• Home
  • টপ-পোস্ট
  • আবার কি ফিরবে ‘সোনালী আঁশের’ সোনালী দিন?
Image

আবার কি ফিরবে ‘সোনালী আঁশের’ সোনালী দিন?

নির্মাণের চাহিদা দিনদিনই বাড়ছে। তবে পরিবেশবান্ধব স্থাপনা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন, গবেষণা ও কখনো কখনো উদ্বেগ। চলতি বছরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দুই গবেষক এমন এক নতুন নির্মাণ উপকরণের গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন যা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো।

বাংলাদেশের সোনালী আঁশ খ্যাত পাট প্রায় হারিয়েই যাচ্ছিলো। এরই মধ্যে সুখের খবর দিলেন গবেষক গোলাম মুর্সালিন চৌধুরী রানা এবং অধ্যাপক খন্দকার সাব্বির আহমেদ। আবারও ফিরতে সোনলী আঁশের সোনালী দিন। পাট থেকে তৈরি হতে পারে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ উপকরণ।

গত ১৩ মার্চে গবেষণা জার্নাল এসএসআরএন এ প্রকাশিত বুয়েটের গবেষকদের একটি গবেণাপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বন্ধনের পাঠকের জন্য গবেষণালব্ধ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তুলে ধরা হলো।

স্থাপত্যে উপকরণের ইতিহাস মূলত পরিবর্তনের ইতিহাস। একসময় কাঠ, পাথর ও মাটিই ছিল নির্মাণের প্রধান উপাদান। পরে কংক্রিট, স্টিল, কাচ ও অ্যালুমিনিয়াম বদলে দিয়েছে ভবনের কাঠামো ও চেহারা। এখন সেই ধারায় যুক্ত হচ্ছে এমন কিছু কম্পোজিট উপাদান, যেখানে প্রাকৃতিক তন্তু ও আধুনিক পলিমার প্রযুক্তি একসঙ্গে কাজ করছে। পাট ও পলিমার দিয়ে তৈরি শিট বা কম্পোজিট প্যানেল সেই নতুন সম্ভাবনারই একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

বাংলাদেশের জন্য এই উপাদানের গুরুত্ব আরও আলাদা। কারণ পাট শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়, এটি দেশের অর্থনীতি, কৃষি, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রাকৃতিক তন্তু। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ‘Golden Fibre’ বা সোনালি আঁশকে যদি আধুনিক স্থাপত্যের উপাদানে রূপান্তর করা যায়, তাহলে এটি একই সঙ্গে স্থানীয় সম্পদ, শিল্পপ্রযুক্তি এবং টেকসই স্থাপত্যের মধ্যে একটি সেতু তৈরি করতে পারে।

পাট-ভিত্তিক পলিমার কম্পোজিট নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সঠিক ফাইবার বিন্যাস, পলিমার ম্যাট্রিক্স এবং উৎপাদনপ্রক্রিয়া ব্যবহার করলে এই ধরনের উপাদানের যান্ত্রিক, তাপীয় ও অন্যান্য কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।

পাট ও পলিমার শিট আসলে কী?

সহজ ভাষায়, পাটের তন্তুকে একটি পলিমার ম্যাট্রিক্সের সঙ্গে যুক্ত করে যে সমন্বিত উপাদান তৈরি করা হয়, তাকে পাট-রিইনফোর্সড পলিমার কম্পোজিট বলা যায়। এই কম্পোজিটকে নির্দিষ্ট চাপ, তাপ ও ছাঁচনির্ভর প্রক্রিয়ায় পাতলা বা মোটা প্যানেল আকারে তৈরি করা হলে তা পাট-পলিমার শিট হিসেবে স্থাপত্যে ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে।

এখানে পাট কাজ করে শক্তিবর্ধক তন্তু হিসেবে। অন্যদিকে পলিমার কাজ করে ম্যাট্রিক্স হিসেবে—যা তন্তুগুলোকে একত্রে ধরে রাখে, আকৃতি দেয় এবং বাহ্যিক পরিবেশ থেকে কিছুটা সুরক্ষা প্রদান করে।

পলিমার হিসেবে থার্মোপ্লাস্টিক কিংবা থার্মোসেটিং দুই ধরণের উপাদানই গবেষণা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচিত হতে পারে। তবে এমন পলিমার নির্বাচন কতে হবে যা নির্ভর করবে শিটের কাঙ্ক্ষিত ব্যবহার, শক্তি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, অগ্নি-নিরাপত্তা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্যতার ওপর।

পাটের প্রয়াজনীয়তা কেন?

স্থাপত্যে প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারের আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ হলো উপকরণের পরিবেশগত প্রভাব কমানোর চেষ্টা। পাট দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ থেকে পাওয়া একটি নবায়নযোগ্য তন্তু। গবেষণায় পাটকে কম খরচ, নবায়নযোগ্যতা হওয়ায় প্রাকৃতিক ফাইবার কম্পোজিটের সম্ভাবনাময় শক্তিবর্ধক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্থানীয়তা। একটি ভবনের উপাদান যদি স্থানীয় কৃষি ও শিল্পব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব শুধু ভবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পাট-ভিত্তিক শিল্পের সঙ্গে কৃষক, তন্তু প্রক্রিয়াজাতকারী, মিল, কারখানা ও নকশাবিদ—সবাই যুক্ত হতে পারেন।

এই কারণে পাট-পলিমার শিটকে শুধু একটি নতুন নির্মাণ উপাদান হিসেবে দেখলে এর সম্ভাবনাকে ছোট করে দেখা হবে। এটি স্থানীয় কাঁচামালকে উচ্চমূল্যের কৃষি পণ্যে রূপান্তরের একটি উপায়ও হতে পারে।

শিট তৈরির প্রযুক্তি

পাট-পলিমার শিট তৈরির প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়। প্রথমে পাটের তন্তু প্রস্তুত করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী তন্তু পরিষ্কার, শুকানো, কাটা এবং সার্ফেস ট্রিটমেন্ট করা হতে পারে। কারণ প্রাকৃতিক তন্তুর পৃষ্ঠ ও পলিমারের মধ্যে বন্ধন যথেষ্ট শক্তিশালী না হলে কম্পোজিটের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

এরপর পাটের তন্তুকে নির্দিষ্ট বিন্যাসে সাজানো হয়। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তন্তু এলোমেলোভাবে থাকলে এক ধরণের বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, আবার নির্দিষ্ট দিকে সাজালে স্থিতিস্থাপকতার মতো বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসতে পারে। গবেষণায় পাটের ফাইবার প্রক্রিয়াকরণের পর ব্যবহার করে কম্পোজিটের যান্ত্রিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে।

পরবর্তী ধাপে পলিমার ম্যাট্রিক্সের সঙ্গে তন্তু যুক্ত করা হয়। তারপর বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চাপ প্রয়োগ করে ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পুরুত্ব ও আকারের শিট তৈরি করা যেতে পারে।

শেষ পর্যায়ে শিটের পৃষ্ঠের সুরক্ষা আকার এবং পুরুত্ব নির্ধারণ করা যায়। ফলে একই মৌলিক কম্পোজিট থেকে অভ্যন্তরীণ দেয়াল, সিলিং, পার্টিশন কিংবা সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনও তৈরি করা যায়।

স্থাপত্যে ব্যবহারের সম্ভাবনা

পাট-পলিমার শিটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর সম্ভাব্য বহুমুখিতা। অভ্যন্তরীণ দেয়ালের প্যানেল হিসেবে এই ধরণের শিট ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে এমন প্রকল্পে যেখানে প্রাকৃতিক টেক্সার ও সাময়িক নকশা একসঙ্গে প্রয়োজন, সেখানে পাটের তন্তুর দৃশ্যমান প্যাটার্ন স্থাপত্যে একটি আলাদা উপকরণের পরিচয় সৃষ্টি হতে পারে।

পাটের বুনন বা ফাইবার প্যাটার্ন পুরোপুরি ঢেকে না রেখে পুরোপুরি কিংবা আংশিক স্বচ্ছ রাখলে প্যানেলটি একই সঙ্গে নির্মাণ উপকরণ এবং শোভা বর্ধনের উপকরণ হিসেবে কাজ করতে পারে।

হালকা ও মাঝারি ওজনের কম্পোজিট শিট সিলিংয়ে ব্যবহার করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্যাটার্ন  তৈরি করে এগুলোকে একোস্টিক সিলিংয়ের অংশ হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে।

স্থাপত্যে সিলিং শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয় শব্দ নিয়ন্ত্রণ ও আলোর সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে পাট-ভিত্তিক কম্পোজিট প্যানেল ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ উন্নত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় উপাদান হতে পারে।

অফিস, রেস্টুরেন্ট, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কিংবা আবাসিক ভবনেও হালকা পার্টিশন হিসেবে এ ধরণের প্যানেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশেষ করে মডিউলার কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে এটি ভালোভাবে যুক্ত হতে পারে। একটি আদর্শ আকার তৈরি করা গেলে ড্রাই কনস্ট্রাকশন পদ্ধতিতে দ্রুত সংস্থাপন ও অসারণ করাও সম্ভব।

ভবনের শক্তির ব্যবহার এখন স্থাপত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেয়াল বা সিলিংয়ে তাপের প্রবাহ কমাতে পারে এমন উপাদান ব্যবহারের প্রয়োজন বাড়ছে দিন দিন।

পাট-ভিত্তিক কম্পোজিট প্যানেল নিয়ে গবেষণায় তাপরোধী ইনস্যুলেশনেরও সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় পাটের প্রোপেলিন কম্পোজিটের তাপরোধী পরীক্ষা করে ভবনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। গবেষণায় কম্পোজিট প্যানেলকে জিপসাম বোর্ডের সাথে দক্ষতার তুলনা করা হয়েছিলো।

এই উপকরণটি বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে প্রকৃত ভবনে ব্যবহারের আগে জলবায়ু, পুরুত্ব, ব্যবহারের ধরণ তাপরোধী ক্ষমতা বিবেচনা করে দক্ষতা পরীক্ষা আবশ্যক।

বাংলাদেশের স্থাপত্যে এর সম্ভাবনা

বাংলাদেশে এই উপাদানের সম্ভাবনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কারণে। প্রথমত, দেশে পাটের দীর্ঘ কৃষি ও শিল্পভিত্তি রয়েছে। দ্বিতীয়ত, দেশের স্থাপত্যে স্থানীয় উপকরণ ও পরিবেশবান্ধব ডিজাইন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। তৃতীয়ত, নির্মাণ খাতে এমন উপাদানের প্রয়োজন বাড়ছে যা হালকা, কার্যকর এবং পরিবেশগতভাবে তুলনামূলক দায়িত্বশীল।

বাংলাদেশে পাট-পলিমার শিটের ব্যবহার শুরু হলে সম্ভাব্য প্রয়োগ হতে পারে আবাসিক ভবনের ইন্টেরিয়র ডিজাইনে, অফিস পার্টিশন, রেস্টুরেন্ট, একোস্টিক সিলিং প্যানেল হিসেবে, এক্সিবিশন প্যাভিলিয়নে, অস্থায়ী স্থাপত্যকর্ম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

এমনকি পাটকে পলিস্টারের সঙ্গে হাইব্রিড ফেব্রিক হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাও গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের একটি গবেষণায় শক্তিবর্ধক পাটের কাপড়ের সিনথেটিক মেমব্রেন্সেরএর সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই গবেষণার জন্য বাংলাদেশকে এর প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

সীমাবদ্ধতা

নতুন উপাদান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে শুধু ইতিবাচক দিক তুলে ধরা উচিত নয়। পাট-পলিমার শিটেরও বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রথম সমস্যা আর্দ্রতা। পাট একটি প্রাকৃতিক ফাইবার হওয়ায় আর্দ্রতার সঙ্গে এর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। পলিমার ম্যাট্রিক্স কিছুটা সুরক্ষা দিলেও কম্পোজিটের পানি শোষণ ক্ষমতা এবং আকার ঠিক থাকার বিষয়টি নির্ভর করবে ফাইবার ট্রিটমেন্ট, পলিমারের ধরণ এবং নির্মাণ কৌশলের উপর।

দ্বিতীয় সমস্যা অগ্নিরোধী ক্ষমতা। প্রাকৃতিক তন্তু সাধারণভাবে দাহ্য হতে পারে। তাই বিল্ডিং কোড অনুযায়ী অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টিও চিন্তা করতে হবে।

তৃতীয়ত হলো এই উপকরণটি দীর্ঘ দিন ব্যবহার করা যাবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয় গবেষকরা।  চতুর্থত হলো রিসাইক্লিং। ‘প্রাকৃতিক তন্তু আছে’ বলেই পুরো কম্পোজিটকে পরিবেশবান্ধব বা প্রাকৃতিক পচনশীল বলা যাবে না। যদি পাটের সঙ্গে পেট্রোলিয়াম ভিত্তিক পলিমার স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে, তাহলে তার রিসাইক্লিং আলাদা প্রশ্ন তৈরি করবে।

তাই এর স্থায়িত্ব বিচার করতে হলে শুধু উপকরণ নয়, পুরো জীবনচক্র, কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন, পরিবহন, ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ সবই বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

বাস্তবে নতুন উপকরণে কতটা প্রয়োগযোগ্য তা এখন শুধু দেখার পালা। ক্রমবর্ধমান নির্মাণশিল্পে পরিবেশবান্ধব স্থাপনার জন্য এর ব্যবহার নতুন যুগেরও সূচনা করতে পারে। বাংলাদেশি দুই গবেষকের অনেক চিন্তার সফলতা আমাদের ভবিষ্যতের জীবনকে আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পারে। খুব শিগগিরই পরীক্ষামূলক হলেও পাট-পলিমারের ব্যবহার শুরু হোক।

সূত্র: এসএসআরএন

Related Posts

বাগানের ভেতর রঙিন খিলানে বিস্তৃত হলো এক ইরানি বাড়ি: গেলারেহ হাউস

তেহরানের উপকণ্ঠে ফলের বাগান ঘেরা একটি ছোট্ট উইকএন্ড ভিলাকে কীভাবে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থায়ী বাসগৃহে রূপান্তর…

ভবন নয় যেনো বাসযোগ্য ল্যান্ডস্কেপ

নিউইয়র্কের ম্যানহাটন ও কুইন্সের মাঝখানে ইস্ট রিভারের বুকে অবস্থিত  রুসভেল্ট আইল্যান্ড । ঘন নগরায়ণ, উঁচু ভবন ও ব্যস্ত…

২৫ বছরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টুইন টাওয়ারের স্মৃতি

নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনের আকাশরেখায় আজ যে সুউচ্চ ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলো শুধু আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন নয়। এগুলো একটি…

ByBySarwar Alam Sep 14, 2026

মানুষের জন্য হবে আগামীর স্থাপত্য

স্থাপত্য কখনোই শুধু ইট, কংক্রিট, স্টিল কিংবা কাচের সমন্বয়ে তৈরি কোনো স্থির বস্তু নয়। এটি মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি,…

01~1
previous arrow
next arrow

Bandhan Cover

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

বাগানের ভেতর রঙিন খিলানে বিস্তৃত হলো এক ইরানি বাড়ি: গেলারেহ হাউস
বেঙ্গাজির নতুন পরিকল্পনার রূপরেখা আঁকছে ZHA
ফেসবুক পোস্ট থেকে ফিরে এলো ফুটুরো হাউস
ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচার ও কার্বন নি:সরণ
আসন্ন RIBA ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজের শর্টলিস্টে রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি
হারানো মসজিদ
নির্মাণসামগ্রী আবিষ্কার করবে রোবট
canopy
ভবন নয় যেনো বাসযোগ্য ল্যান্ডস্কেপ