Image

বারো রঙের বাক্সের বাইরে স্বাধীনতা ও শিকড়ের খোঁজ

প্রকল্প পরিচিতি

প্রকল্পের নাম: ঝিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (চাইল্ড ফ্রেন্ডলি স্কুল ডিজাইন )

লোকেশন: রাজশাহী 

শিক্ষার্থীর নাম: নুসরাত জাহান বর্ষা

সাইট এরিয়া: ৮৪,০০০ বর্গফুট 

প্রকল্প ডিজাইনের সময়: ২০২৪ 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গুরুত্ব

প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি শিশুর জীবনের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার স্থান। যেখানে তার জ্ঞান, চিন্তাশক্তি, আচরণ এবং ব্যক্তিত্বের ভিত্তি গড়ে ওঠে। এই পর্যায়ে শিশু শুধুই পড়তে, লিখতে বা গণনা করতে শেখে তা নয়। একইসাথে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলিও অর্জন করে। 

বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিশুকে পরিবার থেকে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে পরিচিত হতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে তার সামাজিক দক্ষতা বিকশিত হয়। ফলে একজন শিশুর ব্যক্তিগত বিকাশের পাশাপাশি একটি দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিশুবান্ধব প্রাথমিক বিদ্যালয় নিশ্চিত করা একটি উন্নত সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।

ঐতিহ্যের ভূমিতে একটি বিদ্যালয়

রাজশাহী বাংলার ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ জনপদ। রেশম, আম, বরেন্দ্রের লাল মাটি, প্রাচীন স্থাপত্য, লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনধারা এই অঞ্চলের নিজস্ব পরিচয় বহন করে। বাঘা উপজেলার ঐতিহাসিক মসজিদ, বিস্তীর্ণ আমবাগান এবং মাটির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্ক রাজশাহীর সাংস্কৃতিক শিকড়কে আজও জীবন্ত করে রেখেছে।

এই ঐতিহ্যের মাঝেই অবস্থিত ঝিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির চারপাশে রয়েছে বিশাল আমবাগান, খোলা আকাশ, মাটির গন্ধ আর প্রকৃতির অফুরন্ত সম্ভাবনা। অথচ বিদ্যালয়ের স্থাপত্য সেই পরিবেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক তৈরি করতে পারেনি। দেশের অসংখ্য প্রচলিত বিদ্যালয়ের মতো এটিও একটি বদ্ধ, কংক্রিটনির্ভর, খাঁচাসদৃশ ভবন যেখানে শিশুরা প্রকৃতির মাঝখানে থেকেও প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন।

বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি। ছবি: লেখক

ভাবনার সূত্র

“স্বাধীনতা শুধু দেশের মানচিত্রে আসে না,
তা আসে শিশুর কল্পনার ভেতর দিয়ে।”

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় আগে। কিন্তু স্বাধীনতা কি শুধু রাজনৈতিক? নাকি স্বাধীনতা মানে নিজের মতো করে ভাবার, নিজের সংস্কৃতিকে ধারণ করার এবং নিজের পরিচয়কে প্রকাশ করার অধিকারও? আজও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।

“শিশুদের প্রথম শাসনটা শুরু হয় স্কুলের দেয়াল থেকেই।”

চারদিকে উঁচু দেয়াল, একইরকমের বেঞ্চ, সীমাবদ্ধ দৃশ্যগত স্থান, নির্ধারিত জবাব… শিশুদের বলা হয় কোথায় বসতে হবে, কীভাবে পড়তে হবে, এমনকি কীভাবে আঁকতে হবে। ধীরে ধীরে তারা বিশ্বাস করতে শেখে নিজের মতো করে ভাবা মানেই যেন ভুল করা।

এই উপলব্ধি থেকেই একজন স্থাপত্য শিক্ষার্থী হিসেবে আমি চেয়েছি ঝিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুনভাবে কল্পনা করতে। এমন একটি বিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষা হবে স্বাধীনতার অনুশীলন, যেখানে স্থাপত্য শিশুর কল্পনাকে নিয়ন্ত্রণ করবে না, বরং মুক্ত করবে।

চার দেয়ালের বাইরে যেয়ে উন্মুক্ত পরিসরে শিখছে শিশু। ছবি: লেখক

প্রোগ্রামের বিন্যাসকরণ

  • বিদ্যালয়টি প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও আরামদায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই পরিকল্পনার প্রথম লক্ষ্য ছিল। তাই সড়কঘেঁষা অংশে একটি সবুজ বাফার (Green Buffer) তৈরি করা হয়েছে। যা যানবাহনের শব্দ, ধুলো এবং তাপ কমিয়ে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে একটি শান্ত ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
  • প্রবেশমুখে শিশুদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সাইকেল এবং স্কুলভ্যান পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে অভিভাবক ও পরিবহন সহজে শিশুদের নামানো ও নিয়ে যেতে পারেন। প্রবেশপথের বাম পাশে একটি ছোট স্টেশনারি কর্নার রাখা হয়েছে। যেখানে খাতা, কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ পাওয়া যায়। 
খোলা জায়গায় শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও উন্মুক্ত হয়ে শিখছে শিশু, পরিণত হচ্ছে।  ছবি: লেখক

এর ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে ব্যস্ত সড়ক পার হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না, যা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে একটি ছোট ক্যাফে রাখা হয়েছে, যা শিক্ষক, অভিভাবক এবং আগত দর্শনার্থীদের জন্য একটি সহায়ক সুবিধা হিসেবে কাজ করবে।

  • বিদ্যালয়টিতে প্রি-প্রাইমারি ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের বয়স ও বিকাশগত চাহিদা অনুযায়ী পৃথক ভবনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্লে, নার্সারি ও কেজি শ্রেণির জন্য একটি স্বতন্ত্র ভবন, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য আরেকটি ভবন এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির জন্য পৃথক একটি একাডেমিক ভবন রাখা হয়েছে। প্রতিটি শ্রেণীকক্ষের অরিয়েন্টেশন দক্ষিণমুখী রাখা হয়েছে যেন প্রাকৃতিক বাতাস সহজে আসা যাওয়া করতে পারে। এছাড়াও প্রতিটি ভবনের সঙ্গে রয়েছে নিজস্ব খেলার মাঠ, কারণ বিভিন্ন বয়সের শিশুদের খেলাধুলার ধরন, শারীরিক সক্ষমতা এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার চাহিদা একে অপরের থেকে ভিন্ন।
  • প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের সৃজনশীল ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য বিদ্যালয়ে লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং সাংস্কৃতিক শিক্ষা কেন্দ্র (নাচ, গান, আবৃত্তি ও অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমের জন্য) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

এছাড়াও পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে একাধিক সেমি-আউটডোর স্পেস পরিকল্পনা করা হয়েছে যেখানে শিশুরা রোদ বা বৃষ্টির সময়ও বসে গল্প করতে, বই পড়তে, দলগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে কিংবা ছোটখাটো প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারবে।

খোলা জায়গায় শিশুদের আনন্দময় বিচরণ। ছবি: লেখক

ডিজাইন নিয়ে ভাবনা

রাজশাহীর মাটিতে লুকিয়ে আছে অসংখ্য রঙ। বরেন্দ্রের লাল মাটি, ভেজা মাটির বাদামি আভা, আমবাগানের সবুজ, ফুলের রঙ, পাতার ছায়া, কাঠকয়লার কালো আভা সবমিলিয়ে প্রকৃতি নিজেই যেন এক অফুরন্ত রঙের ভাণ্ডার। তবুও আমরা শিশুদের হাতে তুলে দিই মাত্র বারো রঙের একটি বাক্স।

“যেখানে প্রকৃতি নিজেই রঙে ভরা,
সেখানে আমরা শিশুদের সীমা শেখাই।”

এই স্কুলে মাটির দেয়াল ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়েছে। কারণ এই দেয়াল শিশুদের বলে, ‘‘আমার গায়ে আঁকো, যত খুশি তত আঁকো, কোন ভয় নেই, কেউ তোমায় বকবে না’’। এই দেয়াল কংক্রিটের মতো কঠিন নয়। এটি একটি অফুরন্ত ক্যানভাস। বাংলার গ্রামে নারীরা যেভাবে দেয়ালে আল্পনা আঁকেন, সেখান থেকেই পেয়েছি এই অনুপ্রেরণা। এভাবেই শাসন করা দেয়াল হয়ে ওঠে শেখার জায়গা।

স্কুলের বিন্যাসটাই খোলামেলা। ক্লাসরুমের বাইরেও শেখা সম্ভব- উঠানে, বারান্দায়, গাছের ছায়ায়। পড়াশোনা আর খেলাধুলা আলাদা নয়। শিশুদের চলাফেরা এখানে বাধা পায় না। এই স্কুলে ব্যবহৃত মাটি, বাঁশ আর খড় যেমন পরিবেশবান্ধব, তেমনি এগুলো আমাদের পরিচয়ের অংশ। কংক্রিটের দেয়াল আমাদের শক্ত হতে শেখায়, কিন্তু মাটির দেয়াল আমাদের সম্পর্ক তৈরি করতে শেখায়।

প্রকল্পের প্ল্যান ড্রয়িং
প্রকল্পের সেকশন ড্রয়িং
প্রকল্পের টপ ভিউ

উপকরণ নির্বাচন: শিকড়ের উপকরণ, টেকসই স্থাপত্য

এই প্রকল্পে উপকরণ নির্বাচনে আছে স্থানীয় পরিচয়, জলবায়ু এবং মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে স্থাপত্যের সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি প্রচেষ্টা। তাই এখানে কংক্রিট ও ইটের পরিবর্তে মাটি, বাঁশ এবং খড় এই অঞ্চলের বহুদিনের পরিচিত ও স্থানীয় উপকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

মাটির দেয়াল ভবনের অভ্যন্তরকে প্রাকৃতিকভাবে শীতল রাখতে সাহায্য করে। আর খড়ের ছাউনি (Thatch Roof) তাপ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এর ভেতরে আটকে থাকা বাতাস প্রাকৃতিক অন্তরক (Insulation) হিসেবে কাজ করে, ফলে ছাদের মাধ্যমে তাপ প্রবেশ কম হয়। পাশাপাশি এটি বৃষ্টির শব্দকে কোমল করে এবং অভ্যন্তরে একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।

বাঁশ একটি দ্রুত নবায়নযোগ্য, হালকা ও শক্তিশালী নির্মাণ উপকরণ। এর ব্যবহার নির্মাণ ব্যয় কমায়, স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতাকে কাজে লাগায় এবং ভবনের কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে। 

রাজশাহীর উষ্ণ ও শুষ্ক জলবায়ুর কথা বিবেচনা করেও এই উপকরণগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। মাটির দেয়াল, খড়ের ছাউনি, প্রাকৃতিক বায়ু চলাচল এবং ছায়াযুক্ত খোলা স্থান একসঙ্গে ভবনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে ভবনটি কৃত্রিম শীতলীকরণের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে জলবায়ু-সংবেদনশীল (Climate Responsive) স্থাপত্যের উদাহরণ হয়ে ওঠে।

এই প্রকল্পে টেকসইতা তিনটি মাত্রায় অর্জনের চেষ্টা করা হয়েছে:

১. পরিবেশগতভাবে (Environmental Sustainability): স্থানীয় ও প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো হয়েছে। নির্মাণে শক্তির ব্যবহার হ্রাস পেয়েছে এবং ভবনটি প্রাকৃতিকভাবে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে।

২. অর্থনৈতিকভাবে (Economic Sustainability): স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহারের ফলে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কারিগর ও নির্মাণশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

৩. সামাজিকভাবে (Social Sustainability): এই উপকরণগুলো এলাকার মানুষের নিজস্ব সংস্কৃতি, নির্মাণ ঐতিহ্য এবং পরিচয়কে ধারণ করে। ফলে বিদ্যালয়টি শুধু একটি ভবন নয়, বরং স্থানীয় মানুষের কাছে নিজের বলে মনে হওয়া একটি স্থান হয়ে ওঠে। শিশুরা ছোটবেলা থেকেই নিজেদের মাটি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়, যা তাদের শিকড়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও আত্মপরিচয় গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

নিজেদের আরও বেশি প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে শিশুরা, হয়ে উঠছে সৃষ্টিশীল। ছবি: লেখক

শেষ কথা

এই প্রকল্প আসলে খুব নীরবভাবে একটি কথা বলে, অন্যের মতো হতে গিয়ে আমরা নিজেদের হারাচ্ছি। স্কুলের মধ্য দিয়েই সেই হারানো শুরু হয়। তাই স্কুলকেই নতুন করে ভাবতে হবে। যদি প্রতিটি স্কুল নিজের মাটি, নিজের সংস্কৃতিকে সম্মান করে তৈরি হয়, তাহলে এই শিশুরাই একদিন বড় হয়ে নতুন পিকাসো, ভ্যান গগ বা রবীন্দ্রনাথ হবে। অনুকরণ করে নয়, নিজেদের ভেতর থেকে। “শিশু স্বাধীন হলে, সমাজও একদিন স্বাধীন হয়।” 

রাজশাহীর এই স্কুল তাই একটি আশার গল্প, একদিন আমাদের স্কুলগুলো খাঁচা হবে না, হবে স্বাধীন কল্পনার জায়গা।

নুসরাত জাহান বর্ষা। স্থাপত্য বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। 

Related Posts

আধুনিক বাড়ির নকশায় গৃহস্থালি কাজ ও করিডরের বিবর্তন

একটি বাড়ির নকশায় করিডর বা চলাচলের পথকে সাধারণত খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বসার ঘর, শোবার ঘর,…

আধুনিক বাড়ির স্বপ্ন: মানুষকে স্বাধীন করার প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার সংকট

আধুনিক স্থাপত্যের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ, আরামদায়ক ও স্বাধীন করে তোলা। বিংশ শতাব্দীতে স্থপতি…

পরিবেশগত নৈতিকতার আলোকে স্থাপত্যের ১০টি প্রধান চ্যালেঞ্জ

স্থাপত্য কেবল ভবন নির্মাণ কিংবা নান্দনিক নকশা তৈরির শিল্প নয়; এটি মানুষের জীবনযাত্রা, প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর…

হাসপাতালে রোগী-কক্ষে ঘরোয়া আবহ দিচ্ছে কোয়ালুর নতুন ফার্নিচার

হাসপাতালের রোগী-কক্ষ বলতে আমাদের চোখে সাধারণত ভেসে ওঠে সাদা দেয়াল, ঠান্ডা আলো আর যান্ত্রিক পরিবেশ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে…

দরাসবাড়ি মসজিদ: বাংলার সুলতানি স্থাপত্যের হারিয়ে যাওয়া গৌরব

বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন দরাসবাড়ি মসজিদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার গৌড় অঞ্চলে অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদ…

ByBySarwar Alam Oct 9, 2026

কোপেনহেগেনের ভূগর্ভস্থ অন্ধকারে মারিনা আব্রামোভিচের সাত মৃত্যু

মৃত্যু মানুষের জীবনের সবচেয়ে রহস্যময় এবং অনিবার্য অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। শিল্পে মৃত্যুকে নানা সময় নানা দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা…

ফর্ম ফলোজ ফিকশন: ফাংশনের বাইরে ছয়টি ডিজাইনের অনুসন্ধান

স্থাপত্যের ছাত্রছাত্রীরা প্রথম বর্ষেই একটি বহুল প্রচলিত ধারণার সঙ্গে পরিচিত হয়: “ফর্ম ফলোজ ফাংশন”, অর্থাৎ ভবনের ফর্ম তার…

প্রকৃতির দামও হিসাব করছে ভুটান: জিডিপির পাশে জিইপি

একটি ভবন বা শহরের ডিজাইন করার সময় আমরা খরচ ধরি ইট, সিমেন্ট, স্টিল আর শ্রমের। কিন্তু যে জমির…

বাওয়ার দৃষ্টিতে স্বভূমি শ্রীলঙ্কার স্থাপত্য

শ্রীলঙ্কার স্থপতি জিওফ্রি বাওয়াকে (১৯১৯–২০০৩) ধরা হয় ট্রপিক্যাল মডার্নিজমের অন্যতম অগ্রদূত। জার্মানির ভিট্রা ডিজাইন মিউজিয়ামে এখন চলছে তার…

01~1
previous arrow
next arrow

Bandhan Cover

সর্বশেষ

Trending Posts

Gallery

বায়তুর রউফ জামে মসজিদ স্থপতি মেরিনার অনন্য স্থাপত্যকর্ম
করিডোর
house
01
হাসপাতালে রোগী-কক্ষে ঘরোয়া আবহ দিচ্ছে কোয়ালুর নতুন ফার্নিচার
10
09
ফর্ম ফলোজ ফিকশন: ফাংশনের বাইরে ছয়টি ডিজাইনের অনুসন্ধান
প্রকৃতির দামও হিসাব করছে ভুটান: জিডিপির পাশে জিইপি