বাড়িতে কাটানো সময়টুকু একান্তই ব্যক্তিগত এবং সেই সময়টা বাড়ির সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই ভালো। বাড়ির ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা অনেকটাই এ রকম। বাড়ির অন্দরসাজ প্ল্যানের দায়িত্ব ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের ওপর ছেড়ে দিলেও মূলত যাঁরা বাড়িতে থাকেন, তাঁদের মতামতের গুরুত্ব অনেকখানি। কারণ, তাঁদের ভালো লাগা না-লাগাগুলো বাইরের লোকের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। আসবাব থেকে দেয়ালের রং, কুশন কভার কিংবা পর্দাÑ সবকিছু নির্বাচন করুন পুরো বাড়ির কনসেপ্ট অথবা থিমকে মাথায় রেখে। বাজারে কাঠ, বেত, বাঁশ, স্টিল বিভিন্ন ধরনের আসবাব পাওয়া যায়। তার মধ্যে রট আয়রন জনপ্রিয়তায় এদের থেকে পিছিয়ে নেই।
রট আয়রনের আসবাব মূলত এমএস প্লেইন রট দিয়ে তৈরি। মেটাল বক্স, পাইপ, রাইন্ড বিভিন্ন ধরনের জিনিস রট আয়রনের আসবাবে ব্যবহার করা হয়। আর এসব আসবাবে এনামেল পেইন্ট অথবা হিট পেইন্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হিট পেইন্টের খরচ একটু বেশি হলেও এটা দীর্ঘস্থায়ী। বাড়ির রেলিং থেকে শুরু করে জানালার গ্রিল, বেড, সোফা, ডাইনিং টেবিল, পার্টিশন, দোলনা, আয়না, ক্যান্ডেল স্ট্যান্ড, ডেকোরেটিভ শো পিসÑ যেকোনো ধরনের রট আয়রনের আসবাব আপনার বাড়ির অন্দরসাজে তৈরি করতে পারে নতুন গল্প।
যেকোনো বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাটের অন্দরসাজের শুরুতেই ভাবা দরকার কোন কোন উপাদান সহজে পাওয়া যাবে। খুব সাধারণ জিনিসেও কিন্তু অন্দরসাজে তৈরি করতে পারেন নতুনত্ব। আসবাব বলতে কাঠের বিকল্প আর কিছু নেই। কিন্তু দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে ঝুঁকে পড়ছে অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি আসবাবের দিকে। তাই বিভিন্ন ধরনের উপাদানের সঙ্গে রট আয়রনকে মিশ্রণ করে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক আসবাব। যেমন- কাঠ, বেত, বাঁশ, পারটেক্স বোর্ড সব ধরনের মেটেরিয়ালের সঙ্গে রট আয়রনের মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ আসবাবে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। নতুন বিবাহিত দম্পতিদের জন্য রট আয়রনের আসবাব খুব ভালো একটা উদাহরণ। কারণ, এটা একটা রোমান্টিক মুড তৈরি করে। শুধু বাড়িতেই নয়, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, হসপিটাল, রেস্টুরেন্টÑ সব জায়গাতেই আজকাল রট আয়রনের আসবাব ব্যবহার করা হয়। রট আয়রনের আসবাব দীর্ঘস্থায়ী, বলতে গেলে লাইফটাইম। গার্ডেন ফার্নিচার হিসেবেও রট আয়রনের আসবাবের তুলনা হয় না।
টেরাকোটা
ছিমছাম অন্দরসাজই ফুটিয়ে তোলে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের দক্ষতা। আপনার বাড়ির অন্দরসাজে টেরাকোটার ব্যবহার একটা বিশেষ স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে পারে। কোন ধরনের টেরাকোটা আপনার পছন্দ, বাড়ির পুরো অন্দরসাজের সঙ্গে কোনটা মানাবে, ব্যবহারিক দিক থেকে কোনটা বেশি সুবিধাÑ এসব হাজারো জিনিস মাথায় রেখে ঠিক করুন আপনার বাড়ির ডিজাইন কনসেপ্ট বা থিম। আমরা ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র দুটোর ক্ষেত্রেই টেরাকোটা ব্যবহার করতে পারি। সাধারণত টেরাকোটা আমরা একটা দেয়ালের ইন্টেরিয়রকে হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করে থাকি। এক্সটেরিয়রের ক্ষেত্রে বাড়ির প্রবেশপথের পাশের দেয়ালকে বেশি মূল্যায়ন করা হয় এবং ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রে বসার ঘরকে। এখন টেরাকোটার ডিজাইন নিয়ে নানার রকম চিন্তাভাবনা, এক্সপেরিমেন্ট হচ্ছে এবং একই সঙ্গে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ। অনেক বাড়িতে ঢুকলেই চোখে পড়ে লিভিংরুমে ওয়ালে রঙের পাশাপাশি টেরাকোটার ব্যবহার। মাটির টেরাকোটার সঙ্গে কাঠ, পিতল, তামার ব্যবহার যেন প্রকাশ করে আভিজাত্যের ছোঁয়া, সঙ্গে নান্দনিকতা এবং শৈল্পিকতা তো আছেই। যেহেতু বেশির ভাগ সময়ই টেরাকোটার রং একটু লালচে হয়, তাই দেয়ালের রং নির্বাচন করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। দেয়ালে হালকা রং করালে ভালো আর যদি গাঢ় রং করান তাহলে এমন রং নির্বাচন করুন, যাতে টেরাকোটার চেয়ে দেয়ালের রঙের প্রাধান্য বেশি না হয়।
আজকাল বাজারে গ্লসি এবং ম্যাট দুই ধরনের টেরাকোটাই পাওয়া যায়। জিওমেট্রিক শেপ থেকে শুরু করে লোকজ ডিজাইন চলে আসছে এই টেরাকোটাতে। আপনার বাড়ির ডিজাইন থিম বা কনসেপ্টের ওপর নির্ভর করবে সে ক্ষেত্রে কী ধরনের প্যাটার্ন আপনি নির্বাচন করবেন। যেহেতু টেরাকোটা একটু সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। তাই আপনি পুরো দেয়ালে না লাগিয়ে একটা নির্দিষ্ট অংশ এবং শেপ চিন্তা করে টেরাকোটা লাগাতে পারেন দেয়ালে। যদি আপনার ফ্লোর হাইটটা বেশি থাকে, তাহলে হরাইজেন্টাল এবং ফো¬র হাইট কম থাকলে ভার্টিকেলি লাগান। সাধারণত আজিজ সুপার মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডে কিছু দোকান রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের টেরাকোটা পাওয়া যায়। তা ছাড়া যারা টেরাকোটার কাজ করে, তাদের কাছে অর্ডার দিয়েও আপনি আপনার পছন্দের টেরাকোটা করিয়ে নিতে পারেন। এই টেরাকোটাগুলো তৈরি করতে সাধারণত ২০ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। সময়টা অনেকটা নির্ভর করে কাজের ভলিউম ও ডিজাইনের ওপর। যেসব টেরাকোটা হাতে কেটে করা হয়, সেসব টেরাকোটা করতে একটু বেশি সময় লাগে। টেরাকোটার দাম নির্ভর করে এর ডিজাইনের ওপর। সাধারণত এক হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত দাম হয়ে থাকে পার এসএফটি টেরাকোটা। অনেক সময় এর চেয়ে বেশিও হয়।
পেইন্টিং
প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার মধ্যে একটু রঙের ছোঁয়া, একটু ভালো লাগা, জীবন আর শিল্প মিলেমিশে একাকার। পোশাক থেকে অন্দরসাজ- সর্বত্রই বজায় রাখা যায় এই লাইফস্টাইল। শিল্প তো জীবনবিচ্ছিন্ন নয়। জীবন থেকে উৎসারিত কিংবা জীবনকে ঘিরে জীবন অতিক্রান্ত কোনো ভাবনা। আমাদের চলার পথের প্রতিটি মুহূর্তে শিল্পের ছোঁয়া, সুন্দরের ছোঁয়া আমরা অনুভব করতে চাই। আমাদের সাজপোশাক, খাওয়াদাওয়া, ঘর সাজানো, উপহাররীতিÑ সবকিছুর মধ্যেই যদি নান্দনিক বোধের উপলব্ধি থাকে, তবেই তো শিল্পের সার্থকতা। এক কথায় আমাদের দৈননিন্দ জীবনযাপন বা লাইফস্টাইলে শৈল্পিক রুচির পরিচয়েই পরিশীলিত মনের প্রকাশ। শিল্পকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে জীবনকে কারুকার্যমণ্ডিত করে তোলার এই ইনস্পিরেশন দেখতে পাওয়া যায় শিল্পীর তুলির টানে। শিল্পায়নের নানা আয়োজন দৈনন্দিন জীবনকে শিল্পের আঙিনায় এনে ফেলেছেন শিল্পীরা। অন্দরসজ্জায় নান্দনিকতায় বিরাট ভূমিকা রাখে পেইটিং।
শিল্প প্রয়োগের কোনো বাধাধরা নিয়ম আসলে নেই। ঘর সাজানোই বলুন কিংবা পোশাক-পরিচ্ছদÑ সর্বত্রই চলতে পারে ইনোভেশন, ইমপ্রুভমেন্ট ও ইন্টারপ্রেটেশন। আপনার ছোট্ট এক চিলতে ফ্ল্যাটই হোক কিংবা ডুপ্লেক্স, প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন আপনার অন্দরসাজের হাজারো জিনিস। তার মধ্যে পেইন্টিং দিয়ে নতুন ভূমিকায় আপনার অন্দরসাজে রূপান্তর ঘটাতে পারেন। সাধারণত ঘরের সব জায়গাতেই দেয়ালে পেইন্টিং টাঙাতে পারেন। বসার ঘর, লবি, ফয়ার, বেডরুম, সিঁড়ির দেয়ালের পেইন্টিং নির্বাচন করার সময় সেই জায়গাটার থিমকে মাথায় রাখুন। যে দেয়ালে পেইন্টিং টাঙাবেন সেই দেয়ালে স্পট লাইটে আলোর ব্যবস্থা যদি থাকে তাহলে খুব ভালো হয়। কালারফুল পেইন্টিংয়ের ওপর আলোর খেলা রহস্যময় পরিবেশের সৃষ্টি করে। দেয়াল যদি বড় হয় সে ক্ষেত্রে বড় সাইজের একটা পেইন্টিং অথবা তিনটা পেইন্টিংয়ের কম্পোজিশনে সাজাতে পারেন। সিঁড়ির কোনো কর্নারে যদি পেইন্টিং লাগাতে চান, তাহলে তার নিচে নানা রকম পটারি, গাছপালা, অথবা ভাস্কর্য দিয়ে সাজাতে পারেন। কর্নার ঘরে সোফার ওপর অথবা কোনো কনসোল টেবিলের ওপরের অংশের দেয়ালে পেইন্টিং রাখুন। বেডরুমের বেডের মাথার কাছে যদি দেয়াল খালি থাকে তাহলে সেখানেও টাঙিয়ে দিতে পারেন আপনার পছন্দসই পেইন্টিং। আজকাল বাজারে তেলরং, জলরং, গ্লাস আর্টের বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং পাওয়া যায়। আর যদি কোনো নামকরা শিল্পীর আর্ট ঘরে রাখতে চান সে ক্ষেত্রে অর্ডার দিয়ে আপনার পছন্দের থিম অনুযায়ী পেইন্টিং করিয়ে নিন। সেটা অবশ্য একটু ব্যয়বহুলও। শুধু ভালো লাগার ঘর সাজানোর জিনিস নয়, একটু চেষ্টা করলেই একটা পুরো বাড়ির কনসেপ্টেও ক্রিয়েট করা যায় এই পেইন্টিং দিয়ে।
আয়না
নিজের অবয়ব দেখতে আয়নার গুরুত্ব অপরিসীম। নিজের চেহারার গড়ন সম্পর্কে প্রত্যেকেই অবগত হলেও আয়নায় নিজেকে দু-তিনবার দেখা যেন প্রতিদিনের কাজ। তবে অন্যকে সাজাতে ব্যবহৃত এই আয়নাটি কখনো নিজেই সেজে ওঠে ঘরের কোনো দেয়ালজুড়ে। একটি নান্দনিক আয়না পাল্টে দিতে পারে ঘরের গুমোট পরিবেশকে।
কোন ঘরে কী ধরনের এবং কীভাবে আয়না ব্যবহার করবেন, তা অনেকেই হয়তো জানেন না। আজকাল ঘর সাজানোর অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে আয়নার ব্যবহার হচ্ছে। তবে আয়নাটা ঘরের কোণে রাখার সময় অথবা দেয়ালে টাঙানোর আগে মনে রাখতে হবে, তা কোন ঘরের জন্য লাগানো হচ্ছে। ওই ঘরে কোন বয়সের লোক থাকবে, ঘরের আসবাবের রং কেমনÑ এ সবকিছুর ওপর নির্ভর করবে কোন ধরনের আয়না সেখানে ব্যাবহার করা হবে। ঘরের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় আয়না লাগানো যেতে পারে। তবে ঠিক বাড়িতে ঢোকার মুখে আয়না না লাগানোই ভালো। এতে ঘরে ঢুকতে যাওয়ার সময় হঠাৎ নিজের অবয়ব দেখে অনেকেরই চমকে ওঠার আশঙ্কা থাকে। তাই আয়নাটা সরাসরি সামনের দেয়ালে না লাগিয়ে পাশের দেয়ালে লাগাতে পারেন। প্রবেশপথে ঢোকার পথে এক ঝলক আপনি নিজেকে একটু গুছিয়ে যেমন নিতে পারবেন, তেমন বাড়িতে আসা অতিথিরাও পারবেন। সেই ক্ষেত্রে আয়নাটি একটু বড় এবং লম্বাটে ধরনের হতে হবে। কনসোল টেবিলের ওপরও আয়না দিয়ে সাজাতে পারেন আপনার অন্দরের লবি অথবা ফয়ারকে।
আয়নার ওপর ফলস সিলিং থেকেও লাইট ফেলতে পারেন অথবা লাগিয়ে দিতে পারেন ডেকোরেটিভ কোনো লাইট। সিঁড়িকোটায় লাগাতে পারেন কাঠ, রট আয়রন কাগজ, তামা, পিতল, মাটির ফ্রেমে তৈরি করা কোনো আয়না। বসার ঘর বা খাবার ঘরের জন্য ব্যবহৃত আয়নাগুলো গোল, লম্বাটে, আয়তাকার বা ত্রিকোনা ইত্যাদি যেকোনো আকারের হতে পারে। সাধারণত এই আয়নাগুলো কারুকার্যখচিত বা হ্যান্ডপেইন্টের হলেই ভালো। ঘরের রং যদি কালচে ধরনের হয়, সে ক্ষেত্রে আয়নার ফ্রেমটা উজ্জ্বল বর্ণের হলে দেয়ালে ভালো ফুটে উঠবে। বসার ঘরের আয়নায় কাঠের সঙ্গে পিতল বা তামার ব্যবহার হলে বেশি নান্দনিক লাগে। রুম যদি ছোট হয় তখন একটা দেয়ালজুড়ে বড় আয়না অথবা ছোট ছোট তিন-চারটা আয়না লাগালে রুমটা বড় দেখাবে। বসার ঘরটা বেশি বড় দেখাতে চাইলে জানালার বিপরীত দিকে আয়না লাগালে আলোর প্রতিফলনে ঘরটা আরও উজ্জ্বল ও বড় মনে হবে।
খাবারঘরে একাধিক আয়না না লাগিয়ে একটা লাগানোই ভালো। বিশেষ করে বেসিনের ওপরে। যদি খাবারঘরটা ছোট হয় তাহলে খাবার টেবিলের সমান্তরালে আয়না ব্যবহার করা যেতে পারে। এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যাওয়ার সময় প্যাসেজে সরু এবং ডেকোরেটিভ আয়না ব্যবহার করতে পারেন। শোবারঘরে আয়না ব্যবহার করতে পারেন কয়েকভাবে। শোবারঘরের আলমারির পাল্লায় বড় আয়না লাগাতে পারেন। এতে যেমন ঘরটা বড় দেখাবে, তেমন ড্রেসিং টেবিলের অভাবটাও অনেকটা পূরণ করে দেবে। এ ছাড়া যে দেয়ালটা খালি থাকবে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের আয়না লাগানো যেতে পারে। তা ছাড়া বড় ফ্রেমে আয়না বানিয়ে সাঁটিয়ে দিতে পারেন দেয়ালে। এতে করে পূর্ণ অবয়ব দেখার সুবিধা থাকে। আজকাল বাড়িগুলোতে পিলার দেখা যায়। পিলারগুলোকেও নান্দনিকভাবে সাজাতে পারেন আয়না দিয়ে। তা ছাড়া বাথরুমের জন্য আজকাল বিভিন্ন আকৃতির এবং ডিজাইনের আয়না বাজারে পাওয়া যায়। সেগুলোকে বাথরুমের আয়তনের সঙ্গে মিল রেখে লাগিয়ে দিতে পারেন দেয়ালে। যেখানেই আয়না লাগান না কেন, লক্ষ রাখবেন যেন আয়নার ওপর পর্যাপ্ত আলো পড়ে। বিভিন্ন ধরনের স্পট লাইট, ব্রাকেট এবং শেড বাড়িয়ে দিতে পারে আয়নার সৌন্দর্য দ্বিগুণ। উপাদান যেটা দিয়েই বানানো হোক না কেন, লক্ষ রাখতে হবে তা যেন ঘরের পরিবেশ ও আসবাবের সঙ্গে মানিয়ে যায়।
ঢাকার বেশ কিছু ফ্যাশন হাউসে অনেক ডেকোরেটিভ আয়না পাওয়া যায়। তার মধ্যে আড়ং, যাত্রা, আইডিয়াস, পিরান উল্লেখযোগ্য। তা ছাড়া ঢাকার নিউমার্কেট, পান্থপথ, আজিজ সুপার মার্কেট, শাহবাগে বিভিন্ন ধরনের আয়না পাওয়া যায়। ডিজাইন ও উপাদানের ওপর নির্ভর করে এগুলোর দাম।
প্রকাশকাল: বন্ধন, ৬১তম সংখ্যা, মে ২০১৫