স্থাপত্যশৈলীর নান্দনিকতম নিদর্শন হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে যে কয়টি স্থাপনা স্বমহিমায় উজ্জ্বল, স্থাপত্যবিদ্যার
ফলিং ওয়াটার, ফ্র্যাঙ্ক লয়েড রাইটের এক অনন্য কীর্তি। বিয়ার রান উপত্যকার ছোট্ট
উড়ন্ত সুপারম্যান; ঝুলন্ত ব্যাটম্যানের মস্তক, কুংফু পান্ডাসহ হলিউডের জনপ্রিয় সব চরিত্রের ভিড়
প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের কথা শুনলেই যেন মনে হয় বিশাল
বিশ্বখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়ামের দাপ্তরিক নাম ‘গ্রেট ল্যুভর’; বিশ্বব্যাপী যা দ্য ল্যুভর নামেই
বর্তমান বিশ্বে ঐতিহাসিক, আয়তনে বৃহৎ আর নান্দনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত চার্চ আছে অনেকই, কিন্তু
মোগল সম্রাট শাহজাহানের অনন্য সৃষ্টি ‘তাজমহল’ অনুপম সৌন্দর্য ও নির্মাণশৈলীর কারণে আজও
১৭২০ থেকে ১৮২০ সালের মধ্যে ইংরেজি ভাষাভাষী দেশগুলোতে যে স্থাপত্যকলা অনুসরণ করে
অধুনা শৌখিন ও ভ্রমণবিলাসীদের কারণে পর্যটনকেন্দ্রের সংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর
দুবাইয়ের শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাক্তুম এমন একধরনের যোগাযোগ মাধ্যমের কথা ভেবেছিলেন