• Home
  • ফোকাস
  • স্থাপত্য বিয়েনালের থিম ও শিরোনাম ঘোষণা
Image

স্থাপত্য বিয়েনালের থিম ও শিরোনাম ঘোষণা

লা বিয়েনালে দি ভেনেজিয়ার ২০তম আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রদর্শনীর কিউরেটর ওয়াং শু এবং লু ওয়েনইউ বহু প্রতীক্ষিত ২০২৭ সংস্করণের থিম ও শিরোনাম ঘোষণা করলেন। ওয়াং শু এবং লু ওয়েনইউ মঙ্গলবার (১৯ মে) লা বিয়েনালে দি ভেনেজিয়ার প্রধান কার্যালয় কা’ জিউস্টিনিয়ানে, বিয়েনালের সভাপতি পিয়েত্রাঞ্জেলো বুত্তাফুওকোর উপস্থিতিতে তাদের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন।

“ডু আর্কিটেকচার – ফর দ্য পসিবিলিটি অফ কোএক্সিসটেন্স ফেসিং আ রিয়েল রিয়ালিটি” শিরোনামের এই প্রদর্শনীটি ২০২৭ সালের ৮ই মে থেকে ২১শে নভেম্বর পর্যন্ত জিয়ার্দিনি, আর্সেনালে এবং ভেনিস জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রখ্যাত চীনা স্থপতি দম্পতি ওয়াং শু এবং লু ওয়েনইউ এই প্রদর্শনীর প্রধান কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

স্থাপত্য বিয়েনাল (‘বিয়েনাল’ শব্দের অর্থ দ্বিবার্ষিক) হলো স্থাপত্যশিল্প বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বা সম্মেলন, যা প্রতি দুই বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ ও গবেষকরা এতে তাঁদের উদ্ভাবনী নকশা, নির্মাণশৈলী এবং নগর পরিকল্পনার ধারণা প্রদর্শন করেন।

১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াং শু এবং লু ওয়েনইউনের অ্যামেচার আর্কিটেকচার স্টুডিও স্থানীয় স্মৃতি, হস্তনির্মিত কৌশল এবং ঐতিহ্যবাহী উপকরণের পুনর্ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা স্থাপত্যচর্চার সমার্থক হয়ে উঠেছে। নিজেদের নির্মিত স্থাপত্যকর্মের পাশাপাশি ওয়াং এবং লু চীনে স্থাপত্য শিক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন; তারা ২০০৩ সালে চায়না একাডেমি অফ আর্ট-এ স্থাপত্য বিভাগ এবং পরবর্তীতে ২০০৭ সালে স্কুল অফ আর্কিটেকচার প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের প্রকল্পগুলো—যাকে প্রায়শই অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়—পুনর্ব্যবহৃত উপকরণ, সাধারণ কাঠামো এবং কারিগরদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে প্রাধান্য দেয়। এর মাধ্যমে এমন এক স্থাপত্যের বিকাশ ঘটে যা তার প্রেক্ষাপটকে ছাপিয়ে না গিয়ে বরং তা থেকেই উদ্ভূত হয়।

বিয়েনালের সাথে তাদের সম্পর্ক প্রায় দুই দশকের পুরনো। তারা ২০০৬ সালে চায়না প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণ করেন, কাজুয়ো সেজিমার কিউরেট করা ২০১০ সালের প্রদর্শনীতে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন। তাদের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে নিংবো ঐতিহাসিক জাদুঘর, চায়না একাডেমি অফ আর্টের শিয়াংশান ক্যাম্পাস, হাংঝৌ-এর টাইলস হিল, ওয়েনচুন গ্রামের সংস্কার এবং ফুয়াং সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স। ২০১২ সালে ওয়াং শু প্রথম চীনা স্থপতি হিসেবে প্রিটজকার স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: আর্ক ডেইলি

Related Posts

রেলিং: নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও স্থায়িত্বের সমন্বয়

রেলিং একটি ভবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং ভবনের নান্দনিক সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে। বাড়ি,…

মরুভূমির দেশে বিশ্বমানের স্থাপত্যের নতুন দিগন্ত হার্জগ অ্যান্ড ডি মেউরন

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার গত দুই দশকে অবকাঠামো, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্য খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের…

ভবনে নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা যখন নাগরিক নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি

আধুনিক ভবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হলো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। আবাসিক, বাণিজ্যিক কিংবা শিল্প—সব ধরনের ভবনের কার্যকারিতা অনেকাংশেই নির্ভর করে…

সবচেয়ে বড় হিন্দু তীর্থস্থান পশুপতিনাথ মন্দির

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর বাগমতী নদীর তীরে অবস্থিত পশুপতিনাথ মন্দির। বিশ্বের অন্যতম পবিত্র শিবমন্দির। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি যেমন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

01~1
previous arrow
next arrow

Bandhan Cover

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

Ramna Park
রেলিং: নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও স্থায়িত্বের সমন্বয়
Qatar
Electric
Mondir
Tiles
Indian Homes
গাছকে কেন্দ্র করে নির্মিত আবাসনের নতুন ভাষা: ‘হোমস অ্যারাউন্ড ট্রিজ’
Chandgazi