• Home
  • মুখোমুখি
  • “যত মানুষ ফুটবলের ভক্ত, তত মানুষ স্থাপত্য নিয়েও আগ্রহী হোক”
Image

“যত মানুষ ফুটবলের ভক্ত, তত মানুষ স্থাপত্য নিয়েও আগ্রহী হোক”

ডিজাইনের মূল ধারণাটি কী ছিল এবং স্থানটি (সাইট) দেখে আপনাদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

ইসাবেল আবাসকাল: প্যাভিলিয়নের সাইট সংলগ্ন Serpentine South Gallery ভবনটি ইট দিয়ে নির্মিত। এর একটি ইটের মুখাবয়ব (ফ্যাসাড) রয়েছে, এবং উপরে একটি সাদা হ্যান্ডরেল আছে। আর রয়েছে গাছগুলো। এগুলোই ছিল সাইটটির প্রধান উপাদান।

প্রকল্পের শর্তগুলোর একটি ছিল, গাছের ছাউনির (ক্যানোপি) ও চারপাশে অন্তত ১ মিটার ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে। এই বিষয়টি বিবেচনা করতে গিয়ে আমরা একটি অফসেট রেখা আঁকতে শুরু করি, এবং খুব দ্রুত বুঝতে পারি যে এটি একটি ঢেউখেলানো বা বাঁকানো রেখায় পরিণত হচ্ছে। এরপর কোনো এক পর্যায়ে “ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল ওয়াল”–এর ধারণা আসে, যা ইট দিয়েই তৈরি একটি ঢেউখেলানো প্রাচীর।

সাইটের প্রান্ত বা সীমানাগুলো আমাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছিল। আমরা ভাবছিলাম, একটি প্যাভিলিয়ন কেমন হতে পারে যদি তা এতটাই সাইটের সঙ্গে সম্পর্কিত যে তার আকৃতিই সাইট থেকে আসে? আর যদি সেটিকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে কি সেটি তার সঙ্গে সেই সাইটের স্মৃতি ও বৈশিষ্ট্যও বহন করে নিয়ে যেতে পারে?

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: আমরা চেয়েছিলাম সাইটটির প্রতি একটি প্রতিক্রিয়া জানাতে। শুধু লনের মাঝখানে বসানো একটি আলাদা স্থাপনা করার ইচ্ছে আমাদের ছিল না। আমরা আগে থেকেই কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা আকৃতি বেছে নিতে চাইনি। ক্যানোপির নকশাটি সাইটে আগে থেকেই বিদ্যমান উপাদানগুলোর সূত্র ধরে তৈরি হয়েছে।

এছাড়া প্রকল্পের ব্রিফে বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য একটি বড় পরিসরের জায়গা রাখার প্রয়োজনীয়তা ছিল।

তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, প্যাভিলিয়নটিকে সাইটের উত্তর দিকে স্থাপন করব। কারণ সেই অংশটি তুলনামূলকভাবে বেশি আরামদায়ক, অন্তরঙ্গ এবং গাছপালার মধ্যে আরও ভালোভাবে আশ্রিত। তখনই ‘ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল’ প্রাচীরের ধারণাটি আসে, কারণ আমাদের ভেতরের ব্যবহারযোগ্য স্থান আরও বড় করতে হতো।

গবেষণার মাধ্যমে আমরা নানা ধরনের সম্ভাবনা পরীক্ষা করেছি। নিজেদের পটভূমি ও অভিজ্ঞতার দিকে ফিরে তাকিয়েছি, এবং স্থাপত্যকে সরাসরি অনুসরণ করার পরিবর্তে শিল্পকলাকে (আর্ট) আমাদের প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করেছি।

এই ক্ষেত্রে, এটি আমাদের ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ঢেউখেলানো ইটের দেয়ালগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল। এবং সেখান থেকেই আমরা ‘ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল’ ধারণায় পৌঁছাই। বিষয়টি একদম উপযুক্ত মনে হয়েছিল, কারণ এই ধরনের দেয়ালকে ‘সার্পেন্টাইন ওয়াল’ (সাপের মতো বাঁকানো দেয়াল) বলা হয়। গ্যালারির নাম এবং পাশের হ্রদের নাম দুটোই সার্পেন্টাইন হওয়ায় ধারণাগতভাবে এটি যেন একটি পূর্ণ বৃত্ত সম্পন্ন করল।

সাইট থেকেই আকার নেওয়া একটি প্যাভিলিয়ন—যা জায়গার অংশ হিসেবেই তৈরি হয়। ছবি: আই-ওয়ান বান

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকেও ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল দেয়াল আমাদের স্টুডিওর দর্শনের সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিলে যায়। এটি বুদ্ধিদীপ্ত, খেলাচ্ছলে তৈরি, গতিশীল এবং অত্যন্ত সরল উপায়ে চতুর সমাধান প্রদান করে। একই সঙ্গে এটি আমাদের সমকালীন দেয়ালগুলোকে Serpentine South Gallery-এর বিদ্যমান দেয়ালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে সাহায্য করেছে।

ছাদটিও তার আকার ও অনুভূমিক বিস্তারের মাধ্যমে বিদ্যমান গ্যালারি ভবনের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়। এর সাদা রঙ ভবনের সাদা হ্যান্ডরেলের সঙ্গে একটি দৃশ্যগত সংযোগ তৈরি করে। ফলে ছাদটিকে আংশিকভাবে গ্যালারির দিকে যাওয়ার একটি সংযোগকারী উপাদান (threshold) হিসেবেও দেখা যায়।

এর আগে কি আপনারা ‘ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল’ ধারণা ব্যবহার করেছিলেন?

ইসাবেল আবাসকাল: না, আমরা আগে কখনও এটি ব্যবহার করিনি। গত কয়েক মাস ধরে ক্রিঙ্কল-ক্র্যাঙ্কল দেয়াল নিয়ে অবিরাম আলোচনা করতে করতে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। কিন্তু বিষয়টি সত্যিই সুন্দর। যেমন ধরুন, আপনি একটি কাগজ ভাঁজ করলে সেটি নিজে থেকেই দাঁড়িয়ে যেতে পারে। এখানেও একই নীতি কাজ করে, কম উপকরণ ব্যবহার করে কীভাবে বেশি স্থিতিশীলতা অর্জন করা যায়।

আমাদের কাছে এটি বর্তমান সময়েরও একটি রূপক। প্রথমবারের মতো আমরা এ ধরনের একটি দেয়াল দেখতে গিয়েছিলাম ফেব্রুয়ারিতে। সেই মুহূর্তটির জন্য আমরা খুবই আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কিছু বিষয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা একটি দীর্ঘ দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে জোরে কথা বলছিলাম, আর দেয়ালটি আমাদের কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনির মতো ফিরিয়ে দিচ্ছিল। বাস্তবের সামনে দাঁড়ালে এমন অনেক অভিজ্ঞতা হয়, যা আগে থেকে কল্পনা করা সম্ভব নয়।

তবে না, আমরা এর আগে এই ধরনের দেয়াল ব্যবহার করিনি। কিন্তু আমাদের প্রথমদিকের প্রদর্শনী নকশাগুলোর একটিতে একটি ভাঁজ করা পর্দা (folding screen) ছিল। আমরা যেহেতু অনেক মিউজিয়ামের সঙ্গে কাজ করি, তাই মূল চিন্তাটা ছিল মিউজিয়ামটি যেন বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে সেটি ব্যবহার করতে পারে, এবং প্রয়োজন না হলে অল্প জায়গায় সংরক্ষণ করতে পারে, যাতে পরে আবার ব্যবহার করা যায়।

মূল নীতিটি একই ছিল। আমাদের দেয়ালগুলোর প্রস্থ ছিল মাত্র ১০ সেন্টিমিটার, যা অত্যন্ত সরু। আর ১০ × ২১ সেন্টিমিটার মাপের স্তম্ভগুলিও ছিল খুবই চিকন। সেখানে আমরা প্যানেল ব্যবহার করেছিলাম। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, প্যানেলগুলোকে একসঙ্গে যুক্ত করলে তাদের জ্যামিতিক বিন্যাসের ওপর নির্ভর করে সেগুলো হয় দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, নয়তো ভেঙে পড়বে।

সাদা ছাদটি গ্যালারির দিকে যাওয়ার একটি সংযোগকারী উপাদান (threshold) হিসেবে কাজ করে। ছবি: আই-ওয়ান বান

ইটগুলো আপনারা কোথা থেকে সংগ্রহ করেছেন?

ইসাবেল আবাসকাল: ইটগুলো লন্ডনের দক্ষিণে প্রায় ৩০ মাইল দূর থেকে আনা হয়েছে। সেখানে একটি বড় কাদামাটির (clay) ভাণ্ডার রয়েছে, যেখান থেকে লাল রঙের কাদা পাওয়া যায় যা লন্ডনের স্থাপত্যে খুব সহজেই চেনা যায়। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যেন এটি একটি স্থানীয় উপাদানে তৈরি হয়। আর ওই কারখানাটি ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়নি। বর্তমানে এটি উইনারবার্গারের মালিকানায় রয়েছে। তারা আমাদের খুব সহযোগিতা করেছে, এবং হাজার হাজার ইট দান করেছে।

আমার কাছে এটি একটি সুন্দর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয় যেখানে আপনি মূলত মাটি থেকে কাদা সংগ্রহ করেন, সেটি পুড়িয়ে (ফায়ার করে) নির্মাণ উপকরণে রূপান্তর করেন।

এই ক্ষেত্রে কি আপনাদের ডিজাইন করা আগের প্যাভিলিয়নগুলোর তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু করার চাপ অনুভব করেছিলেন?

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: চাপ, আপনি মিডিয়াকে ভালোই চেনেন। চাপ-কে আমরা কীভাবে মনে রাখি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ক্ষেত্রে, ফ্র্যাংক গ্রেহরি-এর নকশা করা সার্পেন্টাইন প্যাভিলিয়ন ছিল প্রথম কাজ যেটি আমি দেখেছিলাম। আমি তখন ভাবছিলাম: “আহা, এটাই স্থাপত্য!” এখানে আপনার অনেক দায়িত্ব থাকে, কারণ আপনি জানেন অনেক শিক্ষার্থী এটিকে দেখছে। এটা সত্যিই দারুণ একটি বিষয়।

আমাদের অফিসে, একবার মূল চাপগুলো কাটিয়ে উঠার পর, আমরা এটিকে আমাদের অন্যান্য প্রকল্পের মতোই একটি সাধারণ প্রকল্প বিবেচনা করে কাজ করেছি, একই গুরুত্ব দিয়েছি। এটি ছিল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যদিও খুবই তাড়াহুড়ো ছিল এবং তীব্রতও অনেক বেশি।

এছাড়াও যুক্তরাজ্যের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা (project management) পদ্ধতি বোঝা ছিল অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এত বড় একটি দলকে একসঙ্গে পরিচালনা করা, এবং সবকিছু সমন্বয় করা সত্যিই বড় ধরনের সাংস্কৃতিক দায়িত্ব ,এবং গভীর অঙ্গীকারের বিষয়।

যুক্তরাজ্যের কঠোর বিল্ডিং রেগুলেশনের (নির্মাণ বিধি) মধ্যে কাজ করতে কি আপনারা কোনো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন?

ইসাবেল আবাসকাল: আমাদের দল আমাদের এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গাইড করেছে। আমরা কিছু চ্যালেঞ্জ আশা করেছিলাম। আমরা যেখানে কাজ করি, মেক্সিকো সিটি, সেখানে সব সময় ভূমিকম্প হয়, তাই সেখানে দেয়ালসহ অন্যান্য কাঠামো সাধারণত অনেক বেশি ভারী ও মোটা হয়। তাই কাঠামোগত প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে আমরা প্রস্তুতই ছিলাম।

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: বরং আমরা সেটাকে কাজে লাগিয়েছি। আমরা খুব সরু স্তম্ভ (slim columns) তৈরি করতে পেরেছি, যা মেক্সিকো সিটিতে করা প্রায় অসম্ভব। কিছু কিছু জিনিস অবশ্য করা যায়নি, আর তখন আমাদের একটু শান্ত হয়ে পরিস্থিতি মেনে নিতে হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমার মনে হয় এই প্যাভিলিয়নটি মেক্সিকোতেও সহজেই তৈরি করা যেত শুধু হয়তো স্তম্ভগুলো একটু মোটা করতে হতো! আর দেয়ালগুলোর কথা বললে, সেগুলো খুব জটিল কিছু নয় সাধারণ, বুদ্ধিদীপ্ত এবং সহজ।

ইসাবেল আবাসকাল: আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সময়ের পার্থক্য (time difference)!

ইটগুলো লন্ডনের দক্ষিণে প্রায় ৩০ মাইল দূর থেকে আনা হয়েছে। ছবি: আই-ওয়ান বান

আগের প্যাভিলিয়নগুলোর মধ্যে আপনার প্রিয় কোনটি?

ইসাবেল আবাসকাল: আমি জাপানি স্থাপত্যের বড় ভক্ত। যখন আমার বয়স ২০ বছর, আমি টোকিও’র SANAA-তে যোগ দিয়েছিলাম। আমার মনে আছে, ২০০৯ সালে সেখানে আমার সময়ের পরই SANAA প্যাভিলিয়নটি তৈরি করেছিল, এবং এতে ছিল সত্যিই অবিশ্বাস্যকর এক পাতলাভাব, হালকাপনা এবং উন্মুক্ততা। সেটাই প্রথম প্যাভিলিয়ন, যেটা আমার মাথায় আসে!

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: আমি প্রতিটি প্যাভিলিয়নকেই উদযাপন করি। প্রতিটি বছরের ভিন্ন ভিন্ন ধারণা বা দৃষ্টিভঙ্গি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে যে আপনার স্থাপত্য অবশ্যই আপনার নিজের হওয়া উচিত। আমার মনে হয়, সার্পেন্টাইন প্রোগ্রামের সবচেয়ে দারুণ দিক এটাই।

ইসাবেল আবাসকাল: কিন্তু তুমি তো ফ্র্যাঙ্ক গেহরির প্যাভিলিয়ন পছন্দ করো, তাই না?

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: না, আমি ফ্র্যাঙ্ক গেহরির বাড়িগুলো বেশি পছন্দ করি। আমার মনে হয় ফ্র্যাঙ্ক গেহরির প্যাভিলিয়নটা আসলে ততটাও ভালো ছিল না।

গ্রীষ্মকাল শেষে আপনাদের প্যাভিলিয়নের কী হবে বলে আশা করছেন?

ইসাবেল আবাসকাল: আমরা এটি খুলে ফেলব (disassemble করব)। আমি খুশি যে আমরা এটি মর্টার (mortar) ব্যবহার না করেই নির্মাণ করতে পেরেছি। তাই ইটগুলো সহজেই আলাদা করে বের করা যাবে।

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: এটা কারা কিনেছে সেটা জানতে হলে আপনাকে সর্পেন্টাইন কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করতে হবে। [তারা আমাকে বলেনি!]

এই কাজটির পর কি আপনারা যুক্তরাজ্যে আরও কাজ পাওয়ার আশা করেন?

ইসাবেল আবাসকাল: আমি পুরো টিমকে খুব ভালোবাসি। সবাই অসাধারণ ছিল। কনট্রাক্টর, ইঞ্জিনিয়াররা, আর অবশ্যই সার্পেন্টাইন প্যাভিলিয়ন-এর টিমও খুব সহযোগিতাপূর্ণ ছিল।

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: হয়তো আমাদের ছুটির পর।

আপনি কি মনে করেন মেক্সিকো বিশ্বকাপ জিতবে?

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: ওহ মাই গড, আমরা খুবই খুশি হব যদি আমরা অন্তত চতুর্থ ম্যাচ পর্যন্ত যেতে পারি।

ইসাবেল আবাসকাল: একদমই না! তবে আমি মনে করি এটা মজার যে এটা প্রথম বহুজাতিক (multinational) বিশ্বকাপ। এটিই এর ভালো দিক। আমি মাদ্রিদে জন্মেছি, কিন্তু আমি খুব বেশি ফুটবলপ্রেমী নই। এর অনেক দিক নিয়ে আমার সমালোচনা আছে। একইসাত, আমি ভালোবাসি যে এত মানুষ এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আপনি পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় থাকুন না কেন, আপনি ফুটবল নিয়ে কথা বলতে পারেন।

আলেসান্দ্রো আরিয়েনজো: আমি শুধু চাই, যত মানুষ ফুটবলের ভক্ত, তত মানুষ স্থাপত্য নিয়েও আগ্রহী হোক।

আর্কিটেক্টস জার্নাল, ৪ জুন ২০২৬। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন ফ্রান উইলিয়ামস।

Related Posts

হাতে তৈরি পাঁচটি আইকনিক চারু ও কারি শিল্পের বাড়ি

চারু ও কারু শিল্পের আন্দোলন শিল্পবিপ্লবের যান্ত্রিকতার বিপরীতে মানুষের হাতে তৈরি নকশা, স্থানীয় উপকরণ এবং সরল সৌন্দর্যের ওপর…

RIAS ২০২৬ সালের বার্ষিক পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

প্রসঙ্গ RIAS ২০২৬ এ বিজয়ী হলো কারা। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য পুরস্কারগুলোর দিকে তাকালে আজ একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে,…

গাছকে জড়িয়ে গড়া আমার ঠিকানা

“গাছের সাথে বেঁধেছি ঘর” ধারণাটি একটি সমসাময়িক স্থাপত্যিক অবস্থান। এখানে স্থাপত্য প্রকৃতিকে ঘিরে বিকশিত হয়। এখানে একটি জীবন্ত…

শহরের শরীরে খোদাই করা এক গৃহকাব্য

বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল শহরের মতো ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ও দ্রুত নগরায়ণ, উচ্চ জনঘনত্ব এবং সীমিত উন্মুক্ত স্থানের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *