অন্দরে সুরের খেলা

দগান শুনতে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়! ধরুন, কোনো এক অলস দুপুর, আপনার ঘরে বাজছে রোমান্টিক কোন গান! সুরের মূর্ছনায় ভাললাগার আবেশ যেন সারাক্ষণ ছুঁয়ে থাকে আপনাকে; আপনি যেন হারিয়ে যান স্বপ্নীল কোন জগতে। কিন্তু গান শোনার যন্ত্রটা যদি জুতসই না হয়, অর্থাৎ সুর ও শব্দের গুণগত মান ভালো না হয় তাহলে গানটি নিশ্চিতভাবে আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গান শোনার আনন্দের পূর্ণতা পেতে চাই ভালো মানের সাউন্ড সিস্টেম। এই সাউন্ড সিস্টেম শুধু গান শোনার পরিবেশকেই আনন্দঘন করে তা কিন্তু  নয় বরং এটি অন্দরসাজের অনন্য এক অনুষঙ্গও বটে।

ঘরের কোণে হরেক রকম স্পিকার

আপনি যদি একজন সিরিয়াস অডিও লাভার হয়ে থাকুন তাহলে ঘরে বসিয়ে নিন নিজ পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী লাউডস্পীকার। কম্পিউটারে গেইমিং, সিনেমা দেখা, গান শোনাসহ অনেক কাজে সাউন্ড সিস্টেম বা স্পিকার লাগে। এখন স্পিকারে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সব প্রযুক্তি। বদলে যাচ্ছে ধরনও। বাসায় গান শোনার জন্য বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের সরঞ্জাম। সিডি, ডিভিডি প্লেয়ার তো আছেই, অনেকে হোম থিয়েটারে গান শুনতে পছন্দ করে। সাধারণ সাউন্ড সিস্টেমের আছে নানা ধরন। ২: ১, ৩: ১, ৫: ১; অনেকে ৭: ২ স্পিকারের সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে। এটি মূলত সাধারণ শব্দের আউটপুট আর বেইজ অ্যাম্পের সংখ্যার অনুপাত। গানের সঙ্গে বেইজের বিটগুলো চমৎকার আঙ্গিকে ধরা পড়ে বেইজ অ্যাম্পে। অনেকে ঘরের ভেতর ছোট ছোট উফার ব্যবহার করেন, চাইলে আপনিও তা করতে পারেন।

কোথায় কেমন স্পিকার

কম শব্দে গান শুনতে চাইলে ২:১ স্পিকার সিস্টেম কিনতে পারেন। মাঝারি মানের শব্দের জন্য ৪:১ স্পিকার আদর্শ। আর খুব জোরে শুনতে হলে লাগবে ৫:১ কিংবা ৭:১ স্পিকার। ল্যাপটপের জন্য ছোট স্পিকার মানানসই। ব্লুটুথ স্পিকার হলে আরো ভালো তারের ঝামেলা নেই। ল্যাপটপের ব্যাগে পুরে সঙ্গে রাখা যায়। অনুষ্ঠান আয়োজনে ‘রিচার্জেবল পোর্টেবল অ্যান্ড পিএ’ স্পিকার নিতে পারেন। এগুলোতে আছে মাইক্রোফোন ব্যবহারের সুবিধা। অবসর সময়ে বিনোদনের জন্য গান শুনলেও, তাতে যেন প্রতিবেশীর অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখুন। বিশ্রামের সময় পাশের বাড়িতে কেউ যদি উচ্চ স্বরে গান বাজায়, তা নিশ্চয় আপনারও ভালো লাগবে না। তাই আপনার গৃহের প্রতিটি রুমে এমনভাবে সাউন্ড বক্সের স্থান দেন যেন সৌন্দর্যের সাথে বজায় থাকে সহাবস্থানের পরিবেশেও। ঘরের প্রতি কোনায় একটা করে সাউন্ড বক্স রাখতে পারেন। এতে গান শুনতে ভালো লাগবে!

পড়ার ঘরে

অনেকে বই পড়ার সময় গান শুনতে পছন্দ করেন। তারা পড়ার জায়গায় মিউজিক সিস্টেমের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে শেলফের নিচের অংশে সাউন্ডের ব্যবস্থা করে উপরের অংশ বই রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। পাশে একটি হেডফোন রাখা যেতে পারে, যেন মিউজিকের শব্দ অন্যের বিরক্তির কারণ না হয়। তবে এই পদ্ধতি কেবলমাত্র যারা মেঝেতে বসে পড়ার ব্যবস্থা করতে চান তাদের জন্য। যারা চেয়ার টেবিলে পড়তে এবং গান শুনতে পছন্দ করেন তারা টেবিল থেকে খানিকটা দূরে মিউজিক সিস্টেমের ব্যবস্থা করতে পারেন। এতে চেয়ারে পা ঝুলিয়ে পড়তে অসুবিধা হবে না।

শোবার ঘরে

গান শুনতে শুনতে ঘুমানোর অভ্যাস অনেকই আছে। আর তাই শোবার ঘরের কর্ণারে সাউন্ডবক্স সেট করতে পারেন অনায়সে। তবে ঘরটিতে মৃদু শব্দের সাউন্ড বক্স সেট করা উত্তম। সাউন্ড বক্স সেট করার জন্য ছোট টেবিল তৈরি করে তা বিছানার পাশেও সেট করা যায়।

বসার ঘরে

এ ঘরে মূলত অতিথিদের আনাগোনা। বাড়ির ছোট-খাটো অনুষ্ঠানের চাপ এ ঘরেই চলে। তাই এ ঘরে একটু উচ্চ শব্দের সাউন্ডবক্স সেট করা যায় অনায়সে। কর্নার র‌্যাকের নিচের তাকে সাউন্ড সিস্টেম সেট করা যায়। তাছাড়া দুই সোফার মাঝখানে ছোট টেবিল তৈরি করে তার ভিতরেও সেট করা যায়। টেবিলে সাউন্ড বক্স ছাড়াও বিভিন্ন শোপিস দিয়েও সাজিনো যায়। এছাড়া ঘরের ধরণ বুঝে কর্নারেও সাউন্ডবক্স রাখা যায়। 

খাবার ঘরে

অনেকে খেতে খেতেও হালকা গান শুনতে পছন্দ করেন। তারা খাবার টেবিল থেকে খানিকটা দূরে কর্নারে সেট করেন হালকা সাউন্ডের সাউন্ড বক্স। তবে সিঙ্ক থেকে দূরে যেখানে পানির ছোঁয়া থাকেনা সেখানেই সাউন্ডবক্স স্থাপন করা ভাল।

আরও কিছু টিপস

  • অন্যান্য গ্যাজেটের মতো স্পিকারের প্রধান শত্রু ধুলাবালি। স্পিকারে যেন ধুলাবালি না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন একবার হলেও স্পিকারটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কাপড় ভেজা না থাকে।
  • স্পিকার খোলামেলা ঘরে রাখলে ভালো শব্দ পাওয়া যায়। প্রতিধ্বনি হয় এমন ঘরে স্পিকার না রাখাই ভালো। রুমে কার্পেট থাকলে প্রতিধ্বনি কম হয়।
  • রিমোর্ট কন্ট্রোল বা অন্য ফাংশনের জন্য স্পিকারের পেছনে বেশি টাকা খরচ না করে ব্র্যান্ড ও ভালো সাউন্ডের স্পিকার কেনা উচিত।
  • কেনার সময় অবশ্যই সাউন্ড চেক করে নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে এমন দোকান থেকে কেনা উচিত যেখানে বাইরের শব্দ কম ঢোকে।

সঠিক মানের সাউন্ডের জন্য জেনে রাখুন

অনেকেই দামি টিভি কিংবা মিউজিক সিস্টেম ব্যবহার করলেও তা থেকে সঠিক মানের সাউন্ড পান না। এক্ষেত্রে সঠিক উপায়টি জানা থাকলে সঙ্গীত কিংবা খবর যাই শুনুন না কেন, সঠিক শব্দের মাধ্যমে শোনা সম্ভব। ভলিউম একটি বিভ্রান্তিকর বিষয়। আপনি কোনো শব্দকে হয়ত জোরালো বা সফট বলতে পারবেন। কিন্তু সাউন্ডের বাইরেও বহু বিষয় রয়েছে, যা অনেকেই বুঝে উঠতে পান না। এসব বিষয় নিয়ে বহু সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার তাদের সারা জীবন পার করেন। সিনেমা দেখার সময় আপনি যদি এর সাউন্ড টিনি ও ডিসট্যান্ট হিসেবে রাখেন তাহলে সব কথা বুঝতে পারবেন না। এছাড়া আপনি যদি খবর শোনার সময় বাড়তি বেস দিয়ে রাখেন তাহলেও তা সঠিকভাবে কথাবার্তা বুঝতে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সাউন্ড সেটিংস

টিভি বা অন্য যে কোনো সাউন্ডের যন্ত্র কেনার পর তার সাউন্ড মোডগুলো দেখে নিন। আপনি যদি খবর শুনতে চান তাহলে নিউজ বা ক্লিয়ার ভয়েস-এ সেটিং রাখুন। এটি কথা পরিষ্কার করবে। আপনি যদি এ সেটিংস খুঁজে না পান তাহলে ইকিউ বা ইকুয়ালাইজার খুঁজে দেখুন। এটি থেকে বেস কমিয়ে ট্রেবল বাড়িয়ে দিলেই আপনার টিভির শব্দ পরিষ্কার হবে, যা খবর শোনার উপযুক্ত। এছাড়া কয়েকটি সাউন্ড মোডের মধ্যে আপনি সিনেমা দেখার সময় সিনেমা বা মুভি সিলেক্ট করে নিতে পারেন। এটি সিনেমার ক্ষেত্রে সেরা সাউন্ড দেবে।

কারিগরি দিক

আরএমএস-আউটপুট ওয়াট: আউটপুট শক্তি মাপা হয় ওয়াটের সাহায্যে। বেশির ভাগ স্পিকারে আরএমএসের পরিমাণ লেখা থাকে। ৪:১ স্পিকারে সাধারণত Subwoofer ৫.২৫’’ 80hms ১৮ Watts RMS লেখা থাকে। এখানে সাব-উফার স্পিকারটির মাপ ৫.২৫ ইঞ্চি এবং এটি ১৮ ওয়াট শক্তিসম্পন্ন। সাব-উফার সাধারণত নিম্নমানের শব্দ শোনায়। আবার স্পিকারের বক্সে যদি Satellite 5’’ 40hms 10 watts RMS লেখা থাকে, তাহলে বুঝে নিতে হবে স্পিকারটির স্যাটেলাইট ড্রাইভের মাপ ৪ ইঞ্চি এবং এটি ১০ ওয়াট শক্তিসম্পন্ন। স্যাটেলাইট স্পিকারগুলো মাঝারি থেকে উচ্চমানের শব্দ শোনাতে পারে। সাউন্ড ফ্রিকোয়েন্সি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এস/এন রেশিও দিয়ে বোঝানো হয় স্পিকারটিতে উৎপন্ন শব্দ এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য শব্দের ব্যবধান। সাধারণত এস/এন রেশিওর মান ৬৫ ডিবির ওপরে থাকলে ভালো। কেনার সময় বিষয়টা দেখে কেনা উচিত।

স্পিকারের ধরণভেদে দরদাম

চারটি স্ট্যান্ড, উফার ও ডিভিডি প্লেয়ার-সমেত ফিলিপসের হোম থিয়েটার পাওয়া যাচ্ছে তিন ধরনের সাউন্ড সিস্টেমে। ডিজে, হাইফাই ও হোম থিয়েটার। ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের ভেতরে রয়েছে বিল্ট ইন ডিজে ইফেক্ট। প্যানাসনিকের আছে দুই ধরনের সাউন্ড সিস্টেম। হাইফাই ও হোম থিয়েটার। মাইক্রোল্যাব আর ক্রিয়েটিভের সাউন্ড বক্সগুলোরই বিক্রি বেশি। এছাড়া লজিটেক, ইনটেক্স, গোল্ডব্রিজ, নিউম্যান, ব্ল্যাকক্যাট, ম্যাজিক বিভিন্ন কোম্পানির সাউন্ড বক্স বাজারে পাওয়া যায়। বাজারে সাধারণের পাশাপাশি ব্লুটুথ, পোর্টেবল, ওয়্যারলেস বিভিন্ন সুবিধার স্পিকার আছে। ঘরের উপযোগী নিতে পারেন যে কোনোটি।

একশত টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এসব স্পিকার। চারটি স্ট্যান্ড, উফার ও ডিভিডি প্লেয়ার-সমেত ফিলিপসের হোম থিয়েটারের দাম পড়বে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা। ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের ভেতরে রয়েছে বিল্ট ইন ডিজে ইফেক্ট। দাম পড়বে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিভিন্ন ধরনের হোম থিয়েটারের দাম ২৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া হাইফাই সাউন্ড সিস্টেমের দাম ৩৫ হাজার থেকে ৭০ হাজারের মধ্যে।

প্যানাসনিকের আছে দুই ধরনের সাউন্ড সিস্টেম। হাইফাই ও হোম থিয়েটার। হাইফাইয়ের দাম ৩৮ হাজার থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে। এ ছাড়া হোম থিয়েটারের দাম পড়বে ২৩ হাজার ৬০০ থেকে ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, মাইক্রোল্যাব আর ক্রিয়েটিভের সাউন্ড বক্সগুলোরই বিক্রি বেশি। মাইক্রোল্যাবের বিভিন্ন মডেলের সাউন্ড বক্সের দাম পড়বে এক হাজার ৬০০ থেকে ১০ হাজার টাকা। ক্রিয়েটিভের ভালো মানের সাউন্ড বক্সগুলো পাওয়া যাবে ১৬ হাজার টাকার মধ্যে। এ ছাড়া লজিটেক, ইনটেক্স, গোল্ডব্রিজ, নিউম্যান, ব্ল্যাকক্যাট, ম্যাজিক বিভিন্ন কোম্পানির সাউন্ড বক্স বাজারে পাওয়া যায়। মাল্টি স্পিকার সাউন্ড সিস্টেম মাইক্রোল্যাব এম১০০ ২: ১ মডেলের স্পিকারটি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৬০০ টাকায়। একই মডেলের নতুন সংস্করণ এম১০০ ইউ ২: ১-এর দাম দুই হাজার ৩০০ টাকা। স্পিকারটির আউটপুট পাওয়ার ১০ ওয়াট আরএমএস, এস/এন রেশিও ৭৫ ডিবি। রয়েছে ইউএসবি টাইপ-এ এসডি কার্ড রিডার সুবিধা। এম১০৬বিটি, এম১০৮, এম১০৯ এবং এম১১০ মডেলের স্পিকারের দাম যথাক্রমে দুই হাজার ৫০০, এক হাজার ৪০০, দুই হাজার এবং দুই হাজার ৫০০ টাকা। পোর্টেবল সুবিধাযুক্ত বি১৬ এবং বি৫১ স্পিকারের দাম ৬৯৯ এবং ৯০০ টাকা। ব্লুটুথ সুবিধাযুক্ত টি১০ ২: ১ কিনতে খরচ পড়বে সাত হাজার টাকা। মাইক্রোল্যাবের ৫: ১ হোম থিয়েটার স্পিকারও আছে। দাম সাড়ে ১২ হাজার। এই ব্র্যান্ডের স্পিকারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। এ১১০ ২: ১ স্পিকারটি বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার টাকায়। ব্লুটুথ সুবিধাযুক্ত এই মডেলটির উন্নত সংস্করণ এ১১১এক্সর দাম তিন হাজার টাকা।

এ৫২০ইউ, এ৫২১ এবং এ৫২১এক্স মডেলের স্পিকার তিনটির দাম যথাক্রমে তিন হাজার ৮০০, তিন হাজার ৯০০ এবং তিন হাজার ৯৫০ টাকা। উচ্চমানের শব্দ সুবিধা দিতে রিমোট কন্ট্রোলসহ এফঅ্যান্ডডির এফ৬০০০ইউ ৫: ১ মডেলের স্পিকারটি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৯ হাজার টাকায়। অ্যাল্টেক ল্যান্সিং : ভিএস২৬২১ মডেলের ২: ১ স্পিকার বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ২০০ টাকায়। আর ভিএস৪৬২১ ২: ১-এর দাম পাঁচ হাজার ২০০ টাকা। ক্রিয়েটিভ : এসবিএস এ৩৫, এসবিএস এ৫০ এবং এসবিএস এ৬০ মডেলের দাম যথাক্রমে ৮৫০, ৯০০ এবং এক হাজার টাকা। লজিটেক : জেড১২০ ইউএসবি মিনি স্পিকার বিক্রি হচ্ছে ৯৯০ টাকায়। জেড৬২৩ ২: ১ মডেলের দাম ১৫ হাজার টাকা। খুব ভালো মানের স্পিকার জেড৯০৬ ৫: ১ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ হাজার টাকায়। ডিজিটাল এক্স : এম৭৮১ বিটির দাম দুই হাজার ৫০০ টাকা। আর ই২৭৮ইউ পাওয়া যাচ্ছে দুই হাজার ৩০০ টাকায়। এ ছাড়া এফঅ্যান্ডডি ও ডিজিটাল-এক্স ‘রিচার্জেবল পোর্টেবল অ্যান্ড পিএ’ স্পিকার বিক্রি করে। দাম পাঁচ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। ব্লুটুথ স্পিকারের দরদাম : লজিটেক এক্স৫০ ও এক্স১০০-এর দাম যথাক্রমে দুই হাজার ১০০ এবং দুই হাজার ৮০০ টাকা। এফঅ্যান্ডডি ডাব্লিউ৩-এর দাম চার হাজার ৫০০ টাকা। সনি এসআরএস-এক্স৫ ব্লুটুথ স্পিকারের দাম ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। সাড়ে তিন হাজার টাকা দামের রাপ্পো এ২০০ মডেলের ব্লুটুথ স্পিকারটি সাদা, সবুজ, লাল ও কালো এই চার রঙে পাওয়া যাচ্ছে। রিমেক্স এম৭ মডেলের দাম তিন হাজার ৭০০ টাকা। শাওমির মিনি ও এমআই স্কয়ার ব্লুটুথ স্পিকার বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে এক হাজার ২০০ এবং এক হাজার ৫০০ টাকায়। এ ছাড়া জেবিএলের ফিপ্ল৩ পোর্টেবল স্পিকার বিক্রি হচ্ছে ৯ হাজার ৫০০ টাকায়।

কোথায় পাওয়া যাবে

কম্পিউটার যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকানে স্পিকার পাওয়া যায়। ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবন, এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে মিলবে স্পিকার। অনলাইনেও কেনা যাবে স্পিকার। অর্ডার করলে বাসায়ও পৌঁছে দেওয়া হয়।

প্রকাশকাল: বন্ধন, ৯৫তম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারি ২০১৮।

সারীফা রিমু
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top