ঘরের দেয়াল, মেঝে, দরজা, জানালা, আসবাব এমনকি পর্দাটাই-বা কেমন হবে তা খুঁজে বের করেন একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। ঘরের দেয়ালের রং, মানানসই আসবাবের ডিজাইন ও রং থেকে শুরু করে স্বল্প পরিসরের জায়গাকে কীভাবে বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে যাবতীয় ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করাটাই ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজ। মানুষ নিজেকে সুন্দর দেখানোর পাশাপাশি নিজের বাসস্থানের ভেতরের সাজসজ্জা বৃদ্ধি করতে চায়।
একসময় ইন্টেরিয়র ডিজাইন বলতে শুধু ঘর গোছানোকে বোঝানো হলেও এখন এর ব্যাপ্তি বেড়েছে। অফিস, আদালত, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টের অন্দর-বাহির সাজিয়ে দিচ্ছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। বর্তমানে ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রয়োজনে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমান সময়ের ইন্টেরিয়র ভাবনা নিয়ে ‘বন্ধন;-এর সঙ্গে কথা বলেছেন এই সময়ের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য ক’জন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাইফুল হক মিঠু
গুলশান নাসরিন চৌধূরী
স্বত্বাধিকারী ও চিফ ডিজাইনার, রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন
গুলশান নাসরিন চৌধূরী বাংলাদেশের প্রতিথযশা একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। তরুণদের ইন্টেরিয়র ডিজাইন হাতে-কলমে শেখাতে প্রতিষ্ঠা করেছেন রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন। তাঁর মতে, ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইন হচ্ছে অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা গৃহস্থালির সাজসজ্জা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির নান্দনিক কাজ।’
একটা সময়ে পরিবারের বড়রা চিন্তাভাবনা করে আসবাব কিনতেন। ঘর সাজাতেন কিন্তু বর্তমানে নানা কারণে তা আর সম্ভব হচ্ছে না। ইন্টেরিয়র ডিজাইনার তাঁর স্বকীয় চিন্তাচেতনা দিয়ে এবং পরিবেশের ওপর নির্ভর করে বসবাসযোগ্য স্থানকে নান্দনিকতার ছোঁয়া দেন। তাঁর সৃজনশীলতা স্থানগুলোকে আরও বেশি সুন্দর করে। শুধু কাক্সিক্ষত ডিজাইন ক্লাইন্টকে বুঝিয়ে দেওয়া একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজ নয়। তিনি অন্দরকে সাজাতে সবকিছুর সার্বক্ষণিক তদারকি করবেন। একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার তাঁর নিজস্ব স্বপ্ন আর কল্পনা দিয়ে নিষ্প্রাণ স্থানকে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারেন। ‘বন্ধন’কে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে নিজের কিছু করার ইচ্ছা ছিল। চেয়েছিলাম যা করব, তাতে যেন থাকে সৃজনশীলতা। এসব চিন্তা থেকেই ইন্টেরিয়রের ওপরে কিছু কোর্স করলাম। চিন্তা করলাম পড়াশোনা শেষ করে বসে না থেকে অন্যদেরও শেখাই।’
তাঁর মতে, ‘একজন ডিজাইনার অফিস ও বাসা-সবকিছু ডিজাইন করেন। সিলিংটা বদলানো, পর্দার রংটা বদলানো, শোপিসটা সরানো বা আসবাবের স্থানান্তর, একটা ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করা। অন্দরে সঠিক স্থানে সঠিক জিনিসটা বসাতে কাজ করেন একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার।
আবদুল্লাহ আল মিরাজ
স্বত্বাধিকারী ও চিফ ডিজাইনার, ডিজাইন কোড ইন্টেরিয়র
২০০৮ সালে ডিজাইন কোড ইন্টেরিয়রের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম থেকেই প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল মিরাজ চাইতেন ক্লাইন্টকে ভালো কিছু দিতে। ক্লাইন্টের সঙ্গে দেখা করা থেকে শুরু করে, ম্যাটেরিয়ালস ঠিক করা, ফার্নিচার কেনা, ফিটিংস করা, শ্রমিকদের দেখভাল এবং সবশেষে স্পেস হ্যান্ডওভার করা পর্যন্ত সব কাজ করেছেন নিজে থেকে। তাঁর মতে, ক্লাইন্টস এখন ওয়ান-স্টপ সল্যুশনস চায়। শুরুতে ইন্টেরিয়র শুধু অফিসের শৌখিনতা থাকলেও ইন্টেরিয়র বর্তমানে প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। আর তাই এখন ঘর, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এমনকি লঞ্চ সাজাতেও ডাক পড়ছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের।
সাধারণভাবে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের খরচ নির্ধারণ করা যায় না। এ কারণে ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্মগুলো ক্লাইন্টসের চাহিদা জেনে ব্যয় হিসাব বের করে ফেলেন। প্রতি বর্গফুট জিপসাম বোর্ডের ফলস সিলিং করতে সর্বনি¤œ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। একটু ডেকোরেটিভ করলে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বড় ফ্লোরে পার্টিশন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত হয় প্রতি বর্গফুটে। ফাইল কেবিনেট প্রতি বর্গফুটে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজাতে বর্তমানে মডার্ন কনসেপ্টই পছন্দ গ্রাহকদের। যেখানে প্রাধান্য পাচ্ছে পাশ্চাত্যের স্টাইল, ব্যবহার করা হচ্ছে বিদেশ থেকে আমদানি করা ম্যাটেরিয়ালস। অনেক গ্রাহকই আবার চাইছেন বাঁশ, কাঠসহ দেশীয় ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করে অন্দর রাঙাতে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা করা এবং মানানসই রঙের ব্যবহার করার মাধ্যমেই স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব ইন্টেরিয়র করা সম্ভব। একটি বাসাকে কম খরচে সাজাতে রঙের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি জিনিস ব্যবহার না করে, অল্প জিনিস ব্যবহার করেই একটি ঘরকে নান্দনিক করা সম্ভব।
মুমানা ইসলাম
স্বত্বাধিকারী ও চিফ ডিজাইনার, এমঅ্যান্ডএস
১৯৯৭ সালে বহুজাতিক কোম্পানি বার্জার ভারতীয় একটি ইনস্টিটিউটের সঙ্গে কোলাবরেশন করে বাংলাদেশে ইন্টেরিয়র কোর্স চালু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্রী মুমানা ইসলাম সেই কোর্সে ভর্তি হন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন এমঅ্যান্ডএস ইন্টেরিয়র ডিজাইন।
নারী এই উদ্যোক্তার মতে, শুধু রংবেরঙের ফার্নিচারের ব্যবহার, রঙের ব্যবহার, জাঁকজমক করাই ইন্টেরিয়র নয়। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ফাংশনটা গুরুত্বপূর্ণ। এখনে ক্লাইন্টের লাইফস্টাইল, চিন্তাচেতনা- সব কিছু মাথায় রেখে ইন্টেরিয়র করতে হয়। বর্তমানে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ডিমান্ড বাড়ছে। মানুষের কাছে এর ভ্যালু বাড়ছে। কমার্শিয়াল স্পেসে এখন ইন্টিরিয়র দরকারি জিনিস হয়ে পড়েছে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন খুব বেশি খরচের কিছু না। এখানে ক্লাইন্টকে সঠিক সিদ্ধান্তটা নিতে হয়। মুমানার মতে, ক্লাইন্ট যদি স্মার্ট হন এবং কম খরচে নিজের স্পেসকে নান্দনিক করতে চান, তাহলে তাঁরা তা পারে। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই তাঁরা ইন্টারনেট থেকে ছবি সংগ্রহ করে না বুঝেই ইন্টেরিয়র করতে চান। তখন প্রোডাক্টের খরচ বাড়ে, এর ফলে ইন্টেরিয়র ডিজাইনও কস্টলি হয়ে পড়ে। বর্তমানে গ্রাহকেরা ভালো সেবা চান। তাঁরা নান্দনিক উপায়ে স্পেসকে সাজাতে চান। মুমানা ইসলাম বলছেন, একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনারকে সাইটের চারপাশের স্পেসের পাশাপাশি ক্লাইন্টের মনোভাব বুঝে নিতে হয়। তাঁকে বুঝতে হয় আসলে ক্লাইন্ট কী চান। ক্লাইন্টের লাইফস্টাইল অনুযায়ী যদি ডিজাইন হয়, তাহলে ডিজাইনটি পরিপূর্ণ হয়।
মুমানা ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশীয় ম্যাটেরিয়ালস কম ব্যবহার করা হলেও দেশীয় পাট, বাঁশ, বেতের চাহিদা বাড়ছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি দেশীয় ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করতে। দেশের ইন্টেরিয়র খাতকে সম্ভাবনার খাত মনে করে তরুণ এই ডিজাইনার বলছেন, বর্তমানে আমাদের এখানে প্রচুর কাজ হচ্ছে। তবে একজন গ্রাহককে জেনে-বুঝেই ইন্টেরিয়র পরিকল্পনা করার পরামর্শ তাঁর। মুমানার মতে, ইন্টেরিয়র ডিজাইনারস কোম্পানির পোর্টফোলিও, অভিজ্ঞতা ও চলমান কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। এতে করে উপকৃত হবেন গ্রাহক।
সাদ ইরশাদ
স্বত্বাধিকারী ও চিফ ডিজাইনার, ক্যাসল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
রং, রেখা, বৃত্ত, জ্যামিতিক জিনিস নিয়ে ছোটবেলা থেকেই প্রবল আগ্রহ ছিল সাদ ইরশাদের। বড় হয়ে গ্রাফিকস ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরু করেন চট্টগ্রামের এই ছেলে। গ্রাফিকস ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে রপ্ত করে ফেলেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনের খুঁটিনাটি। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ক্যাসল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নামের ইন্টেরিয়র ফার্ম। ‘বন্ধন’কে সাদ বলেন, ‘গ্রাফিকস নিয়ে কাজ করতে করতে ভাবলাম সাজসজ্জার এই সেক্টরে নিজেকে যুক্ত করব। আমি ঢাকার বাইরের ছেলে, থাকতাম চট্টগ্রামে। হুট করে একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করব। আজ থেকে ১০ বছর আগে ইন্টেরিয়র ট্রেনিং-বিষয়ক চট্টগ্রামে তেমন কোনো ভালো প্রতিষ্ঠান ছিল না, তাই ঢাকায় আসি। রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন থেকে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে ফারজানা’স বিøসে ইন্টার্নশিপ শেষ করে পুরোদস্তুর ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংকে পেশা হিসেবে নিলাম।’
রুচিবান মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সব মানুষই ইন্টেরিয়র ডিজাইনের গ্রাহক বলে মনে করেন শাদ। তাঁর মতে, মানুষ নিজেকে সুন্দর রাখতে চায়। পাশাপাশি বাসস্থান, ভেতরের সাজসজ্জা, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সবকিছুর ভেতরের ও বাইরের সৌন্দর্য বাড়াতে চায়। মানুষের এই চাওয়ার সাথে সাথে অন্দরের প্রতি ইঞ্চি জায়গার সঠিক ব্যবহার ও অন্দরকে নান্দনিক, আরামদায়ক ও রুচিসম্মতভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। শাদের কাছে ইন্টেরিয়র ডিজাইন হলো স্থানটি ব্যবহার করে মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং আরও নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক পরিবেশ অর্জনের জন্য একটি বাড়ির অভ্যন্তরীণ বাড়ানোর শিল্প ও বিজ্ঞান।
একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার মূলত অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যবর্ধনে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ঘরের বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের দেয়ালের রং, মানানসই আসবাবের ডিজাইন ও রং থেকে শুরু করে স্বল্প পরিসরের জায়গাকে কীভাবে বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সর্বোপরি একটি অন্দরের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ও মানুষের রুচি-চাহিদাকে সমন্বয় করে যাবতীয় ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করাটাই ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজ। এখানে ছোট ছোট প্রতিটি জিনিস ডিজাইনারের মাথায় থাকতে হয়। ঘরের লাইটিং কেমন হবে, ফার্নিচার কোথায় বসবে, ফার্নিচারের ডিজাইন কেমন হবে, কোথায় কোন রং ব্যবহার করলে মানাবে, এমনকি তাঁকে আবহাওয়া ও পরিবেশ নিয়েও ভাবতে হয়। এর পাশাপাশি ম্যাটেরিয়ালস সম্পর্কেও ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের স্বচ্ছ ধারণা থাকা চাই।
বর্তমানে বিদেশি ম্যাটেরিয়ালসের পাশাপাশি দেশি ম্যাটেরিয়ালসের ব্যবহার বেড়েছে। এখন ডিজাইনাররা চেষ্টা করছেন পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করতে। দেশি ম্যাটেরিয়ালস এখন ব্যবহার হচ্ছে কম। তবে কাঠ ও বাঁশের কাঁচামাল দ্বারা বানানো ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে কোম্পানিগুলো পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনে ঝুঁকছে। তাই এর ব্যবহারও বাড়ছে। এভাবে সব কোম্পানি যদি এগিয়ে আসে নিকট ভবিষ্যতে প্রায় ৯৫ শতাংশ পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার সম্ভব হবে।
একজন গ্রাহক মূলত কম বাজেটে নান্দনিক ডিজাইন এবং মানসম্মত ম্যাটেরিয়ালস চান। আর গ্রাহকের চাহিদা ও মানসম্মত ইন্টেরিয়র করতে গেলে পারিপার্শ্বিক পরিবেশে নজর দিতে হয়। নান্দনিকতা এবং ডিজাইনটি গ্রাহকের জন্য আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত হচ্ছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।
অফিস বা বাসার ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের খরচ অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। যেমন, বাড়ি বা অফিসটি কী রকম, স্থানটির আয়তন কত, ক্লায়েন্টের চাহিদা কেমন, বিশেষ করে কোন কোন ম্যাটেরিয়ালে কাজ হবে। সাধারণভাবে কয়েকটি ভিন্ন পদ্ধতিতে ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা তাঁর পরিষেবার মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। এর মধ্যে প্রতি বর্গফুটের হিসাবে, সামগ্রিক খরচের ওপর শতকরা হারে, ব্যবহৃত সামগ্রীর ওপর মার্জিন রেখে, সামগ্রিক পরিষেবার জন্য একটি থোক টাকা থাকে।
অনেক টাকা খরচ না করেই কিন্তু লাইট, ওয়াল পেপার এবং বিশেষ করে লোকজ উপকরণ ব্যবহার করে অল্প খরচে অন্দরসজ্জা করা যায়। ইন্টেরিয়র সেবা পেতে একজন গ্রাহক ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও ইন্টেরিয়র ফার্ম আছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ইন্টেরিয়র করালে গ্রাহক উপকৃত হবে।
প্রকাশকালঃ বন্ধন, ১২৪তম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০২০