ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, যানবাহন প্রভৃতি তৈরিতে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হচ্ছে কাঠ। বিকল্প অনেক উপকরণ আবিষ্কৃত হলেও কাঠের আবেদন কিন্তু কমেনি এক বিন্দুও বরং বেড়েছে। কাঠের শৈল্পিকতা ও নান্দনিক ডিজাইন ব্যবহৃত স্থানের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।
কাঠের ব্যবহার ক্ষেত্র
- নির্মাণে: বিম, খুঁটি, দরজা-জানালার ফ্রেম, রেল স্লিপার, বৈদ্যুতিক খুঁটি, পাইল, সেতুর খুঁটি, সিঁড়ি, মেঝে তৈরিতে।
- আসবাবপত্র: চেয়ার, টেবিল, খাট, আলমিরায়।
- পরিবহন: লঞ্চ, নৌকা, বাস, ট্রাক তৈরিতে।
- অস্থায়ী নির্মাণে: শাটারিং, স্ক্যাফোন্ডিংয়ে।
- শিল্প ও বাণিজ্যে: বিভিন্ন প্রকার খেলার সরঞ্জাম, দিয়াশলাই, ভিনিয়ার, প্লাইউড নির্মাণে।
কিন্তু সব কাঠ সব কাজের উপযোগী নয়। চলুন জেনে নিই কোন কাঠ কী ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয় সে সম্পর্কিত তথ্য-
- সেগুন: আসবাবপত্র, রেলগাড়ির বগি, জাহাজের পাটাতন তৈরিতে।
- গর্জন: ঘরবাড়ি, রেলের স্লিপার তৈরিতে।
- সুন্দরী: গরুর গাড়ির চাকা, খুঁটি, বৈদ্যুতিক পোল তৈরিতে।
- শাল: সেতু, পাইল, জাহাজ নির্মাণে।
- কাঁঠাল: আসবাবপত্র, দরজা-জানালা তৈরিতে।
- গজারি: ঘরের খুঁটি, পোল, পাইল নির্মাণে।
- আম: ফর্মওয়ার্ক, শাটারিং, জুতার গোড়ালি তৈরিতে।
- শিশু: আসবাবপত্র, বন্দুকের বাঁট, বিনিয়ার তৈরিতে।
- শিমুল: দিয়াশলাইয়ের বাক্স, কাঠি ও প্যাকিংয়ে।
- বাবলা: কৃষিকাজের সরঞ্জাম, গরুর গাড়ির চাকা তৈরিতে।
- চাম্বল: আসবাবপত্র, দরজা-জানালার চৌকাঠে।
- শিল কড়ই: আসবাবপত্র, নৌকা, গৃহনির্মাণে।
- নিম: আসবাবপত্র ও গৃহনির্মাণে।
প্রকাশকাল: বন্ধন, ৮২তম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারি ২০১৭।