নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো অনেক বড়…। যেকোনো সুন্দর পরিবেশে মন ভালো হয়ে যায় আমাদের। খারাপ পরিবেশে মন হয় খারাপ। সুন্দর পরিবেশ আমরা খুঁজি এ জন্যই। আমাদের বাড়ির বাইরের পরিবেশ প্রকৃতিরই দান। কিন্তু বাড়ির ভেতরের পরিবেশ সম্পূর্ণই নিজের; যা আমরা পছন্দমতো সাজাতে পারি। নীড় ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, বেলাশেষে প্রশান্তির কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু নিজের গোছালো বাড়িটিই। তাই সেটা হওয়া চাই নিজের পছন্দ অনুযায়ী সাজানো গোছানো ও পরিপাটি। ছোট জায়গাকে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনার স্বপ্ন আর পছন্দে বাস্তব রূপ দিতে পারেন একটু বুদ্ধি খাটিয়ে। আর এ জন্য একজন দক্ষ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি। আপনার স্বপ্ন ও বাস্তবের সংযোগ ঘটানোর নিপুণ কারিগর ইন্টেরিয়র ডিজাইনার আপনার পছন্দের নীড়টিকে সাজিয়ে গুছিয়ে দেবে আপনারই মনের মতন করে।
দিন দিন ফ্ল্যাটের দাম ও ভাড়া বাড়ার সঙ্গে কমছে শহরাঞ্চলে ফ্ল্যাটের সাইজ। যাঁরা শহরাঞ্চলের ফ্ল্যাটবাড়িতে নতুন সংসার শুরু করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই পড়তে হচ্ছে এ সমস্যায়। প্রতিনিয়তই মানুষ চেষ্টা করছে সুখে ও স্বাচ্ছন্দে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে। একটা সময় ছিল যখন মানুষের মাথার ওপর ছিল নিশ্চিত ছাদ, কাজের প্রয়োজনে অন্য শহরে এসে অনেকেই সেখানে নিত ঠাঁই, তাঁদের খুঁজতে হতো একটা অস্থায়ী ঠিকানা, মাথা গোঁজার জন্য ভাড়া করা এক চিলতে ঘর যতই ছোট হোক না কেন, তার দেয়াল, বারান্দা, উঠোন একসময় হয়ে উঠত আপন আর সেই আপন বাসগৃহ গৃহিণীর হাতের ছোঁয়ায় হয়ে উঠত অপরূপ। লোহার গেট পেরিয়ে দোতলা বাড়ি, সামনে এক চিলতে বাগান, বৈঠকখানা পার হলে অন্দরমহল, সারি সারি সাদা রঙের ঘর, লাল রঙের ঝকঝকে মেঝে, আকাশছোঁয়া ছাদ, উঠোনজুড়ে নিত্যদিনের ঘরোয়া কাজকর্ম। একসময় বাড়ি বললেই এমন একটা সুন্দর অন্দরের ছবি ভেসে উঠত চোখের সামনে। সেখানে সকালবেলা উঠোনজুড়ে উড়ত ভেজা শাড়ির আঁচল, শেষ দুপুরে মেয়েদের আড্ডা আর বিকেলবেলায় শিশুদের কোলাহল, সন্ধ্যায় বৈঠকখানায় পুরুষদের গুরুগম্ভীর আলোচনা, চায়ের আবদার, বাড়িকে কেন্দ্র করে এভাবেই বেড়ে উঠত একেকটা যৌথ পরিবারের গল্প।
কিন্তু এখন তো আর সেই যুগ নেই, তাই যাঁদের বাড়ির আয়তন ৮০০ থেকে ১০০০ বর্গফুটের মতো, তাঁরা চিরচরিত অন্দরসজ্জার ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে নিজের বাড়িতে আনতে পারেন নতুনত্ব ও ভিন্ন বৈচিত্র্য।
আসবাব ও আলোর ব্যবহার
বাড়ির ভেতর আলোর খেলা ঘরকে করে তোলে আকর্ষণীয়। আসবাব বাড়িতে রাখার সময় খেয়াল রাখবেন আলো যেন বাধা না দেয়। দেয়াল, আলো এবং আসবাবের রং ও ডিজাইন যেন একের অন্যের পরিপূরক হয়। ঘরের আসবাব কেনার সময় ঘরের আয়তন, ঘরের বৈশিষ্ট্য, কোন ডিজাইনের ঘর হবে তা কিন্তু মনে রাখতে হবে। ছোট ঘরের আসবাব নির্বাচন করার সময় লক্ষ রাখুন চলাফেরা করতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয় এবং ঘরকে বড় দেখায়। অনেক বেশি এবং ভারী আসবাব রাখা থেকে বিরত থাকুন। একেক ধরনের কারুকার্যের আসবাবে ঘরকে আরও ছোট মনে হয়। বাড়িতে আলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব কম লাইট ব্যবহার করুন। বেশি লাইট ব্যবহার আপনাকে চারপাশের পরিবেশ আরও বেশি অস্থির ও ক্লান্ত করে তুলবে। সাদামাটা আসবাব আর সঠিক আলোর ব্যবহার আপনার ছোট নীড়টিকে বড় দেখাবে।
দেয়াল ও পর্দার রং
ঘরের কোমল আবহ তৈরি করতে সঠিক রঙ ব্যবহারের জুড়ি নেই। ঘরে দেয়াল, মেঝে ও পর্দার হালকা রং ঘরকে আরও আরামদায়ক ও সুন্দর করে তোলে। এ ছাড়া ঘরকে বড় ও উজ্জ্বল দেখাতেও সহায়তা করে। দেয়ালের রং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘরে কোন বয়সী মানুষ থাকবে, সেটি ভাবতে হবে। ছোট ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সাধারণত পুরো ফ্ল্যাটে একটি রং ব্যবহার করাই ভালো। এতে যেমন খরচ কমবে তেমনি ঘর দেখতে বড় লাগবে। কিন্তু কারও পছন্দের তালিকায় যদি গাঢ় রং থাকে, তবে কিছু কিছু জায়গায় গাঢ় রং ব্যবহার করে নাটকীয় লুক দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে খুব সাবধানে রং এবং স্পেস নির্ধারণ করতে হবে। স্পেস হতে পারে বেডরুমে মাথার কাছের দেয়াল কিংবা টিভি ওয়ালের জায়গা। আবার কেউ চাইলে যেকোনো একটা কর্নার নির্বাচন করে সেটাকেও সাজাতে পারেন নান্দনিকভাবে। পর্দা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই দেয়ালের রং মাথায় রেখে নির্বাচন করুন। হালকা রঙের পর্দা আলো আসতে সাহায্য করে। ঘরকে একটু বড় দেখাতে ফেইক জানালা তৈরি করা যেতে পারে। জানালার ওপরে এবং পাশে রডটিকে হাইট এবং উডথ (Height & Width)-এর দিক থেকে বড় করলে জানালাকে বড় মনে হবে এবং ঘরটিকে বড় দেখাবে। সাধারণত ছোট ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে হোয়াইট, অফহোয়াইট, অ্যাপেল হোয়াইট, স্কাইব্লু, লাইট ইয়েলো এ ধরনের রংগুলো নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ। জোয়ার বা নেটের পর্দা দিনের বেলায় ঘরের ভেতর আলো আসাতে সাহায্য করে।
মেঝের ব্যবহার
বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের মেঝে থাকে। আমাদের এখানে বর্তমানে মোজাইক ও টাইলসের মেঝের চল বেশি। ছোট ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে নকশাহীন মেঝে ব্যবহার করাই উত্তম। নকশাবিহীন মেঝে ঘরকে পরিষ্কার-ঝকঝকে রেখে অপেক্ষাকৃত বড় দেখায়। সাদা মোজাইকের সঙ্গে হলুদ অ্যাশ, মেরুন পাথরের মিশ্রণ দেখতে ভালো লাগে। এ ছাড়া বাজারে এখন বিভিন্ন ডিজাইন ও সাইজের টাইলস পাওয়া যায়। টাইলস যত বড় লাগানো হবে তত বেশি ঘরকে বড় দেখাবে যা আভিজাত্যের ছোঁয়া এনে দেবে আপনার অন্দরমহলে। টাইলসের রং নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সাদা ও অফহোয়াইটকে প্রাধান্য দিন। গাঢ় রঙের টাইলস নির্বাচন থেকে বিরত থাকুন। গাঢ় রঙের টাইলস ঘরকে ছোট করে ফেলে এবং আলো শোষণ করে ঘরে আলোর পরিমাণ কমে গিয়ে ঘরকে অন্ধকার দেখায়।
শোবার ঘর
দিন শেষে ক্লান্ত শরীর এলিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার জায়গাটিই শোবার ঘর। তাই এ ঘরটির অন্দরসজ্জায় আন্তরিক ভাব থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। শোবার ঘরের অন্দরসাজ নির্ভর করে সে ঘরে বসবাসরত ব্যক্তির বয়স ও রুচির ওপর। শোবার ঘরের রং দেয়ালেরই হোক কিংবা পর্দা বিছানার চাদর বা কুশন কভার, সেক্ষেত্রে নীল, আকাশি, বাদামি, অ্যাশ এ ধরনের রং ভালো লাগবে। সাদাকে প্রাধান্য দিয়ে বাকি রঙের মিশ্রণে ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে দিন নান্দনিকতার ছোঁয়া। ঘরকে বড় দেখাতে যতটা সম্ভব কম আসবাব রাখুন এবং দেয়াল কেবিনেট তৈরি করুন।
বসার ঘর
আজকালকার আধুনিক ফ্ল্যাটতে আলাদা বসার ঘরের অস্তিত্ব নেই এমনটা মেনে নেওয়াই যায় না। বসার ঘর আপনার অতিথিদের কাছে আপনার আভিজাত্য আর রুচিবোধের পরিচায়ক। মানুষ নিজের রুচিবোধ আর সামর্থ্যরে সমন্বয়ে সাজিয়ে তোলে নিজস্ব ঢংয়ে তার অতিথি আপ্যায়নের ঘরটিকে। বসার ঘর কেমন হবে তা অবশ্যই নির্ভর করবে আপনার ঘরের আকার ও আয়তনের ওপর। তবে আপনার বসার ঘরটি যেমনই হোক না কেন, সেটিকে সুন্দর করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। বসার ঘর যদি ছোট হয় আয়তনে, তাহলে সোফার পাশাপাশি একটি ডিভান রাখতে পারেন। অনেকে আবার সোফা কাম বেডকে প্রাধান্য দিচ্ছে পছন্দের তালিকায়। জায়গার স্বল্পতার এ ধরনের মাল্টিপারপাস আসবাব অনেক বেশি কার্যকর। আর কেউ যদি ডিভান বা বেড দিতে না চান তাহলে একটি ম্যাস্ট্রেস অথবা ফ্লোর ম্যাট দিয়ে তাতে নানা সাইজের ও ডিজাইনের কুশন দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন, এতে করে অতিরিক্ত অতিথির বসার আয়োজন থেকে থাকবেন নিশ্চিন্ত। এই আয়োজনের সঙ্গে আড্ডাটাও জমে উঠবে বেশ। সম্ভব হলে বসার ঘরের জানালার উল্টো পাশে একটি বড় আয়না লাগান। এতে আলোর প্রতিফলনে ঘরকে অনেক বেশি বড় দেখাবে আয়তনের চেয়ে। বসার ঘরে আসবাব যতটা সম্ভব মর্ডান ও হালকা ডিজাইনের পছন্দ করুন। কাঠের ভারী কফি টেবিল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। সেক্ষেত্রে স্বচ্ছ কাচের টেবিল কিংবা একর্যালিক টেবিল বেশি ভালো লাগবে। ফ্লোটিং শেলফ স্টোরেজের জন্য উত্তম। এতে রুমের বইয়ের তাক ও শোপিস রাখার জায়গার ঘাটতি পূরণ করবে এবং ঘরকে সিম্পল রাখবে, মুক্তি দেবে ভারী আসবাব থেকে।
বাচ্চাদের ঘর
বাচ্চাদের ঘরটি সাজাতে হবে একেবারেই ওদের মনের মতো করে। কারণ, আয়তনকে মাথায় রেখে ছোটদের ঘরের আসবাব নির্ধারণ করতে হবে। বাচ্চার বয়স ও উচ্চতা মাথায় রেখে আসবাব নির্বাচন করতে হবে। আসবাবগুলো যেন ঝুঁকিপূর্ণ ও ধারালো না হয় সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। একাধিক বেড থাকলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চা বেড ব্যবহার করাই উত্তম, সঙ্গে কেবিনেট ও স্টাডি ইউনিট তৈরি করে নিলে অনেকটা নিশ্চিত থাকবেন। ছোট ঘরে সাধারণত মাল্টিফাংশনাল আসবাব বেশি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। এতে করে জায়গা নষ্ট হওয়ার সুযোগ কম থাকে। দেয়ালগুলোকে খালি না রেখে ছোট-বড় শোপিস ও ওপেন শেলফ দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার ব্যবস্থা। যেহেতু শিশুর ঘর তাই খেলনা থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে নানা ধরনের ঝুঁড়ি দিয়ে তৈরি করে নিন তাদের খেলনা স্টোরেজ।
রান্নাঘর
রান্নাঘর ছোট হোক কিংবা বড়। রান্না তো করতেই হবে। তবে রান্নাঘর ছোট হলেও চিন্তা নেই। লম্বা কিচেন কাউন্টারের মধ্যে খানিকটা স্পেস বাড়িয়ে নিতে পারেন। যতটা সম্ভব রান্নাঘরে কেবিনেটের ব্যবস্থা করে নিন। এতে জিনিসপত্র রাখার ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকবেন। ছোট রান্নাঘরের টাইলসের ক্ষেত্রে সাদা রংকে প্রাধান্য দিন। সম্ভব হলে হিঞ্জ দিয়ে লগবোর্ড লাগিয়ে পুল আউট টেবিল বানিয়ে নিন।
বাথরুম
এখনকার বাসাবাড়ির বাথরুম আয়তনে ছোট হলেও পছন্দসই ডেকোরেশনের মাধ্যমে একে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। এখনকার ছোট ফ্ল্যাটবাড়িতে দুটির বেশি বাথরুম থাকে না। এর মধ্যে একটির অবস্থান সাধারণত বসার ঘর বা খাবার ঘরের সঙ্গে হয়ে থাকে। যেটি বাড়ির সবাই এবং বাইরে থেকে আসা অতিথিরা ব্যবহার করে। সে জন্য বাথরুমটিকে গুছিয়ে রাখুন ছিমছাম ও পরিচ্ছন্নভাবে। যতটা সম্ভব দেয়ালজুড়ে আয়না লাগানোর চেষ্টা করুন। বেসিনের নিচে জায়গা হলে কেবিনেট তৈরি করুন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জন্য। যদি কেবিনেটের ব্যবস্থা না করা যায় তবে আয়নার সঙ্গেই তৈরি করে ফেলুন কেবিনেট। চাইলে হিডেন কেবিনেটও তৈরি করতে পারেন, যা সামনে থেকে দেখলে আয়না মনে হবে এবং ভেতরে থাকবে স্টোরেজের ব্যবস্থা। বাথরুমগুলোতে যতটা সম্ভব সাদা রঙের টাইলস ব্যবহার করুন। জায়গা থাকলে কিছু ওপেন শেলফ বানিয়ে নিন। অনেক সময় বাথরুমের ভেতর পিলার পড়ে যায়, সেক্ষেত্রে একটা এলকোডের মতো জায়গা তৈরি হয়। সেখানে গ্লাস শেলফ দিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জায়গা তৈরি করে নিন। মাস্টার বাথরুমে সম্ভব হলে পাওয়ার কার্টেইন দিয়ে ওয়েট জোন ও ড্রাইজোন আলাদা করে নিতে পারলে ভালো। সেক্ষেত্রে গ্লাস ডোর ব্যবহার করা উত্তম। বাথরুমের আকার ও আয়তনের ওপর নির্ভর করে কপার বেসিন ব্যবহার করা গেলে তাতে জায়গার স্বল্পতার ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে কিছুটা। ছোট বাথরুমে টাইলস সাধারণত হরিজেনটাল লাগালে বাথরুমকে বড় দেখাবে। আভিজাত্যের ছোঁয়া দিতে আয়নার ওপর গর্জিয়াস লাইট লাগিয়ে দিন। সম্ভব হলে বাথরুমে একটি রাস বিছিয়ে দিন।
প্রয়োজনীয় টিপস
- পর্দা নির্বাচন করার সময় ভার্টিক্যাল স্ট্রাইপস বেছে নিন। এতে রুমকে বড় দেখাবে।
- জানালার দুই পাশে এবং ওপরের দিকে কিছুটা রড বাড়িয়ে দিয়ে ফলস জানালা তৈরি করুন। এতে করে জানালা দেখতে বড় দেখাবে।
- ঝকঝক করে স্প্রিনকেল করে সেই ধরনের ল্যাম্প, লাইট ফিক্সার ব্যবহার করুন, যা দেখতে আয়নার মতো মনে হবে এবং জায়গাকে উজ্জ্বল করবে।
- সম্ভব হলে একটি বইয়ের শেলফের সঙ্গে এসেন্ট চেয়ার যোগ করে নান্দনিক কর্পার তৈরি করুন, যা কি না আপনার রুমকে আরও বেশি জীবন্ত করে তুলবে।
- ঘরের বিভিন্ন স্থানে সবুজ এবং স্নিগ্ধতা পেতে গাছ রাখুন, ইনডোর প্লান্টস ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেবে দ্বিগুণ।
- যতটা সম্ভব বিল্টইন কেবিনেট তৈরি করুন এবং জায়গা বাঁচাতে কেবিনেটের পাল্লা স্লাইডিং করুন।
- মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার এবং কাস্টমাইজ ফার্নিচার তৈরি করুন, সেক্ষেত্রে একজন দক্ষ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের পরামর্শ নিন।
প্রকাশকাল: বন্ধন, ৮১তম সংখ্যা, জানুয়ারি ২০১৭।