• Home
  • মূল রচনা
  • বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সমকালীন আলোচিত স্থাপনা
shade

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সমকালীন আলোচিত স্থাপনা

“We shape our buildings; thereafter they shape us.”
— স্যার উইনস্টন চার্চিল

এই প্রবাদপ্রতিম উক্তিটি মনে করিয়ে দেয়, স্থাপত্য কেবল দৃশ্যমান কিছু কাঠামো নয়, বরং এটি একটি সমাজের আত্মপরিচয়, ইতিহাস এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি স্থাপত্য প্রকল্প ব্যাপক প্রশংসা ও মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার (যেমন: আগা খান অ্যাওয়ার্ড, রিবা পুরস্কার) লাভ করেছে।

সমকালীন স্থাপত্য জানা কেন জরুরি

সমকালীন স্থাপত্য বলতে বোঝানো হয় বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে, বর্তমান সময়ের প্রযুক্তি ও চিন্তাধারা দিয়ে গড়ে ওঠা নকশাকে। যা অতীতের ঐতিহ্যকে অস্বীকার না করেই বর্তমান সমাজের বাস্তবতা, চাহিদা ও সংকটের সঙ্গে সংলাপ তৈরি করে।

village
বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থাপত্য। ছবি: সংগৃহীত

লুই কান-এর বহুল উদ্ধৃত একটি কথা হলো—“Architecture is the thoughtful making of spaces.” সেই কথার রেশ ধরেই বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে নদীভাঙন, বন্যা আর ঘনবসতি প্রতিদিনের জীবনের অংশ, সেখানে আজকের স্থাপত্যচর্চা শুধু সৌন্দর্যের প্রশ্ন নয়। এটি বেঁচে থাকা আর মানুষের মর্যাদারও মৌলিক প্রশ্ন।

তাই এই ক্ষেত্রে কী হচ্ছে, কারা কী নিয়ে কাজ করছেন, তা জানা কেবল স্থপতি বা স্থাপত্য-ভালোবাসা মানুষদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই। সাধারণ মানুষের জন্যও জরুরি, কারণ এই নকশাগুলোই আগামী দিনে আমাদের শহর, বসতি আর জীবনযাত্রাকে গড়ে তুলবে।

বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের স্থাপত্য

গত এক দশকে বাংলাদেশের স্থাপত্য যে পথ পাড়ি দিয়েছে, তা কেবল কাকতালীয় সাফল্যের গল্প নয়। স্থপতিরা যেভাবে আগা খান অ্যাওয়ার্ড, RIBA ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ কিংবা সোয়েন মেডেলের মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ঘরে তুলেছেন, তাতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একটি বার্তা—বাংলাদেশ এখন কেবল পোশাকশিল্পের জন্য নয়, নিজস্ব স্থাপত্যভাষার জন্যও বিশ্বমঞ্চে আলোচিত হচ্ছে।

খুদি বাড়ি: বাঁশের ঘরে জলবায়ু ন্যায্যতার নকশা

বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য বাঁশ ও ইস্পাত দিয়ে তৈরি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমের নকশা করা “খুদি বাড়ি। এই দোতলা বাড়ি সহজে খোলা ও স্থানান্তরযোগ্য করে নকশা করা হয়েছে। যাতে বিপর্যয়ের সময় মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারে।

bd arct.
মেরিনা তাবাসসুমের খুদিবাড়ি প্রকল্প। ছবি: সংগৃহীত

মেরিনা তাবাসসুম নিজে বারবার বলেছেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপত্যের ভাষা বদলাতে হবে”—আর খুদি বাড়ি যেন সেই দর্শনেরই একটি বাস্তব রূপ।

“খুদি বাড়ি” ২০২৫ সালের আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছে। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার মেরিনা তাবাসসুম দ্বিতীয়বারের মতো অর্জন, যা তাঁকে করে তুলেছে প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি যিনি দুইবার এই পুরস্কার পেলেন।

টাইম ম্যাগাজিনের তালিকায় প্রথম বাংলাদেশি স্থাপনা

ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠা জেবুন নেসা মসজিদ ২০২৩ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় ছিল। তবে ২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস” তালিকায় স্থান পাওয়ার মধ্য দিয়ে এটি নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করে। এই বৈশ্বিক তালিকায় জায়গা পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি স্থাপনা এটি।

স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনার নকশায় মসজিদটিকে বলা হয়েছে “ব্রেদিং প্যাভিলিয়ন”। কারণ এর দেয়ালজুড়ে অসংখ্য ছোট ছিদ্র দিয়ে আলো-বাতাস প্রবেশ করে, যা প্রাচীন ইসলামি স্থাপত্যরীতির প্রতিধ্বনি। একটি স্থানীয় টেক্সটাইল কারখানার মালিক তার প্রয়াত মায়ের স্মরণে এই মসজিদ নির্মাণ করান।

Jenun nesa mosq
স্থপতি সায়কা ইকবালের নকশা করা জেবুন নেসা মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

বাইরের গোলাপি সিমেন্টের ব্যবহার এলাকার ঐতিহ্যবাহী টেরাকোটা ও মাটির স্থাপত্যশৈলীকে মনে করিয়ে দেয়।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস: RIBA-র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

মেরুল বাড্ডায় গড়ে ওঠা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ২০২৬ সালের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (RIBA) ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওহা (WOHA)-এর নকশায় স্থপতি জালাল আহমেদের নেতৃত্বে সাত একর জমির উপর তৈরি এই পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাসটি। যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তালিকা থেকে নির্বাচিত ৩৪টি প্রকল্পের একটি। দুই বছর পরপর দেওয়া এই পুরস্কার বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দেয়।

BRAC
স্থপতি জালাল আহমেদের নেতৃত্বে পরিবেশবান্ধব ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

আর এবারের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, আবাসন ও দ্রুত নগরায়ণের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জকে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস নকশায় এই ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রমাণ করে, বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপত্যও এখন বৈশ্বিক মানদণ্ডে বিবেচিত হওয়ার মতো পরিণত হয়ে উঠেছে।

বাবুরাইল খাল পুনরুদ্ধার: নগর পুনরুজ্জীবনের স্বীকৃতি

নারায়ণগঞ্জের এই প্রকল্পটি ৩৫তম JK আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডসে “ফরেন কান্ট্রিজ আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড” জিতেছে। ২০২৬ সালের ১৪ মার্চ শিলংয়ের উইন্ডারমেয়ার হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে স্থপতি মো. ইশতিয়াক জহির ও মো. ইকবাল হাবিবকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

বাবুরাইল খাল
নারায়ণগঞ্জের বাবুরাইল খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্প। ছবি: সংগৃহীত

দূষিত ও অবহেলিত একটি নগর খালকে জনবান্ধব উন্মুক্ত স্থানে রূপান্তরের এই প্রকল্প বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শহরগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে যেখানে নগর অবকাঠামো পুনরুদ্ধার আর জনপরিসর সৃষ্টি একসঙ্গে ঘটতে পারে।

এই স্বীকৃতি এই ইঙ্গিতও দেয় যে, বাংলাদেশের স্থাপত্যচর্চা এখন কেবল একক ভবনের নকশার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং নগর পরিকল্পনা ও পরিবেশ পুনরুদ্ধারের মতো বৃহত্তর প্রশ্নেও সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নূরউদ্দিন কমপ্লেক্স
নারাণগঞ্জের নূরউদ্দিন কমপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত

নূরউদ্দিন কমপ্লেক্স: বাণিজ্যিক স্থাপত্যে নতুন দৃষ্টান্ত

একই অনুষ্ঠানে “ফরেন কান্ট্রিজ কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড” জিতেছে নারায়ণগঞ্জের নূরউদ্দিন কমপ্লেক্স। যার নকশা করেছেন স্থপতি মাহমুদুল আনোয়ার রিয়াদ। বাণিজ্যিক ও মিশ্র ব্যবহারের এই স্থাপনা প্রমাণ করে, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও শিল্প-স্থাপত্যেও এখন উঁচুমানের নকশাচিন্তা প্রতিফলিত হচ্ছে। যা কেবল কার্যকারিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নান্দনিকতা ও প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্নকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।

বার্জার অ্যাওয়ার্ড: দেশীয় মঞ্চে নতুন প্রজন্মের কণ্ঠস্বর

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন আর্কিটেকচারের (BAEA) ১১তম আসরে ১১৬টি মনোনীত প্রকল্পের মধ্য থেকে ছয়টি প্রকল্পকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি হলো স্টুডিও গোমতি ঘরের স্থপতি রাহাত ইবনে হাসানের “A home for memories and daydreams”, পারসিভ + এএসপি-র স্থপতি ফজলা রাব্বির “রুপগাঁও”, এবং নিওফরমেশন আর্কিটেক্টসের স্থপতি খন্দকার নাজমুল হাসান ও খালিদ আহমেদ খানের নকশা করা “Incepta Pharmaceuticals Limited Unit-17 Multipurpose Industrial Building”।

রুপগাও
বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন আর্কিটেকচার পুরস্কারজয়ী রূপগাঁও। ছবি: সংগৃহীত

দেশের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এই স্থাপত্য পুরস্কারটি প্রমাণ করে দেয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বাইরেও বাংলাদেশের ভেতরেই একটি সক্রিয় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ স্থাপত্য বাস্তুতন্ত্র গড়ে উঠেছে, যেখানে আবাসিক নকশা থেকে শুরু করে শিল্প-স্থাপনা সব ক্ষেত্রেই নতুন প্রজন্মের স্থপতিরা নিজেদের প্রতিভার প্রমাণ দিচ্ছেন।

সৌন্দর্যের বাইরে: কী বলছে এই আট প্রকল্প?

বাংলাদেশের সমকালীন স্থাপত্যের একটি বৈচিত্র্যময় চিত্র পাওয়া যায় এসব প্রকল্পে। কোথাও একটি হারানো খালকে শহরের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও একটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে।

আবার কোথাও জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বহনযোগ্য আশ্রয়, কোথাও ধর্মীয় স্থাপত্যে নারী ও সাধারণ মানুষের অন্তর্ভুক্তি; আবার কোথাও বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসন কিংবা pharmaceutical industry-এর মতো জটিল আধুনিক কার্যক্রমকে নতুন spatial language-এ প্রকাশ করা হচ্ছে।

স্থ[পতি ফ্র্যাংক লয়েড রাইট-এর ভাষায়, “Form and function should be one, joined in a spiritual union.” বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভালো স্থাপত্যের মধ্যেও form ও function-এর এই সম্পর্কটি স্পষ্ট: নকশা একই সঙ্গে ব্যবহারিক, পরিবেশসচেতন, সামাজিক এবং নান্দনিক হওয়ার চেষ্টা করছে।

আট প্রকল্প

শেষ কথা: বাংলাদেশের স্থাপত্য কোথায় যাবে?

বাংলাদেশের স্থাপত্যে আজকের বড় প্রশ্ন কেবল বড় ভবন বানানো না , বরং কীভাবে বসবাসের জন্য ভালো জায়গা তৈরি করা যায় তা নিয়ে ভাবা। জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, শহরের ঘনত্ব, জলাবদ্ধতা এসবের উত্তর বিদেশি কোনো নিয়মে নেই। তাই খুঁজতে হবে নিজের মাটি ও মানুষের জীবন থেকেই।

আলোচিত প্রকল্পগুলো এই খোঁজের বিভিন্ন রূপ দেখায়। খুদি বাড়ি জলবায়ু সহনশীলতাকে কেন্দ্রে রাখে; বাবুরাইল দেখায়, শহর গড়া মানে শুধু রাস্তা-ভবন নয়, খাল আর মানুষের জায়গাও ফিরিয়ে আনা; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ঘন শহরে পড়াশোনা ও সবুজকে একসাথে আনে; জেবুন নেসা মসজিদ পুরোনো ঐতিহ্যকে নকল না করেই তার অর্থ নতুন ভাষায় বলে।

ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প, কিন্তু একই চাওয়া, স্থাপত্য যেন মানুষের জীবনের সঙ্গে সত্যিকারের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একটি খালের জীবন্ত হয়ে ওঠা, একটি ছোট ঘরের আশ্রয় হয়ে ওঠা, একটি মসজিদের মানুষকে ধারণ করা—এভাবেই স্থাপত্য তার সাধারণ অর্থের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে। সহজ কথায়, আমরা শুধু ভবন নয়, নিজেদের সময়ের জন্য নতুন ধরনের জায়গা তৈরি করছি।

তথ্যসূত্র: আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক, টাইম ম্যাগাজিন, রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (RIBA), JKAYA, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (IAB), এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

Related Posts

সুঝো জাদুঘরে চীনা সংস্কৃতির প্রতিফলন

চীনের সুজৌ শহরকে বলা হয় ‘চীনা বাগানের দোলনা’। শহরটির ঐতিহাসিক বাগান, জল, পাথর, পথ ও স্থাপত্যের পারস্পরিক সম্পর্ক…

কংক্রিটের আড়ালে সাও পাওলোর স্থাপত্য ও নগরজীবন

ব্রাজিলের বৃহত্তম শহর সাও পাওলোকে অনেকে শুধু একটি কংক্রিটের জঙ্গল হিসেবে চেনেন। রিও দে জেনেইরোর সৈকত বা ব্রাজিলের…

শতবর্ষী গুদাম যেভাবে কার্পেট শোরুম হলো

মুম্বাইয়ের ভিক্টোরিয়ান টেক্সটাইলের শতবর্ষী গুদামের নাম হয়েছে জয়পুর কার্পেট। তবে আজ তার জরাজীর্ণতা ঘুচে রূপ নিয়েছে নতুন ঠিকানায়।…

আগামীর স্থাপত্য: এআই সঙ্গে না থাকলে পথ হারানোর ঝুঁকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রায় প্রতিটি পেশাগত ক্ষেত্রের কর্মপ্রবাহে ঢুকে পড়েছে। আর স্থাপত্য শিল্পও এর ব্যতিক্রম নয়। বহু বছর…