ভারতের দিল্লি নগরীর ভয়াবহ বায়ুদূষণ আতঙ্কিত করেছে বিশ^বাসীকে। দূষণের ভয়াবহতায় জারি করতে
যখন মানুষ সবে ঘরবাড়ি বানাতে শিখল, তখন ওটা ছিল চারটা দেয়াল আর
কোনো বস্তুকে আমরা ইচ্ছে করলেই হাতের শক্তি দিয়ে ভাঙতে বা কাটতে পারি
আধুনিক এই বিশ্বে আকাশচুম্বী ভবনের ছড়াছড়ি। একটি ভবন যেন আরেকটিকে ছাড়িয়ে আকাশ
শুরুর কথা প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম সাক্ষী প্রাচীন জলদুর্গ। ইট-পাথরের
সভ্যতার ক্রমবিকাশে লোহা, তামা, দস্তা, নিকেল, স্টিল প্রভৃতি ধাতব পদার্থের ভূমিকা অসামান্য।
‘নির্মাণ’ কথাটি খুবই ছোট। তবে, এর কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া বিশদ। প্রবাদ আছে,
ডিসেম্বর থেকে মে মাস, দেশে এ সময়ে প্রকৃতি থাকে অগ্নিকান্ডের অনুকূলে। কেননা
সভ্যতার শুরু থেকে মানুষ প্রতিনিয়ত যেসব জিনিসের খোঁজ করে আসছে তার মধ্যে
সিমেন্ট, বালু ও খোয়া মিশ্রিত কংক্রিট সুদৃঢ়ভাবে জমাট বাঁধা, কাঙ্ক্ষিত শক্তি সঞ্চার
কয়লা এক প্রকারের জীবাশ্ম জ্বালানি। প্রাচীনকালের বৃক্ষ দীর্ঘদিন মাটির নিচে চাপা পড়ে
যেকোনো দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নিদর্শন তার প্রাসাদ। কালের ভয়াল থাবায় প্রাসাদগুলোতে