এবং স্থাপত্য নকশার স্বীকৃতিস্বরূপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে। এখানে প্রতিবছর স্থাপত্যবিষয়ক নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে এখানকার সদস্যরা অংশ নিতে পারে। তবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সেরা প্রকল্পকে স্বীকৃতি দেয়া হয় জুরি বোর্ডের বিচারে। প্রতিষ্ঠানটি বার্জার পেইন্টের সহায়তায় বার্জার ইয়াং আর্কিটেক্ট অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে।

আইএবির সেবা

একটি মনের মত গৃহ, অফিস, বিনোদন স্পট, হোটেলসহ নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করতে একটি সুন্দর ডিজাইন প্রয়োজন। প্রয়োজন মেটাতে স্থপতিরাই একমাত্র ভরসা। কিন্তু একজন বা কয়েকজন স্থপতি চাহিদানুযায়ী নকশাটি সঠিকভাবে করতে ব্যর্থও হতে পারে। সেক্ষেত্রে যে কেউ নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন আইএবির ওপর। প্রতিষ্ঠানটি আপনার চাহিদানুযায়ী প্রকল্পটির নকশা করে দিতে স্থপতিদের মধ্য থেকে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে যার গুণগতমান বিচার করার দায়িত্ব আইএবি। সেখান থেকে সবার বিচারে সেরা প্রকল্পটিই বেছে নিয়ে আপনার স্বপ্নের ভবনটি নির্মাণ বাস্তবে রূপ লাভ  করবে।

বর্তমানে আইএবি

এতদিন ধানমন্ডির ভাড়াকরা ভবনে প্রতিষ্ঠানটি যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করলেও শের-ই-বাংলানগর, আগারগাঁওয়ে প্রায় দুই একর জায়গা নিয়ে আইএবির নিজস্ব ভবন (আইএবি সেন্টার বিল্ডিং কমপ্লেক্স) গড়ে তোলা হচ্ছে। আইএবির সদস্যদের ভেতর থেকে এ ভবনের নকশা করার জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এখানে প্রায় ৪০ জন প্রতিযোগী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্য থেকে মো. এহসান খান, মো. ইশতিয়াক জহির, মো. ইকবাল হাবিব, মৃন্ময় অধিকারী, মো. আসাদুজ্জামান চৌধুরীদের সমন্বিত দলটি প্রথম স্থান অধিকার করেন ।

নগরীর পরিবেশ রক্ষা, মানুষের সুন্দর আবাসন নিশ্চিত করা, আপনার কল্পনার রঙ মিশিয়ে একটি সুন্দর স্থাপনা উপহার দেয়ার প্রচেষ্টায় ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। যে উদ্দেশ ও লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পথচলা শুরু করেছিল নানা প্রতিবন্ধকতায় হয়ত বা শতভাগ সফল হতে পারেনি; কিন্তু একটি নতুন আগামী ও সমৃদ্ধি কামনায় কাজ করে চলেছে অবিরাম।

যোগাযোগের ঠিকানা :

ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ

বাসা-১১, রোড-০৪

ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা

ঢাকা-১২০৫, বাংলাদেশ।

ফোন : +৮৮০৮৬২৪৬৬৪-৬৫

ফ্যাক্স : +৮৮০৯৬১৫৪৫১

ইমেইল : institute.architects.bd@gmail.com

ওয়েবসাইট- www.iab.com.bd

মারুফ আহমেদ

প্রকাশকাল: বন্ধন ২৪ তম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১২

+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top