দুই সিরামিকস কোম্পানীর নান্দনিক পণ্যের বাহার

আবাসকে নান্দনিক সাজে সাজাতে আমাদের কতই না প্রচেষ্টা! স্থপতি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের কাছে গৃহসজ্জা সুন্দর থেকে সুন্দরতর করার আবদারের যেন শেষ নেই। আর্থসামাজিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে বাড়ছে মানুষের জীবনমান ও রুচিবোধ। নগরায়নের চাহিদার দিকে খেয়াল রেখে মিরপুর ও খাদিম সিরামিকস তাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী গৃহপণ্য সম্ভার ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশজুড়ে। সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের পথ পাড়ি দেওয়ার পরও অদ্যাবধি মিরপুর ও খাদিম সিরামিকস দেশীয় নির্মাণসামগ্রীর বাজারে অনন্য স্থান দখল আছে। মিরপুর ও খাদিম সিরামিকস পণ্য সৌন্দর্য ও গুণগতমানে অপ্রতিদ্ব›দ্বী। প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের সূচনালগ্ন থেকেই স্ট্রাকচারলার ক্লে প্রোডাক্ট  তৈরিতে দেশে একচ্ছত্রভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

পণ্যের গুণগতমান উন্নত থেকে উন্নততর করার জন্য ব্যবহার করছে অত্যাধুনিক মাননিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিসমূহ, যার ফলে সম্ভব হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে ক্রেতাদের কাংক্ষিত আস্থা ও মান অর্জন করা। কর্তৃপক্ষ তাদের পণ্যের বহুমাত্রিক নকশা প্রণয়ন ও সেগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে উপস্থাপন করার ওপর সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। ক্রেতারা যাতে নিজেরাই কোম্পানির বিক্রয়কেন্দ্র থেকে তাঁর পছন্দসই পণ্য কিনে কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, সে বিষয়ে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। মিরপুর ও খাদিম সিরামিকসের শক্তি ও সামর্থ্য, এর অনন্যসাধারণ পণ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতাই প্রমাণ দেয়। মিরপুর ও খাদিম সিরামিকস স্বল্প খরচে সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা বিধানে বদ্ধপরিকর। সর্বাধুনিক পণ্য উৎপাদন প্রযুক্তির অধিকারী মিরপুর ও খাদিম সিরামিকস তাদের পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উন্নততর মানদণ্ড অনুসরণ করে, যা কোম্পানি দুটিকে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় সমাদৃত ও পরিচিত করেছে। ঐতিহ্যের সুদৃঢ় আস্থা আর সময়ের সঙ্গে এগিয়ে থাকা উদ্ভাবনী মননশীলতায় প্রতিষ্ঠান দুটির সচেতনতা ও কুশলী উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান দুটির বিকাশকে করেছে ত্বরান্বিত। কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ প্রতিশ্রুতি ও অটুট মনোবল আগামী প্রজন্মকে নিশ্চয়তা দিচ্ছে আরও উন্নততর আবাসস্থলে বসবাসের।

মিরপুর ও খাদিম সিরামিকসের নাম জড়িয়ে আছে দেশীয় ঐতিহাসিক স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে। দেশের ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে যারা দেশের নির্মাণশিল্পকে করছে সমৃদ্ধ। এই প্রতিষ্ঠান দুটির ব্রিকস দিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের বীরত্বগাথা ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় সংসদ ভবনের মতো দেশসেরা স্থাপনা। এরই ধারাবাহিকতায় দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাসমূহ নির্মাণে মিরপুর ও খাদিম সিরামিকসের ব্রিকসের রয়েছে বহুল ব্যবহার। বাংলাদেশের শিল্পজগতের সফল এ প্রতিষ্ঠান দেশে সিরামিক ব্রিকসের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করছে বিদেশেও। মিরপুর সিরামিক ওয়ার্কস লিমিটেড রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ১৯৯৬-৯৭’ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে দেশে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

মিরপুরসিরামিক্স

খাদিম সিরামিকসে ব্রিকসের রকমফের

ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিকস

আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি উন্নতমানের ব্রিকস এটি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুগের নানা প্রয়োজন ও কার্যকারিতার কথা বিবেচনা করে মিরপুর সিরামিকস দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ব্রিকস তৈরি করে আসছে। এসব ব্রিকস ডিজাইন, সাইজ, সহনীয়তা ও স্থায়িত্বে অনন্য। আর সে কারণেই বেশির ভাগ প্রকৌশলী ও স্থপতি নান্দনিক সব স্থাপনা নির্মাণে মিরপুর সিরামিকসের ব্রিকস বেছে নেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিকসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

  • বহুতল ভবনের জন্য এই ব্রিকস গুণে ও মানে সেরা। 
  • বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রি হোল ব্রিকস ক্রমাগতভাবে তাপ শোষণ করে ঘরকে রাখে শীতল।
  • থ্রি হোল ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়ি মজবুত, নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। এটি ভবনের ওজন কমায়।
  • থ্রি হোল ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়ি ভূমিকম্পে বিপদের ঝুঁকি কমিয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
  • থ্রি হোল ব্রিকস দিয়ে তৈরি করা দেয়াল বাইরের শব্দকে ভেতরে প্রবেশে কার্যকরভাবে বাধা দেয়, ফলে বাইরের শব্দদূষণ থেকে দেয় সত্যিকারের সুরক্ষা।

ক্লিংকার পেভিং ব্রিকস

অফিস, বাড়িঘরসহ সব ধরনের স্থাপনা, গ্যারেজ, ওয়াকওয়ে, পুল ডেক কিংবা ভবনের চারপাশে যানবাহনের অধিক চলাচলের উপযুক্ততা আর নান্দনিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে পেভিং ব্রিকস ও টাইলসের জুড়ি নেই। জাতীয় স্মৃতিসৌধ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জাতীয় সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে ক্লিংকার পেভিং ব্রিকস ও টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে। 

পেভিং টাইলস

  • গরমে বা বৃষ্টিতে ঘামে না।
  • দামের তুলনায় এর কার্যকারিতা অনেক বেশি।
  • আকর্ষণীয় রং, ডিজাইন ও শেপের হয়।
  • ভারী যানবাহনের ভারবহনের ক্ষমতাসম্পন্ন।

আর্কিটেকচারাল ওয়াল টাইলস

ভেতর ও বাহির উভয় দেয়ালের নান্দনিক সৌন্দর্য বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে বিভিন্ন শেপ ও চমৎকার ডিজাইনের আর্কিটেকচারাল ওয়াল টাইলস। স্থাপনার নান্দনিক সৌন্দর্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘকাল তা ধরে রাখতে পরিবেশবান্ধব এসব টাইলস অতুলনীয়। উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি ও গুণগতমানে সেরা এসব টাইলস পাওয়া যায় ভিন্ন ভিন্ন আকারে।

আর্কিটেকচারাল ওয়াল টাইলস

  • সিমেন্ট প্লাস্টার ও রঙের খরচ বাঁচায়।
  • রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাড়তি খরচ করতে হয় না।
  • অধিক শক্তি ও দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য এটি উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে তৈরি করা হয়।
  • এক্সটেরিয়র টাইলসে পানি নিরোধক সিলিকন ব্যবহার করা হয়।
  • প্রাকৃতিক রং হওয়ায় সৌন্দর্য অটুট থাকে দীর্ঘদিন।

রুফ টাইলস

বাড়ির ছাদে শান্তির পরশ আনতে এ টাইলসের জুড়ি নেই। স্বপ্নের আবাসটিকে কল্পনার হরেক রঙের তুলির আঁচড়ে সাজাতে অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর পাশাপাশি রয়েছে নজরকাড়া বিভিন্ন আকার, রং ও ডিজাইনের রুফ টাইলস। পরিবেশবান্ধব এসব টাইলস স্থাপনাকে আরামপ্রদ ও শীতল রাখে। লাল, কালো ও বাদামি-ধূসর রঙের অপূর্ব সমন্বয়ে তৈরি পরিবেশবান্ধব এ টাইলস স্থাপনার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।

  • এর রয়েছে নানা ডিজাইন ও রঙের অপূর্ব সমন্বয়।
  • বাড়িয়ে তোলে অন্দরের নান্দনিক সৌন্দর্র্য।
  • মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।
  • তাপ শোষণ করে খুব কম, তাই ঘর থাকে ঠান্ডা।

টাইল এডহেসিভ

খাদিম সিরামিকস জার্মান প্রযুক্তি ও সিঙ্গাপুরস্থ All-Well T & T Ptv Ltd.-এর সহযোগিতায় দেশের সর্ববৃহৎ ‘Ready Mix Mortar Plant’ স্থাপন করেছে। নির্মাণকাজের স্থানে বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে রাজমিস্ত্রির সহায়তায় মর্টার প্রস্তুতের পরিবর্তে, খাদিম টাইল এডহেসিভ ব্যবহার করতে পারেন, মর্টার তৈরিতে যাতে শুধু পানি যোগ করার প্রয়োজন হয়। এভাবে এটি শুধু মূল্যবান শ্রমঘণ্টাই বাঁচায় না, বরং কারখানায় মিশ্রিত লবণমুক্ত মর্টার মিক্সারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অক্ষুন্ন রাখে। টাইল এডহেসিভের রয়েছে সাবলীল ব্যবহারযোগ্যতা। টাইল ও দেয়ালের উপরিভাগের মধ্যে কার্যকর সুদৃঢ় বন্ধন তৈরির জন্য উন্নত গুণাবলির এই মর্টার ঝামেলামুক্ত ও দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য দারুণ উপযোগী। মর্টার তৈরির ক্ষেত্রে স্থপতি ও প্রকৌশলীদের কাছে সর্বাধিক কাংক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য পণ্যে পরিণত হয়েছে খাদিমস টাইল এডহেসিভ।

খাদিম সিরামিকস

তুলনামূলক চিত্র

প্রচলিত বালু ও সিমেন্ট মিশ্রিত প্রযুক্তি           আধুনিক প্রযুক্তিগত খাদিম টাইল এডহেসিভ
দুর্বল বন্ধনী শক্তি।দীর্ঘসময় ধরে কিউরিং করার প্রয়োজন হয়।নমনীয় নয়, অর্থাৎ সংকোচন বা প্রসারণ হয় না।পানি প্রতিরোধক নয়।আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হয় না। অতিমাত্রায় ওজন বাড়ায়।         অধিক বন্ধনী শক্তিকিউরিং করার প্রয়োজন হয় না।নমনীয়, অর্থাৎ সংকোচন বা প্রসারণ হয়।পানি প্রতিরোধক।আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও বহুল ব্যবহৃত।ওজন যথেষ্ট কমায়।

সিরামিকস ব্রিকস ব্যবহারের যত সুবিধা

  • সম্পূর্ণ ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়ি গ্রীষ্মকালে ঠান্ডা ও শীতকালে গরম থাকে। সম্পূর্ণরূপে ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়িতে গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে প্রবেশ করলেও অনুভব করা যায় শীতল পরশ। 
  • সিরামিক ব্রিকস দিয়ে তৈরি দেয়াল ঘনপুঞ্জ তাপ শোষণ করে ধরে রাখে, ফলে বাইরের উত্তাপ ব্রিকের তৈরি দেয়ালের বাধা পেরিয়ে ঘরের অভ্যন্তরে প্রবেশের আগেই তার প্রয়োগিক কার্যক্ষমতা হারায়। 
  • অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় মেশিনে তৈরি, যা ঘরের বহির্ভাগ ও অভ্যন্তরের মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে সর্বাত্মকভাবে তাপ শোষণ করে ঘরকে রাখে শীতল। ঠিক এর বিপরীতে যখন শীতকাল, তীব্র ঠান্ডায় প্রকৃতি যখন হীম হয়ে যায়, তখন তাপমাত্রা কমতে থাকে। 
  • সম্পূর্ণরূপে ব্রিক দিয়ে তৈরি বাড়ির দেয়াল বাইরের তীব্র ঠান্ডাকে নিজের মধ্যে শোষণ করে বাড়ির অভ্যন্তরকে উষ্ণ রাখে। ঘরে বহাল থাকে স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক উষ্ণতা। এ কারণেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সিরামিকস ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়ির চাহিদা বেশি।
  • সিরামিকস ব্রিকস দিয়ে তৈরি বাড়ি শান্তির নীড়, যা একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও প্রকৃতির আবরণে সুরক্ষিত থাকে সব সময় ।  
  • দুই স্তরে ব্রিক দিয়ে তৈরি করা সম্পূর্ণ ব্রিকের দেয়াল বাইরের শব্দকে ভেতরে প্রবেশে কার্যকরভাবে বাধা দেয়। 
  • বাড়ির অভ্যন্তরে ঘর বা ফাঁকা স্থানসমূহের দেয়াল ব্রিক দিয়ে তৈরি করা হলে ঘর বা ফাঁকা স্থানে সৃষ্ট শব্দ দেয়ালের বাইরে ছড়িয়ে পড়ার মাত্রা কমে। সত্যিই যেন কোলাহলপূর্ণ পৃথিবীতে নৈঃশব্দিক নীরবতা।
  • সিরামিকস ব্রিকের তৈরি বাড়ি মজবুত, নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত।  এই ব্রিকের তৈরি বাড়ির মালিকের বিপদের ঝুঁকি কমিয়ে নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে। প্রাকৃতিক স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে বসবাসের সঙ্গে সঙ্গে মজবুত নির্মাণশৈলী ও অগ্নিনিরোধক ব্রিকের কারণে বাসিন্দারা থাকে ভাবনাহীন। কিছু কিছু নির্মাণসামগ্রী থেকে ভিন্ন এই ব্রিকস কোনো ধরনের ক্ষতিকর গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে না।
  • স্থায়ী রং, সাশ্রয়ী রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ নিশ্চিত করে। ক্লে প্রোডাক্টের প্রকৃত ঔজ্জ্বল্য কখনো বিবর্ণ হয় না। সে জন্য তার বহির্ভাগের সৌন্দর্য দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখার জন্য কোনো প্রকার কৃত্রিম রং ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
  • প্রাকৃতিক কাদামাটি ও কোমল শিলা দিয়ে তৈরি। উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানো মাটির ব্রিক দেয় এমন স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, যা আমরা শুধু প্রকৃতিতেই পেতে পারি।
  • স্থিতিস্থাপক ও মজবুত। ক্লে পেভার অন্য সকল পেভিং সামগ্রী থেকে বেশি দিন ধরে তার প্রকৃত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে। সহজেই পরিষ্কার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনঃস্থাপন উপযোগী হওয়ায় ঢেকে রাখা বা বারবার রং করার প্রয়োজন হয় না। সূক্ষ্ম খাঁজবিশিষ্ট সুসান্দ্র ক্লে-পেভারে আছে অতি উচ্চমানে স্খলন (স্লিপ) প্রতিরোধী ব্যবস্থা, যা এটিকে ঢালু পথ, সিঁড়ি, সমতল পথ তৈরির ক্ষেত্রে পরিণত করেছে আদর্শ পণ্যে।

কৃতজ্ঞতা: মিরপুর সিরামিকস ও খাদিম সিরামিকস

প্রকাশকাল: বন্ধন ৫৫ তম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৪

ফারজানা গাজী
+ posts

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top