একই ঘরে দরকার একাধিক বিছানা। কিন্তু জায়গা স্বল্পতাহেতু ইচ্ছা থাকলেও এ ব্যবস্থা করা যায় না। তবে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করা যেতে পারে দ্বিতল বিছানা তথা বাঙ্ক বেড।
বাঙ্ক বেড কী?
এমন একটি বিছানা, যার ওপরে একজন এবং নিচে অপরজন থাকতে পারবে। তবে বিছানার আকার বড় হলে আরও বেশিসংখ্যক লোক বাস করতে পারবে। অর্থাৎ, দোতলা বিছানায় নিচে এবং ওপরে একটি করে বিছানা থাকে। ওপরের অংশটি রেলিং দিয়ে ঘেরা। ওঠানামার জন্য রয়েছে একটি ফাঁকা জায়গা।
একটি ছোট রুমে একাধিক বাচ্চা থাকার সব থেকে ভালো উপায় বাঙ্ক বেড। অর্থাৎ, কম জায়গায় অধিকসংখ্যক লোকের থাকার ব্যবস্থাই হচ্ছে এ বিছানার সুবিধা। এ বিষয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ফারজানাস ব্লিস-এর সিইও ফারজানা গাজী বলেন, ‘বড় পরিবারের জন্য প্রয়োজন একটু বেশি জায়গার। বর্তমানে রাজধানীর ফ্ল্যাটগুলোতে জায়গা এত কম, যা যৌথ পরিবারের জন্য সমস্যার। এই সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করা যেতে পারে স্বল্পমূল্যের আধুনিক এই বাঙ্ক বেড।’
যাদের জন্য
একই পরিবারে একাধিক বাচ্চা থাকলে প্রয়োজন একটু বেশি জায়গার। রয়েছে স্থানসংকুলানের বিশেষ সংকটও। বিশেষ করে রাজধানীর ফ্ল্যাটগুলোতে একই পরিবারের সবাইকে নিয়ে থাকতে হলে জায়গার সংকটটা প্রধান হয়ে ওঠে। এসব সংকট মেটাতে বাচ্চাদের সুবিধার্থে ব্যবহার করা যেতে পারে বাঙ্ক বেড। এ ছাড়া কলেজপড়–য়া শিক্ষার্থীদের শোবার ঘর, হোস্টেলের বিছানা হিসেবে এর ব্যবহার সুবিধাজনক।
বাঙ্ক বেডের যত সুবিধা
বাঙ্ক বেডের সবচে বড় সুবিধা কম জায়গায় প্রয়োজন মেটানো যায়। এ ছাড়া বিছানার নিচের দিকে থাকে স্টোরিং ব্যবস্থা। এতে বাচ্চাদের কাপড় রাখা যেতে পারে। আবার শিক্ষার্থীরা তাদের বই-খাতা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র স্টোর করে রাখতে পারে। এ ছাড়া বাঙ্ক বেডের সঙ্গে যুক্ত রাখা যেতে পারে একটি টেবিল। যাতে বাচ্চারা এটিকে গেমিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য এমনিতেই প্রয়োজন হয় টেবিলের। ইচ্ছা হলেই এ বেডের সঙ্গে টেবিল লাগিয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার রাখার কাজেও ব্যবহার করতে পারে টেবিলটি।
অবস্থানভেদে বাঙ্ক বেড
রুমের মধ্যে বাঙ্ক বেড রাখার সময় যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো বেডটা যেন দেয়ালঘেঁষে রাখা হয়। আবার ফোকাল পয়েন্টে রাখা যেতে পারে এ ধরনের বেড।
আকার-আকৃতি
একটি স্ট্যান্ডার্ড দোতলা বিছানার ওপর ও নিচের অংশ সমান হয়। বয়স্ক অথবা স্কুল শিক্ষার্থীর বিছানার আকার হবে দৈর্ঘ্যে ৩৯ ইঞ্চি প্রস্থে ৭৫ ইঞ্চি। ছোট বাচ্চাদের জন্য বিছানার আকার দৈর্ঘ্যে ৩৬ ইঞ্চি এবং প্রস্থে ৭৫ ইঞ্চি। অর্থাৎ, চওড়ায় দুই থেকে তিন ফুট এবং উচ্চতায় পাঁচ থেকে ছয় ফুট বা সাড়ে ছয় ফুট হয়ে থাকে। তবে চাহিদা অনুযায়ী এর আকার কম বা বেশি করা যায়।
যা দিয়ে তৈরি
দোতলা বিছানা তৈরি করা যেতে পারে কাঠ, বোর্ড, বেত, লোহা কিংবা রড ব্যবহার করে। তবে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য মেহগনি কাঠ বা অন্যান্য মজবুত কাঠ ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োজনমতো অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যাবে।
রঙের ব্যবহার
বাঙ্ক বেড রং করার সময় ঘরের দেয়ালের রং মিলিয়ে রং করতে হবে। দেয়ালে যদি সাদা রং থাকে, তবে খাটের সঙ্গে মিলিয়ে অ্যাশ কালার ব্যবহার করা যেতে পারে। আবার সাদা ও গোলাপি রং থাকতে পারে। এ ছাড়া কাঁঠালি রংসহ পছন্দনীয় রং ব্যবহার করা যেতে পারে বাঙ্ক বেডের নান্দনিকতায়।
সাবধানতা
রুমে বাঙ্ক বেড ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো সিলিং ফ্যানের ব্যবহারে সতর্কতা। নিরাপত্তার জন্য খাট থেকে একটু দূরে ফ্যান লাগাতে হবে। এ ছাড়া বাঙ্ক বেডে রেলিং দিতে হবে। ওপরের অংশে একটু জায়গা থাকবে ওঠানামার জন্য। এ ছাড়া ওঠানামার সিঁড়িটা যেন মজবুত হয় খেয়াল রাখতে হবে সেদিকেও।
দরদাম ও প্রাপ্তিস্থান
বাঙ্ক বেড তৈরির উপাদানের ওপর নির্ভর করে এর দরদাম। কাঠ কিংবা রডের বাঙ্ক বেডের তুলনায় বেতের তৈরি বাঙ্ক বেডের দাম একটু কম। সাত হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৬০ হাজার টাকার বাঙ্ক বেড পাওয়া যায়।
রাজধানীর মিরপুর, ধানমন্ডি, কাওরানবাজার, গুলশানের অটবি, হাতিলসহ অন্যান্য ফার্নিচার বিক্রয়কেন্দ্রে বাঙ্ক বেড পাওয়া যায়।
তানজিনা আফরিন ইভা
প্রকাশকাল: বন্ধন ৪১ তম সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৩
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz
- Mahfuz