একটা সময় ছিল যখন মানুষ ঘর বানাত তার ইচ্ছেমতো, মন যতটুকু চায় ঘরের আকারও হতো তেমনি। আজ সময়ের পরিবর্তনে সেই দখিনা বারান্দা, খোলা উঠান, সুপরিসর বসার ঘর কিংবা বুকভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গাটা দখল করে নিয়েছে ইঞ্চি-ফুটে মাপা ছোট্ট ফ্ল্যাটবাড়ি। জীবিকার তাগিদে আমাদের প্রতিনিয়ত অভ্যস্ত হতে হচ্ছে এসব মেপে চলা জীবনযাপনে। কল্পনায় দেখা সেই ঘর আর চোখ মেলে দেখা বাস্তবতা এখানে মেলানোটা যেন স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে মধ্যবিত্তের জীবনে। তাই বাস্তবতা মেনে নিয়ে নিজের সাধ্যে কেনা ফ্ল্যাটটাকে স্বল্প পরিসরে কীভাবে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়া যায়, সেটাই বিবেচ্য।
সাধারণত ৬৫০-১০০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটগুলোকেই আমরা ছোট ফ্ল্যাট বলি। বড় জায়গায় তো অনেক কিছুই করা যায়, সমস্যা হচ্ছে ছোট জায়গা নিয়ে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় একজন অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বা আর্কিটেক্টের সাহায্য নেওয়া। তবে কখনোই উচিত হবে না মিস্ত্রিদের কথায় কোনো সিদ্ধান্তে আসা। অনেকের ধারণা, এতে খরচ অনেক বাড়বে। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। তবে একজন ডিজাইনারকে আপনার কাজের জন্য বেছে নেওয়ার আগে অবশ্যই তাঁকে পরখ করে নিতে ভুলবেন না। যেমন- কত দিন ধরে এই পেশায় আছেন, ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে তাঁর ধারণা কতটা, এ ধরনের কাজ তিনি আগে করেছেন কি না, করে থাকলে তার কিছু নমুনা আপনার দেখতে চাওয়া উচিত। কাজের শুরুতে কেবল সুন্দর ডিজাইন দেখেই অভিভূত হবেন না, সেই সুন্দর ডিজাইনটা গ্রহণযোগ্য ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে বাস্তবসম্মত উপায়ে আপনাকে করে দিতে পারবেন কি না তা আপনাকেই বুঝে নিতে হবে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। তবেই আপনি আপনার কাজের ভার নিশ্চিতে ছেড়ে দিতে পারেন তাঁর ওপর। একজন অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র ডিজাইনার আপনাকে অনেক দিক থেকেই সাশ্রয়ী করে দিতে পারেন। যেমন- অপ্রয়োজনীয় স্থানে টাকা খরচ করা, ম্যাটেরিয়াল বাছাই, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রং বাছাইÑ সর্বোপরি আপনি আপনার ঘরটিকে কেমন চাইছেন তা তিনি আপনাকে আগেই দেখিয়ে দিতে পারছেন থ্রিডি ডিজাইনের সাহায্যে।
আর যদি মনে করেন আপনি নিজেই করতে পারবেন এই কাজ, তা হলে তো কথাই নেই। তবে এটি করার আগে যে জিনিসগুলো মাথায় রাখবেন-
ড্রয়িং/লিভিংরুম
- যেহেতু দুটি বেডরুম, একটি ড্রয়িং ও ডাইনিংরুম পাচ্ছেন, তাই সম্ভব হলে ড্রয়িং ও ডাইনিংরুমের পার্টিশন ওয়াল ভেঙে দিন। এতে পরিসরটা বেড়ে যাবে। খোলামেলা একটা ভাব চলে আসবে, স্থানসংকুলানও সহজ হবে।
- ড্রয়িংরুমে টিভি রাখলে সেটি ফ্রেশ একটা ওয়ালে সেট করুন, যাতে কেবল ড্রয়িংরুম থেকেই নয়, বরং ঘরের অন্য অংশ থেকেও টিভি দেখতে সুবিধা হয়। টিভির দুই পাশের ওয়ালে শোপিস রাখার জায়গা করতে পারেন।
- যেকোনো একটি ফ্রেশ ওয়াল যদি পাওয়া যায়, তবে সেখানে লাগাতে পারেন চায়নিজ ওয়াল পেপার, ডেকোরেটিভ ওয়াল প্লাস্টার, সিরামিক ব্রিকের মতো ম্যাটেরিয়াল। তবে যা-ই লাগানো হোক, সেটি অবশ্যই হতে হবে হালকা রঙের।
- ভারী নকশা করা কোনো সোফা না বসিয়ে উচিত হবে হালকা গড়নের আধুনিক সোফা সেট বসানো। তবে রুম বেশি ছোট হলে মার্কেট থেকে রেডি সোফা না কিনে উচিত হবে ডিজাইনারকে দিয়ে কাস্টমাইজ সোফা বানিয়ে নেওয়া। এতে আপনার জায়গা আর অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হবে।
- যেহেতু ছোট রুম, তাই একেবারেই উচিত হবে না এক সেটের বেশি সোফা বসানো। প্রয়োজনে আপনি একটি ডিভানের ব্যবস্থা করতে পারেন।
- ড্রয়িং ও ডাইনিংরুমের মাঝ বরাবর দুই পাশের কিছু অংশে ফলস পার্টিশন দিয়ে এর ভেতরই শোপিস রাখার কিছু জায়গা বের করা যায়।
- রুমে যদি আরেকটু জায়গা পাওয়া যায়, তবে একটা কর্নার বেছে নিয়ে সেখানে ৮-১২ ইঞ্চি উঁচু করে তিন-চার ফুট চওড়া একটা নিচু বসার জায়গা করতে পারেন, প্রয়োজনে বাড়িতে অথিতি এলে সেখানে কারও শোবার ব্যবস্থা করা যায় এবং তার ভেতরে কিছু স্টোরেজের ব্যবস্থাও করা যায়, যেন বাড়তি কাঁথা-বালিশ, লেপ-কম্বল রেখে দেওয়া যায়।
- ছোট রুম হলে ফলস সিলিং না করে বরং টিভি ইউনিটের ওপরের অংশটুকুতে কিছু জায়গায় সাদা পার্টিকেল বোর্ড অথবা বার্মাটিক ভিনিয়ার বোর্ড দিয়ে ফলস সিলিং করে দেওয়া যায়। তাতে যোগ করুন স্থানভেদে দুই-তিনটি এলইডি স্পটলাইট।
ডাইনিংরুম
- ছোট সাইজের ফ্ল্যাট এ সবচেয়ে অবহেলিত অংশ হচ্ছে ডাইনিংরুম এবং কিচেন (ডেভেলপারদের কাছে)। এখানটায় ডেভেলপাররা যেন কিছুতেই জায়গা বরাদ্দ দিতে চান না। অথচ জীবনযাপনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাজটি আমরা এখানে করি।
- প্রায়ই দেখা যায়, এ ধরনের ফ্ল্যাটে স্থায়ী বাসিন্দা তিন-চারজন, কিন্তু তাঁরা চাইছেন ছয়জন বসার ডাইনিং টেবিল। কারণ, অতিথি। এ ব্যাপারে পরামর্শ হচ্ছে, যেহেতু ছোট ফ্ল্যাট, ঝেড়ে ফেলুন অতিথির চিন্তা। তাঁরা আসবেন আপনার বাসায় মাসে দু-তিন দিন, কয়েক ঘণ্টার জন্য। ড্রয়িং আর ডাইনিং একসঙ্গে হলে অতিথিদের সঙ্গে হৈ-হুল্লোড় করে দুই রুমে ভাগাভাগি করে বসে খাওয়ার কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।
- ডাইনিংরুমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে ডিনার ওয়াগন, যেখানে থাকবে আপনার বেশির ভাগ ক্রোকারিজ বা কাচের জিনিসপত্র। যেকোনো একটি ওয়াল ধরে তৈরি করে নিতে পারেন এটি। নিচের ভাগে রাখুন বড় জিনিসগুলো, কয়েকটি ড্রয়ার রাখতে পারেন। মাঝে কিছু অংশ রাখুন আপনার ওভেন বসানোর জন্য। ওপরের অংশে (সাত ফুট পর্যন্ত) মোটা গ্লাসের কিছু শেলফ দিতে পারেন আপনার সুন্দর ক্রোকারিজগুলো, যেখান থেকে দেখা যাবে। সামনের পাল্লায়ও গ্লাস ব্যাবহার করুন এখানে। তার ওপর কিছু স্পটলাইট দিন। আর সাত ফুটের ওপরের অংশটুকু ঢেকে দিন কেবিনেটের মতো করে।
- হাত ধোয়ার বেসিন বসানোর জায়গা যদি পাওয়া না যায়, তবে খুব একটা দুঃখ রাখবেন না মনে। এই কাজটা একটু কষ্ট করে কমন বাথরুমে চালিয়ে দিন। আর একটি জিনিস থেকে যায়, আর তা হলো আপনার ফ্রিজ। আলাদা জায়গা পাওয়া না গেলে ডিনার ওয়াগনটাকে একটু ছোট করে ফ্রিজটাকে বসিয়ে দিন একপাশে।
বেডরুম/শোবার ঘর
- বেডরুমে আপনার খাটটি একপাশে একেবারে ওয়াল এর সঙ্গে না লাগিয়ে রুমের মাঝামাঝিতে রাখুন, সম্ভব না হলে একপাশে অন্তত একটি সাইড টেবিল রাখার জায়গা রেখে তারপর বসান। সাইড টেবিলে আপনার পছন্দসই একটি বেড সাইড ল্যাম্প রেখে দিন, সন্ধ্যার পর মেইন লাইট অফ করে বেড সাইড ল্যাম্পটি জ্বালিয়ে দিন। এতে একদিকে বিদ্যুতের সাশ্রয় হবে আর ঘরে আলো-ছায়ায় একটা রোমান্টিক ভাব চলে আসবে। সারা দিন পর বাসায় ফিরে শোবার ঘরের এমন পরিবেশ আপনার মনকে করে তুলবে বেশ হালকা।
- রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব সাবধানী হতে হবে আপনাকে। অনেকেই না বুঝে চার দেয়ালে চার রং অথবা নিজের ভালো লাগা কোনো একটা রং করে ফেলেন, যার প্রভাব পড়ে তাঁর দৈনন্দিন জীবনে। আজকাল অনেক কোম্পানিরই কালার শেড পাওয়া যায়। সলিড কালার না দিয়ে খরচ সামান্য বেশি হলেও কালার শেড ব্যবহার করতে পারেন।
- বেডরুমের অতি প্রয়োজনীয় একটি অনুষঙ্গ হচ্ছে আলমারি বা ওয়াল কেবিনেট। মার্কেট থেকে আলাদাভাবে আলমারি না কিনে আপনি যদি জায়গার মাপ অনুযায়ী সেখানেই তৈরি করে নেন, সে ক্ষেত্রে কয়েকটি সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন-আলমারির ওপরের অংশে আপনি রাখতে পারেন শীতকালীন পোশাক, লেপ-কম্বল, কাঁথা, বালিশ ইত্যাদি। এটি যেমন আপনার ঘরের শোভা বাড়াবে, তেমনি প্রয়োজনও মেটাবে। আলমারির একটি পাল্লায় জুড়ে দিন বড় সাইজের একটি আয়না, একটি পাল্লার জায়গায় দিতে পারেন কিছু খোলা গ্লাসের শেলফ, যা কিনা আপনার কসমেটিক্স রাখার জায়গা করে দিতে পারে। এতে করে আপনার ঘরে আলাদা করে ড্রেসিং টেবিল রাখার দরকার হবে না। বিছানার পেছনে যদি ওয়াল পাওয়া যায়, সেখানে দিতে পারেন সুন্দর কোনো ওয়াল পেপার। বাজেট ভালো থাকলে বার্মাটিক ভিনিয়ার বোর্ড দিয়ে করতে পারেন ওয়াল প্যানেল অথবা কম খরচে কোনো কালার। অন্য তিনটি ওয়াল থেকে এই ওয়ালটিতে একটু ভিন্ন রংও আনতে পারেন।
- খুব প্রয়োজন না হলে শোবার ঘরে টিভি না রাখাই ভালো। এতে ঘুমের রুটিন ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, রাত জেগে টিভি দেখার অভ্যাস আপনার অজান্তেই গড়ে উঠতে পারে।
চাইল্ড বেড
- ছোট ফ্ল্যাটে শিশুদের জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করাটা প্রায় অসম্ভব একটা কাজ। তিন-চারজনের সংসার হলেই কেবল তা করা যেতে পারে। রুমের সাইজ বেশি ছোট হলে বান্ক বেড বা দোতলা খাটের ব্যবস্থা করতে পারেন। বড় ফার্নিচার শপে এগুলো পাবেন। আমদানি করা এই বেডের দাম আনুমানিক ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে সাশ্রয়ী হবে, তা যদি আপনি নিজে তৈরি করিয়ে নেন।
- লক্ষ রাখতে হবে বাচ্চাদের রুমে যেন আলো-বাতাসের কমতি না হয়। এই রুমে বাচ্চার প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়া বাড়তি কিছু না রাখার চেষ্টা করবেন। বাচ্চার বয়স অনুযায়ী হবে তার পড়ার টেবিল-চেয়ার। বাচ্চারদের কাপড় যেহেতু ছোট এবং সংখ্যায় বেশি, তাই তাদের আলমারিতে ড্রয়ার বেশি রাখা উচিত।
- সম্ভব হলে রুমের একটা দেয়াল বাচ্চার জন্য ফাঁকা রাখবেন। তাতে থাকতে পারে বিভিন্ন কার্টুন অথবা কোনো কাল্পনিক চরিত্র, রংধনু, পাহাড়-পর্বত অথবা সাগরতলের কোনো দৃশ্য আঁকা।
- আর একটা বিষয়, আমরা বাচ্চাদের প্রায়ই বকাঝকা করি দেয়ালে আঁকাআঁকি করার জন্য, যা মোটেও ঠিক নয়। এতে আপনার বাচ্চার প্রতিভা বিকাশের অন্তরায় হবে। তাদের আঁকতে দিন যা ইচ্ছে তা-ই। বরং প্রশংসা করুন। একটা বয়সে সে নিজেই বুঝতে পারবে। দেয়ালে দিতে পারেন বাচ্চার বা আপনার পছন্দসই কোনো রং। জানালায় দিতে পারেন রংবেরঙের পর্দা। পুরো ফ্ল্যাটে টাইলস তো থাকবেই, এই রুমে আপনি দিতে পারেন আর্টিফিশিয়াল ফ্লোর বা উডেন ফ্লোর অথবা আরামদায়ক কোনো ফ্লোর ম্যাট।
কিচেন/রান্নাঘর
- বাসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এটি। বেশির ভাগ ছোট ফ্ল্যাটের রান্নাঘরগুলো হয় প্রয়োজনের তুলনায় আরও ছোট। তাই সিন্ক, বার্নার আর কাটিংয়ের জায়গা ছাড়া আর কোথাও কোনো ঢালাইয়ের স্ল্যাব রাখবেন না। ফ্ল্যাট বুকিং দেওয়ার সময়ই এই বিষয়টি আপনার ডেভেলপারকে জানিয়ে দেবেন। এতে পরে ভাঙাভাঙির ঝামেলা এড়াতে পারবেন। স্ল্যাবের ওপর টাইলসের চেয়ে ভালো হয় আপনি যদি মার্বেল অথবা গ্রানাইট পাথর দিতে পারেন। খরচ একটু বেশি পড়লেও সব দিক বিবেচনায় সাশ্রয়ী। বাজেট বেশি না থাকলেও আপনি অনায়াসে গ্রিন মার্বেল কিনতে পারেন। জায়গা যেহেতু কম, তাই খুব বেশি খরচের ভয় নেই।
- কাজের সুবিধার্থে আর দেখার সৌন্দর্য যেটাই বলুন, কিচেনে কেবিনেট করাটা এখন খুব স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিচেন কেবিনেটের ম্যাটেরিয়াল বাছাই করবেন ভেবেচিন্তে। যেহেতু আমাদের দেশের আবহাওয়া আর খাদ্যাভ্যাস ভিন্ন, তাই সব দিক বিবেচনায় মেলামাইন বোর্ড এখানে ব্যবহার করাটা যুক্তিযুক্ত। এটি সহজে যেমন পরিষ্কার করা যায়, তেমনি দামেও সাশ্রয়ী। বাজারে ৮-১০ রঙের বোর্ড পাওয়া যায়। অন্যান্য ঘরের ফার্নিচারের সঙ্গে মিলিয়ে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন।
- অনেকেই এই বোর্ড সম্পর্কে বিরূপ ধারণা পোষণ করেন। তবে আপনি যদি একটু সচেতন হন, তবে এটি খুব ভালোভাবেই নিতে পারবেন। দক্ষ মিস্ত্রি, ভালো এক্সেসরিজ আর আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজাইন এটাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে।
- কিচেনে আরও একটি ম্যাটেরিয়াল আপনি ব্যবহার করতে পারেন আর তা হলো পিভিসি বোর্ড বা প্লাস্টিক উড। এটি দামে প্রায় দ্বিগুণ, তার ওপর ডুকো পেইন্ট ছাড়া এর ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদি হয় না।
- কিচেনে আপনি যে ম্যাটেরিয়ালই ব্যবহার করেন না কেন, দুটি জিনিস অবশ্যই আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। আর তা হলো একজস্ট ফ্যান আর কুকার হুড। একজস্ট ফ্যান আপনার রান্নাঘরের গরম বাতাস বের করে দেবে আর কুকার হুড আপনার রান্নায় ব্যবহৃত মসলা আর রান্নার ধোঁয়া বের করে কেবিনেটকে রাখবে ফ্রেশ। আপনি ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন ভালো মানের কুকার হুড।
- আজকাল বাজারে নতুন ধরনের কিছু চুলাও পাবেন, যা কিনা সিঙ্কের মতো স্ল্যাব কেটে বসানো যায়। এগুলো পরিষ্কার করাটাও অনেক সহজ। তবে এই চুলা বসাতে চাইলে কিচেনে যখন স্ল্যাব ঢালাই হবে, তখনই মিস্ত্রিদের এর মাপটা জানিয়ে দিতে হবে, অনেকটা সিঙ্কের মতো।
প্রকাশকাল: বন্ধন, ৬৬তম সংখ্যা, অক্টোবর ২০১৫